০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
নারীর লেখনীতে ইতিহাসের নতুন ভাষ্য: স্মৃতি থেকে সংগ্রামের দলিল তিমি শিকারের দীর্ঘ ছায়া: বয়স্ক পুরুষ তিমিরা এখন প্রজনন প্রতিযোগিতায় এগিয়ে ৭০০ বিলিয়ন ডলারের বাজি: বিগ টেকের তথ্যকেন্দ্র নির্মাণ প্রতিযোগিতা এআই যুগকে নতুন রূপ দিচ্ছে নেটফ্লিক্সে আসছে কোরিয়ান গুপ্তচর থ্রিলার ‘হিউমিন্ট’, সঙ্গে বিটিএস ডকুমেন্টারি প্রজেক্ট হেইল মেরি’ ৩০ কোটি ডলার ছাড়াল: ২০২৬-এর প্রথম সত্যিকারের ব্লকবাস্টার পেল হলিউড লুসাকায় আধা টন হাতির দাঁত জব্দ: জাম্বিয়ায় আন্তর্জাতিক হাতির দাঁত পাচার চক্র ভেঙে দেওয়া হয়েছে আইওএস ২৭-এ গুগল ও অ্যান্থ্রপিকসহ প্রতিদ্বন্দ্বী এআই সিস্টেমে উন্মুক্ত হবে সিরি নিয়াসিন সাপ্লিমেন্টে অতিরিক্ত ভরসা নয়, বিপদে ফেলতে পারে লিভার ও রক্তে শর্করা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদের স্বাধীনতা সংকুচিত, নতুন নিয়মে শিক্ষার্থীদের কণ্ঠরোধের অভিযোগ টেস্ট ভেন্যু বাছাইয়ে বিতর্ক: ঐতিহ্য উপেক্ষা, প্রশ্নের মুখে ভারতের ক্রিকেট নীতি

নীলের বিশ্বায়ন – নীল ও ঔপনিবেশিক বাংলায় গোয়েন্দাগিরি (পর্ব-৫২)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অগাস্ট ২০২৪
  • 91

পিয়ের পল দারাক ও ভেলাম ভান সেন্দেল

অনুবাদ : ফওজুল করিম


চুল্লী

বঙ্গদেশের নীলকুঠিগুলিতে সবচেয়ে অবজ্ঞার স্থান হল এই চুল্লি। চুল্লি দিয়ে বয়লার গরম করা হয় এবং এভাবে তাপের সাহায্যে নীলের মন্ড সেদ্ধ করা হয়। বঙ্গদেশে আমি প্রায় তিরিশটি নীল কারখানা পরিদর্শন করেছি অথচ একটিতেও এ ক্ষেত্রে সন্তোষজনক ব্যবস্থা দেখিনি। সব বয়লারে একই জ্বালানী ব্যবহার করা হয়ঃ তা হল নীলখড়ি। সেদ্ধ হবার পর নীলের গাছের ছাল ছাড়িয়ে নেবার পর কাঠের দন্ড থাকে তাকে বলে নীলপড়ি, যেমন পাট গাছ ভেজানের পর তার গা থেকে পাট-ছাল তুলে নেবার পর যে দন্ড থাকে তাকে বলে পাটখড়ি। পাটখড়ির মতই নীলখড়ি জ্বালালে তা থেকে যে প্রচন্ড তাপ বের হয় তাতে বয়লার বেশ ভালই গরম হয়। চুল্লীতে এখন যে নীলখড়ি ব্যবহার হচ্ছে তা আগের মওশুমে সংগ্রহ করা।

প্রথমবার কাটা হচ্ছে

দ্বিতীয় বার ফাটা হচ্ছে

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর লেখনীতে ইতিহাসের নতুন ভাষ্য: স্মৃতি থেকে সংগ্রামের দলিল

নীলের বিশ্বায়ন – নীল ও ঔপনিবেশিক বাংলায় গোয়েন্দাগিরি (পর্ব-৫২)

১০:০০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অগাস্ট ২০২৪

পিয়ের পল দারাক ও ভেলাম ভান সেন্দেল

অনুবাদ : ফওজুল করিম


চুল্লী

বঙ্গদেশের নীলকুঠিগুলিতে সবচেয়ে অবজ্ঞার স্থান হল এই চুল্লি। চুল্লি দিয়ে বয়লার গরম করা হয় এবং এভাবে তাপের সাহায্যে নীলের মন্ড সেদ্ধ করা হয়। বঙ্গদেশে আমি প্রায় তিরিশটি নীল কারখানা পরিদর্শন করেছি অথচ একটিতেও এ ক্ষেত্রে সন্তোষজনক ব্যবস্থা দেখিনি। সব বয়লারে একই জ্বালানী ব্যবহার করা হয়ঃ তা হল নীলখড়ি। সেদ্ধ হবার পর নীলের গাছের ছাল ছাড়িয়ে নেবার পর কাঠের দন্ড থাকে তাকে বলে নীলপড়ি, যেমন পাট গাছ ভেজানের পর তার গা থেকে পাট-ছাল তুলে নেবার পর যে দন্ড থাকে তাকে বলে পাটখড়ি। পাটখড়ির মতই নীলখড়ি জ্বালালে তা থেকে যে প্রচন্ড তাপ বের হয় তাতে বয়লার বেশ ভালই গরম হয়। চুল্লীতে এখন যে নীলখড়ি ব্যবহার হচ্ছে তা আগের মওশুমে সংগ্রহ করা।

প্রথমবার কাটা হচ্ছে

দ্বিতীয় বার ফাটা হচ্ছে