০৪:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
“যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বিরোধে গ্রিনল্যান্ডে ইউরোপীয় সেনা জাপান-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা জোট আরও দৃঢ়, চীন উত্তেজনার মধ্যেই সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ঘোষণা ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কার্বন নিঃসরণ বেড়েছে সেন্ট লুইসে বিরল বানরের খোঁজে বিভ্রান্তি আফগানিস্তানে নারীদের পুষ্টিহীনতার ভয়াবহ সংকট, আন্তর্জাতিক সহায়তা কমায় গভীর উদ্বেগ ১১–১৭ জানুয়ারি সপ্তাহে তারকাদের জন্মদিন কেরাণীগঞ্জে মাদ্রাসা ও জাজিরায় বিস্ফোরণ কতটা উদ্বেগের? “চ্যাটজিপিটি তে বিজ্ঞাপন সংযোজন করছে ওপেনএআই” ২০২৬ সালে তেলের বাজারে ভেনেজুয়েলার প্রভাব নেই, বললেন টোটালএনার্জির প্রধান মিনেসোটায় অভিবাসন ইস্যুতে তোলপাড়, গভর্নর ও মেয়রের বিরুদ্ধে তদন্তে নামল যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুপস্থিতিতে পশ্চিমা সেনা প্রধানদের ইউক্রেনের বিষয়ে গোপন বঠক

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
  • 112

সারাক্ষণ রিপোর্ট

সারাংশ

  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও একসঙ্গে কাজ করা সম্ভব। তবে কিছু ক্ষেত্রে তাদের সহায়তা প্রয়োজন
  • বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা ইউক্রেনের সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাশিয়ার প্রভাব কমানোর উপর জোর দেন
  • ইউক্রেন যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করার জন্য গোপন বৈঠকে মিলিত হন

প্যারিসে মঙ্গলবার, মার্কিন প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে ৩০ এর অধিক সেনা প্রধান এক গোপন বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল ইউক্রেন যুদ্ধের বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন দিক নির্ধারণ করা।

বিশ্লেষণ ও প্রতিক্রিয়া

একজন ইউরোপীয় কূটনীতিক বলেন, “আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও একসাথে কাজ করতে পারি, তবে কিছু বিষয়ে একা লড়াই করা সম্ভব নয়। রাশিয়ার প্রভাব রোধে আমাদের নিরুৎসাহনের প্রয়োজন।”

এছাড়াও, একজন সামরিক কর্মকর্তা জানান যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বাদ দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল ইউরোপ এবং অন্যান্য অংশীদারদের নিজেদের দায়িত্ব গ্রহণে উৎসাহিত করা, বিশেষ করে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্রতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে।

অতিরিক্ত দিক

  • আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব: জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার উপস্থিতি নির্দেশ করে যে, নতুন মার্কিন প্রশাসনের কারণে ঐতিহ্যগত মিত্রদের মাঝে কিছু অনিশ্চয়তা ও সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
  • ফরাসি প্রতিরক্ষা মন্ত্রীয়ের বক্তব্য: তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ইউক্রেনের শক্তিশালী সেনাবাহিনী নিরাপত্তার মূল চাবিকাঠি এবং ইউক্রেনের সামরিক অবক্ষয় গ্রহণযোগ্য নয়।
  • ট্রাম্পের চাপ ও ইউরোপীয় জবাব: ট্রাম্প ইউক্রেনকে শান্তিতে নিয়ে আসতে চাপ সৃষ্টি করে রাশিয়ার দাবিকে সমর্থন করেছিলেন, যেমন—ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান। তবে, ইউরোপীয় নেতারা স্পষ্ট করেছেন যে, ইউক্রেনের সামরিক হ্রাস বা ডিমিলিটারাইজেশন কোনোভাবেই গ্রহণ করা হবে না।

  • রাশিয়ার দাবী: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বারবার ইউক্রেনের ডিমিলিটারাইজেশন দাবি করেছেন, যা ইউক্রেনকে আক্রমণের মুখে ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

