০১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি চুক্তি: স্বস্তির বার্তা পেলেও বেশি সুবিধায় থাকতে পারে ইরান সিঙ্গাপুরে চাকরির বাজারে চাপ বাড়ছে, ছাঁটাই সর্বোচ্চ পর্যায়ে; ডিগ্রিধারীদের উদ্বেগ বেশি ভারতে ডিজেল ও বিমান জ্বালানি রপ্তানিতে বাড়ল অতিরিক্ত কর, অপরিবর্তিত পেট্রোল ‘আংটি আছে তো আসুন, না থাকলে একাই আসুন’—টেলর-ট্রাভিসের বিয়ের নিয়মে চাঞ্চল্য ঘুমের সমস্যায় স্বস্তি দিচ্ছে ভারী কম্বল, বাড়ছে জনপ্রিয়তা এক নজরে সেরা হিটেড কম্বল ও হিটিং কুশন: আরাম, উষ্ণতা ও বহনযোগ্যতার পরীক্ষায় কে এগিয়ে? ম্যাসাজ পিস্তল কিনবেন? পরীক্ষায় এগিয়ে যে মডেলগুলো, জানুন বিস্তারিত তেলের দাম কমার স্বস্তি, তবে কৃষি খাতে ব্যয়ের চাপ এখনো বড় চ্যালেঞ্জ বসনিয়া কোচ বারবারেজের বিস্ময়কর সাফল্য, বিশ্বকাপে চোখ এখন নকআউট পর্বে এসি-সিআই উদ্যোগে আসিয়ানের সৃজনশীল অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা, বাড়বে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান

রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -৩২)

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০০:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • 114

আর্কাদি গাইদার

চতুর্থ পরিচ্ছেদ

কোরেনেভের সঙ্গে আমার ঝগড়ার পরদিন আমি যথারীতি কাউকে শুভেচ্ছা না-জানিয়ে বা কারো দিকে না-তাকিয়ে ক্লাসে ঢুকলুম।
সেদিন প্রথম পিরিয়ডে ছিল ভূগোলের ক্লাস। মাস্টারমশাই অল্পক্ষণ চীনের পশ্চিমাঞ্চল সম্পর্কে কিছু বলে তারপর খবরের কাগজের সেদিনকার টাটকা খবর নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন। এই আলোচনা যখন চলছিল তখন আমি লক্ষ্য করলুম ফেক্কা ছোট-ছোট চিরকুট লিখে ক্লাসের ছেলেদের মধ্যে বিলি করছে। আমার সামনের বেঞ্চিতে বসা একটা ছেলে যখন ওরই মধ্যে একটা চিরকুট পড়ছিল
তখন তার কাঁধের ওপর দিয়ে আমিও লেখাটা পড়তে শুরু করে দেখলুম ওতে আমার নাম আছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি সাবধান হয়ে গেলুম।
পিরিয়ড শেষ হবার ঘণ্টা পড়ার পর আমি উঠে চারিদিকে নজর রাখতে-রাখতে দরজার দিকে এগোলুম। কিন্তু দেখলুম ক্লাসের পালোয়ানগোছের একদল ছেলে দরজা আটকে দাঁড়িয়ে গেছে। দেখতে-দেখতে অর্ধবৃত্তের আকারে গোল হয়ে ওরা আমায় ঘিরে ফেললে। তারপর ওদের মধ্যে থেকে ফেকা বেরিয়ে এসে আমার মুখোমুখি দাঁড়াল।
বললুম, ‘কী চাই?’
ও উদ্ধত ভঙ্গিতে বললে, ‘রিভলবারটা দিয়ে দে। ক্লাস-কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তোকে রিভলবারটা মিউনিসিপ্যালিটির রক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে জমা দিতে হবে। যাই হোক, এখুনি ক্লাস-কমিটির হাতে ওটা দিয়ে দে, আসচে কাল এর জন্যে স্থানীয় রক্ষী বাহিনীর কাছ থেকে রসিদ পাবি।’
‘কিন্তু, কোন রিভলবারের কথা বলছিস?’ আমি বললুম। আস্তে-আন্তে তখন একপা-একপা করে জানলার দিকে পেছতে শুরু করেছি আর প্রাণপণে শান্ত থাকার চেষ্টা করছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি চুক্তি: স্বস্তির বার্তা পেলেও বেশি সুবিধায় থাকতে পারে ইরান

রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -৩২)

০৮:০০:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫

আর্কাদি গাইদার

চতুর্থ পরিচ্ছেদ

কোরেনেভের সঙ্গে আমার ঝগড়ার পরদিন আমি যথারীতি কাউকে শুভেচ্ছা না-জানিয়ে বা কারো দিকে না-তাকিয়ে ক্লাসে ঢুকলুম।
সেদিন প্রথম পিরিয়ডে ছিল ভূগোলের ক্লাস। মাস্টারমশাই অল্পক্ষণ চীনের পশ্চিমাঞ্চল সম্পর্কে কিছু বলে তারপর খবরের কাগজের সেদিনকার টাটকা খবর নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন। এই আলোচনা যখন চলছিল তখন আমি লক্ষ্য করলুম ফেক্কা ছোট-ছোট চিরকুট লিখে ক্লাসের ছেলেদের মধ্যে বিলি করছে। আমার সামনের বেঞ্চিতে বসা একটা ছেলে যখন ওরই মধ্যে একটা চিরকুট পড়ছিল
তখন তার কাঁধের ওপর দিয়ে আমিও লেখাটা পড়তে শুরু করে দেখলুম ওতে আমার নাম আছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি সাবধান হয়ে গেলুম।
পিরিয়ড শেষ হবার ঘণ্টা পড়ার পর আমি উঠে চারিদিকে নজর রাখতে-রাখতে দরজার দিকে এগোলুম। কিন্তু দেখলুম ক্লাসের পালোয়ানগোছের একদল ছেলে দরজা আটকে দাঁড়িয়ে গেছে। দেখতে-দেখতে অর্ধবৃত্তের আকারে গোল হয়ে ওরা আমায় ঘিরে ফেললে। তারপর ওদের মধ্যে থেকে ফেকা বেরিয়ে এসে আমার মুখোমুখি দাঁড়াল।
বললুম, ‘কী চাই?’
ও উদ্ধত ভঙ্গিতে বললে, ‘রিভলবারটা দিয়ে দে। ক্লাস-কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তোকে রিভলবারটা মিউনিসিপ্যালিটির রক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে জমা দিতে হবে। যাই হোক, এখুনি ক্লাস-কমিটির হাতে ওটা দিয়ে দে, আসচে কাল এর জন্যে স্থানীয় রক্ষী বাহিনীর কাছ থেকে রসিদ পাবি।’
‘কিন্তু, কোন রিভলবারের কথা বলছিস?’ আমি বললুম। আস্তে-আন্তে তখন একপা-একপা করে জানলার দিকে পেছতে শুরু করেছি আর প্রাণপণে শান্ত থাকার চেষ্টা করছি।