০৭:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
সাভার থানার আরও এক পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ চার্টার অব পাকিস্তান দাবি কারাবন্দি পিটিআই নেতাদের, অর্থনৈতিক সনদের আগে সাংবিধানিক শাসনের ওপর জোর দীপ্তি শর্মার ৫/১০-এ পাকিস্তান ধরাশায়ী, বিশ্বকাপে ভারতের দুর্দান্ত শুরু বিশ্বকাপে আজ ফ্রান্স-সেনেগাল ও আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, ইরান দলকে ঘিরে নাটক ‘নাইভস আউট ৩’ নেটফ্লিক্সে: বেনোয়া ব্লাঁর নতুন রহস্য নেটফ্লিক্সের এমজে ডকু নিয়ে ক্ষুব্ধ ভক্তদের একাংশ কান ২০২৬: ঐশ্বরিয়া নাকি আলিয়া — ফ্যাশন বিতর্কে সামাজিক মাধ্যম দ্বিধাবিভক্ত আলিয়া ভাটের ‘আলফা’ টিজারে ওয়াইআরএফ স্পাই ইউনিভার্সে নতুন অধ্যায় ১৯ জুন আসছে ‘ককটেল ২’: শাহিদ-ক্রিতি-রাশ্মিকার ত্রিকোণ প্রেম বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চে বিটিএস, শাকিরা ও ম্যাডোনা

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
  • 172

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

সাধারণত ২৫ বছর বয়স্ক বা তার একটু কম (যদি বিবাহিত হন) এমন পুরুষকে গোষ্ঠীগত কিছু বাধ্যবাধকতা বা দায়িত্ব পালন করতে হত। কোবো এই কৃষিপণ্য উৎপাদককে বা মাঝারি চাষীকে করদাতা হিসেবে মনে করতেন। এর বাইরে যাদের পেশা বা জীবিকা ছিল তাদের কর ব্যবস্থা বা আইনের মধ্যে রাখেনি।

এক্ষেত্রে কৃষক বা খামার মালিকের উৎপাদিত পণ্য কর-এর আওতাভুক্ত ছিল না। কিন্তু মিতা বা পরিষেবা ব্যবস্থাটা ছিল কর-কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ একক। আদতে বলা ভাল যে কৃষি করের মূল উপাদান ছিল গোষ্ঠীগত শ্রম এবং মাঠ বা ক্ষেতের ফসল ফলানোর প্রক্রিয়া।

জীবিকা বা পেশা কাঠামো গড়ে উঠবার আরেকটি ক্ষেত্র হল ইনকাদের বিচার ব্যবস্থা। সরকারি কাজ-এর সহযোগী কর্মী হিসাবে থাকত বিচার-বিভাগের বিভিন্ন স্তরে নিযুক্ত কর্মীবৃন্দ। তবে ইনকাদের বিচার বিভাগীয় কাজ-এর ক্ষেত্রে আজকের দিনের মত বিচারক থাকত এমন নয়।

সরকারী উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা তার স্থানীয় অঞ্চলে বিচার-সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করত। অন্য সূত্র থেকে জানা যায় যে ইনকাদের আদালতের মত যা ছিল তাতে মোট ১২ জন বিচারক থাকত।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭২)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭২)

জনপ্রিয় সংবাদ

সাভার থানার আরও এক পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭৩)

০৭:০০:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

সাধারণত ২৫ বছর বয়স্ক বা তার একটু কম (যদি বিবাহিত হন) এমন পুরুষকে গোষ্ঠীগত কিছু বাধ্যবাধকতা বা দায়িত্ব পালন করতে হত। কোবো এই কৃষিপণ্য উৎপাদককে বা মাঝারি চাষীকে করদাতা হিসেবে মনে করতেন। এর বাইরে যাদের পেশা বা জীবিকা ছিল তাদের কর ব্যবস্থা বা আইনের মধ্যে রাখেনি।

এক্ষেত্রে কৃষক বা খামার মালিকের উৎপাদিত পণ্য কর-এর আওতাভুক্ত ছিল না। কিন্তু মিতা বা পরিষেবা ব্যবস্থাটা ছিল কর-কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ একক। আদতে বলা ভাল যে কৃষি করের মূল উপাদান ছিল গোষ্ঠীগত শ্রম এবং মাঠ বা ক্ষেতের ফসল ফলানোর প্রক্রিয়া।

জীবিকা বা পেশা কাঠামো গড়ে উঠবার আরেকটি ক্ষেত্র হল ইনকাদের বিচার ব্যবস্থা। সরকারি কাজ-এর সহযোগী কর্মী হিসাবে থাকত বিচার-বিভাগের বিভিন্ন স্তরে নিযুক্ত কর্মীবৃন্দ। তবে ইনকাদের বিচার বিভাগীয় কাজ-এর ক্ষেত্রে আজকের দিনের মত বিচারক থাকত এমন নয়।

সরকারী উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা তার স্থানীয় অঞ্চলে বিচার-সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করত। অন্য সূত্র থেকে জানা যায় যে ইনকাদের আদালতের মত যা ছিল তাতে মোট ১২ জন বিচারক থাকত।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭২)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭২)