০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৫)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫
  • 86

প্রদীপ কুমার মজুমদার

অবশ্য হেমচন্দ্র, এই গাথাটি কোথা থেকে এসেছে সে কথা উল্লেখ করেন নি। সাধারণতঃ জৈন গণিতশাস্ত্রে বা আগমগ্রন্থে, অঙ্কপাত দক্ষিণাগতিতেই করা হয়ে থাকে। কিন্তু উক্ত শ্লোকটি যখন অঙ্কপাত করা হয় তখন দক্ষিণাগতি অনুসরণ না করে বামাগতি অনুসরণ করা হয়েছে।

অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন যে বামাগতিতে অঙ্কপাত না দেখিয়ে দক্ষিণাগতিতে অঙ্কপাত এক্ষেত্রে করলে ক্ষতি কি ছিল? ক্ষতি নিশ্চয়ই ছিল। কারণ এক্ষেত্রে সরাসরি বামাগতিতে অঙ্কপাত করার কথা বলা হয়েছে। অন্ততঃপক্ষে ‘পরাহুত্তা’ শব্দটি সে জন্যেই ব্যবহার করা হয়েছে। পরাহত্তা ‘অর্থাৎ ‘বিপরীতমুখী’ অর্থাৎ সাধারণতঃ যেভাবে অঙ্কপাত করা হয়ে থাকে (জৈন গণিতশাস্ত্রে) তার বিপরীতমুখী। নামসংখ্যার ব্যবহার জৈন গণিতশাস্ত্রে আরও আছে।

যেমন:

“লক্খং কোড়াকোড়ি চট্টরাসীশং ভবে সহস্রাইং

চত্তারি অ সত্তট,ঠা ছংতি সয়া কোড়ী কোড়ীণং।

চউয়ালং লাইং কোড়ীণং সত্ত চেব য সহস্রা

তিন্নি চ সয়া চ সত্তরি কোড়ীণং হুংতি নায়ব্ব।।

পংচাণউই লক্থা এগাবরং ভবে সহস্রাইং

ছস্লোলসোত্তরসয়া এসো ছটে,ঠা হবই বৎগো।”

অর্থাৎ উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে-১৮, ৪৪৬, ৭৪৪, ০৭৩, ৭০৯, ৫৫১, ৬১৬। এখানে সংখ্যাটিতে ২০টি অঙ্কস্থান আছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৪)

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৫)

১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

অবশ্য হেমচন্দ্র, এই গাথাটি কোথা থেকে এসেছে সে কথা উল্লেখ করেন নি। সাধারণতঃ জৈন গণিতশাস্ত্রে বা আগমগ্রন্থে, অঙ্কপাত দক্ষিণাগতিতেই করা হয়ে থাকে। কিন্তু উক্ত শ্লোকটি যখন অঙ্কপাত করা হয় তখন দক্ষিণাগতি অনুসরণ না করে বামাগতি অনুসরণ করা হয়েছে।

অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন যে বামাগতিতে অঙ্কপাত না দেখিয়ে দক্ষিণাগতিতে অঙ্কপাত এক্ষেত্রে করলে ক্ষতি কি ছিল? ক্ষতি নিশ্চয়ই ছিল। কারণ এক্ষেত্রে সরাসরি বামাগতিতে অঙ্কপাত করার কথা বলা হয়েছে। অন্ততঃপক্ষে ‘পরাহুত্তা’ শব্দটি সে জন্যেই ব্যবহার করা হয়েছে। পরাহত্তা ‘অর্থাৎ ‘বিপরীতমুখী’ অর্থাৎ সাধারণতঃ যেভাবে অঙ্কপাত করা হয়ে থাকে (জৈন গণিতশাস্ত্রে) তার বিপরীতমুখী। নামসংখ্যার ব্যবহার জৈন গণিতশাস্ত্রে আরও আছে।

যেমন:

“লক্খং কোড়াকোড়ি চট্টরাসীশং ভবে সহস্রাইং

চত্তারি অ সত্তট,ঠা ছংতি সয়া কোড়ী কোড়ীণং।

চউয়ালং লাইং কোড়ীণং সত্ত চেব য সহস্রা

তিন্নি চ সয়া চ সত্তরি কোড়ীণং হুংতি নায়ব্ব।।

পংচাণউই লক্থা এগাবরং ভবে সহস্রাইং

ছস্লোলসোত্তরসয়া এসো ছটে,ঠা হবই বৎগো।”

অর্থাৎ উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে-১৮, ৪৪৬, ৭৪৪, ০৭৩, ৭০৯, ৫৫১, ৬১৬। এখানে সংখ্যাটিতে ২০টি অঙ্কস্থান আছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৪)