০৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
যুদ্ধের আড়ালে নিপীড়ন: ইরানে দুই রাজনৈতিক বন্দীর ফাঁসি, ইউরোপে বিক্ষোভ মধ্যপ্রাচ্যে আরো ৬ হাজার সেনা পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র — USS George H.W. Bush রওয়ানা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘আমরা ছয় মাস যুদ্ধ চালাতে প্রস্তুত, কোনো আলোচনা চলছে না’ ইসরায়েল তেহরান ও বৈরুতে একযোগে হামলা — লেবাননে ৭ জন নিহত, হিজবুল্লাহ কমান্ডার খতম ইরান ও হিজবুল্লাহর সাথে যৌথ অভিযানে ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল হুতিরা ট্রাম্প: ‘ইরানকে চুক্তি করতে হবে না’ — একতরফাভাবে সরে আসার ইঙ্গিত আজ রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন ট্রাম্প — ইরান নিয়ে ‘গুরুত্বপূর্ণ আপডেট’ আসছে কাতারের উপকূলে তেলবাহী জাহাজে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত কুয়েত বিমানবন্দরের জ্বালানি ডিপোতে ইরানের ড্রোন হামলা — বিশাল আগুন পাসওভারের রাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলে — ১০ বছরের শিশু গুরুতর আহত

শ্যামল বালিকা

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৫০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫
  • 106

শ্যামল বালিকা

স্বদেশ রায়

সবুজ, হলুদ দিগন্ত বিস্তৃত মাঠের হাওয়ায় হাওয়ায়-

কুয়াশা ঢাকা আর চাঁদনী ও গভীর কালো অমবস্যার রাতের

এই বাংলায়-

তুমি ফিরে এসো তুমি, হে গ্রাম্য বালিকা-

যে যাই বলুক না কেন,

যত চপলতা থাকুক তোমার পায়ের চলায়-

তোমার রূপোর নুপুর বেসুরো বাজুক না মাঝে মাঝে-

তবুও তোমাকে ছাড়া মানায় না বাংলার শর্ষে ক্ষেতে দীঘল দৌঁড়-

সাগরের জলে রাখা পা-

আর গাছের ডালে বসে দূরন্ত দোল খাওয়া।

তুমি আর এই সতরঞ্জি রঙ মিলেই তো আমার বাংলা-

তুমি মুখরা হলে উত্তাল হয়

আমার বাতাস-

তুমি গান গাইলে আরো সবুজ হয় কচি ধান ক্ষেত।

এখানে ঝোপগুলোও আদরে মেনে নেয় শেয়ালের আনাগোনা-

এখানে বালক বালিকা বিষ্ময়ে তাকিয়ে দেখে

শকুনের মৃতদেহ খাওয়া।

তারপরেও সে সব ভেসে যায় জোয়ার ও ভাটার টানে।

এ বাংলায় তোমার শ্যামল মুখ ছাড়া গাছের ঝোঁপে মানায় কি কোন

চকিত উঁকি।

এখানে শেয়ালেরা গায়ের বঁধুর হাঁস চুরি করে

ধূর্ত দাঁত ও নখে- লোভাতুর চোখে-

তবুও হাঁসেদের  কলরবে জেগে ওঠে বিলের পানি।

হাসের ঝাকেরা তাই সন্ধ্যার আগেই বড় বড় চোখ করে চায়-

তুমি এসে দাঁড়াও তীরে-

ডাকো তৈ তৈ তৈ

হাঁসগুলি কই গেলি কই?

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধের আড়ালে নিপীড়ন: ইরানে দুই রাজনৈতিক বন্দীর ফাঁসি, ইউরোপে বিক্ষোভ

শ্যামল বালিকা

০৫:৫০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫

শ্যামল বালিকা

স্বদেশ রায়

সবুজ, হলুদ দিগন্ত বিস্তৃত মাঠের হাওয়ায় হাওয়ায়-

কুয়াশা ঢাকা আর চাঁদনী ও গভীর কালো অমবস্যার রাতের

এই বাংলায়-

তুমি ফিরে এসো তুমি, হে গ্রাম্য বালিকা-

যে যাই বলুক না কেন,

যত চপলতা থাকুক তোমার পায়ের চলায়-

তোমার রূপোর নুপুর বেসুরো বাজুক না মাঝে মাঝে-

তবুও তোমাকে ছাড়া মানায় না বাংলার শর্ষে ক্ষেতে দীঘল দৌঁড়-

সাগরের জলে রাখা পা-

আর গাছের ডালে বসে দূরন্ত দোল খাওয়া।

তুমি আর এই সতরঞ্জি রঙ মিলেই তো আমার বাংলা-

তুমি মুখরা হলে উত্তাল হয়

আমার বাতাস-

তুমি গান গাইলে আরো সবুজ হয় কচি ধান ক্ষেত।

এখানে ঝোপগুলোও আদরে মেনে নেয় শেয়ালের আনাগোনা-

এখানে বালক বালিকা বিষ্ময়ে তাকিয়ে দেখে

শকুনের মৃতদেহ খাওয়া।

তারপরেও সে সব ভেসে যায় জোয়ার ও ভাটার টানে।

এ বাংলায় তোমার শ্যামল মুখ ছাড়া গাছের ঝোঁপে মানায় কি কোন

চকিত উঁকি।

এখানে শেয়ালেরা গায়ের বঁধুর হাঁস চুরি করে

ধূর্ত দাঁত ও নখে- লোভাতুর চোখে-

তবুও হাঁসেদের  কলরবে জেগে ওঠে বিলের পানি।

হাসের ঝাকেরা তাই সন্ধ্যার আগেই বড় বড় চোখ করে চায়-

তুমি এসে দাঁড়াও তীরে-

ডাকো তৈ তৈ তৈ

হাঁসগুলি কই গেলি কই?