০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে লেবানন যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর: মার্চ থেকে ২,৫০৯ জন নিহত, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ২০০৩-এর পর প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী, উত্তেজনা তীব্র টানা ১১তম বছরে রেকর্ড: বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২০২৫ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ২১ বছর পর গাজা ও পশ্চিম তীরে স্থানীয় নির্বাচন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন পথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এআই মামলা শুরু: মাস্ক বনাম অ্যালটম্যান আদালতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে হামলার আসামি আদালতে, ট্রাম্প প্রশাসনকে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালী আর আগের মতো থাকবে না: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘোষণা মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়েছে, আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গে চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী গুলিতে নিহত

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭০)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৩১:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫
  • 428

প্রদীপ কুমার মজুমদার

খণ্ড পদ্ধতিতে গুণককে কয়েকটি অংশে বিভক্ত করে তারপর গুণ করা হয়।

ধরা যাক ১৩০ ১৫৮
১৩০ ১৫৮= (৬+৭) × ১৫৮-৬×১৫৮+৭০ ১৫৮ =৯৪৮=১১০৬
=২০৫৪.

ইষ্টগুণ সংজ্ঞায় ব্রহ্মগুপ্ত বরলছেন-

“গুণয়ো রাশিগুণকাররাশিনেষ্টাধিকোনকেন গুণঃ।
গুণয়োষ্টবধো ন যুতো গুণকেহভ্যধিকোনকে কার্যঃ ৪৫৬

অর্থাৎ গুণকের সহিত কোন ইষ্টরাশি যোগ বা বিয়োগ করিয়া তদ্বারা গুণ্যকে গুণ করিবে। এবং অতঃপর ঐ ইষ্টরাশি দ্বারা গুণ করিয়া পূর্বফলে বিয়োগ অথবা যোগ করিবে।

এই পদ্ধতির দু একটা উদাহরণ তুলে ধরছি-১

১৩ × ১৩= (৯৩+৭) ০১৩-৭১৩-১৩০০-৯১ = ১২০৯
৯৩ × ১৩= (৯০+৩) × ১৩=৯০ × ১৩+৩x১৩=১১৭০+৩৯=১২০৯ কপাট সন্ধি পদ্ধতিতে শ্রীপতি বলেছেন (গণিত তিলকম্-শ্রীপতি, পৃঃ ৪) বিন্যস্থ্য গুণ্য গুণকাখ্যরাশে-রধঃ কপাটদ্বয় সন্ধি যুক্ত্যা উতসার্য হন্যাত ক্রমশোহহুলোমং, বিলোম মাহো উত তত স্বমেব।

অর্থাৎ গুণকের নীচে গুণ্য নিবেশ করিয়া কপাটদ্বয়ের সন্ধির যুক্তিতে গুণ্যকে ক্রমশঃ সরাইয়া (বা উঠাইয়া) অনুমলোম ক্রমে গুণ করিবে, (তাহা সেই স্থানেই গুণ করিতে হইবে।)

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৯)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৯)

 

হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭০)

০৩:৩১:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

খণ্ড পদ্ধতিতে গুণককে কয়েকটি অংশে বিভক্ত করে তারপর গুণ করা হয়।

ধরা যাক ১৩০ ১৫৮
১৩০ ১৫৮= (৬+৭) × ১৫৮-৬×১৫৮+৭০ ১৫৮ =৯৪৮=১১০৬
=২০৫৪.

ইষ্টগুণ সংজ্ঞায় ব্রহ্মগুপ্ত বরলছেন-

“গুণয়ো রাশিগুণকাররাশিনেষ্টাধিকোনকেন গুণঃ।
গুণয়োষ্টবধো ন যুতো গুণকেহভ্যধিকোনকে কার্যঃ ৪৫৬

অর্থাৎ গুণকের সহিত কোন ইষ্টরাশি যোগ বা বিয়োগ করিয়া তদ্বারা গুণ্যকে গুণ করিবে। এবং অতঃপর ঐ ইষ্টরাশি দ্বারা গুণ করিয়া পূর্বফলে বিয়োগ অথবা যোগ করিবে।

এই পদ্ধতির দু একটা উদাহরণ তুলে ধরছি-১

১৩ × ১৩= (৯৩+৭) ০১৩-৭১৩-১৩০০-৯১ = ১২০৯
৯৩ × ১৩= (৯০+৩) × ১৩=৯০ × ১৩+৩x১৩=১১৭০+৩৯=১২০৯ কপাট সন্ধি পদ্ধতিতে শ্রীপতি বলেছেন (গণিত তিলকম্-শ্রীপতি, পৃঃ ৪) বিন্যস্থ্য গুণ্য গুণকাখ্যরাশে-রধঃ কপাটদ্বয় সন্ধি যুক্ত্যা উতসার্য হন্যাত ক্রমশোহহুলোমং, বিলোম মাহো উত তত স্বমেব।

অর্থাৎ গুণকের নীচে গুণ্য নিবেশ করিয়া কপাটদ্বয়ের সন্ধির যুক্তিতে গুণ্যকে ক্রমশঃ সরাইয়া (বা উঠাইয়া) অনুমলোম ক্রমে গুণ করিবে, (তাহা সেই স্থানেই গুণ করিতে হইবে।)

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৯)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৯)