০৯:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে লেবানন যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর: মার্চ থেকে ২,৫০৯ জন নিহত, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ২০০৩-এর পর প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী, উত্তেজনা তীব্র টানা ১১তম বছরে রেকর্ড: বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২০২৫ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ২১ বছর পর গাজা ও পশ্চিম তীরে স্থানীয় নির্বাচন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন পথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এআই মামলা শুরু: মাস্ক বনাম অ্যালটম্যান আদালতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে হামলার আসামি আদালতে, ট্রাম্প প্রশাসনকে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালী আর আগের মতো থাকবে না: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘোষণা মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়েছে, আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গে চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী গুলিতে নিহত

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭২)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৫০:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
  • 125

প্রদীপ কুমার মজুমদার

দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য সঙ্গে সঙ্গে উদাহরণ দিয়ে সূত্রগুলির প্রয়োগ দেখিয়েছেন।

তিনি বলেছেন-

“বালে বালকুরঙ্গলোলনয়নে লীলাবতি প্রোচ্যতাং পঞ্চত্যেক মিতাদিবাকর গুণা অঙ্কাঃ কতিস্থ্যর্যদি। রূপস্থানবিভাগ খণ্ড গুণনে কল্যাগি কল্যাণিনি ছিন্নান্তেন গুণেন তে চ গুণিতাজাতাঃ কতি স্থ্যর্বদ।”

অর্থাৎ হে মৃগশাবকের ন্যায় চঞ্চল নয়নে কন্যে লীলাবতি। একশত পঁয়ত্রিশকে বার দ্বারা গুণ করিলে কত হইবে বল। হে কল্যাণি। বিভিন্ন অংশ দ্বারা খণ্ড গুণনেই বা কিরূপ হইতে বল।

উদাহরণটি তিনি বিভিন্ন প্রকারে সমাধান করেছেন। তিনি বলেছেন-
ন্যাসঃ। ‘গুণ্য ১৩৫। গুণক ১২।

গুণ্যন্তমস্ক: গুণকের হন্যাদিতি কৃতে জাতম্। ১৬২০। অথবা গুণরূপবিভাগে খণ্ডকৃতে-৮০৪। আভ্যাং পৃথগ গুণ্যে গুণিতে যুতে চ জাতং তদেব! ১৬২০।

অর্থাৎ এই শ্লোকগুলির অর্থ হচ্ছে

“দৃষ্টান্ত। গুণ্য ১৩৫, গুণক ১২। গুণ্য এর শেষ অঙ্ককে গুণকের দ্বারা গুণ করিমে ১৬২০ হইল। অথবা খণ্ড খণ্ড করিয়া গুণ করিলে যথা ৮ দ্বারা গুণ করিয়া ১৭৮০ হইল, পরে ও দ্বারা গুণ করিলে ৫৪০ হইল। এইবার এই দুইটি সংখ্যা যোগ করিলে ১৬১০ হইবে।”

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭১)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭১)

হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭২)

০৩:৫০:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য সঙ্গে সঙ্গে উদাহরণ দিয়ে সূত্রগুলির প্রয়োগ দেখিয়েছেন।

তিনি বলেছেন-

“বালে বালকুরঙ্গলোলনয়নে লীলাবতি প্রোচ্যতাং পঞ্চত্যেক মিতাদিবাকর গুণা অঙ্কাঃ কতিস্থ্যর্যদি। রূপস্থানবিভাগ খণ্ড গুণনে কল্যাগি কল্যাণিনি ছিন্নান্তেন গুণেন তে চ গুণিতাজাতাঃ কতি স্থ্যর্বদ।”

অর্থাৎ হে মৃগশাবকের ন্যায় চঞ্চল নয়নে কন্যে লীলাবতি। একশত পঁয়ত্রিশকে বার দ্বারা গুণ করিলে কত হইবে বল। হে কল্যাণি। বিভিন্ন অংশ দ্বারা খণ্ড গুণনেই বা কিরূপ হইতে বল।

উদাহরণটি তিনি বিভিন্ন প্রকারে সমাধান করেছেন। তিনি বলেছেন-
ন্যাসঃ। ‘গুণ্য ১৩৫। গুণক ১২।

গুণ্যন্তমস্ক: গুণকের হন্যাদিতি কৃতে জাতম্। ১৬২০। অথবা গুণরূপবিভাগে খণ্ডকৃতে-৮০৪। আভ্যাং পৃথগ গুণ্যে গুণিতে যুতে চ জাতং তদেব! ১৬২০।

অর্থাৎ এই শ্লোকগুলির অর্থ হচ্ছে

“দৃষ্টান্ত। গুণ্য ১৩৫, গুণক ১২। গুণ্য এর শেষ অঙ্ককে গুণকের দ্বারা গুণ করিমে ১৬২০ হইল। অথবা খণ্ড খণ্ড করিয়া গুণ করিলে যথা ৮ দ্বারা গুণ করিয়া ১৭৮০ হইল, পরে ও দ্বারা গুণ করিলে ৫৪০ হইল। এইবার এই দুইটি সংখ্যা যোগ করিলে ১৬১০ হইবে।”

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭১)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭১)