০৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬
ইউক্রেনের যুদ্ধের মানবিক চিত্র বদলে দিচ্ছে মার্কিন ধর্মপ্রচারকদের মনোভাব পারি মনির ধর্ষণচেষ্টা মামলা: ৩০ নভেম্বর ফের জেরার মুখোমুখি অভিনেত্রী কিছুই ঘটবে না—এই বাজি কি ফেডের জন্য বিপজ্জনক? ৪৩ বছর বয়সেও ‘চিরকিশোর’ রাজনীতিক! জ্যাক পোলানস্কিকে ঘিরে ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক হরমুজ ও লোহিত সাগরের ঝুঁকি বাড়তেই বিশ্বজুড়ে তেল পাইপলাইনে বিনিয়োগের হিড়িক চাঁদের মাটিতে রকেট, পৃথিবীতে ধাক্কা—মাস্কের মহাকাশ সাম্রাজ্য নিয়ে বিনিয়োগকারীদের নতুন শঙ্কা জাপানকে ঘিরে চীনের আগ্রাসী চাপ, আসল লক্ষ্য কি যুক্তরাষ্ট্রের এশীয় আধিপত্য? দক্ষিণ কোরিয়ার প্রসাধনী শিল্পে টিএসএমসির কৌশল, যেভাবে চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনে বিশ্বজয় গাজা নিয়ে ট্রাম্পের ১৫ দফা পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান ইসরায়েলের, হামাস নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত সেনা প্রত্যাহার নয় দ্বৈত কৌশলগত সিদ্ধান্ত: ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সামনে সংঘাত নয়, শান্তির পথ বেছে নেওয়ার সময়

একটি পলাশের জন্যে

  • Sarakhon Report
  • ০৫:০৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 292

সারাক্ষণ নিউজ

এই পহেলা ফাল্গুনে শহর থেকে গ্রাম সবখানে- সাগরের ওপর জেগে ওঠা সূর্যের  লাল রঙ নিয়ে আগুন ছড়াতো পলাশ ফুল। ফাল্গুন, বসন্ত আর পলাশ এভাবে কবেই যেন হয়ে গিয়েছিলো সমার্থক শব্দ।

বসন্ত না বলে পলাশের ডাক বললেও একই স্বরে বেঁজে উঠতো। খোঁপায় একটা পলাশ গুঁজে দেয়া আর হাতে একটা পলাশ তুলে দেয়া মানেই ছিলো বসন্তের মন বিনিময়। তাই বসন্ত এসে গেলে একটু হলেও লজ্জায় মুখ লুকাতো লাল গোলাপ।

বসন্তের আগমনী দিনের সঙ্গে ভালোবাসা দিবস একাকার হয়ে গেছে। দোষ নেই তাতে। পলাশের জায়গা নিয়েছে দোকানির কাছ থেকে কিনে আনা বা টব থেকে তুলে আনা লাল গোলাপ। ঠিক তেমনি বসন্তের সেই হাতে তৈরির মিষ্ঠির জায়গাটা ভালোভাবেই দখল করে নিয়েছে চকোলেট।

এ পরিবর্তনের নরম হাতে হাত রেখেই বসন্ত ও ভালোবাসা দিবসের আহবানে কেউ পরেছে লাল কেউবা হলুদ রঙের পোষাক। ঘাটতি নেই কোন আনন্দে। যদি কেউ বলে, তেমনটি আর দেখছি না,ঠিকই তাকে ফেলে দেয়া যায় হতাশদের কাতারে।

এই সব সত্য মেনেও এখনও যদি কেউ বসন্ত আগমনী বাতাসে দাঁড়িয়ে উদাস চোখে খোঁজে একটি লাল পলাশ, যার ওপর নেচে চলছে একটি বসন্ত বাউরি, আর সেই পলাশ ফুলটি ধরে আছে বিশাল বা ছোট যে শরীরের হোক না কেন গাছটি তার নিচে হয়তো ধীর পায়ে যাচ্ছে সাত ভাই পাখি তার ধূসর শরীর নিয়ে- তাকেও কোন দোষ দেয়া যাবে না এই ফাল্গুনে। বরং বলা যায়, বাংলার ফাল্গুনের সঙ্গে, বসন্তের সঙ্গে আরো বহু কাল থাকবে একটি পলাশকে খোঁজা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউক্রেনের যুদ্ধের মানবিক চিত্র বদলে দিচ্ছে মার্কিন ধর্মপ্রচারকদের মনোভাব

একটি পলাশের জন্যে

০৫:০৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সারাক্ষণ নিউজ

এই পহেলা ফাল্গুনে শহর থেকে গ্রাম সবখানে- সাগরের ওপর জেগে ওঠা সূর্যের  লাল রঙ নিয়ে আগুন ছড়াতো পলাশ ফুল। ফাল্গুন, বসন্ত আর পলাশ এভাবে কবেই যেন হয়ে গিয়েছিলো সমার্থক শব্দ।

বসন্ত না বলে পলাশের ডাক বললেও একই স্বরে বেঁজে উঠতো। খোঁপায় একটা পলাশ গুঁজে দেয়া আর হাতে একটা পলাশ তুলে দেয়া মানেই ছিলো বসন্তের মন বিনিময়। তাই বসন্ত এসে গেলে একটু হলেও লজ্জায় মুখ লুকাতো লাল গোলাপ।

বসন্তের আগমনী দিনের সঙ্গে ভালোবাসা দিবস একাকার হয়ে গেছে। দোষ নেই তাতে। পলাশের জায়গা নিয়েছে দোকানির কাছ থেকে কিনে আনা বা টব থেকে তুলে আনা লাল গোলাপ। ঠিক তেমনি বসন্তের সেই হাতে তৈরির মিষ্ঠির জায়গাটা ভালোভাবেই দখল করে নিয়েছে চকোলেট।

এ পরিবর্তনের নরম হাতে হাত রেখেই বসন্ত ও ভালোবাসা দিবসের আহবানে কেউ পরেছে লাল কেউবা হলুদ রঙের পোষাক। ঘাটতি নেই কোন আনন্দে। যদি কেউ বলে, তেমনটি আর দেখছি না,ঠিকই তাকে ফেলে দেয়া যায় হতাশদের কাতারে।

এই সব সত্য মেনেও এখনও যদি কেউ বসন্ত আগমনী বাতাসে দাঁড়িয়ে উদাস চোখে খোঁজে একটি লাল পলাশ, যার ওপর নেচে চলছে একটি বসন্ত বাউরি, আর সেই পলাশ ফুলটি ধরে আছে বিশাল বা ছোট যে শরীরের হোক না কেন গাছটি তার নিচে হয়তো ধীর পায়ে যাচ্ছে সাত ভাই পাখি তার ধূসর শরীর নিয়ে- তাকেও কোন দোষ দেয়া যাবে না এই ফাল্গুনে। বরং বলা যায়, বাংলার ফাল্গুনের সঙ্গে, বসন্তের সঙ্গে আরো বহু কাল থাকবে একটি পলাশকে খোঁজা।