১২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
সোনিয়া গান্ধীর আত্মজীবনীতে কি ফাঁস হবে ভারতের প্রভাবশালী গান্ধী পরিবারের অজানা ইতিহাস? কুকুরের জিনগত পরীক্ষা নিয়ে হংকংয়ে হঠাৎ বাড়ল মালিকদের উদ্বেগ অলি রবিনসনের সাফল্যের নেপথ্যে অস্ট্রেলিয়ার শেখানো কৌশল, বলছেন জোনাথন অ্যাগনিউ মার্কিন গোয়েন্দা বিনিয়োগের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জার্মান ড্রোন নির্মাতা কোয়ান্টাম সিস্টেমস চীনের সঙ্গে বাণিজ্যে আরও বাধা দেওয়ার আহ্বান, জি২০ দেশগুলোকে প্রস্তাব বেসেন্টের জ্বালানি তেলের দামে ধাক্কা, চীনের তিন বৃহৎ উড়োজাহাজ সংস্থার লোকসান ৮১৭ কোটি ইউয়ান কন্যার জন্য মৃত্যুর মুখেও লড়াই, হাঙরকে ঘুষি মেরে বাঁচলেন সিডনির মা ছয় দশকের শিল্পযাত্রায় সিদ্ধিকা বিলগ্রামির নিরন্তর নিরীক্ষা ৩০ বছর ধরে সেরিব্রাল পালসি আক্রান্ত ছেলেকে আগলে রাখার মায়ের লড়াই বয়সকে লুকানো নয়, উপভোগ করাই সুখী বার্ধক্যের আসল রহস্য

বাস্কেটবল দলের ঘামভেজা পোশাক ধুয়ে, মেঝে মুছে স্বপ্নের চাকরি পেল ১৯ বছরের তরুণ

স্বপ্নের পেশায় ঢোকার জন্য অনেকেই ভালো ফল, নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সনদ কিংবা পরিচিত মানুষের সুপারিশের ওপর ভরসা করেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ড্যানিয়েল সাং বেছে নিয়েছিলেন একেবারেই অন্য পথ। বাস্কেটবল অঙ্গনে নিজের জায়গা তৈরি করতে তিনি এক বছর দলের খেলোয়াড়দের ঘামভেজা পোশাক ধুয়েছেন, মাঠের মেঝে পরিষ্কার করেছেন এবং খেলার দিন খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় নানা কাজে ছুটে বেড়িয়েছেন।

সহপাঠীদের কেউ কেউ তাঁকে নিয়ে হাসাহাসি করে ‘মেঝে পরিষ্কার করা ছেলে’ বলে ডাকত। কিন্তু সেই কাজই শেষ পর্যন্ত তাঁকে মাত্র ১৯ বছর বয়সে লস অ্যাঞ্জেলেস ক্লিপার্সের বিপণন বিভাগে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজের সুযোগ এনে দিয়েছে।

অপমান সহ্য করেও লক্ষ্য থেকে সরেননি

ড্যানিয়েল সাং বুঝেছিলেন, পেশাদার খেলাধুলার জগতে প্রবেশ করা সহজ হবে না। তাঁর পরিবারেরও ক্রীড়া জগতে কোনো পরিচিতি ছিল না। দক্ষিণ কোরিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের পর তাঁর পরিবার ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি ছোট দোকান এবং পরে একটি খাবারের ব্যবসা চালিয়ে জীবিকা গড়েছিল।

তাই সাং জানতেন, অন্য কেউ তাঁর জন্য দরজা খুলে দেবে—এমন সুযোগ নেই। নিজের জন্য সেই দরজা তাঁকেই তৈরি করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্কেটবল দলের ব্যবস্থাপনার কাজে যুক্ত হয়ে তিনি নিয়মিত ৩০ থেকে ৪০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করতেন। অনুশীলন শেষে প্রায় রাত একটা পর্যন্ত খেলোয়াড়দের পোশাক ধুয়ে দিতেন। খেলার দিন বল এগিয়ে দেওয়া, খেলোয়াড় পড়ে গেলে দ্রুত তোয়ালে নিয়ে ছুটে যাওয়া কিংবা মাঠের কোনো জায়গা পরিষ্কার করার মতো কাজও করতেন।

