০৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ইউনূস, আসিফ নজরুলসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন বেনাপোল ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা, পুশ-ইনের আশঙ্কা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ড. ইউনূস, আসিফ নজরুল, শফিকুল আলমসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের ইন্দোনেশীয় প্রকৌশলীদের বিশ্বজয়: মেধাতন্ত্রের কঠিন বাস্তবতায় ‘ব্লুপ্রিন্ট’ গৃহকর্মীর অধিকার আইন: স্বীকৃতির শুরু, শোষণের শেষ নয় ইউএইতে সিঙ্গেল মাদারের ভাগ্যবদল, ষষ্ঠ টিকিটেই জিতলেন ১০ লাখ দিরহাম ইরান যুদ্ধ ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে প্রস্তুত ৫০ হাজার মার্কিন সেনা, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিতে নতুন উত্তেজনা সোভিয়েত স্থাপত্য মুছে যাচ্ছে মধ্য এশিয়া থেকে, নতুন পরিচয় গঠনে ব্যস্ত রাষ্ট্রগুলো ভারতে ডেঙ্গু টিকার শেষ ধাপের পরীক্ষা, এক ডোজেই মিলতে পারে সুরক্ষা উত্তর থাইল্যান্ডে বিষাক্ত ধোঁয়ার দাপট, রক্ত ঝরছে নাক থেকে, বিপর্যস্ত জনজীবন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যালে বিশ্ব কিডনি দিবস পালিত

  • Sarakhon Report
  • ০৩:০২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ ২০২৪
  • 140

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

‘সুস্থ কিডনি সবার জন্য, বৃদ্ধি পাচ্ছে ন্যায়সঙ্গত সেবার সমান সুযোগ আর নিরাপদ ও সর্বোত্তম ঔষধের অনুশীলন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব কিডনি দিবস -২০২৪ পালিত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এ উপলক্ষে একটি শোভাযাত্রা ও শহীদ ডা. মিল্টন হলে একটি  আলোচনা সভার  আয়োজন করেন কিডনি বিভাগ। অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিডনি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম।

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে কম বেশী কিডনী রোগীর সংখ্যা  ২.৫ কোটি (প্রায়) রয়েছে। এদের মধ্যে আকস্মিক কিডনী রোগীর সংখ্যা ২৫-৩০ হাজার (প্রতি বছর) দীর্ঘ স্থায়ী কিডনী রোগীর সংখ্যা ৩৫-৪০ হাজার (প্রতি বছর) । বাংলাদেশে কিডনি রোগের চিকিৎসক রয়েছে ৩০০ জন । বর্তমান বিশ্বে কিডনী রোগের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশে ১০ বছর আগে কিডনী রোগীর সংখ্যা ছিল ৮০ লক্ষ থেকে ১ কোটি আর বর্তমানে এর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ কোটি। বৃদ্ধির হার এতই বেশি যে অদুর ভবিষ্যতে এটা মহামারীর আকার ধারণ করতে পারে।

 

 

অকেজো কিডনী রোগীর চিকিৎসা সম্পর্কে বলা হয়, ডায়ালাইসিস ও কিডনী সংযোজন ব্যয়বহুল চিকিৎসা পদ্ধতি। একজন কিডনী অকেজো রোগী যদি নিয়মিত হিমোডায়ালাইসিস করে তাহলে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়। সিএপিডি করলে মাসে খরচ হয় প্রায় ৪০ হাজার টাকা। উভয়ক্ষেত্রেই অন্যান্য ঔষধ খেতে হয়। কিডনী ট্রান্সপ্লান্ট অপারেশনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ঔষধ ও হাসপাতালে থাকা বাবদ ৩-৪ লাখ টাকা খরচ হয়। অপারেশনের পর ঔষধ বাবদ ১ম বছরে খরচ হয় প্রায় ১-১.৫ লাখ এবং পরবর্তীতে প্রতি বছর খরচ হয় ৫০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা এবং এই সমস্ত ঔষধ সারাজীবন নিয়মিত খেতে হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউরোলোজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. তৌহিদ রমাঃ সাইফুল ইসলাম দিপু, কিডনি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এএইচ এম হামিদ আহমেদ, অধ্যাপক ডা. কেবিএম হাদিউজ্জামান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক প্রমুখ।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ইউনূস, আসিফ নজরুলসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যালে বিশ্ব কিডনি দিবস পালিত

০৩:০২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

‘সুস্থ কিডনি সবার জন্য, বৃদ্ধি পাচ্ছে ন্যায়সঙ্গত সেবার সমান সুযোগ আর নিরাপদ ও সর্বোত্তম ঔষধের অনুশীলন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব কিডনি দিবস -২০২৪ পালিত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এ উপলক্ষে একটি শোভাযাত্রা ও শহীদ ডা. মিল্টন হলে একটি  আলোচনা সভার  আয়োজন করেন কিডনি বিভাগ। অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিডনি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম।

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে কম বেশী কিডনী রোগীর সংখ্যা  ২.৫ কোটি (প্রায়) রয়েছে। এদের মধ্যে আকস্মিক কিডনী রোগীর সংখ্যা ২৫-৩০ হাজার (প্রতি বছর) দীর্ঘ স্থায়ী কিডনী রোগীর সংখ্যা ৩৫-৪০ হাজার (প্রতি বছর) । বাংলাদেশে কিডনি রোগের চিকিৎসক রয়েছে ৩০০ জন । বর্তমান বিশ্বে কিডনী রোগের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশে ১০ বছর আগে কিডনী রোগীর সংখ্যা ছিল ৮০ লক্ষ থেকে ১ কোটি আর বর্তমানে এর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ কোটি। বৃদ্ধির হার এতই বেশি যে অদুর ভবিষ্যতে এটা মহামারীর আকার ধারণ করতে পারে।

 

 

অকেজো কিডনী রোগীর চিকিৎসা সম্পর্কে বলা হয়, ডায়ালাইসিস ও কিডনী সংযোজন ব্যয়বহুল চিকিৎসা পদ্ধতি। একজন কিডনী অকেজো রোগী যদি নিয়মিত হিমোডায়ালাইসিস করে তাহলে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়। সিএপিডি করলে মাসে খরচ হয় প্রায় ৪০ হাজার টাকা। উভয়ক্ষেত্রেই অন্যান্য ঔষধ খেতে হয়। কিডনী ট্রান্সপ্লান্ট অপারেশনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ঔষধ ও হাসপাতালে থাকা বাবদ ৩-৪ লাখ টাকা খরচ হয়। অপারেশনের পর ঔষধ বাবদ ১ম বছরে খরচ হয় প্রায় ১-১.৫ লাখ এবং পরবর্তীতে প্রতি বছর খরচ হয় ৫০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা এবং এই সমস্ত ঔষধ সারাজীবন নিয়মিত খেতে হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউরোলোজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. তৌহিদ রমাঃ সাইফুল ইসলাম দিপু, কিডনি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এএইচ এম হামিদ আহমেদ, অধ্যাপক ডা. কেবিএম হাদিউজ্জামান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক প্রমুখ।