০৯:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে আফগান অভিবাসীদের তথ্য সংগ্রহ ঘিরে নতুন উদ্বেগ, জোরালো হচ্ছে বিতর্ক যুক্তরাষ্ট্রে কমছে সহিংস অপরাধ, স্বস্তি ফিরছে শহরগুলোতে সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদ ও সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রে সুপারমার্কেটের সামনে গাড়িচাপায় ৮২ বছরের নারী নিহত, বিচারের দাবিতে পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, দেশে প্রাণহানি বেড়ে ৪৩ সিলেটে গাছ থেকে তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে তদন্ত মুম্বাইয়ের গল্পে গুলজারের ৭৬ বছর: যে শহর এক কিশোর অভিবাসীকে কবি বানিয়েছে পাঁচ বইয়ে পাঁচ ভুবনের যাত্রা, ইতিহাস থেকে ভবিষ্যৎ—পাঠকের জন্য নতুন পাঁচ ঠিকানা সৌদি আরবকে পরমাণু জ্বালানি সমৃদ্ধকরণে ছাড়, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রশ্ন—‘আমাদের নয় কেন?’ ছোট ফ্ল্যাটে বড় স্বপ্ন, অবসরে ঘর সাজাতে লাখ লাখ টাকা খরচ

গ্যাস সংকট আরও তীব্র, ঢাকার লাখো চুলায় আগুন জ্বলছে না

ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় গ্যাসের সংকট আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। দিনের পর দিন কমে যাচ্ছে গ্যাসের চাপ। কোথাও চুলায় আগুন জ্বলছে না, আবার কোথাও সামান্য আগুনে রান্না করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলো।

কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান গ্যাস সংরক্ষণ ও পুনঃগ্যাসীকরণ স্থাপনায় আগুন লাগার পর থেকেই সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। গত ২১ জুলাই আগুনে স্থাপনাটির দুটি বয়লারের একটিতে ক্ষতি হয়। এরপর সেটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

চাহিদার তুলনায় গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি

দেশে গত এক বছরে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সংকটে সেই সরবরাহ নেমে এসেছে ২ হাজার ১৫০ মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে।

অন্যদিকে দেশের দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে তৈরি হয়েছে বিশাল ব্যবধান। এই ঘাটতির সরাসরি প্রভাব পড়েছে রাজধানীর বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ, পরিবহন ও শিল্প খাতে।

রান্নাঘরে সবচেয়ে বড় দুর্ভোগ

ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় দিনের পর দিন গ্যাসের চাপ প্রায় শূন্যের কাছাকাছি থাকছে। কোথাও আবার মাঝেমধ্যে অল্প সময়ের জন্য গ্যাস এলেও তা দিয়ে ঠিকমতো রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না।

মোহাম্মদপুর, কলাবাগান, কাফরুল, কাজীপাড়া, পশ্চিম তেজতুরী বাজার, মিরপুর, রামপুরা ও বাড্ডার মতো এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘ সময় ধরে এই সমস্যায় ভুগছেন। অনেক পরিবারের চুলা কয়েক দিন ধরে কার্যত বন্ধ।

গ্যাস না থাকায় নিম্নআয়ের অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে মাটির তৈরি অস্থায়ী চুলা বানিয়ে জ্বালানি কাঠ দিয়ে রান্না করছেন। যাদের সামর্থ্য রয়েছে, তারা বৈদ্যুতিক চুলা কিংবা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের সিলিন্ডার ব্যবহার করছেন। এতে প্রতিদিনের সংসার খরচও বেড়ে যাচ্ছে।

ক্ষোভ বাড়ছে মানুষের মধ্যে

রান্নার মতো মৌলিক প্রয়োজনীয় কাজে দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাস না পাওয়ায় বিভিন্ন এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও বাসিন্দারা প্রতিবাদও করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে নিজেদের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে দ্রুত সংকট সমাধানের দাবি জানাচ্ছেন।

সকাল থেকে গ্যাসের অপেক্ষায় থেকেও রান্না করতে না পারা, শিশু ও বয়স্কদের খাবার প্রস্তুত করতে সমস্যা হওয়া এবং বিকল্প জ্বালানির বাড়তি খরচ—সব মিলিয়ে পরিবারগুলোর দৈনন্দিন জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনেও চাপ

