০৩:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
সমষ্টির আরামে ব্যক্তির সংকট নীরব জাঁকজমকের ভাষা: দুবাইয়ে দামিয়ানির নতুন অধ্যায়ে জেসিকা চ্যাস্টেইনের আলো ভাড়া না কেনা, কেনা না ভাড়া: সুদের ভবিষ্যৎ যেদিকে, সিদ্ধান্তও সেদিকেই ইউরোপের বন্ডে ধসের আভাস, ডাচ পেনশনের সরে দাঁড়ানোয় ঋণচাপে সরকারগুলো ভিয়েতনামের দ্রুত বৃদ্ধি, নড়বড়ে ভিত: উন্নয়নের জোয়ারে ঝুঁকির ছায়া আবারও মুখোমুখি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, পাল্টাপাল্টি হামলার হুমকি যুক্তরাষ্ট্র ৬৬ সংস্থা থেকে সরে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশ কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে আবার নির্বাচনের দৌড়ে মান্না, বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন সূচকের বড় পতনে ডিএসই ও সিএসইতে লেনদেন কমল বাংলাদেশের অচলাবস্থা আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহর জন্য কঠিন পরীক্ষা: এনডিটিভি প্রতিবেদন

রানা প্লাজায় শ্রমিকের মৃত্যুর এক দশক: বিচারহীনতার দৃষ্টান্ত

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
  • 142

সারাক্ষণ রিপোর্ট

স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি

গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম আজ (২৪ এপ্রিল) সকালে সাভারের রানা প্লাজার সামনে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শহীদ শ্রমিকদের প্রতি সম্মান প্রকাশ করেছে। সংগঠনের সভাপতি মোশরেফা মিশুর নেতৃত্বে সকাল ৯:৩০ টায় শুরু হওয়া শ্রদ্ধাঞ্জলির পর অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন তিনি।

নেত্রীর বক্তব্য

সমাবেশে গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সবুজ, সাভার উপজেলা কমিটির সভাপতি এমদাদুল ইসলাম, থানা কমিটির সভাপতি কবীর খান মনির, শফিকুল ইসলাম নেওয়াজ ও রেজাউল করিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, রানা প্লাজা ধসে নিহত ও আহত শ্রমিকদের স্মৃতিচারণ ছাড়া ২০১৫ সালের এ ঘটনায় দায়ীদের বিচার না হওয়া একবর্ষ পরপরই বিচারহীনতার প্রমাণ।

বিচারহীনতার অভিযোগ

দু’বছর পার হলেও ভবন মালিক সোহেল রানাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে প্রস্তুত অভিযোগ চালু না হওয়ায় বিচার বিভাগ ও প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। বক্তারা জানান, দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত না হলে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড দমনে সক্ষম হওয়া যাবে না।

ক্ষতিগ্রস্তদের অবস্থা

১২ বছরেও শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে শুরু না হওয়ায় মৃত্যু ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়া শ্রমিকরা অমানবিক জীবনযাপনে বাধ্য হচ্ছেন। দেখা যাচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্তরা এখনও দারিদ্র্য, চিকিৎসা সংকট ও কর্মহীনতার সমস্যায় ভুগছেন।

দাবি ও অনুরোধ

সমাবেশের বক্তারা অবিলম্বে বিচার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া, আহত শ্রমিকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ পর্যন্ত বিচারহীনতার সংসারে রানা প্লাজার নিহত শ্রমিকদের পরিবারের আশা ভর্ৎসনা না হলে দেশব্যাপী শ্রমিক নিরাপত্তা আরেকবার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে—এমন আশঙ্কা ব্যক্ত করে সমাবেশ শেষ হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

সমষ্টির আরামে ব্যক্তির সংকট

রানা প্লাজায় শ্রমিকের মৃত্যুর এক দশক: বিচারহীনতার দৃষ্টান্ত

০৮:০০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

সারাক্ষণ রিপোর্ট

স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি

গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম আজ (২৪ এপ্রিল) সকালে সাভারের রানা প্লাজার সামনে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শহীদ শ্রমিকদের প্রতি সম্মান প্রকাশ করেছে। সংগঠনের সভাপতি মোশরেফা মিশুর নেতৃত্বে সকাল ৯:৩০ টায় শুরু হওয়া শ্রদ্ধাঞ্জলির পর অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন তিনি।

নেত্রীর বক্তব্য

সমাবেশে গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সবুজ, সাভার উপজেলা কমিটির সভাপতি এমদাদুল ইসলাম, থানা কমিটির সভাপতি কবীর খান মনির, শফিকুল ইসলাম নেওয়াজ ও রেজাউল করিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, রানা প্লাজা ধসে নিহত ও আহত শ্রমিকদের স্মৃতিচারণ ছাড়া ২০১৫ সালের এ ঘটনায় দায়ীদের বিচার না হওয়া একবর্ষ পরপরই বিচারহীনতার প্রমাণ।

বিচারহীনতার অভিযোগ

দু’বছর পার হলেও ভবন মালিক সোহেল রানাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে প্রস্তুত অভিযোগ চালু না হওয়ায় বিচার বিভাগ ও প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। বক্তারা জানান, দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত না হলে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড দমনে সক্ষম হওয়া যাবে না।

ক্ষতিগ্রস্তদের অবস্থা

১২ বছরেও শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে শুরু না হওয়ায় মৃত্যু ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়া শ্রমিকরা অমানবিক জীবনযাপনে বাধ্য হচ্ছেন। দেখা যাচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্তরা এখনও দারিদ্র্য, চিকিৎসা সংকট ও কর্মহীনতার সমস্যায় ভুগছেন।

দাবি ও অনুরোধ

সমাবেশের বক্তারা অবিলম্বে বিচার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া, আহত শ্রমিকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ পর্যন্ত বিচারহীনতার সংসারে রানা প্লাজার নিহত শ্রমিকদের পরিবারের আশা ভর্ৎসনা না হলে দেশব্যাপী শ্রমিক নিরাপত্তা আরেকবার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে—এমন আশঙ্কা ব্যক্ত করে সমাবেশ শেষ হয়।