০১:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬
একসময় নকল ওষুধ উৎপাদনের জন্য পরিচিত চীন, এখন বৈশ্বিক ওষুধ উদ্ভাবনের শক্তিকেন্দ্র নববর্ষের আগের রাতে উত্তর ক্যারোলিনায় আইএস অনুপ্রাণিত হামলার ছক ভেস্তে দিল যুক্তরাষ্ট্র চরম তাপে শ্রম উৎপাদনশীলতায় বাড়ছে ঝুঁকি চীনা–সংযোগযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মার্কিন চিপ সম্পদ ছাড়ার নির্দেশ ট্রাম্পের দানবের শৃঙ্খল নির্বাচনের আগে আরও হত্যাকাণ্ড চালাতে পারে আওয়ামী লীগ: হাফিজ অধ্যাদেশ জারি: দলিল নিবন্ধনের সময়সীমা ৩০ দিনের বদলে ৬০ দিন শরীয়তপুরে খোকন চন্দ্র দাসকে ছুরিকাঘাত ও আগুনে ঝলসে হত্যা এনসিপির আরেক নারী নেত্রীর পদত্যাগ, মধ্যপন্থা ছেড়ে ডানপন্থায় যাওয়ার অভিযোগ ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া

লিয়াওচাই চিয়ি : লাওশান পর্বতের মহাপুরুষ  (পর্ব ১০)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:৩০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মার্চ ২০২৪
  • 190

৩৭. ঘরে ফিরে এসে ওয়াং ছি ভাবল : “সত্যিই গুরুদেবের ক্ষমতা অনেক। যদি আমি তা শিখতে পারি, তাহলে পৃথিবীতে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী কেউ থাকবে না।” এই কথা ভেবে সে বাড়ি ফিরে যাওয়ার চিন্তা ত্যাগ করল।

৩৮. ওয়াং ছি রোজ কাঠ কাটতে যেত। এইভাবে আরো এক মাস কেটে গেল। সে আর কষ্ট সহ্য করতে পারছিল না। কিন্তু মহাপুরুষ তাঁর ক্ষমতার বিন্দুমাত্রও তাকে দেন নি। আর কোন উপায় না দেখে সে তার মন ঠিক করে ফেলল।

৩৯. পরদিন অন্যান্য শিষ্যরা পর্বতে চলে গেলে সে মহাপুরুষের কাছে গিয়ে বলল: “আমি কয়েকশ’ মাইল পথ অতিক্রম করে এখানে এসেছি এবং আপনাকে গুরুদেব মনে করে পূজা করেছি, তবে কেন রোজ রোজ আমাকে কাঠ কাটতে বলেন? সত্যি বলতে কি, আপনার শিষ্য আমি বাড়িতে কখনো এই ধরণের কাজ করি নি, একাজে আর কত দিন লাগবে?”

৪০. মহাপুরুষ হেসে বললেন, “আমি আগেই জানতাম তুমি এখানকার কষ্ট সহ্য করতে পারবে না। যাক, কাল তোমাকে বাড়ি যাবার জন্য বিদায় জানাব।” ওয়াং ছি এই কথা শুনে আন্তরিকতার সঙ্গে অনুরোধ করল, “কয়েক মাস হল আমি এখানে কষ্ট সহ্য করে কাজ করছি। অমরত্ব লাভের মতো বড় বিদ্যা শেখার যোগ্যতা আমার না থাকলেও গুরুদেব আমাকে নিশ্চয় কিছু ছোটখাটো ক্ষমতা লাভের বিদ্যা শেখাতে পারেন।”

জনপ্রিয় সংবাদ

একসময় নকল ওষুধ উৎপাদনের জন্য পরিচিত চীন, এখন বৈশ্বিক ওষুধ উদ্ভাবনের শক্তিকেন্দ্র

লিয়াওচাই চিয়ি : লাওশান পর্বতের মহাপুরুষ  (পর্ব ১০)

০৬:৩০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মার্চ ২০২৪

৩৭. ঘরে ফিরে এসে ওয়াং ছি ভাবল : “সত্যিই গুরুদেবের ক্ষমতা অনেক। যদি আমি তা শিখতে পারি, তাহলে পৃথিবীতে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী কেউ থাকবে না।” এই কথা ভেবে সে বাড়ি ফিরে যাওয়ার চিন্তা ত্যাগ করল।

৩৮. ওয়াং ছি রোজ কাঠ কাটতে যেত। এইভাবে আরো এক মাস কেটে গেল। সে আর কষ্ট সহ্য করতে পারছিল না। কিন্তু মহাপুরুষ তাঁর ক্ষমতার বিন্দুমাত্রও তাকে দেন নি। আর কোন উপায় না দেখে সে তার মন ঠিক করে ফেলল।

৩৯. পরদিন অন্যান্য শিষ্যরা পর্বতে চলে গেলে সে মহাপুরুষের কাছে গিয়ে বলল: “আমি কয়েকশ’ মাইল পথ অতিক্রম করে এখানে এসেছি এবং আপনাকে গুরুদেব মনে করে পূজা করেছি, তবে কেন রোজ রোজ আমাকে কাঠ কাটতে বলেন? সত্যি বলতে কি, আপনার শিষ্য আমি বাড়িতে কখনো এই ধরণের কাজ করি নি, একাজে আর কত দিন লাগবে?”

৪০. মহাপুরুষ হেসে বললেন, “আমি আগেই জানতাম তুমি এখানকার কষ্ট সহ্য করতে পারবে না। যাক, কাল তোমাকে বাড়ি যাবার জন্য বিদায় জানাব।” ওয়াং ছি এই কথা শুনে আন্তরিকতার সঙ্গে অনুরোধ করল, “কয়েক মাস হল আমি এখানে কষ্ট সহ্য করে কাজ করছি। অমরত্ব লাভের মতো বড় বিদ্যা শেখার যোগ্যতা আমার না থাকলেও গুরুদেব আমাকে নিশ্চয় কিছু ছোটখাটো ক্ষমতা লাভের বিদ্যা শেখাতে পারেন।”