০২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
পাহালগাম হামলার পর মোদির প্রথম প্রশ্ন—‘কারা করেছে?’ অজিত দোভালের মুখে অপারেশন সিঁদুরের নেপথ্যকথা রাজনীতির ময়দানে ফের বিতর্ক: বিজয়ের মাকে নিয়ে নাইনর নাগেন্দ্রনের মন্তব্যে তীব্র সমালোচনা ইন্দোনেশিয়ায় আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্প, কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ৬.৯ মাত্রার কম্পনে কাঁপল উত্তর সুমাত্রা পাকিস্তানের হিন্দুরা ভারত নয়, পাকিস্তানেই থাকতে চান—জারদারির দাবি পাহাড়জয়ী নির্মল পুরজা: অসম্ভবকে সম্ভব করার এক দুরন্ত জীবনের শেষ অধ্যায় তরুণদের হাত ধরে আবারও জমে উঠছে সিনেমা হল শিশুদের কার্টুন ঘিরে কেন এত রাজনীতি? ‘পাপ প্যাট্রোল’ বিতর্কের নেপথ্যে বড় প্রশ্ন সিনেমা হলেই ফিরছে তরুণদের ভিড়, পর্দার জাদুতে নতুন করে মজেছে প্রজন্ম সমুদ্রের তলদেশে তারের জাল: যে অসম্ভব স্বপ্ন বদলে দিয়েছিল তথ্যের পৃথিবী রুয়ান্ডার গণহত্যার ক্ষত ও ক্ষমার কঠিন পথ, ‘জাকারান্ডা’য় গায়েল ফায়ের অনন্য উপন্যাস

রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -৫৭)

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০০:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 106

আর্কাদি গাইদার

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

দেখলুম, দাঁড়কাক বক্তৃতা শেষ করার মুখে একটা হাত তুলে গলা চড়িয়েছেন।

আমি চে’চিয়ে ডাকলুম:

“সেমিওন ইভানোভিচ! এই যে, সেমিওন ইভানোভিচ!’

কাছেই কে একজন আমার দিকে ‘শৃশ্’ করে উঠল। পেছনে খোঁচা লাগাল একটা হাত। কিন্তু আমি কোনোদিকে ভ্রুক্ষেপ না-করে আরও জোরে পাগলের মতো চেচিয়ে উঠলুম:

‘সেমিওন ইভানোভিচ!’

এবার দেখলুম অবাক হওয়ার ভঙ্গিতে দাঁড়কাক হাত দুটো সামনের দিকে ছড়িয়ে দিয়েছেন। তারপর দ্রুত কথা শেষ করে তিনি সিড়ি দিয়ে নামতে লাগলেন।

জনতার মধ্যে থেকে একজন লোক চটে উঠে হাতটা ধরে আমায় একপাশে টেনে আনলেন।

কিন্তু গালিগালাজ কিংবা ধস্তাধস্তির দিকে আমার এতটুকু নজর ছিল না। আমি তখন আনন্দে পাগলের মতো হাসছি।

যে-মজুরটি আমার হাত ধরেছিলেন তিনি আমায় এক ঝাঁকানি দিয়ে প্রশ্ন করলেন, ‘এ্যাই, মাস্তান, তোর মতলবখানা কী?’

‘আমি তো মাস্তান নই,’ পরম সুখে একগাল হেসে আর ঠান্ডায় জমে-যাওয়া পায়ে তিড়িং-তিড়িং নাচতে-নাচতে জবাব দিলুম। ‘আমি দাঁড়কাককে পেয়ে গেছি। সেমিওন ইভানোভিচ…’

আমার মুখে এমন একটা কিছু ছিল যা দেখে লোকটিও না-হেসে পারলেন না।

‘দাঁড়কাক কে আবার?’ আগের চেয়ে নরম গলায় তিনি বললেন।

‘না-না, দাঁড়কাক নয়। সেমিওন ইভানোভিচ। ওই তো তিনি আসছেন…’

ভিড় ঠেলে দাঁড়কাক এসেই আমার কাঁধ চেপে ধরলেন।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

পাহালগাম হামলার পর মোদির প্রথম প্রশ্ন—‘কারা করেছে?’ অজিত দোভালের মুখে অপারেশন সিঁদুরের নেপথ্যকথা

রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -৫৭)

০৮:০০:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আর্কাদি গাইদার

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

দেখলুম, দাঁড়কাক বক্তৃতা শেষ করার মুখে একটা হাত তুলে গলা চড়িয়েছেন।

আমি চে’চিয়ে ডাকলুম:

“সেমিওন ইভানোভিচ! এই যে, সেমিওন ইভানোভিচ!’

কাছেই কে একজন আমার দিকে ‘শৃশ্’ করে উঠল। পেছনে খোঁচা লাগাল একটা হাত। কিন্তু আমি কোনোদিকে ভ্রুক্ষেপ না-করে আরও জোরে পাগলের মতো চেচিয়ে উঠলুম:

‘সেমিওন ইভানোভিচ!’

এবার দেখলুম অবাক হওয়ার ভঙ্গিতে দাঁড়কাক হাত দুটো সামনের দিকে ছড়িয়ে দিয়েছেন। তারপর দ্রুত কথা শেষ করে তিনি সিড়ি দিয়ে নামতে লাগলেন।

জনতার মধ্যে থেকে একজন লোক চটে উঠে হাতটা ধরে আমায় একপাশে টেনে আনলেন।

কিন্তু গালিগালাজ কিংবা ধস্তাধস্তির দিকে আমার এতটুকু নজর ছিল না। আমি তখন আনন্দে পাগলের মতো হাসছি।

যে-মজুরটি আমার হাত ধরেছিলেন তিনি আমায় এক ঝাঁকানি দিয়ে প্রশ্ন করলেন, ‘এ্যাই, মাস্তান, তোর মতলবখানা কী?’

‘আমি তো মাস্তান নই,’ পরম সুখে একগাল হেসে আর ঠান্ডায় জমে-যাওয়া পায়ে তিড়িং-তিড়িং নাচতে-নাচতে জবাব দিলুম। ‘আমি দাঁড়কাককে পেয়ে গেছি। সেমিওন ইভানোভিচ…’

আমার মুখে এমন একটা কিছু ছিল যা দেখে লোকটিও না-হেসে পারলেন না।

‘দাঁড়কাক কে আবার?’ আগের চেয়ে নরম গলায় তিনি বললেন।

‘না-না, দাঁড়কাক নয়। সেমিওন ইভানোভিচ। ওই তো তিনি আসছেন…’

ভিড় ঠেলে দাঁড়কাক এসেই আমার কাঁধ চেপে ধরলেন।