০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
চার শতাব্দী পর ফিরল প্রকৃতির হারানো সন্তান, গ্লেন অ্যাফ্রিকে জন্ম নিল বুনো বিভারের নতুন প্রজন্ম ‘সবাইকে হত্যা করতে হবে’— প্রতিশোধের নামে সহিংসতার পক্ষে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর উসকানি, আতঙ্কে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা এমঅ্যান্ডএসে খোলা-অংশের অন্তর্বাস বিক্রি ঘিরে বিতর্ক: ‘চমক’ নাকি বদলে যাওয়া বাজারের বাস্তবতা? প্রতিশোধের নামে হত্যার আহ্বান, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতির বাসিন্দার বিস্ফোরক মন্তব্যে নতুন বিতর্ক ট্রাম্পের নতুন নিশানায় ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’: ইরানের গোপন পারমাণবিক ঘাঁটি নিয়ে কেন বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা? ট্রাম্পের অভিযোগ ভেঙে পড়ল, আদালতে সরকারের স্বীকারোক্তি: ভাঙচুর নয়, তড়িঘড়ি মেরামতের ভুলেই ক্ষতিগ্রস্ত লিংকন রিফ্লেক্টিং পুল গোলাপি ডোরাকাটা রহস্যের অবসান: ৪০ বছরের অনুসন্ধানে মিলল সমুদ্রের নতুন শৈবাল প্রজাতি মৃত্যুর দিকে ছুটে চলা জীবনে থামার সময় কি এখনও আসেনি? প্যাক্স সিলিকা: কর্মসংস্থান নাকি নতুন নির্ভরতা? ফিলিপাইনের সামনে সুযোগের পাশাপাশি বড় ঝুঁকির সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গরের ঢাকা সফর শেষ, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার

জানুয়ারিতে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রিতে নামার শঙ্কা, পাঁচ দফা শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার সতর্কতা

জানুয়ারিতে তাপমাত্রা নামতে পারে চার ডিগ্রিতে

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, জানুয়ারি মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। একের পর এক শৈত্যপ্রবাহের কারণে শীতের তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে সাধারণ মানুষকে আগেভাগেই শীত মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে সতর্ক করা হয়েছে।

পাঁচ দফা শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, জানুয়ারি মাসে দেশে মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার হতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা আট থেকে দশ ডিগ্রি অথবা ছয় থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। পাশাপাশি এক থেকে দুইটি শৈত্যপ্রবাহ মাঝারি থেকে তীব্র রূপ নিতে পারে, তখন তাপমাত্রা ছয় থেকে আট ডিগ্রি কিংবা চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা নেই, নদীতে স্বাভাবিক প্রবাহ

২৩-২৮ মে'র মধ্যে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হতে পারে ঘূর্ণিঝড় 'শক্তি' | The  Business Standard

পূর্বাভাস অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে বঙ্গোপসাগরে কোনো ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বজায় থাকবে। এ সময় দৈনিক গড় বাষ্পীভবন এক দশমিক পাঁচ থেকে তিন দশমিক পাঁচ মিলিমিটার এবং গড় সূর্যকিরণকাল তিন দশমিক পাঁচ থেকে পাঁচ দশমিক পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে থাকতে পারে।

কুয়াশায় ব্যাহত হতে পারে যোগাযোগ

শুক্রবার সকাল নয়টা থেকে পরবর্তী একশ বিশ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। একই সঙ্গে কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। আগামী দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

দুই জানুয়ারির আবহাওয়া

মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশার আভাস | CampusTimes

এদিন সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকতে পারে এবং আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, পঞ্চগড়, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা কিছু এলাকায় ধীরে ধীরে প্রশমিত হতে পারে। এ সময় রাতে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

তিন জানুয়ারির পূর্বাভাস

এই দিনেও সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের অনেক এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও তা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। কুয়াশার কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় একই থাকতে পারে।

