একসময় দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যবসায়ী ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল বিদ্যুৎ সংকট। নিয়মিত বিদ্যুৎ বিভ্রাট অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই উদ্বেগের জায়গা দখল করেছে আরও গভীর ও জটিল একটি সংকট—সংগঠিত অপরাধ ও মাফিয়া চক্রের বিস্তার।
দক্ষিণ আফ্রিকায় অপরাধ জগতের অস্তিত্ব নতুন নয়। তবে এখন সেই অপরাধ শুধু সমাজের প্রান্তিক অংশে সীমাবদ্ধ নেই; বরং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা এবং বৈধ ব্যবসার ভেতরেও এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এমবুইসেলি মাদলাঙ্গার নেতৃত্বে গঠিত একটি বিশেষ তদন্ত কমিশনের শুনানিতে গত এক বছরে উঠে এসেছে এমন সব তথ্য, যা দেশটির গণতন্ত্র ও আইনের শাসন নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করেছে।
১৭ সেপ্টেম্বর কমিশনের প্রথম বছরের কার্যক্রম শেষ হয়েছে। টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত এসব শুনানিতে পুলিশের ভেতরে দুর্নীতি, রাজনীতিকদের সঙ্গে অপরাধচক্রের যোগাযোগ এবং সংগঠিত অপরাধীদের প্রভাব বিস্তারের নানা অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। তদন্তের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিকগুলোর একটি হলো—অপরাধীরা শুধু আইন ভাঙছে না, বরং যে প্রতিষ্ঠানগুলোর তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা, সেসব প্রতিষ্ঠানকেও নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে।
সংগঠিত অপরাধে বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ
ট্রান্সন্যাশনাল সংগঠিত অপরাধ নিয়ে কাজ করা গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অ্যাগেইনস্ট ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজড ক্রাইমের সূচকে ১৯৩টি দেশের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা সপ্তম সর্বোচ্চ ঝুঁকির অবস্থানে রয়েছে। দেশটির ওপরে রয়েছে মিয়ানমার, কলম্বিয়া, মেক্সিকো, ইকুয়েডর, প্যারাগুয়ে ও কঙ্গো।
সংস্থাটির প্রধান মার্ক শ বলেন, ২০১৯ সালে সূচক প্রকাশ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রতি দুই বছরেই দক্ষিণ আফ্রিকার অবস্থার অবনতি হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, চুরি হওয়া সম্পদ, অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যয়, বীমা খরচ এবং অপরাধের কারণে হারিয়ে যাওয়া অর্থনৈতিক সুযোগ মিলিয়ে অপরাধের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থনীতির বছরে অন্তত ১০ শতাংশ ক্ষতি হচ্ছে।
দেশটির প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সংসদে বলেছিলেন, সংগঠিত অপরাধ এখন দক্ষিণ আফ্রিকার গণতন্ত্র, সমাজ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে তাৎক্ষণিক হুমকি।
অবৈধ অর্থনীতির দ্রুত বিস্তার
দক্ষিণ আফ্রিকা বহুদিন ধরেই মাদক, মানুষ, বন্যপ্রাণী ও বিরল উদ্ভিদ পাচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এর পাশাপাশি আর্থিক ও সাইবার অপরাধও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনটি প্রবণতা বিশেষভাবে উদ্বেগ তৈরি করেছে—অবৈধ অর্থনীতির বিস্তার, চাঁদাবাজি-নির্ভর মাফিয়া গোষ্ঠীর উত্থান এবং পুলিশ ও রাজনীতিতে অপরাধীদের প্রভাব বৃদ্ধি।
দক্ষিণ আফ্রিকার কর কর্তৃপক্ষের সাবেক প্রধান এডওয়ার্ড কিসভেটার মনে করেন, দুই দশক আগে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ৫ শতাংশের সমান ছিল অবৈধ ব্যবসার আকার। চলতি বছর তা বেড়ে ১২ থেকে ১৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। অর্থাৎ অবৈধ অর্থনীতি এখন দেশের বৈধ উৎপাদন খাতের একটি বড় অংশের সমান হয়ে উঠেছে।
বৈধ ব্যবসার ওপরও এর বড় প্রভাব পড়ছে। দেশটিতে বিক্রি হওয়া সিগারেটের প্রায় ৭০ শতাংশ এবং মদ্যপ পানীয়ের প্রায় ২০ শতাংশ অবৈধভাবে বাজারজাত করা হয় বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অবৈধ খননও বড় অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ। ২০২৪ সালে শুধু অবৈধ খননের কারণে আনুষ্ঠানিক অর্থনীতিতে অন্তত ৬০ বিলিয়ন র্যান্ড বা প্রায় ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের উৎপাদন হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। কিসভেটারের হিসাব অনুযায়ী, অবৈধ ব্যবসার কারণে সরকার বছরে ৩০০ বিলিয়ন র্যান্ড পর্যন্ত কর হারাতে পারে। এই অর্থ দেশটির স্বাস্থ্য খাতের পুরো বাজেটের কাছাকাছি।
