০১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
অস্ট্রেলিয়ার ‘ভুলে যাওয়া যুদ্ধ’: বোর্নিও ও মালয় উপদ্বীপে ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি সংঘাতে অস্ট্রেলিয়ার ভূমিকা অস্ট্রেলিয়ার অদ্ভুত জলপ্রপাত: আড়াআড়ি স্রোত, উল্টো ধারা আর কুয়াশার জলপ্রপাতের বিস্ময় বিবাহবিচ্ছেদের পর একাকী জীবনের কঠিন বাস্তবতা: আয় কমে খরচ বেড়ে বদলে যাচ্ছে জীবনধারা এজেএল ৪০: নবাগত তারকারা নতুন সুরে মঞ্চ মাতাতে প্রস্তুত ফ্লেমিঙ্গো ছানার জীবনচক্র ও গোলাপি রঙে বদলের অবাক করা রহস্য সিঙ্গাপুর এক্সচেঞ্জে ১.২৭ বিলিয়ন ডলারের রিয়েল এস্টেট ট্রাস্ট তালিকাভুক্তির পরিকল্পনায় থাই হসপিটালিটি জায়ান্ট ইন্দোনেশিয়ার সমুদ্রে একের পর এক রহস্যময় ক্ষেপণাস্ত্র সদৃশ বস্তু: আতঙ্ক ছড়াচ্ছে উপকূলজুড়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় নতুন মোড়: ছায়াযুদ্ধের আশঙ্কা ও স্লিপার সেল আতঙ্কে বিশ্ব নিরাপত্তা ঝুঁকি ২৩ কোটি রিঙ্গিত আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ: এনজিও কেলেঙ্কারিতে বিলাসবহুল সম্পদ জব্দ হরমুজ সংকটে ভারতে গ্যাসের তীব্র সংকট, রাস্তায় নেমেছে শ্রমিকদের ক্ষোভ

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 128

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

ইনকাদের ধর্ম, ধর্মীয় আচার ইত্যাদি

ইনকা সমাজের জীবনযাত্রার ওপর ধর্মের প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়। তারা বিশ্বাস করত সমস্ত দেবতার উৎস হল সেই অমর, অব্যয়, অক্ষয়, অগোচর, অদৃশ্য সর্বশক্তিমান ঈশ্বর যার নাম বা অন্য শব্দে সূর্যদেবতা। ইনকারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে খারাপ বা পাপ কর্মের একদিন পরাজয় ঘটবেই। এই ব্যাপারে জাদুকর গণৎকারদের উপর নির্ভরতা জি খুব বেশি।

এই ওঝা বা জাদুকররা সাধারণত মানুষদের আত্মার কুফল থেকে রক্ষা করবে এই ধারণা ছিল প্রত্যেক ইনকার। তারা একথাও বিশ্বাস করত যে সমাজের মধ্যে দেবতারা পুনরায় ফিরে ফিরে আসে। এই অবতারদের আর্শীবাদেই তারা চুলকাটা, নখকাটা এবং দাঁতের ক্ষয় থেকে রক্ষা পেত। ধর্মীয় এবং সামাজিক মিলনমেলার কেন্দ্রস্থল ছিল। দুর্গ যাকে বলা হত ‘সাকসাহুয়ামান’।

এই দুর্গনগর ছিল কুজকো (Cuzco) শহরে। এই নগরগুলিকে তারা বলত পৃথিবীর গচ্ছিত থাকত সোনারূপার নানা অলংকার। ইনকাদের পবিত্র সম্পদের নাম হল মিতা (Mita)। এই ধরনের সোনা গয়না তৈরির জন্য প্রস্তুত থাকত সাধারণ মানুষ এবং এই কাজে বছরের কম বেশি ৬৫ দিন লাগত। বছরে বাকি সময় তারা মন্দিরের নানা কাজ, সেতু, পথ ঘাট তৈরি এবং খনি থেকে সোনা রূপো খুঁজে বার করার কাজে ব্যস্ত রাখত নিজেদের। এই কাজটি অনেকটা রবীন্দ্রনাথের রক্ত করবীর খনির শ্রমিকদের দুঃসহ অবস্থাকে মনে করিয়ে দেয়।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ার ‘ভুলে যাওয়া যুদ্ধ’: বোর্নিও ও মালয় উপদ্বীপে ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি সংঘাতে অস্ট্রেলিয়ার ভূমিকা

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৮)

০৬:০২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

ইনকাদের ধর্ম, ধর্মীয় আচার ইত্যাদি

ইনকা সমাজের জীবনযাত্রার ওপর ধর্মের প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়। তারা বিশ্বাস করত সমস্ত দেবতার উৎস হল সেই অমর, অব্যয়, অক্ষয়, অগোচর, অদৃশ্য সর্বশক্তিমান ঈশ্বর যার নাম বা অন্য শব্দে সূর্যদেবতা। ইনকারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে খারাপ বা পাপ কর্মের একদিন পরাজয় ঘটবেই। এই ব্যাপারে জাদুকর গণৎকারদের উপর নির্ভরতা জি খুব বেশি।

এই ওঝা বা জাদুকররা সাধারণত মানুষদের আত্মার কুফল থেকে রক্ষা করবে এই ধারণা ছিল প্রত্যেক ইনকার। তারা একথাও বিশ্বাস করত যে সমাজের মধ্যে দেবতারা পুনরায় ফিরে ফিরে আসে। এই অবতারদের আর্শীবাদেই তারা চুলকাটা, নখকাটা এবং দাঁতের ক্ষয় থেকে রক্ষা পেত। ধর্মীয় এবং সামাজিক মিলনমেলার কেন্দ্রস্থল ছিল। দুর্গ যাকে বলা হত ‘সাকসাহুয়ামান’।

এই দুর্গনগর ছিল কুজকো (Cuzco) শহরে। এই নগরগুলিকে তারা বলত পৃথিবীর গচ্ছিত থাকত সোনারূপার নানা অলংকার। ইনকাদের পবিত্র সম্পদের নাম হল মিতা (Mita)। এই ধরনের সোনা গয়না তৈরির জন্য প্রস্তুত থাকত সাধারণ মানুষ এবং এই কাজে বছরের কম বেশি ৬৫ দিন লাগত। বছরে বাকি সময় তারা মন্দিরের নানা কাজ, সেতু, পথ ঘাট তৈরি এবং খনি থেকে সোনা রূপো খুঁজে বার করার কাজে ব্যস্ত রাখত নিজেদের। এই কাজটি অনেকটা রবীন্দ্রনাথের রক্ত করবীর খনির শ্রমিকদের দুঃসহ অবস্থাকে মনে করিয়ে দেয়।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭)