০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার, তীব্র হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্ধ বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, উত্তর আমেরিকায় নতুন কারখানা নিয়ে হোন্ডার সতর্কবার্তা দেশীয় সংগীতের রানী ডলি পার্টন আর নেই, ৮০ বছর বয়সে শেষ হলো কিংবদন্তির পথচলা ডলি পার্টন: কিংবদন্তি গায়িকার সাত দশকের বর্ণিল জীবন ইসলামাবাদে হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে আগুন, ১৪ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় পারিবারিক বিরোধে বড় ভাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল ভাইয়ের বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭২)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৫০:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
  • 156

প্রদীপ কুমার মজুমদার

দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য সঙ্গে সঙ্গে উদাহরণ দিয়ে সূত্রগুলির প্রয়োগ দেখিয়েছেন।

তিনি বলেছেন-

“বালে বালকুরঙ্গলোলনয়নে লীলাবতি প্রোচ্যতাং পঞ্চত্যেক মিতাদিবাকর গুণা অঙ্কাঃ কতিস্থ্যর্যদি। রূপস্থানবিভাগ খণ্ড গুণনে কল্যাগি কল্যাণিনি ছিন্নান্তেন গুণেন তে চ গুণিতাজাতাঃ কতি স্থ্যর্বদ।”

অর্থাৎ হে মৃগশাবকের ন্যায় চঞ্চল নয়নে কন্যে লীলাবতি। একশত পঁয়ত্রিশকে বার দ্বারা গুণ করিলে কত হইবে বল। হে কল্যাণি। বিভিন্ন অংশ দ্বারা খণ্ড গুণনেই বা কিরূপ হইতে বল।

উদাহরণটি তিনি বিভিন্ন প্রকারে সমাধান করেছেন। তিনি বলেছেন-
ন্যাসঃ। ‘গুণ্য ১৩৫। গুণক ১২।

গুণ্যন্তমস্ক: গুণকের হন্যাদিতি কৃতে জাতম্। ১৬২০। অথবা গুণরূপবিভাগে খণ্ডকৃতে-৮০৪। আভ্যাং পৃথগ গুণ্যে গুণিতে যুতে চ জাতং তদেব! ১৬২০।

অর্থাৎ এই শ্লোকগুলির অর্থ হচ্ছে

“দৃষ্টান্ত। গুণ্য ১৩৫, গুণক ১২। গুণ্য এর শেষ অঙ্ককে গুণকের দ্বারা গুণ করিমে ১৬২০ হইল। অথবা খণ্ড খণ্ড করিয়া গুণ করিলে যথা ৮ দ্বারা গুণ করিয়া ১৭৮০ হইল, পরে ও দ্বারা গুণ করিলে ৫৪০ হইল। এইবার এই দুইটি সংখ্যা যোগ করিলে ১৬১০ হইবে।”

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭১)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭১)

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭২)

০৩:৫০:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য সঙ্গে সঙ্গে উদাহরণ দিয়ে সূত্রগুলির প্রয়োগ দেখিয়েছেন।

তিনি বলেছেন-

“বালে বালকুরঙ্গলোলনয়নে লীলাবতি প্রোচ্যতাং পঞ্চত্যেক মিতাদিবাকর গুণা অঙ্কাঃ কতিস্থ্যর্যদি। রূপস্থানবিভাগ খণ্ড গুণনে কল্যাগি কল্যাণিনি ছিন্নান্তেন গুণেন তে চ গুণিতাজাতাঃ কতি স্থ্যর্বদ।”

অর্থাৎ হে মৃগশাবকের ন্যায় চঞ্চল নয়নে কন্যে লীলাবতি। একশত পঁয়ত্রিশকে বার দ্বারা গুণ করিলে কত হইবে বল। হে কল্যাণি। বিভিন্ন অংশ দ্বারা খণ্ড গুণনেই বা কিরূপ হইতে বল।

উদাহরণটি তিনি বিভিন্ন প্রকারে সমাধান করেছেন। তিনি বলেছেন-
ন্যাসঃ। ‘গুণ্য ১৩৫। গুণক ১২।

গুণ্যন্তমস্ক: গুণকের হন্যাদিতি কৃতে জাতম্। ১৬২০। অথবা গুণরূপবিভাগে খণ্ডকৃতে-৮০৪। আভ্যাং পৃথগ গুণ্যে গুণিতে যুতে চ জাতং তদেব! ১৬২০।

অর্থাৎ এই শ্লোকগুলির অর্থ হচ্ছে

“দৃষ্টান্ত। গুণ্য ১৩৫, গুণক ১২। গুণ্য এর শেষ অঙ্ককে গুণকের দ্বারা গুণ করিমে ১৬২০ হইল। অথবা খণ্ড খণ্ড করিয়া গুণ করিলে যথা ৮ দ্বারা গুণ করিয়া ১৭৮০ হইল, পরে ও দ্বারা গুণ করিলে ৫৪০ হইল। এইবার এই দুইটি সংখ্যা যোগ করিলে ১৬১০ হইবে।”

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭১)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭১)