০৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা: শান্তির আশা নাকি নতুন অনিশ্চয়তার সূচনা? বিশ্বকাপের উন্মাদনায় এক হচ্ছে বিশ্ব, ফুটবলের ভাষায় গড়ে উঠছে সম্মান ও সহমর্মিতা সৃজনশীলতা চাই, কিন্তু কতটা সহনশীল আমরা? সিঙ্গাপুরে শিল্পচর্চা নিয়ে নতুন বিতর্ক জাপানের নগর উন্নয়ন প্রকল্পে বড় ধাক্কা, ব্যয় বৃদ্ধি ও শ্রমিক সংকটে থমকে যাচ্ছে একের পর এক পরিকল্পনা এশিয়াজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ, ছয় আঞ্চলিক সংস্থার চুক্তি ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি চুক্তি: স্বস্তির বার্তা পেলেও বেশি সুবিধায় থাকতে পারে ইরান সিঙ্গাপুরে চাকরির বাজারে চাপ বাড়ছে, ছাঁটাই সর্বোচ্চ পর্যায়ে; ডিগ্রিধারীদের উদ্বেগ বেশি ভারতে ডিজেল ও বিমান জ্বালানি রপ্তানিতে বাড়ল অতিরিক্ত কর, অপরিবর্তিত পেট্রোল ‘আংটি আছে তো আসুন, না থাকলে একাই আসুন’—টেলর-ট্রাভিসের বিয়ের নিয়মে চাঞ্চল্য ঘুমের সমস্যায় স্বস্তি দিচ্ছে ভারী কম্বল, বাড়ছে জনপ্রিয়তা

নীলের বিশ্বায়ন – নীল ও ঔপনিবেশিক বাংলায় গোয়েন্দাগিরি (পর্ব-৫২)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অগাস্ট ২০২৪
  • 112

পিয়ের পল দারাক ও ভেলাম ভান সেন্দেল

অনুবাদ : ফওজুল করিম


চুল্লী

বঙ্গদেশের নীলকুঠিগুলিতে সবচেয়ে অবজ্ঞার স্থান হল এই চুল্লি। চুল্লি দিয়ে বয়লার গরম করা হয় এবং এভাবে তাপের সাহায্যে নীলের মন্ড সেদ্ধ করা হয়। বঙ্গদেশে আমি প্রায় তিরিশটি নীল কারখানা পরিদর্শন করেছি অথচ একটিতেও এ ক্ষেত্রে সন্তোষজনক ব্যবস্থা দেখিনি। সব বয়লারে একই জ্বালানী ব্যবহার করা হয়ঃ তা হল নীলখড়ি। সেদ্ধ হবার পর নীলের গাছের ছাল ছাড়িয়ে নেবার পর কাঠের দন্ড থাকে তাকে বলে নীলপড়ি, যেমন পাট গাছ ভেজানের পর তার গা থেকে পাট-ছাল তুলে নেবার পর যে দন্ড থাকে তাকে বলে পাটখড়ি। পাটখড়ির মতই নীলখড়ি জ্বালালে তা থেকে যে প্রচন্ড তাপ বের হয় তাতে বয়লার বেশ ভালই গরম হয়। চুল্লীতে এখন যে নীলখড়ি ব্যবহার হচ্ছে তা আগের মওশুমে সংগ্রহ করা।

প্রথমবার কাটা হচ্ছে

দ্বিতীয় বার ফাটা হচ্ছে

 

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা: শান্তির আশা নাকি নতুন অনিশ্চয়তার সূচনা?

নীলের বিশ্বায়ন – নীল ও ঔপনিবেশিক বাংলায় গোয়েন্দাগিরি (পর্ব-৫২)

১০:০০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অগাস্ট ২০২৪

পিয়ের পল দারাক ও ভেলাম ভান সেন্দেল

অনুবাদ : ফওজুল করিম


চুল্লী

বঙ্গদেশের নীলকুঠিগুলিতে সবচেয়ে অবজ্ঞার স্থান হল এই চুল্লি। চুল্লি দিয়ে বয়লার গরম করা হয় এবং এভাবে তাপের সাহায্যে নীলের মন্ড সেদ্ধ করা হয়। বঙ্গদেশে আমি প্রায় তিরিশটি নীল কারখানা পরিদর্শন করেছি অথচ একটিতেও এ ক্ষেত্রে সন্তোষজনক ব্যবস্থা দেখিনি। সব বয়লারে একই জ্বালানী ব্যবহার করা হয়ঃ তা হল নীলখড়ি। সেদ্ধ হবার পর নীলের গাছের ছাল ছাড়িয়ে নেবার পর কাঠের দন্ড থাকে তাকে বলে নীলপড়ি, যেমন পাট গাছ ভেজানের পর তার গা থেকে পাট-ছাল তুলে নেবার পর যে দন্ড থাকে তাকে বলে পাটখড়ি। পাটখড়ির মতই নীলখড়ি জ্বালালে তা থেকে যে প্রচন্ড তাপ বের হয় তাতে বয়লার বেশ ভালই গরম হয়। চুল্লীতে এখন যে নীলখড়ি ব্যবহার হচ্ছে তা আগের মওশুমে সংগ্রহ করা।

প্রথমবার কাটা হচ্ছে

দ্বিতীয় বার ফাটা হচ্ছে