০৮:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
একজন ট্রিলিয়নিয়ার বনাম ৪৯% দরিদ্র মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৬)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 91

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙকে দেখে সম্রাট খুশী হয়ে বললে- ‘দিনকতক এখানে থাকুন, দু-তিন দিন পরে আমি ফিরে আসছি।’ এই বলে একটা তাঁবুতে তাঁর থাকবার বন্দোবস্ত করে দিয়ে শিকারে গেলেন। শিকার শেষ হলে সম্রাট হিউএনচাঙকে ডেকে পাঠালেন। ‘সম্রাট বাস করতেন একটা প্রকাণ্ড তাঁবুতে। তাতে সোনালি ফুলের এমন কাজ করা যে চোখ ঝলসে যায়।

তুরুস্করা অগ্নির উপাসক, কাঠে সুক্ষ্মভাবে অগ্নি আছে মনে করে এরা কাঠের আসনে বসে না। রাজকর্মচারীরা লম্বা লম্বা মাদুর পেতে তার উপর বসে ছিলেন, প্রত্যেকেরই পরিধানে ব্রোকেডের জমকাল পরিচ্ছদ। যদিও ইনি যাযাবর জাতির রাজা বই নন, চামড়ার তাঁবুতে বাস, তবু তাঁর দিকে চাইলে বিস্ময় ও শ্রদ্ধা উদ্রেক হতেই হয়।’

হিউএনচাঙের ঐ জায়গায় অবস্থানের সময়েই সম্রাট একবার বিদেশী দূতদের অভ্যর্থনা করেন। হিউএনচাঙ তার এই বিবরণ দেন-‘অসভ্য সম্রাট দূতদের বসতে বললেন। এই সময়ে বাজনদারদের বাদ্য আরম্ভহল আর পানীয় আনবার হুকুম হল। বিদেশী দূতদের সঙ্গে সম্রাট মদ্যপান করলেন। অতিথিদের ক্রমশই স্ফূর্তি বাড়তে লাগল।

তারা পরস্পরের পানপাত্র ঠোকাঠুকি করে মদ খাবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে লাগল। এই সময়ে চারিদিক থেকে বাজনা বেজে উঠল। সুরগুলি অর্ধঅসভ্য হলেও কানে মন্দ লাগছিল না। ভালোই লাগছিল। কিছু পরেই নতুন পাত্র এল। অতিথিদের সামনে স্তূপাকারে ভেড়ার আর গোবৎসের সিদ্ধ মাংস রাখা হল।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৫)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৫)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

একজন ট্রিলিয়নিয়ার বনাম ৪৯% দরিদ্র

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৬)

০৯:০০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙকে দেখে সম্রাট খুশী হয়ে বললে- ‘দিনকতক এখানে থাকুন, দু-তিন দিন পরে আমি ফিরে আসছি।’ এই বলে একটা তাঁবুতে তাঁর থাকবার বন্দোবস্ত করে দিয়ে শিকারে গেলেন। শিকার শেষ হলে সম্রাট হিউএনচাঙকে ডেকে পাঠালেন। ‘সম্রাট বাস করতেন একটা প্রকাণ্ড তাঁবুতে। তাতে সোনালি ফুলের এমন কাজ করা যে চোখ ঝলসে যায়।

তুরুস্করা অগ্নির উপাসক, কাঠে সুক্ষ্মভাবে অগ্নি আছে মনে করে এরা কাঠের আসনে বসে না। রাজকর্মচারীরা লম্বা লম্বা মাদুর পেতে তার উপর বসে ছিলেন, প্রত্যেকেরই পরিধানে ব্রোকেডের জমকাল পরিচ্ছদ। যদিও ইনি যাযাবর জাতির রাজা বই নন, চামড়ার তাঁবুতে বাস, তবু তাঁর দিকে চাইলে বিস্ময় ও শ্রদ্ধা উদ্রেক হতেই হয়।’

হিউএনচাঙের ঐ জায়গায় অবস্থানের সময়েই সম্রাট একবার বিদেশী দূতদের অভ্যর্থনা করেন। হিউএনচাঙ তার এই বিবরণ দেন-‘অসভ্য সম্রাট দূতদের বসতে বললেন। এই সময়ে বাজনদারদের বাদ্য আরম্ভহল আর পানীয় আনবার হুকুম হল। বিদেশী দূতদের সঙ্গে সম্রাট মদ্যপান করলেন। অতিথিদের ক্রমশই স্ফূর্তি বাড়তে লাগল।

তারা পরস্পরের পানপাত্র ঠোকাঠুকি করে মদ খাবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে লাগল। এই সময়ে চারিদিক থেকে বাজনা বেজে উঠল। সুরগুলি অর্ধঅসভ্য হলেও কানে মন্দ লাগছিল না। ভালোই লাগছিল। কিছু পরেই নতুন পাত্র এল। অতিথিদের সামনে স্তূপাকারে ভেড়ার আর গোবৎসের সিদ্ধ মাংস রাখা হল।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৫)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৫)