উপসংহার

এই বৈঠকটি ইউক্রেনের পরিস্থিতিতে নতুন ধারণা ও সহযোগিতার ইঙ্গিত বহন করে। ইউরোপ, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং অন্যান্য অংশীদাররা প্রমাণ করতে চায় যে, মার্কিন প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতেও তারা নিজেদের দায়িত্ব নিতে সম্পূর্ণ সক্ষম। ভবিষ্যতে ইউক্রেনের নিরাপত্তা ও সামরিক সক্ষমতা বজায় রাখার লক্ষ্যে এই আলোচনার গুরুত্ব ক্রমবর্ধমান হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

“যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বিরোধে গ্রিনল্যান্ডে ইউরোপীয় সেনা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুপস্থিতিতে পশ্চিমা সেনা প্রধানদের ইউক্রেনের বিষয়ে গোপন বঠক

০৯:০০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

সারাক্ষণ রিপোর্ট

সারাংশ

  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও একসঙ্গে কাজ করা সম্ভব। তবে কিছু ক্ষেত্রে তাদের সহায়তা প্রয়োজন
  • বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা ইউক্রেনের সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাশিয়ার প্রভাব কমানোর উপর জোর দেন
  • ইউক্রেন যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করার জন্য গোপন বৈঠকে মিলিত হন

প্যারিসে মঙ্গলবার, মার্কিন প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে ৩০ এর অধিক সেনা প্রধান এক গোপন বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল ইউক্রেন যুদ্ধের বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন দিক নির্ধারণ করা।

বিশ্লেষণ ও প্রতিক্রিয়া

একজন ইউরোপীয় কূটনীতিক বলেন, “আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও একসাথে কাজ করতে পারি, তবে কিছু বিষয়ে একা লড়াই করা সম্ভব নয়। রাশিয়ার প্রভাব রোধে আমাদের নিরুৎসাহনের প্রয়োজন।”

এছাড়াও, একজন সামরিক কর্মকর্তা জানান যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বাদ দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল ইউরোপ এবং অন্যান্য অংশীদারদের নিজেদের দায়িত্ব গ্রহণে উৎসাহিত করা, বিশেষ করে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্রতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে।

অতিরিক্ত দিক

  • আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব: জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার উপস্থিতি নির্দেশ করে যে, নতুন মার্কিন প্রশাসনের কারণে ঐতিহ্যগত মিত্রদের মাঝে কিছু অনিশ্চয়তা ও সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
  • ফরাসি প্রতিরক্ষা মন্ত্রীয়ের বক্তব্য: তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ইউক্রেনের শক্তিশালী সেনাবাহিনী নিরাপত্তার মূল চাবিকাঠি এবং ইউক্রেনের সামরিক অবক্ষয় গ্রহণযোগ্য নয়।
  • ট্রাম্পের চাপ ও ইউরোপীয় জবাব: ট্রাম্প ইউক্রেনকে শান্তিতে নিয়ে আসতে চাপ সৃষ্টি করে রাশিয়ার দাবিকে সমর্থন করেছিলেন, যেমন—ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান। তবে, ইউরোপীয় নেতারা স্পষ্ট করেছেন যে, ইউক্রেনের সামরিক হ্রাস বা ডিমিলিটারাইজেশন কোনোভাবেই গ্রহণ করা হবে না।

  • রাশিয়ার দাবী: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বারবার ইউক্রেনের ডিমিলিটারাইজেশন দাবি করেছেন, যা ইউক্রেনকে আক্রমণের মুখে ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

উপসংহার

এই বৈঠকটি ইউক্রেনের পরিস্থিতিতে নতুন ধারণা ও সহযোগিতার ইঙ্গিত বহন করে। ইউরোপ, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং অন্যান্য অংশীদাররা প্রমাণ করতে চায় যে, মার্কিন প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতেও তারা নিজেদের দায়িত্ব নিতে সম্পূর্ণ সক্ষম। ভবিষ্যতে ইউক্রেনের নিরাপত্তা ও সামরিক সক্ষমতা বজায় রাখার লক্ষ্যে এই আলোচনার গুরুত্ব ক্রমবর্ধমান হবে।