অনেকের চোখে এগুলো ছিল ছোট বা অপমানজনক কাজ। কিন্তু সাংয়ের কাছে প্রতিটি কাজ ছিল তাঁর কাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি ধাপ।

সহপাঠীদের হাসি বদলে গেল প্রশংসায়

শুরুতে বন্ধুরাও তাঁকে ঠাট্টা করে বলতেন, তিনি নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতাকর্মী। কিন্তু সাং নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে ছিলেন পরিষ্কার।

তিনি জানতেন, পেশাদার বাস্কেটবল দলে কাজ করতে চাইলে আগে বাস্কেটবল অঙ্গনের পরিবেশের ভেতরে ঢুকতে হবে। তাই ছোট কাজ হলেও তিনি সেটিকে সুযোগ হিসেবে দেখেছেন।

শেষ পর্যন্ত সেই অভিজ্ঞতাই তাঁর আবেদনকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তোলে। পেশাদার বাস্কেটবল অঙ্গনে শিক্ষানবিশ হওয়ার জন্য সাধারণত তৃতীয় বা চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা আবেদন করেন। সেখানে মাত্র ১৯ বছর বয়সে সাং সুযোগ পান লস অ্যাঞ্জেলেস ক্লিপার্সে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বদলে গেল ভাগ্য

শুধু শিক্ষানবিশির সুযোগ পাওয়াতেই তাঁর সাফল্যের গল্প শেষ হয়নি। কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত লেখা শুরু করেন সাং।

মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁর গল্প নজর কাড়তে শুরু করে। অনুসারী বাড়ার পাশাপাশি একের পর এক কাজের প্রস্তাবও আসতে থাকে।

তিনি বর্তমানে দুটি নতুন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছেন। এর পাশাপাশি বছরের শেষ দিকে ন্যাশভিলে একটি বড় পানীয় প্রতিষ্ঠানের বিপণন বিভাগেও কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। এসব সুযোগের অনেকটাই এসেছে নিজের কাজ ও অভিজ্ঞতা নিয়মিতভাবে তুলে ধরার মাধ্যমে।

তরুণদের জন্য তাঁর পরামর্শ

সাংয়ের মতে, চাকরি খোঁজার সময় শুধু নিজের বর্তমান যোগ্যতার সঙ্গে মেলে এমন পদ খোঁজা যথেষ্ট নয়। বরং ভবিষ্যতে কোথায় যেতে চান, সেটি আগে নির্ধারণ করে সেখান থেকে উল্টো পথে নিজের অভিজ্ঞতা তৈরি করা উচিত।

তিনি মনে করেন, জীবনের প্রতিটি অভিজ্ঞতা এমন হওয়া দরকার, যাতে সবকিছু মিলিয়ে একটি সুস্পষ্ট গল্প তৈরি হয়। তাঁর নিজের গল্প ছিল পেশাদার বাস্কেটবল দলে কাজ করার স্বপ্ন। তাই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্কেটবল দল থেকেই শুরু করেছিলেন।

তাঁর ভাষায়, নিজের ‘কেন’ সম্পর্কে পরিষ্কার থাকতে হবে এবং খুব ছোট জায়গা থেকেই শুরু করতে হবে।

ছোট কাজই কখনো বড় দরজার চাবি

ড্যানিয়েল সাংয়ের এক বছরের কঠিন ও অনেকটা অদৃশ্য পরিশ্রম তাঁকে শুধু জীবনবৃত্তান্তে একটি অভিজ্ঞতা দেয়নি; দিয়েছে মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও।

দলের কোচ, পরিচালনা বিভাগের কর্মকর্তাসহ পেশাদার অঙ্গনের মানুষের কাছ থেকে তিনি সরাসরি পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। কাজের ফাঁকে তাঁদের কাছে ছোট ছোট প্রশ্ন করতেন এবং তাঁদের অভিজ্ঞতা থেকে শেখার চেষ্টা করতেন।

