সারাক্ষণ রিপোর্ট
সারাংশ
- মুদ্রাস্ফীতির হার কমার পেছনে শীতকালীন সবজির প্রাচুর্য একটি বড় ভূমিকা পালন করেছে
- খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি এখনও ১০ শতাংশের উপরে রয়েছে, যা প্রধান খাদ্যপণ্যের বাজারের অস্থিরতার কারণে ঘটছে
- পদক্ষেপের মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার আশ্বাস দিলেও, জনসাধারণের মধ্যে সন্দেহ রয়ে গেছে

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে মুদ্রাস্ফীতির হার কিছুটা হ্রাস পেলেও, এই নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় থাকবে কিনা তা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ রয়ে গেছে। জানুয়ারিতে মুদ্রাস্ফীতির হার কমার পেছনে শীতকালীন সবজির প্রাচুর্য একটি বড় ভূমিকা পালন করেছে, যা সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি হ্রাসে সহায়তা করেছে। তবে, এই প্রবণতা দীর্ঘস্থায়ী হবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে, কারণ সেপ্টেম্বর মাসেও এমন একটি হ্রাস দেখা গিয়েছিল, যা পরবর্তীতে স্থায়ী হয়নি।
শীতকালীন সবজির সরবরাহ কমে গেলে এবং তাদের মূল্য বৃদ্ধি পেলে, জানুয়ারিতে অর্জিত এই সাফল্য নষ্ট হতে পারে। এছাড়া, খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি এখনও ১০ শতাংশের উপরে রয়েছে, যা প্রধান খাদ্যপণ্যের বাজারের অস্থিরতার কারণে ঘটছে। একই সাথে, খাদ্য নয় এমন পন্যে মুদ্রাস্ফীতিও ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক এই পরিস্থিতির জন্য প্রধান খাদ্যপণ্য ও ভোজ্য তেলের উচ্চ মূল্যের পাশাপাশি অর্থ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টার সীমাবদ্ধতাকে দায়ী করেছে। সরকারি কর্মকর্তারা কড়া মুদ্রানীতি এবং অন্যান্য পদক্ষেপের মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার আশ্বাস দিলেও, জনসাধারণের মধ্যে সন্দেহ রয়ে গেছে।
Sarakhon Report 



















