০৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
হাইলাইট: হাকিমপুরে সামান্য বৃষ্টিতেই বেহাল সড়ক, দুই গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ সময়ের দূরত্বে পিতাকে নতুন করে আবিষ্কার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা যথেষ্ট নয়, দরকার পেশাগত ন্যায়বিচারের কাঠামো একটি জাতির ভবিষ্যৎ শুধু নীতিতে নয়, সন্তান পালনের গল্পেও নির্ধারিত হয় এত বিপুল সংখ্যক শিশুমৃত্যু বাংলাদেশ আগে কখনও দেখেনি কেপ ভার্দের আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে, উরুগুয়ের বিপক্ষেও চমক দেখাতে প্রস্তুত ব্লু শার্কস বাবার নীরব ভালোবাসা: স্মৃতি, ত্যাগ আর অটুট বন্ধনের গল্প চালকের উদ্বেগ কমিয়ে বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে ঝড় তুলেছে প্রোটন বাবার অসমান পায়ের পথচলার ঋণ শোধে জীবন উৎসর্গ মেয়ের বাবার ভালোবাসা সব সময় বলা হয় না, কখনও কখনও তা শুধু ত্যাগেই লেখা থাকে

১৩ এপ্রিল হামলার সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে

  • Sarakhon Report
  • ০৩:২৯:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
  • 161

সারাক্ষণ রিপোর্ট

১৩ এপ্রিলের ঘটনা: শ্রমিকদের ওপর বর্বর নির্যাতন

গত ১৩ এপ্রিল রাজধানীর মিরপুর ১৩ নম্বরে অবস্থিত ১১৩৪ নম্বর কারখানার গার্মেন্টস শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলার ঘটনা ঘটে। ঐদিন শ্রমিকদের নিয়মিত কাজ ও মজুরি পাওয়ার দাবিতে আয়োজন করা মানববন্ধনে মালিকপক্ষের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হন অনেক শ্রমিক। এতে অনেকের শরীরে আঘাত লাগে এবং মানসিক ভীতির সৃষ্টি হয়।

২৩ এপ্রিল প্রতিবাদ ও মানববন্ধনের ঘোষণা

বাংলাদেশ টেক্সটাইল-গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন (BTGWF) ২৩ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে এই নির্যাতনের প্রতিবাদে ঢাকায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনের আয়োজন করেছে। এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে বিকাল ৫টায় কারওয়ান বাজারে বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতি কেন্দ্রের সামনে।

অংশগ্রহণকারী সংগঠন ও নেতৃবৃন্দ

এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন:

  • গার্মেন্টস ফেডারেশনের সভাপতি জিএম নাঈমুল ইসলাম নয়ন
  • সাধারণ সম্পাদক গাজী জামাল
  • শ্রমিক নেত্রী রাবেয়া সুলতানা
  • ফেডারেশনের সহ-সভাপতি রিনা বেগম
  • সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ আরও অনেকে।

সংগঠনের বক্তব্য

গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০১৩ সালের ২৪ নভেম্বরের ঘটনার স্মৃতি এখনও স্পষ্ট। সে সময় ১১৩৪ জন শ্রমিক নিহত হয়েছিলেন, যেটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ভয়াবহ ট্র্যাজেডি। সেই প্রেক্ষাপটে ১৩ এপ্রিলের শ্রমিক নির্যাতনের ঘটনা একটি দুঃখজনক প্রতিচ্ছবি।

তারা বলেন, মালিকপক্ষের ইন্ধনে এই হামলা হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত হামলাকারীদের শাস্তির কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিকে দমন করার জন্য ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।

দাবি ও প্রত্যাশা

সংগঠনটি একাধিক দাবি উত্থাপন করেছে:

  • ১৩ এপ্রিল হামলার সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা
  • শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ নিরাপদ করা
  • বেতন ও অন্যান্য পাওনা পরিশোধ নিশ্চিত করা
  • শ্রমিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে জাতীয় নীতি গ্রহণ করা

উপসংহার

বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাত দেশের রপ্তানির প্রধান স্তম্ভ হলেও, শ্রমিকরা বারবার বৈষম্য, নির্যাতন ও নিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়ে। ২৩ এপ্রিলের এই প্রতিবাদ কর্মসূচি শ্রমিক অধিকারের প্রতি জাতীয় সচেতনতা জাগানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাইলাইট: হাকিমপুরে সামান্য বৃষ্টিতেই বেহাল সড়ক, দুই গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

১৩ এপ্রিল হামলার সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে

০৩:২৯:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

সারাক্ষণ রিপোর্ট

১৩ এপ্রিলের ঘটনা: শ্রমিকদের ওপর বর্বর নির্যাতন

গত ১৩ এপ্রিল রাজধানীর মিরপুর ১৩ নম্বরে অবস্থিত ১১৩৪ নম্বর কারখানার গার্মেন্টস শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলার ঘটনা ঘটে। ঐদিন শ্রমিকদের নিয়মিত কাজ ও মজুরি পাওয়ার দাবিতে আয়োজন করা মানববন্ধনে মালিকপক্ষের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হন অনেক শ্রমিক। এতে অনেকের শরীরে আঘাত লাগে এবং মানসিক ভীতির সৃষ্টি হয়।

২৩ এপ্রিল প্রতিবাদ ও মানববন্ধনের ঘোষণা

বাংলাদেশ টেক্সটাইল-গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন (BTGWF) ২৩ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে এই নির্যাতনের প্রতিবাদে ঢাকায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনের আয়োজন করেছে। এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে বিকাল ৫টায় কারওয়ান বাজারে বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতি কেন্দ্রের সামনে।

অংশগ্রহণকারী সংগঠন ও নেতৃবৃন্দ

এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন:

  • গার্মেন্টস ফেডারেশনের সভাপতি জিএম নাঈমুল ইসলাম নয়ন
  • সাধারণ সম্পাদক গাজী জামাল
  • শ্রমিক নেত্রী রাবেয়া সুলতানা
  • ফেডারেশনের সহ-সভাপতি রিনা বেগম
  • সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ আরও অনেকে।

সংগঠনের বক্তব্য

গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০১৩ সালের ২৪ নভেম্বরের ঘটনার স্মৃতি এখনও স্পষ্ট। সে সময় ১১৩৪ জন শ্রমিক নিহত হয়েছিলেন, যেটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ভয়াবহ ট্র্যাজেডি। সেই প্রেক্ষাপটে ১৩ এপ্রিলের শ্রমিক নির্যাতনের ঘটনা একটি দুঃখজনক প্রতিচ্ছবি।

তারা বলেন, মালিকপক্ষের ইন্ধনে এই হামলা হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত হামলাকারীদের শাস্তির কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিকে দমন করার জন্য ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।

দাবি ও প্রত্যাশা

সংগঠনটি একাধিক দাবি উত্থাপন করেছে:

  • ১৩ এপ্রিল হামলার সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা
  • শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ নিরাপদ করা
  • বেতন ও অন্যান্য পাওনা পরিশোধ নিশ্চিত করা
  • শ্রমিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে জাতীয় নীতি গ্রহণ করা

উপসংহার

বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাত দেশের রপ্তানির প্রধান স্তম্ভ হলেও, শ্রমিকরা বারবার বৈষম্য, নির্যাতন ও নিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়ে। ২৩ এপ্রিলের এই প্রতিবাদ কর্মসূচি শ্রমিক অধিকারের প্রতি জাতীয় সচেতনতা জাগানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।