চীনা কর্তৃপক্ষের হাতে আটক মিয়ানমারবিষয়ক গবেষক ও মার্কিন নাগরিক মিন জিনকে ‘অন্যায়ভাবে আটক’ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দেয়। এর ফলে তাকে মুক্ত করা এখন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে।
মিন জিনকে গত জুনে চীনা কর্তৃপক্ষ গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে চীনের জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্ন করার অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি মিয়ানমারকেন্দ্রিক একটি গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দেন এবং দেশটির রাজনীতি ও পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন।
শি জিনপিংয়ের সফরের আগে নতুন চাপ
মিন জিনকে অন্যায়ভাবে আটক ঘোষণা করার ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী সেপ্টেম্বরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে হোয়াইট হাউসে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
শি জিনপিংয়ের সম্ভাব্য ২৪ সেপ্টেম্বরের সফরের আগে মানবাধিকার সংগঠনগুলো মিন জিনের মুক্তির জন্য চীনের ওপর চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণা ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন একটি সংবেদনশীল বিষয় যুক্ত করতে পারে। বিশেষ করে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের আগে মিন জিনের আটকাদেশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আরও কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে।
মিন জিনের বিরুদ্ধে চীনের অভিযোগের বিস্তারিত প্রকাশ্যে না এলেও, তাকে মুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক তৎপরতা এখন আরও জোরালো হতে পারে।
চীনে মার্কিন নাগরিকদের আটক ও তাদের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে ওয়াশিংটন-বেইজিং সম্পর্কে এর আগেও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মিন জিনের ঘটনাটিও দুই দেশের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।
মার্কিন প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে স্পষ্ট হয়েছে, শি জিনপিংয়ের আসন্ন সফরের আগে মিন জিনের মুক্তির বিষয়টি চীনের সঙ্গে আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেতে যাচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















