০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু রামিসা হত্যা মামলায় প্রাণভিক্ষা চাইলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শূন্য পাতার ভয় কাটিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় গাইডেড জার্নালের উত্থান জাপানে সার সংকটের আশঙ্কা, বাড়ছে কৃষি ব্যয় স্ট্রিমিংয়ে রাজত্ব, কনসার্টে শূন্যতা? দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংগীত বাজারে ইন্দোনেশিয়ার নতুন ধাঁধা ইউরোপের নতুন বার্তা: যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এগোতে চায় মিত্ররা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে বৈদ্যুতিক গাড়ি: ভবিষ্যতের শক্তি নির্ধারণ করবে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তিতে ক্ষুব্ধ ইসরাইল, চাপে নেতানিয়াহু ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে অগ্রগতি হলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে প্রস্তুত ইউরোপের চার দেশ তিন চাকার যানবাহন মহাসড়কে নয়, আসছে কঠোর নীতিমালা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৫)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫
  • 79

প্রদীপ কুমার মজুমদার

অবশ্য হেমচন্দ্র, এই গাথাটি কোথা থেকে এসেছে সে কথা উল্লেখ করেন নি। সাধারণতঃ জৈন গণিতশাস্ত্রে বা আগমগ্রন্থে, অঙ্কপাত দক্ষিণাগতিতেই করা হয়ে থাকে। কিন্তু উক্ত শ্লোকটি যখন অঙ্কপাত করা হয় তখন দক্ষিণাগতি অনুসরণ না করে বামাগতি অনুসরণ করা হয়েছে।

অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন যে বামাগতিতে অঙ্কপাত না দেখিয়ে দক্ষিণাগতিতে অঙ্কপাত এক্ষেত্রে করলে ক্ষতি কি ছিল? ক্ষতি নিশ্চয়ই ছিল। কারণ এক্ষেত্রে সরাসরি বামাগতিতে অঙ্কপাত করার কথা বলা হয়েছে। অন্ততঃপক্ষে ‘পরাহুত্তা’ শব্দটি সে জন্যেই ব্যবহার করা হয়েছে। পরাহত্তা ‘অর্থাৎ ‘বিপরীতমুখী’ অর্থাৎ সাধারণতঃ যেভাবে অঙ্কপাত করা হয়ে থাকে (জৈন গণিতশাস্ত্রে) তার বিপরীতমুখী। নামসংখ্যার ব্যবহার জৈন গণিতশাস্ত্রে আরও আছে।

যেমন:

“লক্খং কোড়াকোড়ি চট্টরাসীশং ভবে সহস্রাইং

চত্তারি অ সত্তট,ঠা ছংতি সয়া কোড়ী কোড়ীণং।

চউয়ালং লাইং কোড়ীণং সত্ত চেব য সহস্রা

তিন্নি চ সয়া চ সত্তরি কোড়ীণং হুংতি নায়ব্ব।।

পংচাণউই লক্থা এগাবরং ভবে সহস্রাইং

ছস্লোলসোত্তরসয়া এসো ছটে,ঠা হবই বৎগো।”

অর্থাৎ উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে-১৮, ৪৪৬, ৭৪৪, ০৭৩, ৭০৯, ৫৫১, ৬১৬। এখানে সংখ্যাটিতে ২০টি অঙ্কস্থান আছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৪)

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৫)

১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

অবশ্য হেমচন্দ্র, এই গাথাটি কোথা থেকে এসেছে সে কথা উল্লেখ করেন নি। সাধারণতঃ জৈন গণিতশাস্ত্রে বা আগমগ্রন্থে, অঙ্কপাত দক্ষিণাগতিতেই করা হয়ে থাকে। কিন্তু উক্ত শ্লোকটি যখন অঙ্কপাত করা হয় তখন দক্ষিণাগতি অনুসরণ না করে বামাগতি অনুসরণ করা হয়েছে।

অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন যে বামাগতিতে অঙ্কপাত না দেখিয়ে দক্ষিণাগতিতে অঙ্কপাত এক্ষেত্রে করলে ক্ষতি কি ছিল? ক্ষতি নিশ্চয়ই ছিল। কারণ এক্ষেত্রে সরাসরি বামাগতিতে অঙ্কপাত করার কথা বলা হয়েছে। অন্ততঃপক্ষে ‘পরাহুত্তা’ শব্দটি সে জন্যেই ব্যবহার করা হয়েছে। পরাহত্তা ‘অর্থাৎ ‘বিপরীতমুখী’ অর্থাৎ সাধারণতঃ যেভাবে অঙ্কপাত করা হয়ে থাকে (জৈন গণিতশাস্ত্রে) তার বিপরীতমুখী। নামসংখ্যার ব্যবহার জৈন গণিতশাস্ত্রে আরও আছে।

যেমন:

“লক্খং কোড়াকোড়ি চট্টরাসীশং ভবে সহস্রাইং

চত্তারি অ সত্তট,ঠা ছংতি সয়া কোড়ী কোড়ীণং।

চউয়ালং লাইং কোড়ীণং সত্ত চেব য সহস্রা

তিন্নি চ সয়া চ সত্তরি কোড়ীণং হুংতি নায়ব্ব।।

পংচাণউই লক্থা এগাবরং ভবে সহস্রাইং

ছস্লোলসোত্তরসয়া এসো ছটে,ঠা হবই বৎগো।”

অর্থাৎ উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে-১৮, ৪৪৬, ৭৪৪, ০৭৩, ৭০৯, ৫৫১, ৬১৬। এখানে সংখ্যাটিতে ২০টি অঙ্কস্থান আছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৪)