১০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
আলঝেইমারের নতুন ওষুধ খুঁজে পাচ্ছে ক্যান্সার গবেষণার কৌশল থেকে শিক্ষা নতুন NCERT বইতে ভারত ভাগকে ‘অপরিহার্য’ বলে প্রকাশ, বিতর্কের ঝড় চীন বনাম পশ্চিমা দেশ? ওয়াং ই বললেন, কোনো দেশ ‘মানবাধিকার শিক্ষক’ নয় ঈদুল ফিতরে টানা চার দিনের ছুটি, সম্ভাব্য তারিখ জানাল বিশেষজ্ঞরা সারওয়ার আলম আবার রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব এনবিআর গঠন করল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তুতি কমিটি ইরান উত্তেজনা চরমে, ভারতীয়দের দেশ ছাড়ার নির্দেশ; বৈরুতে মার্কিন দূতাবাসে কর্মী প্রত্যাহার ভারত ‘আইইএ’‑তে পূর্ণ সদস্যপদ অর্জনের পথে, সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া আলোচনার কেন্দ্রে রাষ্ট্রপতির  বক্তব্যে অনেক কিছুই চেপে গেছেন: জামায়াত আমির মুকুল রায়ের মৃত্যু: বাংলার কৌশলী রাজনীতিকের শেষ অধ্যায়

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২২)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 97

প্রদীপ কুমার মজুমদার

সংখ্যার ব্যুৎপত্তি

এতক্ষণ পর্যন্ত সংখ্যার নামকরণ এবং এ সম্পর্কে কোন্ গ্রন্থে কি বলা হয়েছে তার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেওয়া হোল। এবারে ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে সংখ্যার ব্যুৎপত্তি সম্পর্কে কি আলোচনা করা হয়েছে তার উপর কিছুটা আলোকপাত করা হচ্ছে। বিখ্যাত লেখক যাস্ক তাঁর নিরুক্ত গ্রন্থে এক দুই ইত্যাদি সংখ্যার ব্যুৎপত্তি সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন-

“এক ইতা সংখ্যা, ছৌ দ্রুততরা সংখ্যা, অয়ন্তীর্ণতমা সংখ্যা, চত্বারশ্চলিততমা সংখ্যা।” অর্থাৎ এক অনুগতা সংখ্যা, দ্বি দ্রুততরা সংখ্যা, তিন উত্তীর্ণতমা সংখ্যা, চার অতিশয় চলনসম্পন্না সংখ্যা। উণাদিখণ্ডে বলা হয়েছে-‘এক’ শব্দ গত্যর্থক ‘ই’ ধাতুর উত্তর ‘কন্’ প্রত্যয়ে নিষ্পন্ন এবং ‘এক’ সংখ্যাত্ব প্রাপ্ত অথবা, সমস্ত সংখ্যায় অনুগত-একের বুদ্ধিতেই দ্বি প্রভৃতি সংখ্যার উদ্ভব, অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষায় বলতে গেলে এরকম হয়-‘ইতা অনুগতা উত্তরাং সংখ্যাম্, একত্মপ্রচয়মাত্রং হি দ্বিত্বাদি সংখ্যা।’

‘দ্বি’ শব্দ গত্যর্থক ভ্রু ধাতু হতে নিষ্পন্ন। ‘দ্বি’ সম্পর্কে বলা হয় “ছৌ দ্রুততরা সংখ্যা একস্যা সকাশাং” অর্থাৎ ‘দুই’ একের অপেক্ষায় অধিকতর বেগে গমন করে-সর্বদাই যেন একেই অগ্রগামী। তরণার্থক “ত,” ধাতুর উত্তর ‘ডি’ প্রত্যয়ে ‘ত্রি’ শব্দের নিষ্পত্তি। সংস্কৃতে বলা হয়-‘এয়স্বীর্ণতমা দ্বাবেকং চাপেক্ষ্য’ অর্থাৎ তিন উত্তীর্ণতম অর্থাৎ এক-কে ও দুইকে অতিক্রম করে বর্তমান।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২১)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২১)

জনপ্রিয় সংবাদ

আলঝেইমারের নতুন ওষুধ খুঁজে পাচ্ছে ক্যান্সার গবেষণার কৌশল থেকে শিক্ষা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২২)

১০:০০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

সংখ্যার ব্যুৎপত্তি

এতক্ষণ পর্যন্ত সংখ্যার নামকরণ এবং এ সম্পর্কে কোন্ গ্রন্থে কি বলা হয়েছে তার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেওয়া হোল। এবারে ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে সংখ্যার ব্যুৎপত্তি সম্পর্কে কি আলোচনা করা হয়েছে তার উপর কিছুটা আলোকপাত করা হচ্ছে। বিখ্যাত লেখক যাস্ক তাঁর নিরুক্ত গ্রন্থে এক দুই ইত্যাদি সংখ্যার ব্যুৎপত্তি সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন-

“এক ইতা সংখ্যা, ছৌ দ্রুততরা সংখ্যা, অয়ন্তীর্ণতমা সংখ্যা, চত্বারশ্চলিততমা সংখ্যা।” অর্থাৎ এক অনুগতা সংখ্যা, দ্বি দ্রুততরা সংখ্যা, তিন উত্তীর্ণতমা সংখ্যা, চার অতিশয় চলনসম্পন্না সংখ্যা। উণাদিখণ্ডে বলা হয়েছে-‘এক’ শব্দ গত্যর্থক ‘ই’ ধাতুর উত্তর ‘কন্’ প্রত্যয়ে নিষ্পন্ন এবং ‘এক’ সংখ্যাত্ব প্রাপ্ত অথবা, সমস্ত সংখ্যায় অনুগত-একের বুদ্ধিতেই দ্বি প্রভৃতি সংখ্যার উদ্ভব, অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষায় বলতে গেলে এরকম হয়-‘ইতা অনুগতা উত্তরাং সংখ্যাম্, একত্মপ্রচয়মাত্রং হি দ্বিত্বাদি সংখ্যা।’

‘দ্বি’ শব্দ গত্যর্থক ভ্রু ধাতু হতে নিষ্পন্ন। ‘দ্বি’ সম্পর্কে বলা হয় “ছৌ দ্রুততরা সংখ্যা একস্যা সকাশাং” অর্থাৎ ‘দুই’ একের অপেক্ষায় অধিকতর বেগে গমন করে-সর্বদাই যেন একেই অগ্রগামী। তরণার্থক “ত,” ধাতুর উত্তর ‘ডি’ প্রত্যয়ে ‘ত্রি’ শব্দের নিষ্পত্তি। সংস্কৃতে বলা হয়-‘এয়স্বীর্ণতমা দ্বাবেকং চাপেক্ষ্য’ অর্থাৎ তিন উত্তীর্ণতম অর্থাৎ এক-কে ও দুইকে অতিক্রম করে বর্তমান।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২১)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২১)