০৬:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
যুক্তরাজ্যে ফিরেই অভিনয়ে ফিরতে পারেন মেগান হলুদ খাওয়ার উপকার নিয়ে প্রচলিত ধারণাগুলো কতটা সত্য আমেরিকায় হ্যারি-মেগানের ‘স্বপ্ন’ কেন ফিকে হয়ে গেল ট্রাম্পের ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’তে কতটা বিপাকে পড়তে পারে ইরান? রাশিয়ার বিরল ক্ষেপণাস্ত্র মহড়া, জাপানের দাবি করা দ্বীপ ঘিরে বাড়ল উত্তেজনা পাকিস্তানের সামরিক ও পারমাণবিক কমান্ড কাঠামো নিয়ে দুটি বিল পাস, বিরোধীদের ওয়াকআউট মহড়ার কাটছাঁটে দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘মার্কিন পুতুল’ বলে কটাক্ষ কিম ইয়ো জংয়ের গ্যাস সংকটে ময়মনসিংহের ২০ কারখানায় শ্রমিক ছুটি, অর্ধেকে নেমেছে উৎপাদন কারাগার থেকে হাসপাতালে ইমরান খান, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চিকিৎসা শুরু চট্টগ্রামে গড়ে উঠছে আরেক ‘জঙ্গল সলিমপুর’, পাহাড় কেটে দখল সরকারি জমি

গোল্ডেন ডোম কি চীন-রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে পারবে? মার্কিন বিশেষজ্ঞদের বড় শঙ্কা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উচ্চাভিলাষী জাতীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘গোল্ডেন ডোম’ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, বিপুল অর্থ ব্যয় করে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুললেও যুক্তরাষ্ট্রকে চীন ও রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে পুরোপুরি সুরক্ষিত করা সম্ভব নাও হতে পারে। বরং এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বজুড়ে অস্ত্র প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

প্রতিরক্ষা বাড়লে পাল্টা অস্ত্রও বাড়বে

মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টিভ ফেটার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা আরও বিস্তৃত করে, তাহলে এর জবাবে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোও নতুন সামরিক সক্ষমতা তৈরির পথে এগোতে পারে।

ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনে বুধবার অনুষ্ঠিত এক আলোচনায় তিনি বলেন, চীনের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার সম্প্রসারণের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষার প্রভাব অন্তত আংশিকভাবে রয়েছে। চীন আনুমানিক ৩৫০টি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকেন্দ্র নির্মাণ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ফেটারের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং তার জবাবে চীন বা অন্য দেশগুলোর পাল্টা সক্ষমতা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় শেষ পর্যন্ত পারমাণবিক হামলার ঝুঁকি কমবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।

US Army readies to release new missile defense strategy soon

অস্ত্র প্রতিযোগিতার আশঙ্কা

ব্রুকিংসের পররাষ্ট্রনীতি কর্মসূচির গবেষণা পরিচালক মাইকেল ও’হ্যানলনও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের সঙ্গে অস্ত্র প্রতিযোগিতা তৈরির ঝুঁকি থেকেই যায়।

কারণ, যে দেশ মনে করে তার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে, তারা অনেক সময় সেই প্রতিরক্ষার সক্ষমতাকে অতিরিক্ত বড় করে দেখে। অন্যদিকে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণকারী দেশও সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় আরও বেশি অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা তৈরির দিকে ঝুঁকে পড়ে।

ফলে ট্রাম্পের ‘গোল্ডেন ডোম’ যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাড়ানোর উদ্যোগ হলেও এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে চীন, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক প্রতিযোগিতা আরও বাড়লে পারমাণবিক সংঘাতের ঝুঁকি কমার বদলে উল্টো বাড়তে পারে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাজ্যে ফিরেই অভিনয়ে ফিরতে পারেন মেগান

গোল্ডেন ডোম কি চীন-রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে পারবে? মার্কিন বিশেষজ্ঞদের বড় শঙ্কা

০২:৫৯:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উচ্চাভিলাষী জাতীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘গোল্ডেন ডোম’ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, বিপুল অর্থ ব্যয় করে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুললেও যুক্তরাষ্ট্রকে চীন ও রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে পুরোপুরি সুরক্ষিত করা সম্ভব নাও হতে পারে। বরং এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বজুড়ে অস্ত্র প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

প্রতিরক্ষা বাড়লে পাল্টা অস্ত্রও বাড়বে

মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টিভ ফেটার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা আরও বিস্তৃত করে, তাহলে এর জবাবে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোও নতুন সামরিক সক্ষমতা তৈরির পথে এগোতে পারে।

ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনে বুধবার অনুষ্ঠিত এক আলোচনায় তিনি বলেন, চীনের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার সম্প্রসারণের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষার প্রভাব অন্তত আংশিকভাবে রয়েছে। চীন আনুমানিক ৩৫০টি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকেন্দ্র নির্মাণ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ফেটারের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং তার জবাবে চীন বা অন্য দেশগুলোর পাল্টা সক্ষমতা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় শেষ পর্যন্ত পারমাণবিক হামলার ঝুঁকি কমবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।

US Army readies to release new missile defense strategy soon

অস্ত্র প্রতিযোগিতার আশঙ্কা

ব্রুকিংসের পররাষ্ট্রনীতি কর্মসূচির গবেষণা পরিচালক মাইকেল ও’হ্যানলনও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের সঙ্গে অস্ত্র প্রতিযোগিতা তৈরির ঝুঁকি থেকেই যায়।

কারণ, যে দেশ মনে করে তার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে, তারা অনেক সময় সেই প্রতিরক্ষার সক্ষমতাকে অতিরিক্ত বড় করে দেখে। অন্যদিকে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণকারী দেশও সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় আরও বেশি অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা তৈরির দিকে ঝুঁকে পড়ে।

ফলে ট্রাম্পের ‘গোল্ডেন ডোম’ যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাড়ানোর উদ্যোগ হলেও এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে চীন, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক প্রতিযোগিতা আরও বাড়লে পারমাণবিক সংঘাতের ঝুঁকি কমার বদলে উল্টো বাড়তে পারে।