১০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
ড্রাগন নয়, এবার তাক সাজানোর খেলায় মজেছে গেমাররা: কেন জনপ্রিয় হচ্ছে চাকরি-ভিত্তিক ভিডিও গেম ফিলিপাইনের স্কুলে বন্দুক হামলা: নিহত ৩ শিক্ষার্থী, বুলিংয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত দুই কিশোর ভারতের মূল শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধি ২১ মাসের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন, মে মাসে নেমে এলো ০.৫ শতাংশে দূরবর্তী কাজের সুযোগে বদলাচ্ছে পরিবার-জীবনের সমীকরণ, স্বস্তিতে কর্মজীবী বাবা-মায়েরা সাভারে হত্যা মামলার আসামি পালানোয় তিন পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার আইএমএফের নতুন ঋণ প্যাকেজে শর্ত: ব্যাংক কোম্পানি আইন থেকে ১৮(এ) ধারা বাদ দিতে নীতিগত সিদ্ধান্ত জামায়াত আমিরের ‘নতুন বিপ্লব’ হুঁশিয়ারি, সংসদে কথা বলার সুযোগ না পেলে থাকার প্রশ্ন নেই ডগলাস লিমের নতুন মাইলফলক, উৎসব যাত্রা শুরু ‘হার সেকেন্ড অ্যাক্ট’-এর ‘আইটেম গান’ নয়, নারীশরীরের দৃষ্টি: তামান্নার মন্তব্যে নতুন বিতর্ক স্টার সিনেপ্লেক্সে সপ্তাহজুড়ে বাংলা ছবির গ্রীষ্ম উৎসব

একটি পলাশের জন্যে

  • Sarakhon Report
  • ০৫:০৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 251

সারাক্ষণ নিউজ

এই পহেলা ফাল্গুনে শহর থেকে গ্রাম সবখানে- সাগরের ওপর জেগে ওঠা সূর্যের  লাল রঙ নিয়ে আগুন ছড়াতো পলাশ ফুল। ফাল্গুন, বসন্ত আর পলাশ এভাবে কবেই যেন হয়ে গিয়েছিলো সমার্থক শব্দ।

বসন্ত না বলে পলাশের ডাক বললেও একই স্বরে বেঁজে উঠতো। খোঁপায় একটা পলাশ গুঁজে দেয়া আর হাতে একটা পলাশ তুলে দেয়া মানেই ছিলো বসন্তের মন বিনিময়। তাই বসন্ত এসে গেলে একটু হলেও লজ্জায় মুখ লুকাতো লাল গোলাপ।

বসন্তের আগমনী দিনের সঙ্গে ভালোবাসা দিবস একাকার হয়ে গেছে। দোষ নেই তাতে। পলাশের জায়গা নিয়েছে দোকানির কাছ থেকে কিনে আনা বা টব থেকে তুলে আনা লাল গোলাপ। ঠিক তেমনি বসন্তের সেই হাতে তৈরির মিষ্ঠির জায়গাটা ভালোভাবেই দখল করে নিয়েছে চকোলেট।

এ পরিবর্তনের নরম হাতে হাত রেখেই বসন্ত ও ভালোবাসা দিবসের আহবানে কেউ পরেছে লাল কেউবা হলুদ রঙের পোষাক। ঘাটতি নেই কোন আনন্দে। যদি কেউ বলে, তেমনটি আর দেখছি না,ঠিকই তাকে ফেলে দেয়া যায় হতাশদের কাতারে।

এই সব সত্য মেনেও এখনও যদি কেউ বসন্ত আগমনী বাতাসে দাঁড়িয়ে উদাস চোখে খোঁজে একটি লাল পলাশ, যার ওপর নেচে চলছে একটি বসন্ত বাউরি, আর সেই পলাশ ফুলটি ধরে আছে বিশাল বা ছোট যে শরীরের হোক না কেন গাছটি তার নিচে হয়তো ধীর পায়ে যাচ্ছে সাত ভাই পাখি তার ধূসর শরীর নিয়ে- তাকেও কোন দোষ দেয়া যাবে না এই ফাল্গুনে। বরং বলা যায়, বাংলার ফাল্গুনের সঙ্গে, বসন্তের সঙ্গে আরো বহু কাল থাকবে একটি পলাশকে খোঁজা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ড্রাগন নয়, এবার তাক সাজানোর খেলায় মজেছে গেমাররা: কেন জনপ্রিয় হচ্ছে চাকরি-ভিত্তিক ভিডিও গেম

একটি পলাশের জন্যে

০৫:০৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সারাক্ষণ নিউজ

এই পহেলা ফাল্গুনে শহর থেকে গ্রাম সবখানে- সাগরের ওপর জেগে ওঠা সূর্যের  লাল রঙ নিয়ে আগুন ছড়াতো পলাশ ফুল। ফাল্গুন, বসন্ত আর পলাশ এভাবে কবেই যেন হয়ে গিয়েছিলো সমার্থক শব্দ।

বসন্ত না বলে পলাশের ডাক বললেও একই স্বরে বেঁজে উঠতো। খোঁপায় একটা পলাশ গুঁজে দেয়া আর হাতে একটা পলাশ তুলে দেয়া মানেই ছিলো বসন্তের মন বিনিময়। তাই বসন্ত এসে গেলে একটু হলেও লজ্জায় মুখ লুকাতো লাল গোলাপ।

বসন্তের আগমনী দিনের সঙ্গে ভালোবাসা দিবস একাকার হয়ে গেছে। দোষ নেই তাতে। পলাশের জায়গা নিয়েছে দোকানির কাছ থেকে কিনে আনা বা টব থেকে তুলে আনা লাল গোলাপ। ঠিক তেমনি বসন্তের সেই হাতে তৈরির মিষ্ঠির জায়গাটা ভালোভাবেই দখল করে নিয়েছে চকোলেট।

এ পরিবর্তনের নরম হাতে হাত রেখেই বসন্ত ও ভালোবাসা দিবসের আহবানে কেউ পরেছে লাল কেউবা হলুদ রঙের পোষাক। ঘাটতি নেই কোন আনন্দে। যদি কেউ বলে, তেমনটি আর দেখছি না,ঠিকই তাকে ফেলে দেয়া যায় হতাশদের কাতারে।

এই সব সত্য মেনেও এখনও যদি কেউ বসন্ত আগমনী বাতাসে দাঁড়িয়ে উদাস চোখে খোঁজে একটি লাল পলাশ, যার ওপর নেচে চলছে একটি বসন্ত বাউরি, আর সেই পলাশ ফুলটি ধরে আছে বিশাল বা ছোট যে শরীরের হোক না কেন গাছটি তার নিচে হয়তো ধীর পায়ে যাচ্ছে সাত ভাই পাখি তার ধূসর শরীর নিয়ে- তাকেও কোন দোষ দেয়া যাবে না এই ফাল্গুনে। বরং বলা যায়, বাংলার ফাল্গুনের সঙ্গে, বসন্তের সঙ্গে আরো বহু কাল থাকবে একটি পলাশকে খোঁজা।