তাঁর গল্পের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, স্বপ্নের পথে শুরুটা সবসময় বড় পদ বা বড় প্রতিষ্ঠানে হয় না। কখনো কখনো অন্যেরা যে কাজকে তুচ্ছ মনে করে, সেখান থেকেই তৈরি হয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

মাত্র ১৯ বছর বয়সে সাং তাই শুধু একটি শিক্ষানবিশির সুযোগই পাননি; নিজের লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে কীভাবে অভিজ্ঞতা, পরিচিতি ও সুযোগ তৈরি করতে হয়, তারও একটি উদাহরণ তৈরি করেছেন।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনিয়া গান্ধীর আত্মজীবনীতে কি ফাঁস হবে ভারতের প্রভাবশালী গান্ধী পরিবারের অজানা ইতিহাস?

বাস্কেটবল দলের ঘামভেজা পোশাক ধুয়ে, মেঝে মুছে স্বপ্নের চাকরি পেল ১৯ বছরের তরুণ

১১:২৯:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

স্বপ্নের পেশায় ঢোকার জন্য অনেকেই ভালো ফল, নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সনদ কিংবা পরিচিত মানুষের সুপারিশের ওপর ভরসা করেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ড্যানিয়েল সাং বেছে নিয়েছিলেন একেবারেই অন্য পথ। বাস্কেটবল অঙ্গনে নিজের জায়গা তৈরি করতে তিনি এক বছর দলের খেলোয়াড়দের ঘামভেজা পোশাক ধুয়েছেন, মাঠের মেঝে পরিষ্কার করেছেন এবং খেলার দিন খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় নানা কাজে ছুটে বেড়িয়েছেন।

সহপাঠীদের কেউ কেউ তাঁকে নিয়ে হাসাহাসি করে ‘মেঝে পরিষ্কার করা ছেলে’ বলে ডাকত। কিন্তু সেই কাজই শেষ পর্যন্ত তাঁকে মাত্র ১৯ বছর বয়সে লস অ্যাঞ্জেলেস ক্লিপার্সের বিপণন বিভাগে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজের সুযোগ এনে দিয়েছে।

অপমান সহ্য করেও লক্ষ্য থেকে সরেননি

ড্যানিয়েল সাং বুঝেছিলেন, পেশাদার খেলাধুলার জগতে প্রবেশ করা সহজ হবে না। তাঁর পরিবারেরও ক্রীড়া জগতে কোনো পরিচিতি ছিল না। দক্ষিণ কোরিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের পর তাঁর পরিবার ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি ছোট দোকান এবং পরে একটি খাবারের ব্যবসা চালিয়ে জীবিকা গড়েছিল।

তাই সাং জানতেন, অন্য কেউ তাঁর জন্য দরজা খুলে দেবে—এমন সুযোগ নেই। নিজের জন্য সেই দরজা তাঁকেই তৈরি করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্কেটবল দলের ব্যবস্থাপনার কাজে যুক্ত হয়ে তিনি নিয়মিত ৩০ থেকে ৪০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করতেন। অনুশীলন শেষে প্রায় রাত একটা পর্যন্ত খেলোয়াড়দের পোশাক ধুয়ে দিতেন। খেলার দিন বল এগিয়ে দেওয়া, খেলোয়াড় পড়ে গেলে দ্রুত তোয়ালে নিয়ে ছুটে যাওয়া কিংবা মাঠের কোনো জায়গা পরিষ্কার করার মতো কাজও করতেন।

অনেকের চোখে এগুলো ছিল ছোট বা অপমানজনক কাজ। কিন্তু সাংয়ের কাছে প্রতিটি কাজ ছিল তাঁর কাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি ধাপ।

সহপাঠীদের হাসি বদলে গেল প্রশংসায়

শুরুতে বন্ধুরাও তাঁকে ঠাট্টা করে বলতেন, তিনি নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতাকর্মী। কিন্তু সাং নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে ছিলেন পরিষ্কার।

