০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 133

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙের যাওয়া যখন স্থিরই হল, তখন রাজা কু-ওয়েন-তাই তাঁর স্বভাবসিদ্ধ প্রচণ্ডভাবে যাত্রার আয়োজন ক’রে দিলেন। তিএন-শান্ ও পামির অতিক্রম করবার জন্যে যা যা দরকার, ঐ এক মাসের মধ্যে সমস্ত তৈরি হল।

পোশাক-পরিচ্ছদ সোনা-রুপা সাটিন-রেশম ইত্যাদি জোগাড় হল। তিরিশটা ঘোড়া আর চব্বিশ জন চাকর নিযুক্ত হল। আর পশ্চিম তুরুস্কদের সম্রাটের সভায় ধর্মগুরুকে নিয়ে যাবার জন্যে একজন কর্মচারীও নিযুক্ত হল।

এইটাই হল তাঁর সবচেয়ে মূল্যবান সাহায্য। কারণ তুরুস্করাই এ সময়ে এ দেশে সবচেয়ে প্রবল ছিল। দুইখানা যান, পাঁচ শত প্রন্থ সাটিনবস্ত্রে পূর্ণ করে তিনি তুরুস্ক সম্রাটকে এই সঙ্গে উপঢৌকন পাঠালেন, আর তার সঙ্গে একখানা চিঠি দিলেন, ‘ধর্মগুরু আপনার নফরের কনিষ্ঠ ভ্রাতা।

ইনি বৌদ্ধধর্মের মূল-গ্রন্থগুলির অন্বেষণে ব্রাহ্মণদের দেশে যাচ্ছেন। আমার নিবেদন যে, এই প্রণামপত্রের লেখক নফরকে সম্রাট যে দয়ার চোখে দেখেন ধর্ম-গুরুকে সেই দয়ার চোখে দেখুন।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙের যাওয়া যখন স্থিরই হল, তখন রাজা কু-ওয়েন-তাই তাঁর স্বভাবসিদ্ধ প্রচণ্ডভাবে যাত্রার আয়োজন ক’রে দিলেন। তিএন-শান্ ও পামির অতিক্রম করবার জন্যে যা যা দরকার, ঐ এক মাসের মধ্যে সমস্ত তৈরি হল।

পোশাক-পরিচ্ছদ সোনা-রুপা সাটিন-রেশম ইত্যাদি জোগাড় হল। তিরিশটা ঘোড়া আর চব্বিশ জন চাকর নিযুক্ত হল। আর পশ্চিম তুরুস্কদের সম্রাটের সভায় ধর্মগুরুকে নিয়ে যাবার জন্যে একজন কর্মচারীও নিযুক্ত হল।

এইটাই হল তাঁর সবচেয়ে মূল্যবান সাহায্য। কারণ তুরুস্করাই এ সময়ে এ দেশে সবচেয়ে প্রবল ছিল। দুইখানা যান, পাঁচ শত প্রন্থ সাটিনবস্ত্রে পূর্ণ করে তিনি তুরুস্ক সম্রাটকে এই সঙ্গে উপঢৌকন পাঠালেন, আর তার সঙ্গে একখানা চিঠি দিলেন, ‘ধর্মগুরু আপনার নফরের কনিষ্ঠ ভ্রাতা।

ইনি বৌদ্ধধর্মের মূল-গ্রন্থগুলির অন্বেষণে ব্রাহ্মণদের দেশে যাচ্ছেন। আমার নিবেদন যে, এই প্রণামপত্রের লেখক নফরকে সম্রাট যে দয়ার চোখে দেখেন ধর্ম-গুরুকে সেই দয়ার চোখে দেখুন।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)