০৫:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
গরুর বুদ্ধির চমক! ঝাড়ু ব্যবহার করে নিজেই চুলকানি মেটায় ‘ভেরোনিকা’ গাজায় যুদ্ধের নতুন ছায়া: থমকে গেছে পুর্ণগঠন,আবার শক্তি বাড়াচ্ছে হামাস রঙ বদলে লুকিয়ে থাকা সমুদ্রের ক্ষুদে শিকারি: ক্যান্ডি কাঁকড়ার বিস্ময়কর জীবন কোন দেশে সবচেয়ে বেশি আত্মমুগ্ধ মানুষ? বিশ্বজুড়ে জরিপে চমকপ্রদ ফল কমেডি দুনিয়ায় বড় প্রত্যাবর্তন: নতুন সিরিজ ‘রেজি ডিঙ্কিন্স’ ফিরিয়ে আনছে ত্রিশ রকের সেই ঝড় আমেরিকার ‘রাজপরিবার’ কাহিনি: কেনেডি প্রেমগাথা সিরিজে বাস্তবের চেয়ে নাটকই বেশি? ওজন কমানোর বড়ি: চিকিৎসায় নতুন যুগ নাকি নতুন ঝুঁকি? মানুষের রক্তেই ঝুঁকছে মশা! বন ধ্বংসে বাড়ছে নতুন বিপদ রোজার রাতে আমিরাতের ‘ঘাবগা’ ঐতিহ্য: পরিবার-বন্ধুদের মিলনে ভরে ওঠে রাত তেল সরবরাহে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধাক্কা, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে সতর্ক করল আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা

জুলাই আন্দোলেন আহত ও নিহতদের সন্তানের জন্য ৫ শতাংশ কোটা

  • Sarakhon Report
  • ০৬:৪৮:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫
  • 100

সারাক্ষণ রিপোর্ট

নতুন ভর্তি নীতিমালা ঘোষণা

সরকারি স্কুলে ভর্তি নীতিতে পরিবর্তন এনে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে আহত ও নিহতদের পরিবারের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। মুক্তিযোদ্ধা কোটার আদলে এই বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হবে।

সরকারি নির্দেশনা ও বাস্তবায়ন

গত ২০ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে একটি অফিস আদেশ জারি করে, যা ২ মার্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। নির্দেশনায় সরকারি বিদ্যালয়গুলোর অধ্যক্ষদের এই কোটা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কোটা প্রাপ্তির শর্তাবলি

১. মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত বা নিহতদের পরিবারের সদস্যরা এই কোটার জন্য আবেদন করতে পারবেন। 2. আবেদনপত্রের সঙ্গে যথাযথ প্রমাণপত্র সংযুক্ত করতে হবে। এতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা মুক্তিযোদ্ধা সনদ বা অভ্যুত্থানে নিহতদের গেজেটের সত্যায়িত কপি থাকতে হবে। 3. ভর্তি কার্যক্রমের সময় মূল কপি প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক।

ভর্তি প্রক্রিয়া ও আসন পূরণ নীতি

  • নির্ধারিত ৫ শতাংশ আসনে কোটাভুক্ত আবেদনকারীদের ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে।
  • যদি নির্ধারিত কোটার জন্য পর্যাপ্ত আবেদনকারী না পাওয়া যায়, তাহলে মেধাতালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
  • কোনও অবস্থাতেই আসন শূন্য রাখা যাবে না।

প্রয়োজনীয় নির্দেশনা

এই নীতিমালা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকল বিদ্যালয় ও কলেজকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, ভর্তি কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে হবে এবং কোটার সুযোগ যেন নির্ধারিত শিক্ষার্থীরা পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

উপসংহার সরকারের এই সিদ্ধান্ত যুদ্ধাহত ও শহীদ পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি, এই কোটার মাধ্যমে সরকার তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি উদ্যোগ নিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গরুর বুদ্ধির চমক! ঝাড়ু ব্যবহার করে নিজেই চুলকানি মেটায় ‘ভেরোনিকা’

জুলাই আন্দোলেন আহত ও নিহতদের সন্তানের জন্য ৫ শতাংশ কোটা

০৬:৪৮:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

সারাক্ষণ রিপোর্ট

নতুন ভর্তি নীতিমালা ঘোষণা

সরকারি স্কুলে ভর্তি নীতিতে পরিবর্তন এনে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে আহত ও নিহতদের পরিবারের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। মুক্তিযোদ্ধা কোটার আদলে এই বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হবে।

সরকারি নির্দেশনা ও বাস্তবায়ন

গত ২০ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে একটি অফিস আদেশ জারি করে, যা ২ মার্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। নির্দেশনায় সরকারি বিদ্যালয়গুলোর অধ্যক্ষদের এই কোটা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কোটা প্রাপ্তির শর্তাবলি

১. মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত বা নিহতদের পরিবারের সদস্যরা এই কোটার জন্য আবেদন করতে পারবেন। 2. আবেদনপত্রের সঙ্গে যথাযথ প্রমাণপত্র সংযুক্ত করতে হবে। এতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা মুক্তিযোদ্ধা সনদ বা অভ্যুত্থানে নিহতদের গেজেটের সত্যায়িত কপি থাকতে হবে। 3. ভর্তি কার্যক্রমের সময় মূল কপি প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক।

ভর্তি প্রক্রিয়া ও আসন পূরণ নীতি

  • নির্ধারিত ৫ শতাংশ আসনে কোটাভুক্ত আবেদনকারীদের ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে।
  • যদি নির্ধারিত কোটার জন্য পর্যাপ্ত আবেদনকারী না পাওয়া যায়, তাহলে মেধাতালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
  • কোনও অবস্থাতেই আসন শূন্য রাখা যাবে না।

প্রয়োজনীয় নির্দেশনা

এই নীতিমালা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকল বিদ্যালয় ও কলেজকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, ভর্তি কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে হবে এবং কোটার সুযোগ যেন নির্ধারিত শিক্ষার্থীরা পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

উপসংহার সরকারের এই সিদ্ধান্ত যুদ্ধাহত ও শহীদ পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি, এই কোটার মাধ্যমে সরকার তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি উদ্যোগ নিয়েছে।