০২:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
রেকর্ড মজুদ নিঃসরণের পরেও তেলের দাম ৫ শতাংশ বাড়েছে, সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা দূর হয়নি হরমুজ প্রণালিতে ইরানের মাইন স্থাপন, জলপথ পুনরায় উন্মুক্ত করা আরও জটিল হয়ে পড়ল সমুদ্র ড্রোনে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নতুন মাত্রায় বাণিজ্যিক জাহাজে গোলাবর্ষণ করে ইরান ঘোষণা দিল, ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার তেলের জন্য বিশ্বকে প্রস্তুত থাকতে হবে ধামরাইয়ে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজন আহত, মহিলার মৃত্যু মার্কিন গম বোঝাই জাহাজ মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে, সরকারি চুক্তির আওতায় আমদানি অব্যাহত মধ্যপ্রাচ্য সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে সম্মত ইরানে যুদ্ধের দুই সপ্তাহ, শেষ কোথায়? কাতারে ইরানি হামলার মধ্যেও স্বাভাবিক জীবন বজায় রাখার চেষ্টা: প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলে আবারও হামলার ঘোষণা হিজবুল্লাহর

যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য দ্বন্দ্ব ও প্রযুক্তি যুদ্ধ

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
  • 270

 সারাক্ষণ রিপোর্ট

বাণিজ্য দ্বন্দ্বের সূচনা

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনার শুরু মূলত ২০১৮ সালে, যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনা পণ্যের ওপর ব্যাপক হারে শুল্ক আরোপ করেন। যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ তোলে যে চীন একচেটিয়া বাণিজ্যিক আচরণ করছে, বৌদ্ধিক সম্পত্তির সুরক্ষা দিচ্ছে না এবং মার্কিন কোম্পানিগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করছে। এর জবাবে চীনও পাল্টা শুল্ক আরোপ করে, ফলে দুই দেশের মধ্যে একটি পূর্ণমাত্রার “ট্যারিফ যুদ্ধ” শুরু হয়।

মূল ইস্যুগুলো:

  • চীনের রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি ও শিল্পনীতির সমালোচনা
  • যুক্তরাষ্ট্রের বৌদ্ধিক সম্পত্তির চুরি ও প্রযুক্তি স্থানান্তর নিয়ে উদ্বেগ
  • মার্কিন কোম্পানির জন্য চীনা বাজারে প্রবেশে প্রতিবন্ধকতা
  • বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি: যুক্তরাষ্ট্র চীনের সঙ্গে শত শত বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতির মুখে পড়ে

প্রযুক্তি যুদ্ধ: হুয়াওয়ে থেকে সেমিকন্ডাক্টর

বাণিজ্য যুদ্ধের পাশাপাশি একটি বড় প্রযুক্তিগত প্রতিদ্বন্দ্বিতাও শুরু হয়। যুক্তরাষ্ট্র চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যেমন হুয়াওয়েজেডটিই এবং আরও অনেককে জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করে নিষেধাজ্ঞা দেয় এবং আমেরিকান প্রযুক্তি সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।

একইসাথে, যুক্তরাষ্ট্র চীনের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে একাধিক রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। এতে করে চীনের উন্নয়নশীল মাইক্রোচিপ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি খাতে বড় আঘাত লাগে।

সাম্প্রতিক উন্নয়ন

২০২১ সালের পর প্রেসিডেন্ট বাইডেন প্রশাসন কিছু নীতি অব্যাহত রাখে, আবার কিছু জায়গায় নমনীয়তা আনে। তবে বাণিজ্য ও প্রযুক্তি নিরাপত্তা নিয়ে দ্বন্দ্ব এখনো বহাল রয়েছে। বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে দুই দেশের মধ্যে পণ্যে শুল্ক হ্রাসপ্রযুক্তি স্থানান্তর নীতিএবং কৌশলগত স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা।

জনপ্রিয় সংবাদ

রেকর্ড মজুদ নিঃসরণের পরেও তেলের দাম ৫ শতাংশ বাড়েছে, সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা দূর হয়নি

যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য দ্বন্দ্ব ও প্রযুক্তি যুদ্ধ

০৮:০০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

 সারাক্ষণ রিপোর্ট

বাণিজ্য দ্বন্দ্বের সূচনা

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনার শুরু মূলত ২০১৮ সালে, যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনা পণ্যের ওপর ব্যাপক হারে শুল্ক আরোপ করেন। যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ তোলে যে চীন একচেটিয়া বাণিজ্যিক আচরণ করছে, বৌদ্ধিক সম্পত্তির সুরক্ষা দিচ্ছে না এবং মার্কিন কোম্পানিগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করছে। এর জবাবে চীনও পাল্টা শুল্ক আরোপ করে, ফলে দুই দেশের মধ্যে একটি পূর্ণমাত্রার “ট্যারিফ যুদ্ধ” শুরু হয়।

মূল ইস্যুগুলো:

  • চীনের রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি ও শিল্পনীতির সমালোচনা
  • যুক্তরাষ্ট্রের বৌদ্ধিক সম্পত্তির চুরি ও প্রযুক্তি স্থানান্তর নিয়ে উদ্বেগ
  • মার্কিন কোম্পানির জন্য চীনা বাজারে প্রবেশে প্রতিবন্ধকতা
  • বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি: যুক্তরাষ্ট্র চীনের সঙ্গে শত শত বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতির মুখে পড়ে

প্রযুক্তি যুদ্ধ: হুয়াওয়ে থেকে সেমিকন্ডাক্টর

বাণিজ্য যুদ্ধের পাশাপাশি একটি বড় প্রযুক্তিগত প্রতিদ্বন্দ্বিতাও শুরু হয়। যুক্তরাষ্ট্র চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যেমন হুয়াওয়েজেডটিই এবং আরও অনেককে জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করে নিষেধাজ্ঞা দেয় এবং আমেরিকান প্রযুক্তি সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।

একইসাথে, যুক্তরাষ্ট্র চীনের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে একাধিক রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। এতে করে চীনের উন্নয়নশীল মাইক্রোচিপ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি খাতে বড় আঘাত লাগে।

সাম্প্রতিক উন্নয়ন

২০২১ সালের পর প্রেসিডেন্ট বাইডেন প্রশাসন কিছু নীতি অব্যাহত রাখে, আবার কিছু জায়গায় নমনীয়তা আনে। তবে বাণিজ্য ও প্রযুক্তি নিরাপত্তা নিয়ে দ্বন্দ্ব এখনো বহাল রয়েছে। বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে দুই দেশের মধ্যে পণ্যে শুল্ক হ্রাসপ্রযুক্তি স্থানান্তর নীতিএবং কৌশলগত স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা।