১২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
দ্রব্যমূল্য কমেনি, স্বস্তি শুধু পরিসংখ্যানে গ্যাস-সংকট ও লোডশেডিংয়ে ২০২৭ সালের বিনা মূল্যের পাঠ্যবই ছাপায় শঙ্কা শ্রীপুরে কৃষকদল নেতার কার্যালয়ে গুলি, আতঙ্কে অসুস্থ জজ মিয়া ইন্দোনেশিয়ায় গাড়ির ধরন দেখে ভর্তুকির জ্বালানি কেনার সুযোগ সীমিত করার পরিকল্পনা কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে গণমাধ্যমের চিত্র: সরকারি চাপের মধ্যে সাংবাদিকতা দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলে শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীর বড় মানবিক সংকট পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকায় মানবিক সংকটে ২০২৬ সালে ঝুঁকিতে লাখো শিশু কঙ্গো নদী পেরিয়ে ১৭ হাজারের বেশি মানুষের আশ্রয়, চাপে বিপর্যস্ত মানবিক সহায়তা প্রযুক্তির ভিড়ে ‘কম বুদ্ধিমান’ বাড়ির নতুন আকর্ষণ সৌন্দর্যের সাপ্তাহিক ঝলক: তারকাদের নজরকাড়া সাজে নতুন অনুপ্রেরণা

ছেলের ডায়াপার বদলানো থেকে স্ত্রীকে আগলে রাখা—বাবা হিসেবে নতুন জীবন নিয়ে মুখ খুললেন প্রিন্স লেকা

সন্তান জন্মের পর বদলে যায় জীবনের অনেক হিসাব। রাতের ঘুম কমে যায়, বাড়ে দায়িত্ব; তবে সেই ক্লান্তির মাঝেও সন্তানের ছোট্ট হাসি হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় আনন্দ। ঠিক এমনই এক নতুন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন আলবেনিয়ার রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স লেকা ও প্রিন্সেস ব্লের্তা চেলিবাশি জোগু। সদ্য জন্ম নেওয়া ছেলে আলেক্সান্দারকে ঘিরে এখন তাদের দিন কাটছে নতুন আনন্দ, দায়িত্ব আর আবেগে।

সন্তান জন্মের পর প্রথম অনুভূতি

ছেলের জন্মের মুহূর্তের কথা বলতে গিয়ে প্রিন্সেস ব্লের্তা জানিয়েছেন, সেই সময়ের অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। চিকিৎসাকর্মীদের প্রতিটি নড়াচড়া তিনি চোখে পানি নিয়ে দেখছিলেন। অবশেষে যখন আলেক্সান্দারকে তার কাছে এনে দেওয়া হয়, তখন সন্তানের কোমল শরীরের স্পর্শেই যেন সব ক্লান্তি, ভয় ও উদ্বেগ দূর হয়ে যায়।

তার কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দ ছিল সুস্থ সন্তানকে নিজের কোলে তুলে নেওয়া। মাতৃত্বের সেই মুহূর্তকে তিনি এমন এক অনুভূতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যখন একজন মা বুঝতে পারেন, তার হৃদয়ের একটি অংশ যেন চিরদিন তার শরীরের বাইরেও বেঁচে থাকবে।

বাবা হিসেবে দায়িত্ব নিতে দ্বিধা নেই

Showing this first time dad his new born baby! Here at Queen's, we welcome  the husband inside the delivery room. To witness two miracles, the birth of  his child and the strength

 

নবজাতককে ঘিরে বাবা হিসেবে নিজের দায়িত্বের কথাও খোলাখুলি জানিয়েছেন প্রিন্স লেকা। তার মতে, নিজের সন্তানের যত্ন নেওয়ার মধ্যে লজ্জার কিছু নেই। বরং এটি জীবনের অন্যতম সুন্দর অভিজ্ঞতা।

ছেলের ডায়াপার বদলানো, তাকে ঘুম পাড়ানো কিংবা কোলে নেওয়ার মতো কাজগুলো তিনি নিজেই করেন। এমনকি মা ব্লের্তা যখন এসব করতে পারেন, তখনও তিনি ছেলের যত্ন নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করেন না।