নির্মাণ খাতে মাফিয়ার দৌরাত্ম্য
চাঁদাবাজির বিস্তারও দ্রুত ঘটছে। প্রায় এক দশক আগে কোয়াজুলু-নাটাল প্রদেশে তথাকথিত ‘কনস্ট্রাকশন মাফিয়া’র উত্থান ঘটে। এসব গোষ্ঠী অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পে হামলা বা কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ঠিকাদারি চুক্তির একটি অংশ দাবি করত।
এরপর এই গোষ্ঠীগুলো দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ে। কেপটাউন সরকার বর্তমানে ৫০টির বেশি প্রকল্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি বিশেষ সমন্বয়কেন্দ্র পরিচালনা করছে।
শহরটির মেয়র জিওর্ডিন হিল-লুইসের ভাষায়, অপরাধীরা অত্যন্ত কৌশলী। যেসব নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ প্রকল্পগুলোকে অপরাধীদের হুমকি থেকে রক্ষা করার জন্য নিয়োগ করা হয়, সেখানেও মাফিয়া সদস্যরা ঢোকার চেষ্টা করে।
অপহরণও উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। গত এক দশকে মুক্তিপণের জন্য অপহরণের ঘটনা তিন গুণেরও বেশি হয়েছে।
বাস পরিবহন প্রতিষ্ঠান ইন্টারকেপ জানিয়েছে, ২০২০ সাল থেকে তাদের বহরে ২২০টির বেশি সহিংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলার সঙ্গে মিনিবাসভিত্তিক পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত অপরাধী গোষ্ঠীর সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র মানুষ
সংগঠিত অপরাধের সবচেয়ে বড় বোঝা বহন করতে হচ্ছে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে।
কিছু এলাকায় অপরাধীরা শিক্ষকদের কাছ থেকেও নিরাপত্তার নামে অর্থ দাবি করছে। ‘ওয়াটার মাফিয়া’ নামে পরিচিত কিছু গোষ্ঠী পৌরসভার পানির পাইপ নষ্ট করে দেয় এবং পানির ট্যাংকার সরবরাহের চুক্তি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য ঘুষ, ভয়ভীতি বা শক্তি ব্যবহার করে।
এরপর দরিদ্র বাসিন্দাদের কাছ থেকে বালতি প্রতি পানি বিক্রি করা হয়।
কেপটাউন সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২০০ সদস্য মোতায়েন করেছে। তাদের একটি বড় কাজ হলো অপরাধপ্রবণ এলাকায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
পুলিশের ভেতরেও অপরাধীদের প্রভাব
সবচেয়ে ভয়াবহ পরিবর্তন সম্ভবত এখানেই—অপরাধীরা এখন রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ওপরও প্রভাব বিস্তার করছে।
কোয়াজুলু-নাটালের পুলিশের সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ন্হলানহলা ম্খওয়ানাজি পুলিশ, রাজনীতিক ও অপরাধী গোষ্ঠীর মধ্যে যোগসাজশের বিস্ফোরক অভিযোগ তোলার পর মাদলাঙ্গা কমিশন গঠন করা হয়।
এরপর কমিশনের কার্যক্রমে দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার, তার ডেপুটি, পুলিশের সংগঠিত অপরাধবিরোধী ইউনিটের প্রধান এবং জাতীয় প্রসিকিউটিং কর্তৃপক্ষের দুর্নীতিবিরোধী বিভাগের দায়িত্বে থাকা আইনজীবীর পদত্যাগ বা প্রস্থান সামনে আসে।
এই তদন্তের কেন্দ্রীয় চরিত্রগুলোর একজন ভুসিমুজি ‘ক্যাট’ মাতলালা। হত্যাচেষ্টার মামলায় বিচারাধীন এই কথিত অপরাধীকে শুনানিতে পুলিশের কর্মকর্তাদের নগদ অর্থ ও বিভিন্ন উপহার দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। উপহারের মধ্যে ইমপালা হরিণ এবং ওজন কমানোর ওষুধ ওজেম্পিকের ডোজ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
অপরাধী চক্রের সংখ্যা বাড়ছে

মাদলাঙ্গা কমিশনের তদন্ত হয়তো সমস্যার কেবল ওপরের অংশটিই সামনে আনছে।
সংগঠিত অপরাধের অর্থনৈতিক ক্ষমতা ও রাজনৈতিক প্রভাব বাড়তে থাকায় অপরাধবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বেশি মাফিয়াপ্রভাবিত দেশগুলোর তুলনা করছেন।
ভারপ্রাপ্ত পুলিশমন্ত্রী ফিরোজ কাচালিয়া জানিয়েছেন, ২০২৪ সাল থেকে সরকার ১৬২টি অপরাধী চক্র শনাক্ত করেছে। এসব গোষ্ঠীর অনেকেই একাধিক ধরনের অপরাধে জড়িত এবং কিছু গোষ্ঠীর আন্তর্জাতিক অপরাধী নেটওয়ার্কের সঙ্গেও যোগাযোগ রয়েছে।
