ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়
এই স্বাগত সম্ভাষণের শুভমুহূর্তে প্রথম ঋতুমতী মেয়ের খুব কাছের ও প্রিয় কাকা মেয়েটির একটি নতুন নামকরণ করেন। এই নামটি তার চিরজীবনের জন্য থাকবে। সমবেত আত্মীয় পরিজন মেয়েটিকে নানারকম উপহার দিয়ে সম্মান করেন।

দক্ষিণভারতের কিছু অঞ্চলে মেয়েদের মধ্যে এই একই রীতি-আচার পালন লক্ষ্য করা যায়। গবেষক ড. সরস্বতী বেণুগোপাল এই প্রসঙ্গে বলেছেন মেয়েটিকে মামা কিছু উপহার সামগ্রী দেয়। কয়েম্বাটোর জেলায় এখনো মেয়েরা প্রথম ঋতুর সময় পাড়ার সমবেত মানুষের কাছে উপস্থিত হয়। তবে শহরাঞ্চলে এই রীতি-আচার এখন আর দেখা যায় না। মেয়েদের মত ছেলেদের মধ্যেও একটি রীতি-আচার চালু আছে। ছেলেদের বড় হওয়ার প্রতীকী আচার হল এই সময় গাছের একটি কঠিন ডালের চূড়ায় চড়তে হয়।
এই গাছে চড়তে পারার মধ্য দিয়ে ছেলেটি এই বার্তাই পৌঁছে দিতে চায় যে সে বড় হয়ে পুরুষের মত কাজ করতে পারবে। লোকগল্প থেকে জানা যায় মাংকো আয়ারের ভাই কাচি আয়ার (Cachi Ayyar) হুয়ানাকৌরিরতে এরকম গাছের উঁচুতে উঠেছিল এবং সেখান থেকে পাথর ছুঁড়ে দিয়েছিল।
(চলবে)
ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৮)
Sarakhon Report 



















