০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে লেবানন যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর: মার্চ থেকে ২,৫০৯ জন নিহত, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ২০০৩-এর পর প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী, উত্তেজনা তীব্র টানা ১১তম বছরে রেকর্ড: বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২০২৫ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ২১ বছর পর গাজা ও পশ্চিম তীরে স্থানীয় নির্বাচন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন পথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এআই মামলা শুরু: মাস্ক বনাম অ্যালটম্যান আদালতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে হামলার আসামি আদালতে, ট্রাম্প প্রশাসনকে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালী আর আগের মতো থাকবে না: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘোষণা মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়েছে, আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গে চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী গুলিতে নিহত

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫০)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৫১:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫
  • 136

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এবার আমরা যুক্তি-তর্কের সাহায্যে দেখাবো গণিতপাদ আর্যভটীয়ের একটি অংশ। আমরা প্রত্যেকেই জানি সংস্কৃত সাহিত্যে বা প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যে ইষ্টদেবতার মঙ্গলাচরণ করা হয়ে থাকে এবং লেখক যে মতাবলম্বী তিনি সেই মতাবলম্বীর উপাস্য দেবতার নামে মঙ্গলাচরণ করে থাকেন।

এদিক দিয়ে প্রথম আর্যভট বৈদান্তিক, ব্রহ্মগুপ্ত, লল্প, শ্রীধর শৈব, মহাবীর জৈন ছিলেন। গণিতপাদের প্রথম শ্লোকে প্রথম আর্যভট বলেছেন:

“ব্রহ্মকুশশিবুধভূগুর বিকুজগুরুকোণ ভগণান্ নমস্কৃত্য

আর্যভটন্তিহ নিগদতি কুসুমপুরেহভ্যচিতং জ্ঞানম্।

এখন যদি এই শ্লোকটি, আর্যভটীয়ের প্রথম শ্লোক এবং দশগীতিকার শেষোক্ত শ্লোক নিয়ে পরীক্ষা করা যায় তাহলে স্পষ্টই বলা যেতে পারে এই তিনটি শ্লোক একই লেখকের।

“আর্যভটস্ত্রীণি গদতি গণিতং কালক্রিয়াং গোলম্।” এই শ্লোকটি থেকে বলা যেতে পারে গণিত আর্যভটীয়ের একটি অংশ।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৯)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৯)

 

হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫০)

০৩:৫১:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এবার আমরা যুক্তি-তর্কের সাহায্যে দেখাবো গণিতপাদ আর্যভটীয়ের একটি অংশ। আমরা প্রত্যেকেই জানি সংস্কৃত সাহিত্যে বা প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যে ইষ্টদেবতার মঙ্গলাচরণ করা হয়ে থাকে এবং লেখক যে মতাবলম্বী তিনি সেই মতাবলম্বীর উপাস্য দেবতার নামে মঙ্গলাচরণ করে থাকেন।

এদিক দিয়ে প্রথম আর্যভট বৈদান্তিক, ব্রহ্মগুপ্ত, লল্প, শ্রীধর শৈব, মহাবীর জৈন ছিলেন। গণিতপাদের প্রথম শ্লোকে প্রথম আর্যভট বলেছেন:

“ব্রহ্মকুশশিবুধভূগুর বিকুজগুরুকোণ ভগণান্ নমস্কৃত্য

আর্যভটন্তিহ নিগদতি কুসুমপুরেহভ্যচিতং জ্ঞানম্।

এখন যদি এই শ্লোকটি, আর্যভটীয়ের প্রথম শ্লোক এবং দশগীতিকার শেষোক্ত শ্লোক নিয়ে পরীক্ষা করা যায় তাহলে স্পষ্টই বলা যেতে পারে এই তিনটি শ্লোক একই লেখকের।

“আর্যভটস্ত্রীণি গদতি গণিতং কালক্রিয়াং গোলম্।” এই শ্লোকটি থেকে বলা যেতে পারে গণিত আর্যভটীয়ের একটি অংশ।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৯)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৯)