০৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
গ্যাস আছে, কিন্তু গ্যাস নেই: বাংলাদেশের জ্বালানি সংকটের আসল হিসাব সবজির দামে নতুন ঝড়: সার সংকট, বিশ্ববাজার ও বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষের খাবারের ভবিষ্যৎ জঙ্গিদের হাতে রিমোট নিয়ন্ত্রিত বোমা, সাভার-আশুলিয়ায় পরপর উদ্ধারে পুলিশের উদ্বেগ নেপালে তিব্বতবিষয়ক সম্মেলন বাতিল, চীনের চাপ নিয়ে তীব্র বিতর্ক  ভারত নান্দেডের গুরুদ্বারে সুখবীর বাদলের ওপর হামলা, হাতে সামান্য আঘাত বিরোধীদের ঐক্যে চাপে মোদি সরকার, পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ বিল ঠেকানোর দাবি কংগ্রেসের ভারত খড়গের সভাস্থল ‘শুদ্ধিকরণ’ নিয়ে উত্তাল উত্তরাখণ্ড, বিজেপির বিরুদ্ধে জাতপাতের অভিযোগ মোদির বিদেশনীতি নিয়ে রাহুলের কটাক্ষ, ‘মোদিভক্ত’ হয়ে দেশের লাভ হবে না: খার্গে উত্তরাখণ্ডের নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে ধস ও পানির স্রোত, আটকা পড়ার আশঙ্কা ৬ শ্রমিকের তরুণ শক্তির আবেগে সাজছে ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস

শ্যামল বালিকা

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৫০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫
  • 138

শ্যামল বালিকা

স্বদেশ রায়

সবুজ, হলুদ দিগন্ত বিস্তৃত মাঠের হাওয়ায় হাওয়ায়-

কুয়াশা ঢাকা আর চাঁদনী ও গভীর কালো অমবস্যার রাতের

এই বাংলায়-

তুমি ফিরে এসো তুমি, হে গ্রাম্য বালিকা-

যে যাই বলুক না কেন,

যত চপলতা থাকুক তোমার পায়ের চলায়-

তোমার রূপোর নুপুর বেসুরো বাজুক না মাঝে মাঝে-

তবুও তোমাকে ছাড়া মানায় না বাংলার শর্ষে ক্ষেতে দীঘল দৌঁড়-

সাগরের জলে রাখা পা-

আর গাছের ডালে বসে দূরন্ত দোল খাওয়া।

তুমি আর এই সতরঞ্জি রঙ মিলেই তো আমার বাংলা-

তুমি মুখরা হলে উত্তাল হয়

আমার বাতাস-

তুমি গান গাইলে আরো সবুজ হয় কচি ধান ক্ষেত।

এখানে ঝোপগুলোও আদরে মেনে নেয় শেয়ালের আনাগোনা-

এখানে বালক বালিকা বিষ্ময়ে তাকিয়ে দেখে

শকুনের মৃতদেহ খাওয়া।

তারপরেও সে সব ভেসে যায় জোয়ার ও ভাটার টানে।

এ বাংলায় তোমার শ্যামল মুখ ছাড়া গাছের ঝোঁপে মানায় কি কোন

চকিত উঁকি।

এখানে শেয়ালেরা গায়ের বঁধুর হাঁস চুরি করে

ধূর্ত দাঁত ও নখে- লোভাতুর চোখে-

তবুও হাঁসেদের  কলরবে জেগে ওঠে বিলের পানি।

হাসের ঝাকেরা তাই সন্ধ্যার আগেই বড় বড় চোখ করে চায়-

তুমি এসে দাঁড়াও তীরে-

ডাকো তৈ তৈ তৈ

হাঁসগুলি কই গেলি কই?

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস আছে, কিন্তু গ্যাস নেই: বাংলাদেশের জ্বালানি সংকটের আসল হিসাব

শ্যামল বালিকা

০৫:৫০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫

শ্যামল বালিকা

স্বদেশ রায়

সবুজ, হলুদ দিগন্ত বিস্তৃত মাঠের হাওয়ায় হাওয়ায়-

কুয়াশা ঢাকা আর চাঁদনী ও গভীর কালো অমবস্যার রাতের

এই বাংলায়-

তুমি ফিরে এসো তুমি, হে গ্রাম্য বালিকা-

যে যাই বলুক না কেন,

যত চপলতা থাকুক তোমার পায়ের চলায়-

তোমার রূপোর নুপুর বেসুরো বাজুক না মাঝে মাঝে-

তবুও তোমাকে ছাড়া মানায় না বাংলার শর্ষে ক্ষেতে দীঘল দৌঁড়-

সাগরের জলে রাখা পা-

আর গাছের ডালে বসে দূরন্ত দোল খাওয়া।

তুমি আর এই সতরঞ্জি রঙ মিলেই তো আমার বাংলা-

তুমি মুখরা হলে উত্তাল হয়

আমার বাতাস-

তুমি গান গাইলে আরো সবুজ হয় কচি ধান ক্ষেত।

এখানে ঝোপগুলোও আদরে মেনে নেয় শেয়ালের আনাগোনা-

এখানে বালক বালিকা বিষ্ময়ে তাকিয়ে দেখে

শকুনের মৃতদেহ খাওয়া।

তারপরেও সে সব ভেসে যায় জোয়ার ও ভাটার টানে।

এ বাংলায় তোমার শ্যামল মুখ ছাড়া গাছের ঝোঁপে মানায় কি কোন

চকিত উঁকি।

এখানে শেয়ালেরা গায়ের বঁধুর হাঁস চুরি করে

ধূর্ত দাঁত ও নখে- লোভাতুর চোখে-

তবুও হাঁসেদের  কলরবে জেগে ওঠে বিলের পানি।

হাসের ঝাকেরা তাই সন্ধ্যার আগেই বড় বড় চোখ করে চায়-

তুমি এসে দাঁড়াও তীরে-

ডাকো তৈ তৈ তৈ

হাঁসগুলি কই গেলি কই?