০৪:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন আহমেদ আজম খান নওগাঁয় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভারতে রান্নার গ্যাস সংকটে বদলে যাচ্ছে খাবারের তালিকা হরমুজ প্রণালি বন্ধ:  জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে স্পিকার পদের মনোনয়নে বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনা না হওয়ায় অসন্তোষ জামায়াতের ওপেনক্ল’র জন্য নতুন নিরাপত্তা নির্দেশনা দিল চীন, কী করা যাবে আর কী করা যাবে না চীনের শিল্পনীতি এখন বিশ্বমুখী, মুক্তবাজারের দীর্ঘদিনের ধারণাকে চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ সফরে আসছেন চীনের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সান ওয়েইদং

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যালে বিশ্ব কিডনি দিবস পালিত

  • Sarakhon Report
  • ০৩:০২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ ২০২৪
  • 115

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

‘সুস্থ কিডনি সবার জন্য, বৃদ্ধি পাচ্ছে ন্যায়সঙ্গত সেবার সমান সুযোগ আর নিরাপদ ও সর্বোত্তম ঔষধের অনুশীলন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব কিডনি দিবস -২০২৪ পালিত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এ উপলক্ষে একটি শোভাযাত্রা ও শহীদ ডা. মিল্টন হলে একটি  আলোচনা সভার  আয়োজন করেন কিডনি বিভাগ। অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিডনি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম।

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে কম বেশী কিডনী রোগীর সংখ্যা  ২.৫ কোটি (প্রায়) রয়েছে। এদের মধ্যে আকস্মিক কিডনী রোগীর সংখ্যা ২৫-৩০ হাজার (প্রতি বছর) দীর্ঘ স্থায়ী কিডনী রোগীর সংখ্যা ৩৫-৪০ হাজার (প্রতি বছর) । বাংলাদেশে কিডনি রোগের চিকিৎসক রয়েছে ৩০০ জন । বর্তমান বিশ্বে কিডনী রোগের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশে ১০ বছর আগে কিডনী রোগীর সংখ্যা ছিল ৮০ লক্ষ থেকে ১ কোটি আর বর্তমানে এর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ কোটি। বৃদ্ধির হার এতই বেশি যে অদুর ভবিষ্যতে এটা মহামারীর আকার ধারণ করতে পারে।

 

 

অকেজো কিডনী রোগীর চিকিৎসা সম্পর্কে বলা হয়, ডায়ালাইসিস ও কিডনী সংযোজন ব্যয়বহুল চিকিৎসা পদ্ধতি। একজন কিডনী অকেজো রোগী যদি নিয়মিত হিমোডায়ালাইসিস করে তাহলে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়। সিএপিডি করলে মাসে খরচ হয় প্রায় ৪০ হাজার টাকা। উভয়ক্ষেত্রেই অন্যান্য ঔষধ খেতে হয়। কিডনী ট্রান্সপ্লান্ট অপারেশনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ঔষধ ও হাসপাতালে থাকা বাবদ ৩-৪ লাখ টাকা খরচ হয়। অপারেশনের পর ঔষধ বাবদ ১ম বছরে খরচ হয় প্রায় ১-১.৫ লাখ এবং পরবর্তীতে প্রতি বছর খরচ হয় ৫০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা এবং এই সমস্ত ঔষধ সারাজীবন নিয়মিত খেতে হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউরোলোজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. তৌহিদ রমাঃ সাইফুল ইসলাম দিপু, কিডনি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এএইচ এম হামিদ আহমেদ, অধ্যাপক ডা. কেবিএম হাদিউজ্জামান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক প্রমুখ।

জনপ্রিয় সংবাদ

মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন আহমেদ আজম খান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যালে বিশ্ব কিডনি দিবস পালিত

০৩:০২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

‘সুস্থ কিডনি সবার জন্য, বৃদ্ধি পাচ্ছে ন্যায়সঙ্গত সেবার সমান সুযোগ আর নিরাপদ ও সর্বোত্তম ঔষধের অনুশীলন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব কিডনি দিবস -২০২৪ পালিত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এ উপলক্ষে একটি শোভাযাত্রা ও শহীদ ডা. মিল্টন হলে একটি  আলোচনা সভার  আয়োজন করেন কিডনি বিভাগ। অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিডনি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম।

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে কম বেশী কিডনী রোগীর সংখ্যা  ২.৫ কোটি (প্রায়) রয়েছে। এদের মধ্যে আকস্মিক কিডনী রোগীর সংখ্যা ২৫-৩০ হাজার (প্রতি বছর) দীর্ঘ স্থায়ী কিডনী রোগীর সংখ্যা ৩৫-৪০ হাজার (প্রতি বছর) । বাংলাদেশে কিডনি রোগের চিকিৎসক রয়েছে ৩০০ জন । বর্তমান বিশ্বে কিডনী রোগের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশে ১০ বছর আগে কিডনী রোগীর সংখ্যা ছিল ৮০ লক্ষ থেকে ১ কোটি আর বর্তমানে এর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ কোটি। বৃদ্ধির হার এতই বেশি যে অদুর ভবিষ্যতে এটা মহামারীর আকার ধারণ করতে পারে।

 

 

অকেজো কিডনী রোগীর চিকিৎসা সম্পর্কে বলা হয়, ডায়ালাইসিস ও কিডনী সংযোজন ব্যয়বহুল চিকিৎসা পদ্ধতি। একজন কিডনী অকেজো রোগী যদি নিয়মিত হিমোডায়ালাইসিস করে তাহলে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়। সিএপিডি করলে মাসে খরচ হয় প্রায় ৪০ হাজার টাকা। উভয়ক্ষেত্রেই অন্যান্য ঔষধ খেতে হয়। কিডনী ট্রান্সপ্লান্ট অপারেশনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ঔষধ ও হাসপাতালে থাকা বাবদ ৩-৪ লাখ টাকা খরচ হয়। অপারেশনের পর ঔষধ বাবদ ১ম বছরে খরচ হয় প্রায় ১-১.৫ লাখ এবং পরবর্তীতে প্রতি বছর খরচ হয় ৫০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা এবং এই সমস্ত ঔষধ সারাজীবন নিয়মিত খেতে হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউরোলোজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. তৌহিদ রমাঃ সাইফুল ইসলাম দিপু, কিডনি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এএইচ এম হামিদ আহমেদ, অধ্যাপক ডা. কেবিএম হাদিউজ্জামান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক প্রমুখ।