প্রিন্স লেকার মতে, অনেক বাবার কাছেই নবজাতকের দেখাশোনা এখনো এক ধরনের অস্বস্তির বিষয়। কিন্তু সন্তান জন্মের পর তার যত্ন নেওয়ার এই সময়টুকু উপভোগ না করলে জীবনের অসাধারণ একটি অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত হতে হয়।

স্ত্রীর প্রতিও বাড়তি যত্ন

সন্তানের পাশাপাশি স্ত্রী ব্লের্তার যত্ন নেওয়াকেও সমান গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন প্রিন্স লেকা। রাতের বেলা দুজনেই জেগে ওঠেন। ব্লের্তা তখন ছোট্ট আলেক্সান্দারের দেখাশোনা করেন, আর লেকা খেয়াল রাখেন ব্লের্তার দিকে।

তিনি জানিয়েছেন, ব্লের্তার সবসময় হয়তো তার সাহায্যের প্রয়োজন হয় না। তবু স্ত্রী ও সন্তানের সুন্দর সম্পর্কটি দেখতে তার ভালো লাগে। মা ও ছেলের সেই বন্ধন তার কাছে অত্যন্ত আবেগঘন একটি দৃশ্য।

কেন ছেলের নাম আলেক্সান্দার

ছেলের নাম রাখার ক্ষেত্রেও পারিবারিক ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে গুরুত্ব দিয়েছেন এই দম্পতি। তারা অনেক আগে থেকেই আলেক্সান্দার নামটি ভেবে রেখেছিলেন।

Crown Prince Leka of Albania Makes First Appearance Since Royal Divorce  Announcement

প্রিন্স লেকা জানিয়েছেন, পরিবারের ঐতিহ্যের সঙ্গে নামটির একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তবে তারা চাননি ছেলেকে ‘লেকা তৃতীয়’ নামে পরিচিত করতে। বরং তার নিজের নাম এবং বাবার নামের ইউরোপীয় রূপের সঙ্গে মিল রেখে আলেক্সান্দার নামটি বেছে নেওয়া হয়েছে।

আলবেনীয় ঐতিহ্যে ‘লেকা’ নামটিও আলেক্সান্দার নামের প্রচলিত রূপ। ফলে একই নামের দুটি ভিন্ন রূপের মধ্য দিয়ে পারিবারিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি ছেলের নিজস্ব পরিচয়ও তৈরি হবে—এমনটাই চেয়েছেন তারা।

ভাইকে প্রথম দেখেই আবেগে Geraldina

নবজাতক আলেক্সান্দারের সঙ্গে তার বড় বোন জেরালদিনার প্রথম সাক্ষাৎও ছিল পরিবারের জন্য অত্যন্ত আবেগের।

আলেক্সান্দারের জন্মের সময় জেরালদিনা তার মায়ের সঙ্গে ছুটিতে ছিল। তিরানায় ফিরে আসার পরই সে ছোট ভাইকে দেখার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে। ভাইকে দেখার পর তার আচরণে ফুটে ওঠে গভীর মমতা।

জেরালদিনা ছোট ভাইকে ঘুম পাড়াতে গান গেয়েছে। আবার তার কান্না শুনলে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে। এই দৃশ্য দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন প্রিন্স লেকাও।

He became a father for the second time, Prince Leka publishes a family  photo with his son and Blerta! - Showbiz

ভাই-বোনের সম্পর্ক নিয়ে তাদের স্বপ্ন

প্রিন্স লেকা ও ব্লের্তা চান, আলেক্সান্দার ও জেরালদিনার সম্পর্ক শুধু ভাই-বোনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকুক। তারা চান, বড় হয়ে দুজন যেন একে অপরের সবচেয়ে ভালো বন্ধু হয়।

সন্তানের জন্মের পর এখন তাদের পরিবারে যোগ হয়েছে নতুন আনন্দ। দায়িত্ব বেড়েছে, বদলেছে প্রতিদিনের জীবনযাপনও। তবে প্রিন্স লেকার কথায় স্পষ্ট, এই পরিবর্তনকে তারা বোঝা হিসেবে নয়, বরং জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায় হিসেবেই উপভোগ করছেন।

সন্তানের ছোট্ট হাসি, রাত জেগে তার যত্ন নেওয়া, স্ত্রীকে পাশে পাওয়া এবং ভাই-বোনের প্রথম বন্ধন—সব মিলিয়ে রাজপরিবারের এই নতুন অধ্যায় হয়ে উঠেছে ভালোবাসা ও পারিবারিক বন্ধনের এক আবেগঘন গল্প।