চার জানুয়ারি থেকে তাপমাত্রা কমার ইঙ্গিত

আগামী ৫ দিন থাকবে কুয়াশার দাপট অব্যাহত থাকতে পারে। - NEWSTVBANGLA

চার জানুয়ারি থেকে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং সারা দেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। নদী অববাহিকার কিছু এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

পাঁচ ও ছয় জানুয়ারির অবস্থা

এই দুই দিনেও একই ধরনের আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। ছয় জানুয়ারিতে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত কুয়াশা, জনজীবনে ভোগান্তি

আরও শীত বাড়ার সতর্কতা

বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, জানুয়ারির পরবর্তী দিনগুলোতে সারাদেশে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার প্রভাবে জনজীবনে ভোগান্তি বাড়ার আশঙ্কা থাকায় সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চার শতাব্দী পর ফিরল প্রকৃতির হারানো সন্তান, গ্লেন অ্যাফ্রিকে জন্ম নিল বুনো বিভারের নতুন প্রজন্ম

জানুয়ারিতে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রিতে নামার শঙ্কা, পাঁচ দফা শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার সতর্কতা

০৯:১৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

জানুয়ারিতে তাপমাত্রা নামতে পারে চার ডিগ্রিতে

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, জানুয়ারি মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। একের পর এক শৈত্যপ্রবাহের কারণে শীতের তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে সাধারণ মানুষকে আগেভাগেই শীত মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে সতর্ক করা হয়েছে।

পাঁচ দফা শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, জানুয়ারি মাসে দেশে মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার হতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা আট থেকে দশ ডিগ্রি অথবা ছয় থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। পাশাপাশি এক থেকে দুইটি শৈত্যপ্রবাহ মাঝারি থেকে তীব্র রূপ নিতে পারে, তখন তাপমাত্রা ছয় থেকে আট ডিগ্রি কিংবা চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা নেই, নদীতে স্বাভাবিক প্রবাহ

২৩-২৮ মে'র মধ্যে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হতে পারে ঘূর্ণিঝড় 'শক্তি' | The  Business Standard

পূর্বাভাস অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে বঙ্গোপসাগরে কোনো ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বজায় থাকবে। এ সময় দৈনিক গড় বাষ্পীভবন এক দশমিক পাঁচ থেকে তিন দশমিক পাঁচ মিলিমিটার এবং গড় সূর্যকিরণকাল তিন দশমিক পাঁচ থেকে পাঁচ দশমিক পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে থাকতে পারে।

কুয়াশায় ব্যাহত হতে পারে যোগাযোগ

শুক্রবার সকাল নয়টা থেকে পরবর্তী একশ বিশ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। একই সঙ্গে কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। আগামী দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

দুই জানুয়ারির আবহাওয়া

মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশার আভাস | CampusTimes

এদিন সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকতে পারে এবং আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, পঞ্চগড়, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা কিছু এলাকায় ধীরে ধীরে প্রশমিত হতে পারে। এ সময় রাতে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

তিন জানুয়ারির পূর্বাভাস

এই দিনেও সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের অনেক এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও তা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। কুয়াশার কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় একই থাকতে পারে।

চার জানুয়ারি থেকে তাপমাত্রা কমার ইঙ্গিত

আগামী ৫ দিন থাকবে কুয়াশার দাপট অব্যাহত থাকতে পারে। - NEWSTVBANGLA

চার জানুয়ারি থেকে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং সারা দেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। নদী অববাহিকার কিছু এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

পাঁচ ও ছয় জানুয়ারির অবস্থা

এই দুই দিনেও একই ধরনের আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। ছয় জানুয়ারিতে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত কুয়াশা, জনজীবনে ভোগান্তি

আরও শীত বাড়ার সতর্কতা

বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, জানুয়ারির পরবর্তী দিনগুলোতে সারাদেশে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার প্রভাবে জনজীবনে ভোগান্তি বাড়ার আশঙ্কা থাকায় সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।