অপরাধী চক্রগুলোর মধ্যে ভাড়াটে খুনিদের জন্য একটি আলাদা বাজারও তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভের তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় চুক্তিভিত্তিক হত্যাকাণ্ড বা হত্যাচেষ্টার প্রায় ২ হাজার ৫০০ ঘটনা ঘটেছে। শুধু চলতি বছরেই রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা প্রায় ৩০-এ পৌঁছেছে।
রাষ্ট্রের জায়গা দখল করছে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা
রাষ্ট্রের সক্ষমতা নিয়ে আস্থা কমে যাওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষও নিজেদের মতো করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।
দরিদ্র এলাকায় স্বেচ্ছা-আইন প্রয়োগ বা প্রতিশোধমূলক গোষ্ঠী সক্রিয় হচ্ছে। অপেক্ষাকৃত ধনী এলাকায় ব্যক্তিগত নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।
১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতি একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিপরীতে একজনের মতো বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মী ছিল। এখন সেই অনুপাত দাঁড়িয়েছে প্রায় এক পুলিশ কর্মকর্তার বিপরীতে চারজন বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মী।
ব্যবসায়ীরাও পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সঙ্গে কাজ করছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ ও সরবরাহব্যবস্থার সংকট মোকাবিলায় ব্যবসা ও সরকারের যে অংশীদারত্ব তৈরি হয়েছিল, তার অনুরূপ উদ্যোগে এখন অপরাধ তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ দিয়ে সহায়তা করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
উদ্দেশ্য হলো জটিল আর্থিক ও প্রযুক্তিগত অপরাধ তদন্তে রাষ্ট্রকে সক্ষম করা এবং অপরাধচক্রের মূল হোতাদের বিচারের মুখোমুখি করা।
তবে এরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘বিজনেস এগেইনস্ট ক্রাইম সাউথ আফ্রিকা’র প্রধান ও জাতীয় প্রসিকিউটিং কর্তৃপক্ষের সাবেক উপপ্রধান অ্যান্টন দু প্লেসিসের মতে, জবাবদিহিই সংগঠিত অপরাধ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। কিন্তু একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেছেন—আইনের শাসনকে বেসরকারি খাতের হাতে তুলে দেওয়া যায় না।

মাদলাঙ্গা কমিশন বড় সুযোগ, কিন্তু সময়ও ফুরিয়ে আসছে
মাদলাঙ্গা কমিশন দক্ষিণ আফ্রিকার অপরাধ ও বিচারব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করার জন্য একটি প্রজন্মের মধ্যে সবচেয়ে বড় সুযোগ তৈরি করেছে। ১৯৯০-এর দশকে ইতালিতে মাফিয়াদের বিরুদ্ধে যেসব তদন্ত সংগঠিত অপরাধের শক্তি ভাঙতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল, দক্ষিণ আফ্রিকার বর্তমান কমিশনকে তার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে।
আগামী নভেম্বরে বিচারপতি মাদলাঙ্গা প্রেসিডেন্ট রামাফোসার কাছে কমিশনের সুপারিশ জমা দেওয়ার কথা। সেই সুপারিশ বাস্তবায়নে প্রেসিডেন্ট কতটা দৃঢ় পদক্ষেপ নেন, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষমতাসীন আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস বা এএনসির বিরুদ্ধেও অপরাধচক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমার আমলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও রাজনীতিতে যে ধরনের ‘স্টেট ক্যাপচার’ বা রাষ্ট্র দখলের অভিযোগ সামনে এসেছিল, তার ক্ষত এখনো পুরোপুরি সারেনি।
রামাফোসা ইঙ্গিত দিয়েছেন, তিনি এমন একজন নেতা হিসেবে স্মরণীয় হতে চান যিনি দক্ষিণ আফ্রিকাকে সেই রাষ্ট্র দখলের যুগ থেকে বের করে আনতে পেরেছিলেন। কিন্তু তার সামনে সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। আগামী বছর এএনসির নতুন নেতা নির্বাচিত হওয়ার কথা।
দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য তাই মাদলাঙ্গা কমিশন শুধু অপরাধ তদন্তের একটি উদ্যোগ নয়। এটি দেশটির গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অপরাধী চক্রের প্রভাব থেকে কতটা মুক্ত করতে পারে—তারও বড় পরীক্ষা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