গ্যাসের সংকট শুধু রান্নাঘরেই সীমাবদ্ধ নেই। গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনও বড় ধাক্কা খেয়েছে। গ্যাসের অভাবে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে।

ফলে সামনে বিদ্যুৎ সরবরাহে বাড়তি চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গ্যাসের ঘাটতি যদি দ্রুত কাটিয়ে ওঠা না যায়, তাহলে এর প্রভাব সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।

গ্যাস সংকটে সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি, ভোগান্তিতে চালকরা | কালবেলা

সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ অপেক্ষা

গ্যাসের সংকটে রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি স্টেশনেও দেখা দিয়েছে দীর্ঘ লাইন। গ্যাসের চাপ কম থাকায় অনেক স্টেশনে স্বাভাবিকভাবে সরবরাহ করা যাচ্ছে না। ফলে গাড়িচালকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

একই সঙ্গে শিল্পকারখানাতেও গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। অর্থাৎ একটি স্থাপনায় তৈরি হওয়া সংকট ধীরে ধীরে রান্নাঘর, বিদ্যুৎ, পরিবহন ও শিল্প—সব খাতেই প্রভাব ফেলছে।

মেরামতে কাজ করছেন বিদেশি বিশেষজ্ঞরা

মহেশখালীর ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস স্থাপনা সচল করতে দেশি প্রকৌশলীদের পাশাপাশি যুক্তরাজ্য ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশেষজ্ঞ দল কাজ করছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রাংশের মেরামত শেষ করে স্থাপনাটি পুরোপুরি চালু করতে আরও সময় লাগতে পারে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য প্রযুক্তিগত দলগুলো নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। তবে কবে নাগাদ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত সময়সীমা পাওয়া যায়নি।

আরও কিছুদিন ভোগান্তির আশঙ্কা

গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় সংকট অব্যাহত থাকতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। ফলে রাজধানীর বাসিন্দাদের রান্না থেকে শুরু করে যাতায়াত ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে আরও কিছুদিন বাড়তি দুর্ভোগ পোহাতে হতে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—কত দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস স্থাপনাটি সচল করা সম্ভব হবে। কারণ রান্নার চুলা থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও শিল্পকারখানা পর্যন্ত দেশের নানা খাতে এখন গ্যাসের স্বাভাবিক সরবরাহের ওপরই নির্ভর করছে পরিস্থিতির উন্নতি।

গ্যাস সংকটের দ্রুত সমাধান না হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির পাশাপাশি জীবনযাত্রার ব্যয় ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও এর চাপ আরও বাড়তে পারে।

গ্যাস সংকটে ঢাকার রান্নাঘর বিপর্যস্ত, কমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পকারখানার কার্যক্রম; মহেশখালীর স্থাপনা মেরামতে চলছে জরুরি কাজ।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে আফগান অভিবাসীদের তথ্য সংগ্রহ ঘিরে নতুন উদ্বেগ, জোরালো হচ্ছে বিতর্ক

গ্যাস সংকট আরও তীব্র, ঢাকার লাখো চুলায় আগুন জ্বলছে না

০৮:০৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় গ্যাসের সংকট আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। দিনের পর দিন কমে যাচ্ছে গ্যাসের চাপ। কোথাও চুলায় আগুন জ্বলছে না, আবার কোথাও সামান্য আগুনে রান্না করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলো।

কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান গ্যাস সংরক্ষণ ও পুনঃগ্যাসীকরণ স্থাপনায় আগুন লাগার পর থেকেই সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। গত ২১ জুলাই আগুনে স্থাপনাটির দুটি বয়লারের একটিতে ক্ষতি হয়। এরপর সেটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

চাহিদার তুলনায় গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি

দেশে গত এক বছরে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সংকটে সেই সরবরাহ নেমে এসেছে ২ হাজার ১৫০ মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে।

অন্যদিকে দেশের দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে তৈরি হয়েছে বিশাল ব্যবধান। এই ঘাটতির সরাসরি প্রভাব পড়েছে রাজধানীর বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ, পরিবহন ও শিল্প খাতে।

রান্নাঘরে সবচেয়ে বড় দুর্ভোগ

ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় দিনের পর দিন গ্যাসের চাপ প্রায় শূন্যের কাছাকাছি থাকছে। কোথাও আবার মাঝেমধ্যে অল্প সময়ের জন্য গ্যাস এলেও তা দিয়ে ঠিকমতো রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না।

