১০:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা: শান্তির চুক্তি, নাকি দীর্ঘ ভুল বোঝাবুঝির সূচনা? উচ্ছ্বসিত যুক্তরাষ্ট্র, নকআউট নিশ্চিত করে বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালের স্বপ্ন সুপার সাব উন্ডাভের জোড়া গোলে জার্মানির নাটকীয় জয়, শেষ ষোলো নিশ্চিত ইমিগ্রেশনের বিশ্বকাপ: ৪৮ দলের মঞ্চে বদলে যাচ্ছে জাতীয় পরিচয়ের গল্প বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়, পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিফাইনালের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল টাইগ্রেসরা যুক্তরাজ্যে হাসনাত আবদুল্লাহসহ এনসিপির চার নেতার বিরুদ্ধে মামলা নেদারল্যান্ডসের দাপুটে জয়, সুইডেনকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে গ্রুপের শীর্ষে এআই যুগে ‘ভিন্নভাবে চিন্তা করা’ মস্তিষ্কের উত্থান ২০২৬ বিশ্বকাপ ঘিরে এশিয়াজুড়ে ফুটবল উন্মাদনা, আলোচনায় মেসি-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া জন্মের সময় সন্তানের পাশে থাকতে চান ডোকু, বিশ্বকাপ ছাড়ার ইচ্ছা ঘিরে বিতর্ক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতির সংস্কারের দাবিতে পদযাত্রা

  • Sarakhon Report
  • ০৪:১১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 85

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতির সংস্কারের দাবিতে পদযাত্রা ও গণজমায়েত প্রচারাভিযানের অংশবিশেষ।

নিজস্ব প্রতিবেদক 

 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বাংলাদেশের রূপান্তর ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে কর্মী ও স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে জোরালো দাবির উত্থাপন করা হয়েছে। আইএসডিই বাংলাদেশ (ISDE Bangladesh), যুব ক্যাব চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, কোস্টাল লাইভলিহুড অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (CLEAN) এবং বাংলাদেশ ওয়ার্কিং গ্রুপ অন ইকোলজি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (BWGED)-এর নেতৃত্বে এই প্রচারণা কর্মসূচিটি পালিত হয়, যেখানে জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়া দূর করার পাশাপাশি টেকসই জ্বালানির জন্য একটি সুগম পথ তৈরির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। প্রচারণা কর্মসুচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র/চাত্রী, উন্নয়ন কর্মী, সামাজিক আন্দোলনের কর্মী ও জলবায়ুযোদ্ধারা অংশনেন।

অংশগ্রহণকারীরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট থেকে বিভিন্ন প্লে কার্ড, ফেস্টুন ও দাবি সম্মলিত ব্যানার প্রদর্শন ও স্লোগান দিয়ে পদযাত্রা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও অনুষদের এলাকায় পদক্ষিন করে। যেখানে পুরনো অবকাঠামো, অসংগঠিত নীতিমালা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে অপর্যাপ্ত বিনিয়োগের মতো বাধাগুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এই আন্দোলন সহজ অনুমোদন প্রক্রিয়া, ন্যায়সঙ্গত ট্যারিফ কাঠামো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধির আহ্বান জানায়। প্রতিবাদকারীরা বলেন, যদি এই সংস্কারগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না করা হয়, তাহলে বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পিছিয়ে পড়বে।

ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইএসডিই বাংলাদে ‘র নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইন বলেন, আসন্ন গ্রীস্ম মৌসুম শুরু হবার আগেই বিদ্যুত সংকট চরমে পৌছেছে। তাই দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানো না হলে জ্বালানি সংকট সমাধান কঠিন হবে। “আমাদের অবশ্যই নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে,”। “শুধুমাত্র কার্যকর নীতিগত পরিবর্তনের মাধ্যমেই আমরা সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য সবুজ জ্বালানিতে রূপান্তর নিশ্চিত করতে পারি।”

