০১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি চুক্তি: স্বস্তির বার্তা পেলেও বেশি সুবিধায় থাকতে পারে ইরান সিঙ্গাপুরে চাকরির বাজারে চাপ বাড়ছে, ছাঁটাই সর্বোচ্চ পর্যায়ে; ডিগ্রিধারীদের উদ্বেগ বেশি ভারতে ডিজেল ও বিমান জ্বালানি রপ্তানিতে বাড়ল অতিরিক্ত কর, অপরিবর্তিত পেট্রোল ‘আংটি আছে তো আসুন, না থাকলে একাই আসুন’—টেলর-ট্রাভিসের বিয়ের নিয়মে চাঞ্চল্য ঘুমের সমস্যায় স্বস্তি দিচ্ছে ভারী কম্বল, বাড়ছে জনপ্রিয়তা এক নজরে সেরা হিটেড কম্বল ও হিটিং কুশন: আরাম, উষ্ণতা ও বহনযোগ্যতার পরীক্ষায় কে এগিয়ে? ম্যাসাজ পিস্তল কিনবেন? পরীক্ষায় এগিয়ে যে মডেলগুলো, জানুন বিস্তারিত তেলের দাম কমার স্বস্তি, তবে কৃষি খাতে ব্যয়ের চাপ এখনো বড় চ্যালেঞ্জ বসনিয়া কোচ বারবারেজের বিস্ময়কর সাফল্য, বিশ্বকাপে চোখ এখন নকআউট পর্বে এসি-সিআই উদ্যোগে আসিয়ানের সৃজনশীল অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা, বাড়বে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান

রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -৩৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৫
  • 122

আর্কাদি গাইদার

চতুর্থ পরিচ্ছেদ

‘বাজে কথা বকিস না! তুই যে একটা মাওজার, সব সময়ে সঙ্গে রাখিস, আমি তা জানি না ভেবেছিস? ওই তো তোর ডান পকেটে ওটা রয়েছে। ভালোয়-ভালোয় নিজে থেকে ওটা দিয়ে দে, নয়তো আমরা রক্ষী-বাহিনীকে ডাকতে বাধ্য হব। দে দেখি, বের কর!’ নেবার জন্যে ও হাত বাড়িয়ে দিল।
‘মাওজার?’
‘হ্যাঁ।’
হঠাৎ বুড়ো আঙুল তুলে কাঁচকলা দেখিয়ে চেচিয়ে উঠলুম আমি, ‘নিবি? এই নে! তোরা কি আমায় দিয়েছিলি ওটা? বল, দিয়েছিলি? তবে? যা, ভাগ। নইলে ঘুসি মেরে মুখ পালটে দেব!’
চট করে মাথা ঘুরিয়ে দেখলুম জনা চারেক ছেলে পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে, আমার ঘাড়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে বলে। তখন বাধা ঠেলে দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে সামনে ঝাঁপিয়ে পড়লুম। ফেক্কা আমার কাঁধ চেপে ধরল। সঙ্গে সঙ্গে এক ঘুসি কষালুম ওকে। তখন অনেকে মিলে আমার কাঁধ চেপে ধরল,
অনেকে জাপটে ধরল আমায়। কে একজন পকেট থেকে আমার হাতটা টেনে বের করে দেবার চেষ্টা করল। তখন আরও জোরে পকেটের মধ্যে পিস্তলটাকে চেপে ধরে রইলুম।
‘ওরা পিস্তলটা কেড়ে নেবে.. মিনিটখানেকের মধ্যে পিস্তলটা কেড়ে নেবে আমার’ তারপর ফাঁদে-পড়া জন্তুর মতো বিকট চিৎকার করে উঠে সেই ফাঁকে ঝট করে মাওজারটা বের করে আনলুম। আর বুড়ো আঙুলটা দিয়ে সেফটি ক্যাচ ঠেলে তুলে ট্রিগার দিলুম টেনে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি চুক্তি: স্বস্তির বার্তা পেলেও বেশি সুবিধায় থাকতে পারে ইরান

রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -৩৩)

০৮:০০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৫

আর্কাদি গাইদার

চতুর্থ পরিচ্ছেদ

‘বাজে কথা বকিস না! তুই যে একটা মাওজার, সব সময়ে সঙ্গে রাখিস, আমি তা জানি না ভেবেছিস? ওই তো তোর ডান পকেটে ওটা রয়েছে। ভালোয়-ভালোয় নিজে থেকে ওটা দিয়ে দে, নয়তো আমরা রক্ষী-বাহিনীকে ডাকতে বাধ্য হব। দে দেখি, বের কর!’ নেবার জন্যে ও হাত বাড়িয়ে দিল।
‘মাওজার?’
‘হ্যাঁ।’
হঠাৎ বুড়ো আঙুল তুলে কাঁচকলা দেখিয়ে চেচিয়ে উঠলুম আমি, ‘নিবি? এই নে! তোরা কি আমায় দিয়েছিলি ওটা? বল, দিয়েছিলি? তবে? যা, ভাগ। নইলে ঘুসি মেরে মুখ পালটে দেব!’
চট করে মাথা ঘুরিয়ে দেখলুম জনা চারেক ছেলে পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে, আমার ঘাড়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে বলে। তখন বাধা ঠেলে দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে সামনে ঝাঁপিয়ে পড়লুম। ফেক্কা আমার কাঁধ চেপে ধরল। সঙ্গে সঙ্গে এক ঘুসি কষালুম ওকে। তখন অনেকে মিলে আমার কাঁধ চেপে ধরল,
অনেকে জাপটে ধরল আমায়। কে একজন পকেট থেকে আমার হাতটা টেনে বের করে দেবার চেষ্টা করল। তখন আরও জোরে পকেটের মধ্যে পিস্তলটাকে চেপে ধরে রইলুম।
‘ওরা পিস্তলটা কেড়ে নেবে.. মিনিটখানেকের মধ্যে পিস্তলটা কেড়ে নেবে আমার’ তারপর ফাঁদে-পড়া জন্তুর মতো বিকট চিৎকার করে উঠে সেই ফাঁকে ঝট করে মাওজারটা বের করে আনলুম। আর বুড়ো আঙুলটা দিয়ে সেফটি ক্যাচ ঠেলে তুলে ট্রিগার দিলুম টেনে।