০২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন অবরোধ দীর্ঘায়িতের প্রস্তুতি, বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন চাপ ট্রাম্পকে খোঁচা দিয়ে চার্লসের রসিকতা: ‘আমরা না থাকলে আপনারা আজ ফরাসি বলতেন’ চীনের বিশাল বায়োব্যাংক দৌড়, ওষুধ গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রকে টক্কর দেওয়ার পরিকল্পনা শিল্প ও তারকাদের ঝলকে নিউ মিউজিয়াম গালা, সম্মাননায় লিসা ফিলিপস দুই মাসের বিরতি শেষে তেঁতুলিয়ায় ফিরছে জেলেদের স্বপ্ন, ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশের আশায় প্রস্তুতি চূড়ান্ত লস অ্যাঞ্জেলেসের গেটি হাউসে ক্যাশমিয়ারের ছোঁয়ায় ঝলমলে সন্ধ্যা, ফ্যালকোনেরি ডিনারে তারকাদের সমাগম যুক্তরাষ্ট্র সফরে ক্লান্তির কথা স্বীকার রানি ক্যামিলার, তবুও থামছে না ব্যস্ততা উপকূলের শিক্ষা: ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের ৩৫ বছর পরও কেন ঝুঁকি কমেনি সাবেক এফবিআই প্রধানের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্টকে হত্যার হুমকির অভিযোগ, উত্তাল যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি হেনড্রিক্সের সঙ্গীদের উত্তরাধিকারীদের বড় ধাক্কা: রয়্যালটি দাবিতে আদালতে পরাজয়

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪১)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫
  • 72

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

ধর্মগুরু যখন উপস্থিত হন, তার অল্প কিছুকাল আগেই তুরফান-রাজকন্যার মৃত্যু হয়। তারদুশাদ শীঘ্রই আবার তাঁর শ্যালীকে বিবাহ করলেন। কিন্তু নতুন রানী আগেকার রানীর ছেলের প্রণয়িনী হয়ে তারদুশাকে হত্যা ক’রে তার প্রণয়ীকে রাজা করল।

যা হোক্ নতুন রাজাও, হিউএনচাঙের আশ্রয়দাতা হলেন আর তাঁকে পরামর্শ দিলেন যে, সোজা গান্ধারের দিকে না গিয়ে তিনি যেন বাল্ব (বাহুলীক) হয়ে যান। বললেন, ‘বাল্ব আপনার এ শিষ্যের রাজত্বের মধ্যেই একটা নগর। এখানে এত পবিত্র স্মৃতিচিহ্ন আছে যে, লোকে একে ছোটরাজগৃহ বলে। আমার ইচ্ছা ধর্মগুরু সেখানে গিয়ে পবিত্রস্থান-‘গুলিতে পূজা দেন।’

আধুনিক কালে বাল্থ দেশটা একরকম মৃতই বলা যায়। কিন্তু হিউএনচাঙের সময়ে এখানকার অবস্থা বেশ ভালোই ছিল। হিউএনচাঙ এখানে তিন হাজার ভিক্ষু আর একশত সঙ্ঘারাম দেখতে পান। অনেক সঙ্ঘারামে বুদ্ধের নিদর্শন ছিল।

অর্হৎ ও ভিক্ষুদের স্মারকস্তূপ তো শত শত ছিল। ‘নগরের বাইরে নবসঙ্ঘারাম নামে অদ্ভুত কারুকার্যময় একটা প্রকাণ্ড সঙ্ঘারাম আছে। এর ভিতর বুদ্ধমন্দিরে বুদ্ধের একটা জলের পাত্র, একটা দাঁত আর একটা ঝাঁটা রাখা আছে। এই সঙ্ঘারামের উত্তরে একটা দুই শত ফুট উঁচু স্তূপ আছে।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪০)

হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন অবরোধ দীর্ঘায়িতের প্রস্তুতি, বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন চাপ

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪১)

০৯:০০:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

ধর্মগুরু যখন উপস্থিত হন, তার অল্প কিছুকাল আগেই তুরফান-রাজকন্যার মৃত্যু হয়। তারদুশাদ শীঘ্রই আবার তাঁর শ্যালীকে বিবাহ করলেন। কিন্তু নতুন রানী আগেকার রানীর ছেলের প্রণয়িনী হয়ে তারদুশাকে হত্যা ক’রে তার প্রণয়ীকে রাজা করল।

যা হোক্ নতুন রাজাও, হিউএনচাঙের আশ্রয়দাতা হলেন আর তাঁকে পরামর্শ দিলেন যে, সোজা গান্ধারের দিকে না গিয়ে তিনি যেন বাল্ব (বাহুলীক) হয়ে যান। বললেন, ‘বাল্ব আপনার এ শিষ্যের রাজত্বের মধ্যেই একটা নগর। এখানে এত পবিত্র স্মৃতিচিহ্ন আছে যে, লোকে একে ছোটরাজগৃহ বলে। আমার ইচ্ছা ধর্মগুরু সেখানে গিয়ে পবিত্রস্থান-‘গুলিতে পূজা দেন।’

আধুনিক কালে বাল্থ দেশটা একরকম মৃতই বলা যায়। কিন্তু হিউএনচাঙের সময়ে এখানকার অবস্থা বেশ ভালোই ছিল। হিউএনচাঙ এখানে তিন হাজার ভিক্ষু আর একশত সঙ্ঘারাম দেখতে পান। অনেক সঙ্ঘারামে বুদ্ধের নিদর্শন ছিল।

অর্হৎ ও ভিক্ষুদের স্মারকস্তূপ তো শত শত ছিল। ‘নগরের বাইরে নবসঙ্ঘারাম নামে অদ্ভুত কারুকার্যময় একটা প্রকাণ্ড সঙ্ঘারাম আছে। এর ভিতর বুদ্ধমন্দিরে বুদ্ধের একটা জলের পাত্র, একটা দাঁত আর একটা ঝাঁটা রাখা আছে। এই সঙ্ঘারামের উত্তরে একটা দুই শত ফুট উঁচু স্তূপ আছে।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪০)