০৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করার আহ্বান জামায়াতের শি জিনপিংয়ের কড়া বার্তা, তিয়েনআনমেন দমনকে প্রকাশ্যে সমর্থন পুরোনো বইয়ের হঠাৎ চাহিদা কেন বাড়ছে, এর পেছনে কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা? তরুণদের উন্মাদনায় দ্য গলকে ঘিরে ফ্রান্সে সিনেমার বিস্ময়কর সাফল্য মেটার বিরুদ্ধে মামলায় হারলে বদলে যেতে পারে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের চেহারা ভারতে বিনামূল্যের ডিজিটাল লেনদেনে আসছে খরচ, বদলে যেতে পারে ইউপিআইয়ের সাফল্যের গল্প আইফোনের পর্দায় নাচতে থাকা বিন্দুই হতে পারে গাড়িতে বমিভাবের সমাধান বেইজিংয়ের এআই বারে পিন্টের সঙ্গে মিলছে ডিপসিকের টোকেন হারিয়ে যাওয়া ইনকা নগরীর খোঁজে ‘আসল ইন্ডিয়ানা জোন্স’, ৫৩ বছর পর মিলল সত্যের সন্ধান চীন-যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুদ্ধে মিত্রদের ‘পক্ষ বেছে নিতে’ বলবে ওয়াশিংটন

রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -৩৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৫
  • 139

আর্কাদি গাইদার

চতুর্থ পরিচ্ছেদ

‘বাজে কথা বকিস না! তুই যে একটা মাওজার, সব সময়ে সঙ্গে রাখিস, আমি তা জানি না ভেবেছিস? ওই তো তোর ডান পকেটে ওটা রয়েছে। ভালোয়-ভালোয় নিজে থেকে ওটা দিয়ে দে, নয়তো আমরা রক্ষী-বাহিনীকে ডাকতে বাধ্য হব। দে দেখি, বের কর!’ নেবার জন্যে ও হাত বাড়িয়ে দিল।
‘মাওজার?’
‘হ্যাঁ।’
হঠাৎ বুড়ো আঙুল তুলে কাঁচকলা দেখিয়ে চেচিয়ে উঠলুম আমি, ‘নিবি? এই নে! তোরা কি আমায় দিয়েছিলি ওটা? বল, দিয়েছিলি? তবে? যা, ভাগ। নইলে ঘুসি মেরে মুখ পালটে দেব!’
চট করে মাথা ঘুরিয়ে দেখলুম জনা চারেক ছেলে পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে, আমার ঘাড়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে বলে। তখন বাধা ঠেলে দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে সামনে ঝাঁপিয়ে পড়লুম। ফেক্কা আমার কাঁধ চেপে ধরল। সঙ্গে সঙ্গে এক ঘুসি কষালুম ওকে। তখন অনেকে মিলে আমার কাঁধ চেপে ধরল,
অনেকে জাপটে ধরল আমায়। কে একজন পকেট থেকে আমার হাতটা টেনে বের করে দেবার চেষ্টা করল। তখন আরও জোরে পকেটের মধ্যে পিস্তলটাকে চেপে ধরে রইলুম।
‘ওরা পিস্তলটা কেড়ে নেবে.. মিনিটখানেকের মধ্যে পিস্তলটা কেড়ে নেবে আমার’ তারপর ফাঁদে-পড়া জন্তুর মতো বিকট চিৎকার করে উঠে সেই ফাঁকে ঝট করে মাওজারটা বের করে আনলুম। আর বুড়ো আঙুলটা দিয়ে সেফটি ক্যাচ ঠেলে তুলে ট্রিগার দিলুম টেনে।

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করার আহ্বান জামায়াতের

রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -৩৩)

০৮:০০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৫

আর্কাদি গাইদার

চতুর্থ পরিচ্ছেদ

‘বাজে কথা বকিস না! তুই যে একটা মাওজার, সব সময়ে সঙ্গে রাখিস, আমি তা জানি না ভেবেছিস? ওই তো তোর ডান পকেটে ওটা রয়েছে। ভালোয়-ভালোয় নিজে থেকে ওটা দিয়ে দে, নয়তো আমরা রক্ষী-বাহিনীকে ডাকতে বাধ্য হব। দে দেখি, বের কর!’ নেবার জন্যে ও হাত বাড়িয়ে দিল।
‘মাওজার?’
‘হ্যাঁ।’
হঠাৎ বুড়ো আঙুল তুলে কাঁচকলা দেখিয়ে চেচিয়ে উঠলুম আমি, ‘নিবি? এই নে! তোরা কি আমায় দিয়েছিলি ওটা? বল, দিয়েছিলি? তবে? যা, ভাগ। নইলে ঘুসি মেরে মুখ পালটে দেব!’
চট করে মাথা ঘুরিয়ে দেখলুম জনা চারেক ছেলে পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে, আমার ঘাড়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে বলে। তখন বাধা ঠেলে দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে সামনে ঝাঁপিয়ে পড়লুম। ফেক্কা আমার কাঁধ চেপে ধরল। সঙ্গে সঙ্গে এক ঘুসি কষালুম ওকে। তখন অনেকে মিলে আমার কাঁধ চেপে ধরল,
অনেকে জাপটে ধরল আমায়। কে একজন পকেট থেকে আমার হাতটা টেনে বের করে দেবার চেষ্টা করল। তখন আরও জোরে পকেটের মধ্যে পিস্তলটাকে চেপে ধরে রইলুম।
‘ওরা পিস্তলটা কেড়ে নেবে.. মিনিটখানেকের মধ্যে পিস্তলটা কেড়ে নেবে আমার’ তারপর ফাঁদে-পড়া জন্তুর মতো বিকট চিৎকার করে উঠে সেই ফাঁকে ঝট করে মাওজারটা বের করে আনলুম। আর বুড়ো আঙুলটা দিয়ে সেফটি ক্যাচ ঠেলে তুলে ট্রিগার দিলুম টেনে।