তিনি জানতেন, পেশাদার বাস্কেটবল দলে কাজ করতে চাইলে আগে বাস্কেটবল অঙ্গনের পরিবেশের ভেতরে ঢুকতে হবে। তাই ছোট কাজ হলেও তিনি সেটিকে সুযোগ হিসেবে দেখেছেন।

শেষ পর্যন্ত সেই অভিজ্ঞতাই তাঁর আবেদনকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তোলে। পেশাদার বাস্কেটবল অঙ্গনে শিক্ষানবিশ হওয়ার জন্য সাধারণত তৃতীয় বা চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা আবেদন করেন। সেখানে মাত্র ১৯ বছর বয়সে সাং সুযোগ পান লস অ্যাঞ্জেলেস ক্লিপার্সে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বদলে গেল ভাগ্য

শুধু শিক্ষানবিশির সুযোগ পাওয়াতেই তাঁর সাফল্যের গল্প শেষ হয়নি। কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত লেখা শুরু করেন সাং।

মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁর গল্প নজর কাড়তে শুরু করে। অনুসারী বাড়ার পাশাপাশি একের পর এক কাজের প্রস্তাবও আসতে থাকে।

তিনি বর্তমানে দুটি নতুন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছেন। এর পাশাপাশি বছরের শেষ দিকে ন্যাশভিলে একটি বড় পানীয় প্রতিষ্ঠানের বিপণন বিভাগেও কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। এসব সুযোগের অনেকটাই এসেছে নিজের কাজ ও অভিজ্ঞতা নিয়মিতভাবে তুলে ধরার মাধ্যমে।

তরুণদের জন্য তাঁর পরামর্শ

সাংয়ের মতে, চাকরি খোঁজার সময় শুধু নিজের বর্তমান যোগ্যতার সঙ্গে মেলে এমন পদ খোঁজা যথেষ্ট নয়। বরং ভবিষ্যতে কোথায় যেতে চান, সেটি আগে নির্ধারণ করে সেখান থেকে উল্টো পথে নিজের অভিজ্ঞতা তৈরি করা উচিত।

তিনি মনে করেন, জীবনের প্রতিটি অভিজ্ঞতা এমন হওয়া দরকার, যাতে সবকিছু মিলিয়ে একটি সুস্পষ্ট গল্প তৈরি হয়। তাঁর নিজের গল্প ছিল পেশাদার বাস্কেটবল দলে কাজ করার স্বপ্ন। তাই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্কেটবল দল থেকেই শুরু করেছিলেন।

তাঁর ভাষায়, নিজের ‘কেন’ সম্পর্কে পরিষ্কার থাকতে হবে এবং খুব ছোট জায়গা থেকেই শুরু করতে হবে।

ছোট কাজই কখনো বড় দরজার চাবি

ড্যানিয়েল সাংয়ের এক বছরের কঠিন ও অনেকটা অদৃশ্য পরিশ্রম তাঁকে শুধু জীবনবৃত্তান্তে একটি অভিজ্ঞতা দেয়নি; দিয়েছে মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও।

দলের কোচ, পরিচালনা বিভাগের কর্মকর্তাসহ পেশাদার অঙ্গনের মানুষের কাছ থেকে তিনি সরাসরি পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। কাজের ফাঁকে তাঁদের কাছে ছোট ছোট প্রশ্ন করতেন এবং তাঁদের অভিজ্ঞতা থেকে শেখার চেষ্টা করতেন।

তাঁর গল্পের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, স্বপ্নের পথে শুরুটা সবসময় বড় পদ বা বড় প্রতিষ্ঠানে হয় না। কখনো কখনো অন্যেরা যে কাজকে তুচ্ছ মনে করে, সেখান থেকেই তৈরি হয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

মাত্র ১৯ বছর বয়সে সাং তাই শুধু একটি শিক্ষানবিশির সুযোগই পাননি; নিজের লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে কীভাবে অভিজ্ঞতা, পরিচিতি ও সুযোগ তৈরি করতে হয়, তারও একটি উদাহরণ তৈরি করেছেন।