০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭২)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • 140

প্রদীপ কুমার মজুমদার

শুধুমাত্র ভারতীয় শাস্ত্র ও পাণ্ডুলিপিতেই নাম সংখ্যার উল্লেখ নেই। ভারতে ও ভারতীয় উপনিবেশগুলিতে বিভিন্ন শিলালেখ ও তাম্রলেখতেও নাম সংখ্যার ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়।

যেমন কম্বোজ রাজ্যের রাজধানী বায়ৎ নগরীতে ৬০৪ ও ৬২৫ খ্রীষ্টাব্দে লিখিত দুটি, শিলালেখে রশাখিবাণ- ৫২৬ এবং ঋতুসমূজেন্দ্রিয় =৫৪৬ ধরা হয়েছে।

৬৩৪ খ্রীষ্টাব্দে গুজরাটের চালুক্য বংশীয় রাজা দ্বিতীয় পুলকেশীর সময় কবি রবি-কীত্তি শিলাফলকের জন্য যে শ্লোকটি লিখেছিলেন তাতে নামসংখ্যার ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়। শিলালেখে বলা হয়েছে:

ত্রিংশৎসু ত্রিসহস্রেযু ভারতাদাহ বাদিতঃ।

সপ্তাব্দ শত যুক্তেযু গতেস্বব্দেমু পঞ্চস্থ ॥

পঞ্চাশৎসু কলৌ কালে ঘট সু পঞ্চশতাসু চ।

সমাজ সমতীতাস্থ শকানামপি ভুজজাম্।

এর মূল অর্থ হচ্ছে কুরুপাণ্ডবের যুদ্ধ হতে ৩৭৩৫ বছর কেটে যাবার পর এবং ৫৫৬ শকাব্দের পর এই শিলাফলক উৎকীর্ণ হল।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭১)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭১)

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭২)

১০:০০:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

শুধুমাত্র ভারতীয় শাস্ত্র ও পাণ্ডুলিপিতেই নাম সংখ্যার উল্লেখ নেই। ভারতে ও ভারতীয় উপনিবেশগুলিতে বিভিন্ন শিলালেখ ও তাম্রলেখতেও নাম সংখ্যার ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়।

যেমন কম্বোজ রাজ্যের রাজধানী বায়ৎ নগরীতে ৬০৪ ও ৬২৫ খ্রীষ্টাব্দে লিখিত দুটি, শিলালেখে রশাখিবাণ- ৫২৬ এবং ঋতুসমূজেন্দ্রিয় =৫৪৬ ধরা হয়েছে।

৬৩৪ খ্রীষ্টাব্দে গুজরাটের চালুক্য বংশীয় রাজা দ্বিতীয় পুলকেশীর সময় কবি রবি-কীত্তি শিলাফলকের জন্য যে শ্লোকটি লিখেছিলেন তাতে নামসংখ্যার ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়। শিলালেখে বলা হয়েছে:

ত্রিংশৎসু ত্রিসহস্রেযু ভারতাদাহ বাদিতঃ।

সপ্তাব্দ শত যুক্তেযু গতেস্বব্দেমু পঞ্চস্থ ॥

পঞ্চাশৎসু কলৌ কালে ঘট সু পঞ্চশতাসু চ।

সমাজ সমতীতাস্থ শকানামপি ভুজজাম্।

এর মূল অর্থ হচ্ছে কুরুপাণ্ডবের যুদ্ধ হতে ৩৭৩৫ বছর কেটে যাবার পর এবং ৫৫৬ শকাব্দের পর এই শিলাফলক উৎকীর্ণ হল।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭১)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭১)