০৬:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
কুয়েত ও সৌদি আরবে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা মেক্সিকোর ড্রাগ কার্টেলে মার্কিন নাগরিকের উত্থান, নতুন সংকটে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সম্পর্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা কমাতে গোপন বার্তা আদান-প্রদানে পাকিস্তানের ভূমিকা ইসরায়েলের হামলায় নিহত ইরানি নৌ কমান্ডার, হরমুজ প্রণালী বন্ধে বড় ভূমিকা ‘পরবর্তী ওয়ারেন বাফেট’ খোঁজে ব্যর্থতার গল্প, কেন মিলছে না নতুন বিনিয়োগ কিংবদন্তি? আবুধাবিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রে নিহত ২, আহত ৩ ট্রাম্পের ইরান অভিযান: শক্তির প্রদর্শন নাকি রাজনৈতিক দুর্বলতার সূচনা? দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে সংঘর্ষে ইসরায়েলি সেনা নিহত ভারতের ঐতিহ্যগত ভূরাজনৈতিক ভূমিকার সামনে বাড়ছে নানা হুমকি আফ্রিকার ভবিষ্যৎ বদলে দিচ্ছে বিনিয়োগের ঢেউ, সহায়তার যুগ পেরিয়ে নতুন অর্থনৈতিক বাস্তবতা

দশ ট্রাক অস্ত্র আটক মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের ওপর শুনানি শুরু

  • Sarakhon Report
  • ০৯:৩৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০২৪
  • 86

নিজস্ব প্রতিনিধি

দশ ট্রাক অস্ত্র আটক মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের ডেথ রেফারেন্স ও রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়েছে। বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরীন আক্তারের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি শুরু হয়। আদালতে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ কয়েকজন আসামির পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান।

আইনজীবী এস এম শাহজাহান সাংবাদিকদের বলেন, ডেথ রেফারেন্স পেপারবুক পড়া শুরু হইছে। তবে, দুইটা মামলা আপিল একসঙ্গে শুনানি করতে চায় আসামিপক্ষ। এ সংক্রান্ত বিষয়ে পেপারবুক উপস্থাপনের জন্য বলা হয়েছে। ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি দশ ট্রাক অস্ত্র আটক সংক্রান্ত দু’টি মামলার মধ্যে চোরাচালান মামলায় (বিশেষ ক্ষমতা আইনে) সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী (ফাঁসির দন্ড কার্যকর), সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়াসহ ১৪ আসামিকে মৃত্যুদন্ড দেন চট্টগ্রামের স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক এসএম মজিবুর রহমানের আদালত।

অস্ত্র আইনে দায়ের করা অন্য মামলাটিতে যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ পেয়েছেন একই আসামিরা। এ ছাড়া অস্ত্র আটক মামলার অপর ধারায় সাত বছর কারাদন্ড দেন বিচারক। দন্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে ৫ লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়।
মৃত্যুদন্ড ও যাবজ্জীবন দন্ডাদেশপ্রাপ্ত অন্য ১১ জন হলেন এনএসআই’র সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, এনএসআই’র সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুর রহিম, ডিজিএফআই’র সাবেক পরিচালক (নিরাপত্তা) অবসরপ্রাপ্ত উইং কমান্ডার সাহাবুদ্দিন আহমেদ, এনএসআই’র সাবেক উপ-পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর লিয়াকত হোসেন, এনএসআই’র সাবেক মাঠ কর্মকর্তা আকবর হোসেন খান, রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানা চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডের (সিইউএফএল) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহসিন উদ্দিন তালুকদার, সিইউএফএল’র সাবেক মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) কে এম এনামুল হক, সাবেক ভারপ্রাপ্ত শিল্পসচিব নুরুল আমিন, চোরাচালানি হিসেবে অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান, অস্ত্র খালাসের জন্য শ্রমিক সরবরাহকারী দীন মোহাম্মদ ও ট্রলার মালিক হাজী আবদুস সোবহান।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়েত ও সৌদি আরবে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

দশ ট্রাক অস্ত্র আটক মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের ওপর শুনানি শুরু

০৯:৩৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি

দশ ট্রাক অস্ত্র আটক মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের ডেথ রেফারেন্স ও রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়েছে। বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরীন আক্তারের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি শুরু হয়। আদালতে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ কয়েকজন আসামির পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান।

আইনজীবী এস এম শাহজাহান সাংবাদিকদের বলেন, ডেথ রেফারেন্স পেপারবুক পড়া শুরু হইছে। তবে, দুইটা মামলা আপিল একসঙ্গে শুনানি করতে চায় আসামিপক্ষ। এ সংক্রান্ত বিষয়ে পেপারবুক উপস্থাপনের জন্য বলা হয়েছে। ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি দশ ট্রাক অস্ত্র আটক সংক্রান্ত দু’টি মামলার মধ্যে চোরাচালান মামলায় (বিশেষ ক্ষমতা আইনে) সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী (ফাঁসির দন্ড কার্যকর), সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়াসহ ১৪ আসামিকে মৃত্যুদন্ড দেন চট্টগ্রামের স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক এসএম মজিবুর রহমানের আদালত।

অস্ত্র আইনে দায়ের করা অন্য মামলাটিতে যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ পেয়েছেন একই আসামিরা। এ ছাড়া অস্ত্র আটক মামলার অপর ধারায় সাত বছর কারাদন্ড দেন বিচারক। দন্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে ৫ লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়।
মৃত্যুদন্ড ও যাবজ্জীবন দন্ডাদেশপ্রাপ্ত অন্য ১১ জন হলেন এনএসআই’র সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, এনএসআই’র সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুর রহিম, ডিজিএফআই’র সাবেক পরিচালক (নিরাপত্তা) অবসরপ্রাপ্ত উইং কমান্ডার সাহাবুদ্দিন আহমেদ, এনএসআই’র সাবেক উপ-পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর লিয়াকত হোসেন, এনএসআই’র সাবেক মাঠ কর্মকর্তা আকবর হোসেন খান, রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানা চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডের (সিইউএফএল) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহসিন উদ্দিন তালুকদার, সিইউএফএল’র সাবেক মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) কে এম এনামুল হক, সাবেক ভারপ্রাপ্ত শিল্পসচিব নুরুল আমিন, চোরাচালানি হিসেবে অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান, অস্ত্র খালাসের জন্য শ্রমিক সরবরাহকারী দীন মোহাম্মদ ও ট্রলার মালিক হাজী আবদুস সোবহান।