০৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
ডলি পার্টনের মৃত্যু, ৮০ বছরেই থামল কিংবদন্তি সংগীতজীবন এ৬৬ সড়ক দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত: সংঘবদ্ধ অপরাধের তদন্তে ১২ জন গ্রেপ্তার ট্রাম্পের নতুন প্রস্তাব, অন্টারিও হ্রদের নাম হতে পারে ‘আমেরিকা হ্রদ’ ডেভনে বন্ধ টাংস্টেন খনি ফের চালু করতে ৭১ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ ব্রিটিশ সরকারের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি গণিতের ভবিষ্যৎ শেষ করে দেবে? এখনই নয় ২৩ বছর পর ফিরছে ‘হাউ টু লুজ আ গাই ইন ১০ ডেজ’, প্রযোজনায় কেট হাডসন মাওয়ের ব্যঙ্গাত্মক ভাস্কর্য নির্মাণের দায়ে চীনা শিল্পীর তিন বছরের কারাদণ্ড সংস্কারের ভূত: অতীতের ভুল থেকে বেরিয়ে আসার কঠিন পরীক্ষা রাজনৈতিক প্রভাব কেনার বিল এবার বড় ব্যবসাকেই দিতে হবে প্রদেশ নয়, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণই পাকিস্তানের প্রকৃত সংস্কার

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যালে বিশ্ব কিডনি দিবস পালিত

  • Sarakhon Report
  • ০৩:০২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ ২০২৪
  • 181

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

‘সুস্থ কিডনি সবার জন্য, বৃদ্ধি পাচ্ছে ন্যায়সঙ্গত সেবার সমান সুযোগ আর নিরাপদ ও সর্বোত্তম ঔষধের অনুশীলন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব কিডনি দিবস -২০২৪ পালিত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এ উপলক্ষে একটি শোভাযাত্রা ও শহীদ ডা. মিল্টন হলে একটি  আলোচনা সভার  আয়োজন করেন কিডনি বিভাগ। অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিডনি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম।

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে কম বেশী কিডনী রোগীর সংখ্যা  ২.৫ কোটি (প্রায়) রয়েছে। এদের মধ্যে আকস্মিক কিডনী রোগীর সংখ্যা ২৫-৩০ হাজার (প্রতি বছর) দীর্ঘ স্থায়ী কিডনী রোগীর সংখ্যা ৩৫-৪০ হাজার (প্রতি বছর) । বাংলাদেশে কিডনি রোগের চিকিৎসক রয়েছে ৩০০ জন । বর্তমান বিশ্বে কিডনী রোগের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশে ১০ বছর আগে কিডনী রোগীর সংখ্যা ছিল ৮০ লক্ষ থেকে ১ কোটি আর বর্তমানে এর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ কোটি। বৃদ্ধির হার এতই বেশি যে অদুর ভবিষ্যতে এটা মহামারীর আকার ধারণ করতে পারে।

 

 

অকেজো কিডনী রোগীর চিকিৎসা সম্পর্কে বলা হয়, ডায়ালাইসিস ও কিডনী সংযোজন ব্যয়বহুল চিকিৎসা পদ্ধতি। একজন কিডনী অকেজো রোগী যদি নিয়মিত হিমোডায়ালাইসিস করে তাহলে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়। সিএপিডি করলে মাসে খরচ হয় প্রায় ৪০ হাজার টাকা। উভয়ক্ষেত্রেই অন্যান্য ঔষধ খেতে হয়। কিডনী ট্রান্সপ্লান্ট অপারেশনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ঔষধ ও হাসপাতালে থাকা বাবদ ৩-৪ লাখ টাকা খরচ হয়। অপারেশনের পর ঔষধ বাবদ ১ম বছরে খরচ হয় প্রায় ১-১.৫ লাখ এবং পরবর্তীতে প্রতি বছর খরচ হয় ৫০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা এবং এই সমস্ত ঔষধ সারাজীবন নিয়মিত খেতে হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউরোলোজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. তৌহিদ রমাঃ সাইফুল ইসলাম দিপু, কিডনি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এএইচ এম হামিদ আহমেদ, অধ্যাপক ডা. কেবিএম হাদিউজ্জামান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক প্রমুখ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডলি পার্টনের মৃত্যু, ৮০ বছরেই থামল কিংবদন্তি সংগীতজীবন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যালে বিশ্ব কিডনি দিবস পালিত

০৩:০২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

‘সুস্থ কিডনি সবার জন্য, বৃদ্ধি পাচ্ছে ন্যায়সঙ্গত সেবার সমান সুযোগ আর নিরাপদ ও সর্বোত্তম ঔষধের অনুশীলন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব কিডনি দিবস -২০২৪ পালিত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এ উপলক্ষে একটি শোভাযাত্রা ও শহীদ ডা. মিল্টন হলে একটি  আলোচনা সভার  আয়োজন করেন কিডনি বিভাগ। অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিডনি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম।

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে কম বেশী কিডনী রোগীর সংখ্যা  ২.৫ কোটি (প্রায়) রয়েছে। এদের মধ্যে আকস্মিক কিডনী রোগীর সংখ্যা ২৫-৩০ হাজার (প্রতি বছর) দীর্ঘ স্থায়ী কিডনী রোগীর সংখ্যা ৩৫-৪০ হাজার (প্রতি বছর) । বাংলাদেশে কিডনি রোগের চিকিৎসক রয়েছে ৩০০ জন । বর্তমান বিশ্বে কিডনী রোগের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশে ১০ বছর আগে কিডনী রোগীর সংখ্যা ছিল ৮০ লক্ষ থেকে ১ কোটি আর বর্তমানে এর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ কোটি। বৃদ্ধির হার এতই বেশি যে অদুর ভবিষ্যতে এটা মহামারীর আকার ধারণ করতে পারে।

 

 

অকেজো কিডনী রোগীর চিকিৎসা সম্পর্কে বলা হয়, ডায়ালাইসিস ও কিডনী সংযোজন ব্যয়বহুল চিকিৎসা পদ্ধতি। একজন কিডনী অকেজো রোগী যদি নিয়মিত হিমোডায়ালাইসিস করে তাহলে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়। সিএপিডি করলে মাসে খরচ হয় প্রায় ৪০ হাজার টাকা। উভয়ক্ষেত্রেই অন্যান্য ঔষধ খেতে হয়। কিডনী ট্রান্সপ্লান্ট অপারেশনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ঔষধ ও হাসপাতালে থাকা বাবদ ৩-৪ লাখ টাকা খরচ হয়। অপারেশনের পর ঔষধ বাবদ ১ম বছরে খরচ হয় প্রায় ১-১.৫ লাখ এবং পরবর্তীতে প্রতি বছর খরচ হয় ৫০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা এবং এই সমস্ত ঔষধ সারাজীবন নিয়মিত খেতে হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউরোলোজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. তৌহিদ রমাঃ সাইফুল ইসলাম দিপু, কিডনি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এএইচ এম হামিদ আহমেদ, অধ্যাপক ডা. কেবিএম হাদিউজ্জামান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক প্রমুখ।