০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার, তীব্র হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্ধ বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, উত্তর আমেরিকায় নতুন কারখানা নিয়ে হোন্ডার সতর্কবার্তা দেশীয় সংগীতের রানী ডলি পার্টন আর নেই, ৮০ বছর বয়সে শেষ হলো কিংবদন্তির পথচলা ডলি পার্টন: কিংবদন্তি গায়িকার সাত দশকের বর্ণিল জীবন ইসলামাবাদে হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে আগুন, ১৪ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় পারিবারিক বিরোধে বড় ভাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল ভাইয়ের বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৯)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
  • 475

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

সহসা তাঁর আনন্দপূর্ণ হৃদয়ে মনে হল যেন তিনি সুমেরু পর্বতের মত উঁচুতে উঠে প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় স্বর্গ পার হয়ে পুণ্যাত্মাদের প্রাসাদে গিয়ে দেখতে পেলেন যে, ভক্তিভাজন মৈত্রেয় অসংখ্য দেবতাদের মধ্যে এক সমুজ্জল সিংহাসনে উপবিষ্ট রয়েছেন।

এ সময়ে, তাঁকে যে বেদীর সামনে বলিদানের জন্যে দস্যরা নিয়ে এসেছে, এ জ্ঞান তাঁর ছিল না; তিনি যেন সশরীরে এক আনন্দসাগরে ভাসছিলেন। এদিকে সঙ্গীরা কান্নাকাটি করছিলেন। এমন সময় হঠাৎ এক ভীষণ ঝড় উঠল আর সেই ঝড়ে গাছপালা ভেঙে পড়তে লাগল, চারিদিকে বালি উড়তে লাগল আর নদীতে খুব ঢেউ হল।

দস্যুরা ভয় পেয়ে হিউএনচাঙের সঙ্গীদের জিজ্ঞাসা করল, ‘এই শ্রমণ কোথা থেকে আছেন? এর নাম কী?’ তাঁরা জবাব দিলেন, ‘ইনি একজন বিখ্যাত সাধু। চীনদেশ থেকে ধর্মের অনুসন্ধানে এসেছেন। একে হত্যা করলে আপনাদের মহাপাপ হবে। এই ঝড় আর ঢেউ দেখে দৈবরোষ বুঝতে পারছেন না? এখনো ক্ষান্ত হোন।’

দস্যরা ভয়ে হিউএনচাঙের পায়ে সমাধিস্থ থাকায় কিছু জানতে পারেন নি। পড়ল। হিউএনচাঙ কিন্তু একজন দস্যু যখন ভক্তিভরে তাঁর পাদস্পর্শ করল, তখন তিনি চোখ মেলে ধীরভাবে জিজ্ঞাসা করলেন যে সময় হয়েছে কি না।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৮)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৮)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৯)

০৯:০০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

সহসা তাঁর আনন্দপূর্ণ হৃদয়ে মনে হল যেন তিনি সুমেরু পর্বতের মত উঁচুতে উঠে প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় স্বর্গ পার হয়ে পুণ্যাত্মাদের প্রাসাদে গিয়ে দেখতে পেলেন যে, ভক্তিভাজন মৈত্রেয় অসংখ্য দেবতাদের মধ্যে এক সমুজ্জল সিংহাসনে উপবিষ্ট রয়েছেন।

এ সময়ে, তাঁকে যে বেদীর সামনে বলিদানের জন্যে দস্যরা নিয়ে এসেছে, এ জ্ঞান তাঁর ছিল না; তিনি যেন সশরীরে এক আনন্দসাগরে ভাসছিলেন। এদিকে সঙ্গীরা কান্নাকাটি করছিলেন। এমন সময় হঠাৎ এক ভীষণ ঝড় উঠল আর সেই ঝড়ে গাছপালা ভেঙে পড়তে লাগল, চারিদিকে বালি উড়তে লাগল আর নদীতে খুব ঢেউ হল।

দস্যুরা ভয় পেয়ে হিউএনচাঙের সঙ্গীদের জিজ্ঞাসা করল, ‘এই শ্রমণ কোথা থেকে আছেন? এর নাম কী?’ তাঁরা জবাব দিলেন, ‘ইনি একজন বিখ্যাত সাধু। চীনদেশ থেকে ধর্মের অনুসন্ধানে এসেছেন। একে হত্যা করলে আপনাদের মহাপাপ হবে। এই ঝড় আর ঢেউ দেখে দৈবরোষ বুঝতে পারছেন না? এখনো ক্ষান্ত হোন।’

দস্যরা ভয়ে হিউএনচাঙের পায়ে সমাধিস্থ থাকায় কিছু জানতে পারেন নি। পড়ল। হিউএনচাঙ কিন্তু একজন দস্যু যখন ভক্তিভরে তাঁর পাদস্পর্শ করল, তখন তিনি চোখ মেলে ধীরভাবে জিজ্ঞাসা করলেন যে সময় হয়েছে কি না।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৮)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৮)