০২:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে এসএসসি পরীক্ষার্থী নাহিদাকে কুপিয়ে হত্যা বাংলাদেশে হাম সংক্রমণ ৫৮ জেলায়, জাতীয় ঝুঁকি ‘উচ্চ’—বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা অস্ট্রেলিয়ার ‘ভুলে যাওয়া যুদ্ধ’: বোর্নিও ও মালয় উপদ্বীপে ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি সংঘাতে অস্ট্রেলিয়ার ভূমিকা অস্ট্রেলিয়ার অদ্ভুত জলপ্রপাত: আড়াআড়ি স্রোত, উল্টো ধারা আর কুয়াশার জলপ্রপাতের বিস্ময় বিবাহবিচ্ছেদের পর একাকী জীবনের কঠিন বাস্তবতা: আয় কমে খরচ বেড়ে বদলে যাচ্ছে জীবনধারা এজেএল ৪০: নবাগত তারকারা নতুন সুরে মঞ্চ মাতাতে প্রস্তুত ফ্লেমিঙ্গো ছানার জীবনচক্র ও গোলাপি রঙে বদলের অবাক করা রহস্য সিঙ্গাপুর এক্সচেঞ্জে ১.২৭ বিলিয়ন ডলারের রিয়েল এস্টেট ট্রাস্ট তালিকাভুক্তির পরিকল্পনায় থাই হসপিটালিটি জায়ান্ট ইন্দোনেশিয়ার সমুদ্রে একের পর এক রহস্যময় ক্ষেপণাস্ত্র সদৃশ বস্তু: আতঙ্ক ছড়াচ্ছে উপকূলজুড়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় নতুন মোড়: ছায়াযুদ্ধের আশঙ্কা ও স্লিপার সেল আতঙ্কে বিশ্ব নিরাপত্তা ঝুঁকি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২১)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 113

প্রদীপ কুমার মজুমদার

দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য ও শ্রীবরাচার্যের বিবৃত অংকস্থানের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। শ্রীধরাচার্য যে সংখ্যাদ্বয়কে মহাসরোজ ও সরিপতি বলেছেন। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য সেই সংখ্যাদুটিকে মহাপদ্ম এবং জলধি বলেছেন।

এতক্ষণ পর্যন্ত আমরা বিভিন্ন অংকস্থানের নামকরণ নিয়ে আলোচনা করলাম। এবার দেখা যাক ভাষায় কি করে সংখ্যাগুলি ভারতীয়রা প্রকাশ করতেন। লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে যে এক, ছি, ত্রি, চতুঃ, পঞ্চ, ঘট, সপ্ত, অষ্ট, নব সংখ্যাগুলির সাহায্যে বেশ কিছু সংখ্যাকে কখনও বিয়োগাত্মক রীতিতে আবার কখনও গুণাত্মক পদ্ধতির প্রকাশ করা হোত। উদাহরণস্বরূপ তৈত্তিরীয় সংহিতায় উল্লিখিত ১৯ সংখ্যার কথা আমরা বলতে পারি।

এখানে ১৯’কে একন বিংশতি বলা হয়েছে। অর্থাৎ ১৯-২০-১ (বিয়োগাত্মক পদ্ধতি) ঋগ্বেদে ৩৩৩১কে বলা হয়েছে তিনি শতানি ত্রিসহস্রানি ত্রিংশ নব। গণিতসার সংগ্রহে বলা হয়েছে ১৩৯ চত্বারিংশ একোন যটধিক ৪+১০০-১; আর্যভট আর্যভটীয়াত ১৮’কে দ্বিনব বলে উল্লেখ করেছেন অর্থাৎ ১৮-২০ ১এখানে গুণাত্মক পদ্ধতি অনুযায়ী সংখ্যাটিকে উল্লেখ করা হয়েছে।

গণিতসারসংগ্রহের প্রথম অধ্যায়ে ২৮৪৮৩ সংখ্যাটিকে বলা হয়েছে অশীর্তিমিশ্রানি চতুংশতানি চতুশশতানি চতুল্লহস্রমনগান্বিতানি অর্থাৎ ২৮৪৮৩-৮৩+৪০০ + (৪০০৭)। গণিতসার সংগ্রহে ১২৩৪৫৬৫৪৩২১ সংখ্যাটিকে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ভাবে নামকরণ করা হয়েছে। এটিকে বলা হয়েছে একদিষড়- স্তানি ক্রমেন হীনানী। অর্থাৎ এক্ষেত্রে সংখ্যার নামকরণ করতে গিয়ে সংখ্যার উত্থান ও পতন ঘটিয়ে বলা হয়েছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২০)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২০)

জনপ্রিয় সংবাদ

ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে এসএসসি পরীক্ষার্থী নাহিদাকে কুপিয়ে হত্যা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২১)

০৭:০০:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য ও শ্রীবরাচার্যের বিবৃত অংকস্থানের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। শ্রীধরাচার্য যে সংখ্যাদ্বয়কে মহাসরোজ ও সরিপতি বলেছেন। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য সেই সংখ্যাদুটিকে মহাপদ্ম এবং জলধি বলেছেন।

এতক্ষণ পর্যন্ত আমরা বিভিন্ন অংকস্থানের নামকরণ নিয়ে আলোচনা করলাম। এবার দেখা যাক ভাষায় কি করে সংখ্যাগুলি ভারতীয়রা প্রকাশ করতেন। লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে যে এক, ছি, ত্রি, চতুঃ, পঞ্চ, ঘট, সপ্ত, অষ্ট, নব সংখ্যাগুলির সাহায্যে বেশ কিছু সংখ্যাকে কখনও বিয়োগাত্মক রীতিতে আবার কখনও গুণাত্মক পদ্ধতির প্রকাশ করা হোত। উদাহরণস্বরূপ তৈত্তিরীয় সংহিতায় উল্লিখিত ১৯ সংখ্যার কথা আমরা বলতে পারি।

এখানে ১৯’কে একন বিংশতি বলা হয়েছে। অর্থাৎ ১৯-২০-১ (বিয়োগাত্মক পদ্ধতি) ঋগ্বেদে ৩৩৩১কে বলা হয়েছে তিনি শতানি ত্রিসহস্রানি ত্রিংশ নব। গণিতসার সংগ্রহে বলা হয়েছে ১৩৯ চত্বারিংশ একোন যটধিক ৪+১০০-১; আর্যভট আর্যভটীয়াত ১৮’কে দ্বিনব বলে উল্লেখ করেছেন অর্থাৎ ১৮-২০ ১এখানে গুণাত্মক পদ্ধতি অনুযায়ী সংখ্যাটিকে উল্লেখ করা হয়েছে।

গণিতসারসংগ্রহের প্রথম অধ্যায়ে ২৮৪৮৩ সংখ্যাটিকে বলা হয়েছে অশীর্তিমিশ্রানি চতুংশতানি চতুশশতানি চতুল্লহস্রমনগান্বিতানি অর্থাৎ ২৮৪৮৩-৮৩+৪০০ + (৪০০৭)। গণিতসার সংগ্রহে ১২৩৪৫৬৫৪৩২১ সংখ্যাটিকে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ভাবে নামকরণ করা হয়েছে। এটিকে বলা হয়েছে একদিষড়- স্তানি ক্রমেন হীনানী। অর্থাৎ এক্ষেত্রে সংখ্যার নামকরণ করতে গিয়ে সংখ্যার উত্থান ও পতন ঘটিয়ে বলা হয়েছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২০)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২০)