০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
আমাদ দিয়ালোর শেষ মুহূর্তের গোলে জয়, বিশ্বকাপ শুরুতেই দারুণ সূচনা আইভরি কোস্টের ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে এক বিশ্ব: বাংলাদেশের জন্য সতর্কবার্তা ও টেকসই লড়াইয়ের আহ্বান সীমান্ত হত্যা ও ‘পুশ-ইন’ বন্ধের দাবিতে ঢাকায় ১১ দলের সমাবেশ আজ ইসলামী ব্যাংকের পুরো পর্ষদ বিলুপ্ত, প্রশাসকের হাতে সব ক্ষমতা জিসানকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো, স্বাস্থ্য পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি ওবায়দুল কাদেরকে জেনারেল সেক্রেটারি করাই ছিলো আওয়ামী লীগের অন্যতম বড় ভুল শাকের পাতায় লুকিয়ে থাকা প্রোটিন, খাদ্য জগতে নতুন সম্ভাবনার নাম রুবিসকো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে আগেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁওয়ে ট্রাক্টরের ধাক্কায় সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে নবম শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যু বেলফাস্টে অভিবাসীবিরোধী হামলায় আতঙ্ক, ঘরবন্দি ৩ হাজারের বেশি বাংলাদেশি

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 145

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

ইনকাদের ধর্ম, ধর্মীয় আচার ইত্যাদি

ইনকা সমাজের জীবনযাত্রার ওপর ধর্মের প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়। তারা বিশ্বাস করত সমস্ত দেবতার উৎস হল সেই অমর, অব্যয়, অক্ষয়, অগোচর, অদৃশ্য সর্বশক্তিমান ঈশ্বর যার নাম বা অন্য শব্দে সূর্যদেবতা। ইনকারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে খারাপ বা পাপ কর্মের একদিন পরাজয় ঘটবেই। এই ব্যাপারে জাদুকর গণৎকারদের উপর নির্ভরতা জি খুব বেশি।

এই ওঝা বা জাদুকররা সাধারণত মানুষদের আত্মার কুফল থেকে রক্ষা করবে এই ধারণা ছিল প্রত্যেক ইনকার। তারা একথাও বিশ্বাস করত যে সমাজের মধ্যে দেবতারা পুনরায় ফিরে ফিরে আসে। এই অবতারদের আর্শীবাদেই তারা চুলকাটা, নখকাটা এবং দাঁতের ক্ষয় থেকে রক্ষা পেত। ধর্মীয় এবং সামাজিক মিলনমেলার কেন্দ্রস্থল ছিল। দুর্গ যাকে বলা হত ‘সাকসাহুয়ামান’।

এই দুর্গনগর ছিল কুজকো (Cuzco) শহরে। এই নগরগুলিকে তারা বলত পৃথিবীর গচ্ছিত থাকত সোনারূপার নানা অলংকার। ইনকাদের পবিত্র সম্পদের নাম হল মিতা (Mita)। এই ধরনের সোনা গয়না তৈরির জন্য প্রস্তুত থাকত সাধারণ মানুষ এবং এই কাজে বছরের কম বেশি ৬৫ দিন লাগত। বছরে বাকি সময় তারা মন্দিরের নানা কাজ, সেতু, পথ ঘাট তৈরি এবং খনি থেকে সোনা রূপো খুঁজে বার করার কাজে ব্যস্ত রাখত নিজেদের। এই কাজটি অনেকটা রবীন্দ্রনাথের রক্ত করবীর খনির শ্রমিকদের দুঃসহ অবস্থাকে মনে করিয়ে দেয়।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

আমাদ দিয়ালোর শেষ মুহূর্তের গোলে জয়, বিশ্বকাপ শুরুতেই দারুণ সূচনা আইভরি কোস্টের

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৮)

০৬:০২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

ইনকাদের ধর্ম, ধর্মীয় আচার ইত্যাদি

ইনকা সমাজের জীবনযাত্রার ওপর ধর্মের প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়। তারা বিশ্বাস করত সমস্ত দেবতার উৎস হল সেই অমর, অব্যয়, অক্ষয়, অগোচর, অদৃশ্য সর্বশক্তিমান ঈশ্বর যার নাম বা অন্য শব্দে সূর্যদেবতা। ইনকারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে খারাপ বা পাপ কর্মের একদিন পরাজয় ঘটবেই। এই ব্যাপারে জাদুকর গণৎকারদের উপর নির্ভরতা জি খুব বেশি।

এই ওঝা বা জাদুকররা সাধারণত মানুষদের আত্মার কুফল থেকে রক্ষা করবে এই ধারণা ছিল প্রত্যেক ইনকার। তারা একথাও বিশ্বাস করত যে সমাজের মধ্যে দেবতারা পুনরায় ফিরে ফিরে আসে। এই অবতারদের আর্শীবাদেই তারা চুলকাটা, নখকাটা এবং দাঁতের ক্ষয় থেকে রক্ষা পেত। ধর্মীয় এবং সামাজিক মিলনমেলার কেন্দ্রস্থল ছিল। দুর্গ যাকে বলা হত ‘সাকসাহুয়ামান’।

এই দুর্গনগর ছিল কুজকো (Cuzco) শহরে। এই নগরগুলিকে তারা বলত পৃথিবীর গচ্ছিত থাকত সোনারূপার নানা অলংকার। ইনকাদের পবিত্র সম্পদের নাম হল মিতা (Mita)। এই ধরনের সোনা গয়না তৈরির জন্য প্রস্তুত থাকত সাধারণ মানুষ এবং এই কাজে বছরের কম বেশি ৬৫ দিন লাগত। বছরে বাকি সময় তারা মন্দিরের নানা কাজ, সেতু, পথ ঘাট তৈরি এবং খনি থেকে সোনা রূপো খুঁজে বার করার কাজে ব্যস্ত রাখত নিজেদের। এই কাজটি অনেকটা রবীন্দ্রনাথের রক্ত করবীর খনির শ্রমিকদের দুঃসহ অবস্থাকে মনে করিয়ে দেয়।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭)