০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান ভারতের ধর্মের সুরে রাজনীতি: সায়নী ঘোষের বার্তা, বিভাজনের ভাষা না সহাবস্থানের রাজপথ? দিদি বনাম দিদি: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নিঃশব্দ লড়াইয়ের অদৃশ্য রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের শেষ লড়াইয়ের আগে প্রচারের মাঠে বিজেপির মুখের সংকট: পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নেতৃত্বহীনতার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ার লোককথা থেকে বিশ্বমঞ্চে: ‘পারা পেরাসুক’ ছবির সাফল্যের গল্প শৌখিন অ্যাকুয়ারিয়ামের ‘ সাপুসাপু ‘ মাছ এখন ইন্দোনেশিয়ার বিপদ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: অন্তত আট মাস ভোগান্তিতে ব্রিটিশ অর্থনীতি, সতর্ক করলেন সরকার আমেরিকায় হাম ফিরে আসছে: টিকাদানে শিথিলতা, সামনে আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা ৩০ হাজার হামলা, তবু জয় নেই: ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল কি সত্যিই এগিয়ে?

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৫)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫
  • 67

প্রদীপ কুমার মজুমদার

অবশ্য হেমচন্দ্র, এই গাথাটি কোথা থেকে এসেছে সে কথা উল্লেখ করেন নি। সাধারণতঃ জৈন গণিতশাস্ত্রে বা আগমগ্রন্থে, অঙ্কপাত দক্ষিণাগতিতেই করা হয়ে থাকে। কিন্তু উক্ত শ্লোকটি যখন অঙ্কপাত করা হয় তখন দক্ষিণাগতি অনুসরণ না করে বামাগতি অনুসরণ করা হয়েছে।

অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন যে বামাগতিতে অঙ্কপাত না দেখিয়ে দক্ষিণাগতিতে অঙ্কপাত এক্ষেত্রে করলে ক্ষতি কি ছিল? ক্ষতি নিশ্চয়ই ছিল। কারণ এক্ষেত্রে সরাসরি বামাগতিতে অঙ্কপাত করার কথা বলা হয়েছে। অন্ততঃপক্ষে ‘পরাহুত্তা’ শব্দটি সে জন্যেই ব্যবহার করা হয়েছে। পরাহত্তা ‘অর্থাৎ ‘বিপরীতমুখী’ অর্থাৎ সাধারণতঃ যেভাবে অঙ্কপাত করা হয়ে থাকে (জৈন গণিতশাস্ত্রে) তার বিপরীতমুখী। নামসংখ্যার ব্যবহার জৈন গণিতশাস্ত্রে আরও আছে।

যেমন:

“লক্খং কোড়াকোড়ি চট্টরাসীশং ভবে সহস্রাইং

চত্তারি অ সত্তট,ঠা ছংতি সয়া কোড়ী কোড়ীণং।

চউয়ালং লাইং কোড়ীণং সত্ত চেব য সহস্রা

তিন্নি চ সয়া চ সত্তরি কোড়ীণং হুংতি নায়ব্ব।।

পংচাণউই লক্থা এগাবরং ভবে সহস্রাইং

ছস্লোলসোত্তরসয়া এসো ছটে,ঠা হবই বৎগো।”

অর্থাৎ উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে-১৮, ৪৪৬, ৭৪৪, ০৭৩, ৭০৯, ৫৫১, ৬১৬। এখানে সংখ্যাটিতে ২০টি অঙ্কস্থান আছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৪)

 

 

পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৫)

১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

অবশ্য হেমচন্দ্র, এই গাথাটি কোথা থেকে এসেছে সে কথা উল্লেখ করেন নি। সাধারণতঃ জৈন গণিতশাস্ত্রে বা আগমগ্রন্থে, অঙ্কপাত দক্ষিণাগতিতেই করা হয়ে থাকে। কিন্তু উক্ত শ্লোকটি যখন অঙ্কপাত করা হয় তখন দক্ষিণাগতি অনুসরণ না করে বামাগতি অনুসরণ করা হয়েছে।

অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন যে বামাগতিতে অঙ্কপাত না দেখিয়ে দক্ষিণাগতিতে অঙ্কপাত এক্ষেত্রে করলে ক্ষতি কি ছিল? ক্ষতি নিশ্চয়ই ছিল। কারণ এক্ষেত্রে সরাসরি বামাগতিতে অঙ্কপাত করার কথা বলা হয়েছে। অন্ততঃপক্ষে ‘পরাহুত্তা’ শব্দটি সে জন্যেই ব্যবহার করা হয়েছে। পরাহত্তা ‘অর্থাৎ ‘বিপরীতমুখী’ অর্থাৎ সাধারণতঃ যেভাবে অঙ্কপাত করা হয়ে থাকে (জৈন গণিতশাস্ত্রে) তার বিপরীতমুখী। নামসংখ্যার ব্যবহার জৈন গণিতশাস্ত্রে আরও আছে।

যেমন:

“লক্খং কোড়াকোড়ি চট্টরাসীশং ভবে সহস্রাইং

চত্তারি অ সত্তট,ঠা ছংতি সয়া কোড়ী কোড়ীণং।

চউয়ালং লাইং কোড়ীণং সত্ত চেব য সহস্রা

তিন্নি চ সয়া চ সত্তরি কোড়ীণং হুংতি নায়ব্ব।।

পংচাণউই লক্থা এগাবরং ভবে সহস্রাইং

ছস্লোলসোত্তরসয়া এসো ছটে,ঠা হবই বৎগো।”

অর্থাৎ উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে-১৮, ৪৪৬, ৭৪৪, ০৭৩, ৭০৯, ৫৫১, ৬১৬। এখানে সংখ্যাটিতে ২০টি অঙ্কস্থান আছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৪)