রংপুর মহানগরীর কামাল কাছনা মাছুয়াপাড়া এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনায় গভীর শোক ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জি এম কাদের)। তিনি বলেছেন, একটি পরিবারের চারজন মানুষকে এভাবে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা শুধু একটি পরিবারকে ধ্বংস করেনি, বরং সমাজের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়েও গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। বর্তমানে সমাজে সকলেই নিরাপত্তাহীন।
চারজনকে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা
এক শোকবার্তায় জি এম কাদের বলেন, একটি পরিবারের চারজন মানুষকে এভাবে হত্যা করার ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। এমন নৃশংসতা সমাজ ও সভ্যতার বিবেককে নাড়া দিয়েছে। শিক্ষক দম্পতিসহ একটি পুরো পরিবারের এমন হৃদয়বিদারক পরিণতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারের ওপর নেমে আসা ভয়াবহ বিপর্যয় নয়, এটি পুরো সমাজকে নিরাপত্তাহীনতার মুখে ঠেলে দিয়েছে। এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও গভীর হওয়া স্বাভাবিক।
হত্যার নেপথ্য নিয়ে প্রশ্ন
জি এম কাদের বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গণমাধ্যমে যে কারণ ও বিবরণ প্রকাশ করেছে, তা নিয়ে জনমনে এবং সচেতন মহলে নানা ধরনের যৌক্তিক প্রশ্ন, সংশয় ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
এসব ধোঁয়াশা ও সন্দেহ দ্রুত দূর করা জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি। ঘটনার প্রকৃত নেপথ্যে অন্য কোনো গভীর রহস্য, পূর্বপরিকল্পনা কিংবা অন্য কারও ইন্ধন রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে উন্মোচন করতে হবে।
প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তিনি বলেন, এমন নৃশংস ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া উচিত নয়।
জি এম কাদের নিহতদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
রংপুরের এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও নেপথ্যের সব তথ্য উদ্ঘাটনের পাশাপাশি জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