অন্যান্যদের মধ্যে পদযাত্রা ও গণজমায়েতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি ও এনভায়রনমেন্ট শিক্ষক ডঃ খালেদ মিজবাহউজ্জমান, পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষক ডঃ চন্দন কমার, যুব ক্যাব চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সভাপতি রাব্বি তৌহিদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ খাইরুল ইসলাম, সাইকা আফসার, এসোসিয়েট মেম্বার, ক্যাব যুব গ্রুপ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রোজাইন রাফি, সাংগঠনিক সম্পাদক, ক্যাব যুব গ্রুপ চবি, জেলা সামাজিক উদ্যোক্তা পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক মোহাম্মদ জানে আলম, ইয়ুথ পিপলস অব বাংলাদেশ এর সমন্বয়ক সিরাতুল মুনতাহা, আইএসডিই বাংলাদেশ এর প্রকল্প সমন্বয়কারী আবু হাসান আজমী আজমীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী এবং পরিবেশ কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন, যারা বাংলাদেশে জ্বালানীর নিরাপত্তা ও একটি সবুজ ভবিষ্যতের জন্য তাদের অব্যাহত সমর্থন জানিয়ে আসছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা: শান্তির চুক্তি, নাকি দীর্ঘ ভুল বোঝাবুঝির সূচনা?

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতির সংস্কারের দাবিতে পদযাত্রা

০৪:১১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক 

 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বাংলাদেশের রূপান্তর ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে কর্মী ও স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে জোরালো দাবির উত্থাপন করা হয়েছে। আইএসডিই বাংলাদেশ (ISDE Bangladesh), যুব ক্যাব চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, কোস্টাল লাইভলিহুড অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (CLEAN) এবং বাংলাদেশ ওয়ার্কিং গ্রুপ অন ইকোলজি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (BWGED)-এর নেতৃত্বে এই প্রচারণা কর্মসূচিটি পালিত হয়, যেখানে জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়া দূর করার পাশাপাশি টেকসই জ্বালানির জন্য একটি সুগম পথ তৈরির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। প্রচারণা কর্মসুচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র/চাত্রী, উন্নয়ন কর্মী, সামাজিক আন্দোলনের কর্মী ও জলবায়ুযোদ্ধারা অংশনেন।

অংশগ্রহণকারীরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট থেকে বিভিন্ন প্লে কার্ড, ফেস্টুন ও দাবি সম্মলিত ব্যানার প্রদর্শন ও স্লোগান দিয়ে পদযাত্রা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও অনুষদের এলাকায় পদক্ষিন করে। যেখানে পুরনো অবকাঠামো, অসংগঠিত নীতিমালা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে অপর্যাপ্ত বিনিয়োগের মতো বাধাগুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এই আন্দোলন সহজ অনুমোদন প্রক্রিয়া, ন্যায়সঙ্গত ট্যারিফ কাঠামো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধির আহ্বান জানায়। প্রতিবাদকারীরা বলেন, যদি এই সংস্কারগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না করা হয়, তাহলে বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পিছিয়ে পড়বে।

ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইএসডিই বাংলাদে ‘র নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইন বলেন, আসন্ন গ্রীস্ম মৌসুম শুরু হবার আগেই বিদ্যুত সংকট চরমে পৌছেছে। তাই দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানো না হলে জ্বালানি সংকট সমাধান কঠিন হবে। “আমাদের অবশ্যই নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে,”। “শুধুমাত্র কার্যকর নীতিগত পরিবর্তনের মাধ্যমেই আমরা সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য সবুজ জ্বালানিতে রূপান্তর নিশ্চিত করতে পারি।”

অন্যান্যদের মধ্যে পদযাত্রা ও গণজমায়েতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি ও এনভায়রনমেন্ট শিক্ষক ডঃ খালেদ মিজবাহউজ্জমান, পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষক ডঃ চন্দন কমার, যুব ক্যাব চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সভাপতি রাব্বি তৌহিদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ খাইরুল ইসলাম, সাইকা আফসার, এসোসিয়েট মেম্বার, ক্যাব যুব গ্রুপ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রোজাইন রাফি, সাংগঠনিক সম্পাদক, ক্যাব যুব গ্রুপ চবি, জেলা সামাজিক উদ্যোক্তা পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক মোহাম্মদ জানে আলম, ইয়ুথ পিপলস অব বাংলাদেশ এর সমন্বয়ক সিরাতুল মুনতাহা, আইএসডিই বাংলাদেশ এর প্রকল্প সমন্বয়কারী আবু হাসান আজমী আজমীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী এবং পরিবেশ কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন, যারা বাংলাদেশে জ্বালানীর নিরাপত্তা ও একটি সবুজ ভবিষ্যতের জন্য তাদের অব্যাহত সমর্থন জানিয়ে আসছেন।