০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান ভারতের ধর্মের সুরে রাজনীতি: সায়নী ঘোষের বার্তা, বিভাজনের ভাষা না সহাবস্থানের রাজপথ? দিদি বনাম দিদি: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নিঃশব্দ লড়াইয়ের অদৃশ্য রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের শেষ লড়াইয়ের আগে প্রচারের মাঠে বিজেপির মুখের সংকট: পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নেতৃত্বহীনতার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ার লোককথা থেকে বিশ্বমঞ্চে: ‘পারা পেরাসুক’ ছবির সাফল্যের গল্প শৌখিন অ্যাকুয়ারিয়ামের ‘ সাপুসাপু ‘ মাছ এখন ইন্দোনেশিয়ার বিপদ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: অন্তত আট মাস ভোগান্তিতে ব্রিটিশ অর্থনীতি, সতর্ক করলেন সরকার আমেরিকায় হাম ফিরে আসছে: টিকাদানে শিথিলতা, সামনে আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা ৩০ হাজার হামলা, তবু জয় নেই: ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল কি সত্যিই এগিয়ে?

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 111

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙের যাওয়া যখন স্থিরই হল, তখন রাজা কু-ওয়েন-তাই তাঁর স্বভাবসিদ্ধ প্রচণ্ডভাবে যাত্রার আয়োজন ক’রে দিলেন। তিএন-শান্ ও পামির অতিক্রম করবার জন্যে যা যা দরকার, ঐ এক মাসের মধ্যে সমস্ত তৈরি হল।

পোশাক-পরিচ্ছদ সোনা-রুপা সাটিন-রেশম ইত্যাদি জোগাড় হল। তিরিশটা ঘোড়া আর চব্বিশ জন চাকর নিযুক্ত হল। আর পশ্চিম তুরুস্কদের সম্রাটের সভায় ধর্মগুরুকে নিয়ে যাবার জন্যে একজন কর্মচারীও নিযুক্ত হল।

এইটাই হল তাঁর সবচেয়ে মূল্যবান সাহায্য। কারণ তুরুস্করাই এ সময়ে এ দেশে সবচেয়ে প্রবল ছিল। দুইখানা যান, পাঁচ শত প্রন্থ সাটিনবস্ত্রে পূর্ণ করে তিনি তুরুস্ক সম্রাটকে এই সঙ্গে উপঢৌকন পাঠালেন, আর তার সঙ্গে একখানা চিঠি দিলেন, ‘ধর্মগুরু আপনার নফরের কনিষ্ঠ ভ্রাতা।

ইনি বৌদ্ধধর্মের মূল-গ্রন্থগুলির অন্বেষণে ব্রাহ্মণদের দেশে যাচ্ছেন। আমার নিবেদন যে, এই প্রণামপত্রের লেখক নফরকে সম্রাট যে দয়ার চোখে দেখেন ধর্ম-গুরুকে সেই দয়ার চোখে দেখুন।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

 

পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙের যাওয়া যখন স্থিরই হল, তখন রাজা কু-ওয়েন-তাই তাঁর স্বভাবসিদ্ধ প্রচণ্ডভাবে যাত্রার আয়োজন ক’রে দিলেন। তিএন-শান্ ও পামির অতিক্রম করবার জন্যে যা যা দরকার, ঐ এক মাসের মধ্যে সমস্ত তৈরি হল।

পোশাক-পরিচ্ছদ সোনা-রুপা সাটিন-রেশম ইত্যাদি জোগাড় হল। তিরিশটা ঘোড়া আর চব্বিশ জন চাকর নিযুক্ত হল। আর পশ্চিম তুরুস্কদের সম্রাটের সভায় ধর্মগুরুকে নিয়ে যাবার জন্যে একজন কর্মচারীও নিযুক্ত হল।

এইটাই হল তাঁর সবচেয়ে মূল্যবান সাহায্য। কারণ তুরুস্করাই এ সময়ে এ দেশে সবচেয়ে প্রবল ছিল। দুইখানা যান, পাঁচ শত প্রন্থ সাটিনবস্ত্রে পূর্ণ করে তিনি তুরুস্ক সম্রাটকে এই সঙ্গে উপঢৌকন পাঠালেন, আর তার সঙ্গে একখানা চিঠি দিলেন, ‘ধর্মগুরু আপনার নফরের কনিষ্ঠ ভ্রাতা।

ইনি বৌদ্ধধর্মের মূল-গ্রন্থগুলির অন্বেষণে ব্রাহ্মণদের দেশে যাচ্ছেন। আমার নিবেদন যে, এই প্রণামপত্রের লেখক নফরকে সম্রাট যে দয়ার চোখে দেখেন ধর্ম-গুরুকে সেই দয়ার চোখে দেখুন।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)