ছেলের জন্মের পর প্রিন্স লেকার বক্তব্যে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে, তা হলো—বাবা হওয়া শুধু একটি পরিচয় নয়; সন্তানের প্রতিটি মুহূর্তে পাশে থাকা, মায়ের যত্ন নেওয়া এবং পরিবারের সঙ্গে সময় ভাগ করে নেওয়াই সেই পরিচয়ের আসল অর্থ।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্রব্যমূল্য কমেনি, স্বস্তি শুধু পরিসংখ্যানে

ছেলের ডায়াপার বদলানো থেকে স্ত্রীকে আগলে রাখা—বাবা হিসেবে নতুন জীবন নিয়ে মুখ খুললেন প্রিন্স লেকা

১১:২৩:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

সন্তান জন্মের পর বদলে যায় জীবনের অনেক হিসাব। রাতের ঘুম কমে যায়, বাড়ে দায়িত্ব; তবে সেই ক্লান্তির মাঝেও সন্তানের ছোট্ট হাসি হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় আনন্দ। ঠিক এমনই এক নতুন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন আলবেনিয়ার রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স লেকা ও প্রিন্সেস ব্লের্তা চেলিবাশি জোগু। সদ্য জন্ম নেওয়া ছেলে আলেক্সান্দারকে ঘিরে এখন তাদের দিন কাটছে নতুন আনন্দ, দায়িত্ব আর আবেগে।

সন্তান জন্মের পর প্রথম অনুভূতি

ছেলের জন্মের মুহূর্তের কথা বলতে গিয়ে প্রিন্সেস ব্লের্তা জানিয়েছেন, সেই সময়ের অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। চিকিৎসাকর্মীদের প্রতিটি নড়াচড়া তিনি চোখে পানি নিয়ে দেখছিলেন। অবশেষে যখন আলেক্সান্দারকে তার কাছে এনে দেওয়া হয়, তখন সন্তানের কোমল শরীরের স্পর্শেই যেন সব ক্লান্তি, ভয় ও উদ্বেগ দূর হয়ে যায়।

তার কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দ ছিল সুস্থ সন্তানকে নিজের কোলে তুলে নেওয়া। মাতৃত্বের সেই মুহূর্তকে তিনি এমন এক অনুভূতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যখন একজন মা বুঝতে পারেন, তার হৃদয়ের একটি অংশ যেন চিরদিন তার শরীরের বাইরেও বেঁচে থাকবে।

বাবা হিসেবে দায়িত্ব নিতে দ্বিধা নেই

Showing this first time dad his new born baby! Here at Queen's, we welcome  the husband inside the delivery room. To witness two miracles, the birth of  his child and the strength

 

নবজাতককে ঘিরে বাবা হিসেবে নিজের দায়িত্বের কথাও খোলাখুলি জানিয়েছেন প্রিন্স লেকা। তার মতে, নিজের সন্তানের যত্ন নেওয়ার মধ্যে লজ্জার কিছু নেই। বরং এটি জীবনের অন্যতম সুন্দর অভিজ্ঞতা।

ছেলের ডায়াপার বদলানো, তাকে ঘুম পাড়ানো কিংবা কোলে নেওয়ার মতো কাজগুলো তিনি নিজেই করেন। এমনকি মা ব্লের্তা যখন এসব করতে পারেন, তখনও তিনি ছেলের যত্ন নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করেন না।

প্রিন্স লেকার মতে, অনেক বাবার কাছেই নবজাতকের দেখাশোনা এখনো এক ধরনের অস্বস্তির বিষয়। কিন্তু সন্তান জন্মের পর তার যত্ন নেওয়ার এই সময়টুকু উপভোগ না করলে জীবনের অসাধারণ একটি অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত হতে হয়।

স্ত্রীর প্রতিও বাড়তি যত্ন

সন্তানের পাশাপাশি স্ত্রী ব্লের্তার যত্ন নেওয়াকেও সমান গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন প্রিন্স লেকা। রাতের বেলা দুজনেই জেগে ওঠেন। ব্লের্তা তখন ছোট্ট আলেক্সান্দারের দেখাশোনা করেন, আর লেকা খেয়াল রাখেন ব্লের্তার দিকে।