মোহাম্মদপুর, কলাবাগান, কাফরুল, কাজীপাড়া, পশ্চিম তেজতুরী বাজার, মিরপুর, রামপুরা ও বাড্ডার মতো এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘ সময় ধরে এই সমস্যায় ভুগছেন। অনেক পরিবারের চুলা কয়েক দিন ধরে কার্যত বন্ধ।

গ্যাস না থাকায় নিম্নআয়ের অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে মাটির তৈরি অস্থায়ী চুলা বানিয়ে জ্বালানি কাঠ দিয়ে রান্না করছেন। যাদের সামর্থ্য রয়েছে, তারা বৈদ্যুতিক চুলা কিংবা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের সিলিন্ডার ব্যবহার করছেন। এতে প্রতিদিনের সংসার খরচও বেড়ে যাচ্ছে।

ক্ষোভ বাড়ছে মানুষের মধ্যে

রান্নার মতো মৌলিক প্রয়োজনীয় কাজে দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাস না পাওয়ায় বিভিন্ন এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও বাসিন্দারা প্রতিবাদও করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে নিজেদের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে দ্রুত সংকট সমাধানের দাবি জানাচ্ছেন।

সকাল থেকে গ্যাসের অপেক্ষায় থেকেও রান্না করতে না পারা, শিশু ও বয়স্কদের খাবার প্রস্তুত করতে সমস্যা হওয়া এবং বিকল্প জ্বালানির বাড়তি খরচ—সব মিলিয়ে পরিবারগুলোর দৈনন্দিন জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনেও চাপ

গ্যাসের সংকট শুধু রান্নাঘরেই সীমাবদ্ধ নেই। গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনও বড় ধাক্কা খেয়েছে। গ্যাসের অভাবে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে।

ফলে সামনে বিদ্যুৎ সরবরাহে বাড়তি চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গ্যাসের ঘাটতি যদি দ্রুত কাটিয়ে ওঠা না যায়, তাহলে এর প্রভাব সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।

গ্যাস সংকটে সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি, ভোগান্তিতে চালকরা | কালবেলা

সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ অপেক্ষা

গ্যাসের সংকটে রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি স্টেশনেও দেখা দিয়েছে দীর্ঘ লাইন। গ্যাসের চাপ কম থাকায় অনেক স্টেশনে স্বাভাবিকভাবে সরবরাহ করা যাচ্ছে না। ফলে গাড়িচালকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

একই সঙ্গে শিল্পকারখানাতেও গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। অর্থাৎ একটি স্থাপনায় তৈরি হওয়া সংকট ধীরে ধীরে রান্নাঘর, বিদ্যুৎ, পরিবহন ও শিল্প—সব খাতেই প্রভাব ফেলছে।

মেরামতে কাজ করছেন বিদেশি বিশেষজ্ঞরা

মহেশখালীর ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস স্থাপনা সচল করতে দেশি প্রকৌশলীদের পাশাপাশি যুক্তরাজ্য ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশেষজ্ঞ দল কাজ করছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রাংশের মেরামত শেষ করে স্থাপনাটি পুরোপুরি চালু করতে আরও সময় লাগতে পারে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য প্রযুক্তিগত দলগুলো নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। তবে কবে নাগাদ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত সময়সীমা পাওয়া যায়নি।

আরও কিছুদিন ভোগান্তির আশঙ্কা

গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় সংকট অব্যাহত থাকতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। ফলে রাজধানীর বাসিন্দাদের রান্না থেকে শুরু করে যাতায়াত ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে আরও কিছুদিন বাড়তি দুর্ভোগ পোহাতে হতে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—কত দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস স্থাপনাটি সচল করা সম্ভব হবে। কারণ রান্নার চুলা থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও শিল্পকারখানা পর্যন্ত দেশের নানা খাতে এখন গ্যাসের স্বাভাবিক সরবরাহের ওপরই নির্ভর করছে পরিস্থিতির উন্নতি।

গ্যাস সংকটের দ্রুত সমাধান না হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির পাশাপাশি জীবনযাত্রার ব্যয় ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও এর চাপ আরও বাড়তে পারে।

গ্যাস সংকটে ঢাকার রান্নাঘর বিপর্যস্ত, কমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পকারখানার কার্যক্রম; মহেশখালীর স্থাপনা মেরামতে চলছে জরুরি কাজ।