০৩:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
তেল খনন বাড়াতে ট্রাম্পের চাপ, বিলুপ্তির মুখে বিশ্বের বিরল তিমি পাইপ গ্যাসে জোর ভারত, এলপিজির বিকল্প কি সত্যিই প্রস্তুত? বাড়লো ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম – ‘ঘোষণা দিয়ে লাভ কী? দাম তো আগে থেকেই বেশি’ পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা ভারতের কর্পোরেট খাতের আর্থিক স্থিতিশীলতার পরীক্ষা চলেছে ‘স্কুলের আগে সংসদ অনলাইনে করা হোক’ শিশুদের অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার সামাজিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত করছে: বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা গ্যান্ডারবাল কেন্দ্রীয় কাশ্মীরে সন্ত্রাসী নিহত, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে চিকিৎসক দম্পতিকে UAPA-তে মামলা “ভোটাধিকার চিরস্থায়ীভাবে বিলোপ করা যায় না” পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে বাদপ্রাপ্তদের প্রসঙ্গে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট যুদ্ধের প্রভাবে এলপিজি ও বিমান ভ্রমণের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি শেনানডোহ তেলের ক্ষেত্রের জন্য বিশ্ববিখ্যাত কোম্পানিগুলোর দৌড়, মার্কিন উপসাগরীয় প্রযুক্তিগত তেলে বিপুল আগ্রহ

রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -১৭)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 85

আর্কাদি গাইদার

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

তখনও বাস্স্কাকভ পাইপ টেনে চলেছে। টানা-টানা সর্-সরু চোখদুটো কচকে মুখখানাকে এমন নিপট ভালোমানুষের মতো করে রেখেছে ও, যেন বলতে চাইছে: ‘আরে বকুক না, যত বকতে চায়। তাতে আমার কী এল-গেল? আমি বাপু কারো সাতে-পাঁচে নেই। দিব্যি পাইপ টেনে চলেছি’।

ওদের তৃতীয় বক্তার অবস্থা ঘটল দ্বিতীয় বক্তার মতোই। আর সে যখন মণ্ড থেকে নেমে গেল বেশির ভাগ শ্রোতাই তখন শিস্ দেয়া, হপহপ আওয়াজ করা আর চ্যাঁচামেচি শুরু করেছে।

‘হেই, সভাপতি-মশাই!’

‘আরে ও মোড়ল, অন্য বক্তার দাও-না বাবা!’

‘আরে, বলশেভিকদের কইতি দাও না গো! ওদের কইতি দিচ্চ না কেন?’

এ-অভিযোগের প্রতিবাদ করে সভাপতি জানালেন, যে বলতে চাইছে তিনি ভাকেই বলতে দিচ্ছেন। কিন্তু বলশেভিকদের কেউ এখনও পর্যন্ত বলতে চায় নি।

কারণ কে জানে, হয়তো ওরা ভয় পেয়েছে। ওদের দিয়ে তো জোর করে তিনি কিছু, বলাতে পারেন না।

‘আপনি যদি না পারেন তো আমরা চেষ্টা করে দেখি!’

‘নোংরা কাজ যা করবার শেষ করে ওরা এখন গা-ঢাকা দিতে চেষ্টা পাচ্চে হে।’

ঘাড় ধরে ওগুলারে গাড়ির কাচে এনে ফ্যালো দেখি! পাঁচজনের সামনে বলুক যা ওদের বলার আচে…

লোকের তর্জনিগজ’ন শুনে ভয় ধরে গেল আমার। দাঁড়কাকের দিকে তাকালুম। দেখলুম তিনি হাসছেন বটে, তবে মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গেছে।

অবশেষে দাঁড়কাক বললেন, ‘যথেষ্ট হয়েছে, ব্যস্কাকভ। এর পর কিন্তু অবস্থা খারাপ দাঁড়াবে।’

এবার সজোরে গলা ঝাড়ল বাস্স্কাকভ। তারপর পাইপটা পকেটে গজে ক্রুদ্ধ জনতার মাঝখান দিয়ে হেলেদুলে গাড়ির দিকে এগোতে লাগল। লোক পথ ছেড়ে দিল ওকে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

তেল খনন বাড়াতে ট্রাম্পের চাপ, বিলুপ্তির মুখে বিশ্বের বিরল তিমি

রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -১৭)

০৭:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪

আর্কাদি গাইদার

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

তখনও বাস্স্কাকভ পাইপ টেনে চলেছে। টানা-টানা সর্-সরু চোখদুটো কচকে মুখখানাকে এমন নিপট ভালোমানুষের মতো করে রেখেছে ও, যেন বলতে চাইছে: ‘আরে বকুক না, যত বকতে চায়। তাতে আমার কী এল-গেল? আমি বাপু কারো সাতে-পাঁচে নেই। দিব্যি পাইপ টেনে চলেছি’।

ওদের তৃতীয় বক্তার অবস্থা ঘটল দ্বিতীয় বক্তার মতোই। আর সে যখন মণ্ড থেকে নেমে গেল বেশির ভাগ শ্রোতাই তখন শিস্ দেয়া, হপহপ আওয়াজ করা আর চ্যাঁচামেচি শুরু করেছে।

‘হেই, সভাপতি-মশাই!’

‘আরে ও মোড়ল, অন্য বক্তার দাও-না বাবা!’

‘আরে, বলশেভিকদের কইতি দাও না গো! ওদের কইতি দিচ্চ না কেন?’

এ-অভিযোগের প্রতিবাদ করে সভাপতি জানালেন, যে বলতে চাইছে তিনি ভাকেই বলতে দিচ্ছেন। কিন্তু বলশেভিকদের কেউ এখনও পর্যন্ত বলতে চায় নি।

কারণ কে জানে, হয়তো ওরা ভয় পেয়েছে। ওদের দিয়ে তো জোর করে তিনি কিছু, বলাতে পারেন না।

‘আপনি যদি না পারেন তো আমরা চেষ্টা করে দেখি!’

‘নোংরা কাজ যা করবার শেষ করে ওরা এখন গা-ঢাকা দিতে চেষ্টা পাচ্চে হে।’

ঘাড় ধরে ওগুলারে গাড়ির কাচে এনে ফ্যালো দেখি! পাঁচজনের সামনে বলুক যা ওদের বলার আচে…

লোকের তর্জনিগজ’ন শুনে ভয় ধরে গেল আমার। দাঁড়কাকের দিকে তাকালুম। দেখলুম তিনি হাসছেন বটে, তবে মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গেছে।

অবশেষে দাঁড়কাক বললেন, ‘যথেষ্ট হয়েছে, ব্যস্কাকভ। এর পর কিন্তু অবস্থা খারাপ দাঁড়াবে।’

এবার সজোরে গলা ঝাড়ল বাস্স্কাকভ। তারপর পাইপটা পকেটে গজে ক্রুদ্ধ জনতার মাঝখান দিয়ে হেলেদুলে গাড়ির দিকে এগোতে লাগল। লোক পথ ছেড়ে দিল ওকে।