১০:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
ব্রাজিলের বায়োফুয়েল শক্তি: জ্বালানি সংকটে এক গোপন ঢাল হার্ট অ্যাটাকে দেরি মানেই মৃত্যু ঝুঁকি, চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্বলতায় বাড়ছে বিপদ আখচাষিদের বকেয়া ৩২ গুণ বৃদ্ধি, কোটি কোটি টাকা আটকে—চাপ বাড়ছে কৃষকের জীবনে উত্তরাখণ্ডে ভাঙন, ছয় নেতা বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে ৮ জেলায় তেল সংকট: শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে জ্বালানি সরবরাহ থমকে গেছে জনসংখ্যা বদল থামাতে বিজেপিই শেষ ভরসা, তৃণমূলকে ঘিরে শাহের বিস্ফোরক চার্জশিট থাইল্যান্ডে নতুন জীবন খুঁজছেন মিয়ানমারের লাখো মানুষ, নিরাপত্তা ও স্বপ্নের লড়াই তীব্রতর ইরান যুদ্ধের ছায়ায় তাইওয়ান সংকট: চীনের হামলার ঝুঁকি কি বাড়ছে? চীনের রাজনীতিতে জিয়াং শেংনানের দৃপ্ত কণ্ঠ, নারীর অধিকারের নতুন অধ্যায় শুরু ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচার মামলায় সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিনের ৬ দিনের নতুন রিমান্ড

লিয়াওচাই চিয়ি : লাওশান পর্বতের মহাপুরুষ  (পর্ব ১০)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:৩০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মার্চ ২০২৪
  • 241

৩৭. ঘরে ফিরে এসে ওয়াং ছি ভাবল : “সত্যিই গুরুদেবের ক্ষমতা অনেক। যদি আমি তা শিখতে পারি, তাহলে পৃথিবীতে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী কেউ থাকবে না।” এই কথা ভেবে সে বাড়ি ফিরে যাওয়ার চিন্তা ত্যাগ করল।

৩৮. ওয়াং ছি রোজ কাঠ কাটতে যেত। এইভাবে আরো এক মাস কেটে গেল। সে আর কষ্ট সহ্য করতে পারছিল না। কিন্তু মহাপুরুষ তাঁর ক্ষমতার বিন্দুমাত্রও তাকে দেন নি। আর কোন উপায় না দেখে সে তার মন ঠিক করে ফেলল।

৩৯. পরদিন অন্যান্য শিষ্যরা পর্বতে চলে গেলে সে মহাপুরুষের কাছে গিয়ে বলল: “আমি কয়েকশ’ মাইল পথ অতিক্রম করে এখানে এসেছি এবং আপনাকে গুরুদেব মনে করে পূজা করেছি, তবে কেন রোজ রোজ আমাকে কাঠ কাটতে বলেন? সত্যি বলতে কি, আপনার শিষ্য আমি বাড়িতে কখনো এই ধরণের কাজ করি নি, একাজে আর কত দিন লাগবে?”

৪০. মহাপুরুষ হেসে বললেন, “আমি আগেই জানতাম তুমি এখানকার কষ্ট সহ্য করতে পারবে না। যাক, কাল তোমাকে বাড়ি যাবার জন্য বিদায় জানাব।” ওয়াং ছি এই কথা শুনে আন্তরিকতার সঙ্গে অনুরোধ করল, “কয়েক মাস হল আমি এখানে কষ্ট সহ্য করে কাজ করছি। অমরত্ব লাভের মতো বড় বিদ্যা শেখার যোগ্যতা আমার না থাকলেও গুরুদেব আমাকে নিশ্চয় কিছু ছোটখাটো ক্ষমতা লাভের বিদ্যা শেখাতে পারেন।”

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রাজিলের বায়োফুয়েল শক্তি: জ্বালানি সংকটে এক গোপন ঢাল

লিয়াওচাই চিয়ি : লাওশান পর্বতের মহাপুরুষ  (পর্ব ১০)

০৬:৩০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মার্চ ২০২৪

৩৭. ঘরে ফিরে এসে ওয়াং ছি ভাবল : “সত্যিই গুরুদেবের ক্ষমতা অনেক। যদি আমি তা শিখতে পারি, তাহলে পৃথিবীতে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী কেউ থাকবে না।” এই কথা ভেবে সে বাড়ি ফিরে যাওয়ার চিন্তা ত্যাগ করল।

৩৮. ওয়াং ছি রোজ কাঠ কাটতে যেত। এইভাবে আরো এক মাস কেটে গেল। সে আর কষ্ট সহ্য করতে পারছিল না। কিন্তু মহাপুরুষ তাঁর ক্ষমতার বিন্দুমাত্রও তাকে দেন নি। আর কোন উপায় না দেখে সে তার মন ঠিক করে ফেলল।

৩৯. পরদিন অন্যান্য শিষ্যরা পর্বতে চলে গেলে সে মহাপুরুষের কাছে গিয়ে বলল: “আমি কয়েকশ’ মাইল পথ অতিক্রম করে এখানে এসেছি এবং আপনাকে গুরুদেব মনে করে পূজা করেছি, তবে কেন রোজ রোজ আমাকে কাঠ কাটতে বলেন? সত্যি বলতে কি, আপনার শিষ্য আমি বাড়িতে কখনো এই ধরণের কাজ করি নি, একাজে আর কত দিন লাগবে?”

৪০. মহাপুরুষ হেসে বললেন, “আমি আগেই জানতাম তুমি এখানকার কষ্ট সহ্য করতে পারবে না। যাক, কাল তোমাকে বাড়ি যাবার জন্য বিদায় জানাব।” ওয়াং ছি এই কথা শুনে আন্তরিকতার সঙ্গে অনুরোধ করল, “কয়েক মাস হল আমি এখানে কষ্ট সহ্য করে কাজ করছি। অমরত্ব লাভের মতো বড় বিদ্যা শেখার যোগ্যতা আমার না থাকলেও গুরুদেব আমাকে নিশ্চয় কিছু ছোটখাটো ক্ষমতা লাভের বিদ্যা শেখাতে পারেন।”