০৩:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
 নিকোলাস ওতামেন্দি: এক বিদায়, যা আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের একটি যুগের সমাপ্তি ব্রাইটন অধিনায়ক মেইসি সিমন্ডসের সঙ্গে নতুন চুক্তি নর্ডিক ওয়াকিং: হাঁটলেই মিলবে শরীরের প্রায় সব পেশির ব্যায়াম থাইল্যান্ডে ইতালীয় শিক্ষার্থীদের অসদাচরণে তীব্র ক্ষোভ, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইল ইতালির দূতাবাস ৯ ঘণ্টার মধ্যে খাবার খেলে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা প্যারিসে তিন নারীকে ছুরিকাঘাত, ‘আল্লাহ আমাকে পাঠিয়েছেন’ দাবি; তবু সন্ত্রাসবাদ হিসেবে দেখছে না ফ্রান্স প্রবীণদের ভুলে যাচ্ছে সমাজ, বাড়ছে স্মৃতিভ্রংশের ভয়াবহ বোঝা খাবার নিয়ে ‘খেলা’! মৃত মাছকে আঘাত করে টুকরো টুকরো করছে ঘাতক তিমি ট্রান্সজেন্ডার ক্রীড়াবিদদের বিতর্কে আবারও আলোচনায় রেনে রিচার্ডস পাসওয়ার্ড না জেনেও এআইকে দিয়ে লগইন, বাড়ছে সুবিধার সঙ্গে নিরাপত্তা ঝুঁকি

এ বাজেট বানরের পিঠা বন্টন

  • Sarakhon Report
  • ০৯:৫৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪
  • 137

সারাক্ষণ ডেস্ক

সরকারের উন্নয়ন ও জিডিপি বৃদ্ধি শ্রমজীবী মানুষের ভাগ্যের কোন উন্নতি হয়নি। প্রতিরক্ষা খাত, কৃষি খাত, যুব খাত ইত্যাদি খাতের মতো শ্রমিকদের আলাদা ভাবে কোন খাত রাখা হয়নি। জিডিপিতে যাদের অবদান সবচেয়ে বেশি সেই শ্রমিকদের জন্য বাজেট শুন্য।

সরকার শ্রমিকদের শুধু ভোটার ভাবে নাগরিক বা মানুষ বলে মনে করে না। যদি শ্রমিকদের মানুষ বলে মনে করতো তা হলে অন্যান্য খাতের মতো বাজেটে শ্রমিকদের জন্য শ্রমিকখাতে বরাদ্দ হতো। পরাধীন পাকিস্তান আমলেও শ্রমিকের জন্য রেশনিং ব্যাবস্থা ছিল, পার্শবর্তী প্রতিটি দেশে শ্রমিকদের জন্য রেশনিং ব্যাবস্থা চালু আছে। শ্রমিকদের কল্যানের কথা মুখে বলা হলেও বাস্তবে শ্রমিকদের জন্য জাতীয় বাজেটে ৬ কোটি শ্রমিকের জন্য কিছুই করা হয় না। জনস্বার্থের কথা বলে ৬ কোটি শ্রমিকের স্বার্থকে বাদ দিয়ে এই বাজেট করা হয়েছে, প্রকৃত অর্থে এই বাজেট পুরনো পদ্ধতি নতুনত্ব বলতে কিছুই নেই, শুধু মাত্র ধনি ও আমলাদের বিলি বন্টনের বাজেট করা হয়েছে। যার কারনে এই বাজেট বানরের পিঠা বন্টনের গল্প ছাড়া আর কিছুই না।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

 নিকোলাস ওতামেন্দি: এক বিদায়, যা আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের একটি যুগের সমাপ্তি

এ বাজেট বানরের পিঠা বন্টন

০৯:৫৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

সরকারের উন্নয়ন ও জিডিপি বৃদ্ধি শ্রমজীবী মানুষের ভাগ্যের কোন উন্নতি হয়নি। প্রতিরক্ষা খাত, কৃষি খাত, যুব খাত ইত্যাদি খাতের মতো শ্রমিকদের আলাদা ভাবে কোন খাত রাখা হয়নি। জিডিপিতে যাদের অবদান সবচেয়ে বেশি সেই শ্রমিকদের জন্য বাজেট শুন্য।

সরকার শ্রমিকদের শুধু ভোটার ভাবে নাগরিক বা মানুষ বলে মনে করে না। যদি শ্রমিকদের মানুষ বলে মনে করতো তা হলে অন্যান্য খাতের মতো বাজেটে শ্রমিকদের জন্য শ্রমিকখাতে বরাদ্দ হতো। পরাধীন পাকিস্তান আমলেও শ্রমিকের জন্য রেশনিং ব্যাবস্থা ছিল, পার্শবর্তী প্রতিটি দেশে শ্রমিকদের জন্য রেশনিং ব্যাবস্থা চালু আছে। শ্রমিকদের কল্যানের কথা মুখে বলা হলেও বাস্তবে শ্রমিকদের জন্য জাতীয় বাজেটে ৬ কোটি শ্রমিকের জন্য কিছুই করা হয় না। জনস্বার্থের কথা বলে ৬ কোটি শ্রমিকের স্বার্থকে বাদ দিয়ে এই বাজেট করা হয়েছে, প্রকৃত অর্থে এই বাজেট পুরনো পদ্ধতি নতুনত্ব বলতে কিছুই নেই, শুধু মাত্র ধনি ও আমলাদের বিলি বন্টনের বাজেট করা হয়েছে। যার কারনে এই বাজেট বানরের পিঠা বন্টনের গল্প ছাড়া আর কিছুই না।