তিনি জানিয়েছেন, ব্লের্তার সবসময় হয়তো তার সাহায্যের প্রয়োজন হয় না। তবু স্ত্রী ও সন্তানের সুন্দর সম্পর্কটি দেখতে তার ভালো লাগে। মা ও ছেলের সেই বন্ধন তার কাছে অত্যন্ত আবেগঘন একটি দৃশ্য।

কেন ছেলের নাম আলেক্সান্দার

ছেলের নাম রাখার ক্ষেত্রেও পারিবারিক ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে গুরুত্ব দিয়েছেন এই দম্পতি। তারা অনেক আগে থেকেই আলেক্সান্দার নামটি ভেবে রেখেছিলেন।

Crown Prince Leka of Albania Makes First Appearance Since Royal Divorce  Announcement

প্রিন্স লেকা জানিয়েছেন, পরিবারের ঐতিহ্যের সঙ্গে নামটির একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তবে তারা চাননি ছেলেকে ‘লেকা তৃতীয়’ নামে পরিচিত করতে। বরং তার নিজের নাম এবং বাবার নামের ইউরোপীয় রূপের সঙ্গে মিল রেখে আলেক্সান্দার নামটি বেছে নেওয়া হয়েছে।

আলবেনীয় ঐতিহ্যে ‘লেকা’ নামটিও আলেক্সান্দার নামের প্রচলিত রূপ। ফলে একই নামের দুটি ভিন্ন রূপের মধ্য দিয়ে পারিবারিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি ছেলের নিজস্ব পরিচয়ও তৈরি হবে—এমনটাই চেয়েছেন তারা।

ভাইকে প্রথম দেখেই আবেগে Geraldina

নবজাতক আলেক্সান্দারের সঙ্গে তার বড় বোন জেরালদিনার প্রথম সাক্ষাৎও ছিল পরিবারের জন্য অত্যন্ত আবেগের।

আলেক্সান্দারের জন্মের সময় জেরালদিনা তার মায়ের সঙ্গে ছুটিতে ছিল। তিরানায় ফিরে আসার পরই সে ছোট ভাইকে দেখার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে। ভাইকে দেখার পর তার আচরণে ফুটে ওঠে গভীর মমতা।

জেরালদিনা ছোট ভাইকে ঘুম পাড়াতে গান গেয়েছে। আবার তার কান্না শুনলে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে। এই দৃশ্য দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন প্রিন্স লেকাও।

He became a father for the second time, Prince Leka publishes a family  photo with his son and Blerta! - Showbiz

ভাই-বোনের সম্পর্ক নিয়ে তাদের স্বপ্ন

প্রিন্স লেকা ও ব্লের্তা চান, আলেক্সান্দার ও জেরালদিনার সম্পর্ক শুধু ভাই-বোনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকুক। তারা চান, বড় হয়ে দুজন যেন একে অপরের সবচেয়ে ভালো বন্ধু হয়।

সন্তানের জন্মের পর এখন তাদের পরিবারে যোগ হয়েছে নতুন আনন্দ। দায়িত্ব বেড়েছে, বদলেছে প্রতিদিনের জীবনযাপনও। তবে প্রিন্স লেকার কথায় স্পষ্ট, এই পরিবর্তনকে তারা বোঝা হিসেবে নয়, বরং জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায় হিসেবেই উপভোগ করছেন।

সন্তানের ছোট্ট হাসি, রাত জেগে তার যত্ন নেওয়া, স্ত্রীকে পাশে পাওয়া এবং ভাই-বোনের প্রথম বন্ধন—সব মিলিয়ে রাজপরিবারের এই নতুন অধ্যায় হয়ে উঠেছে ভালোবাসা ও পারিবারিক বন্ধনের এক আবেগঘন গল্প।

ছেলের জন্মের পর প্রিন্স লেকার বক্তব্যে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে, তা হলো—বাবা হওয়া শুধু একটি পরিচয় নয়; সন্তানের প্রতিটি মুহূর্তে পাশে থাকা, মায়ের যত্ন নেওয়া এবং পরিবারের সঙ্গে সময় ভাগ করে নেওয়াই সেই পরিচয়ের আসল অর্থ।