০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে লেবানন যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর: মার্চ থেকে ২,৫০৯ জন নিহত, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ২০০৩-এর পর প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী, উত্তেজনা তীব্র টানা ১১তম বছরে রেকর্ড: বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২০২৫ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ২১ বছর পর গাজা ও পশ্চিম তীরে স্থানীয় নির্বাচন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন পথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এআই মামলা শুরু: মাস্ক বনাম অ্যালটম্যান আদালতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে হামলার আসামি আদালতে, ট্রাম্প প্রশাসনকে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালী আর আগের মতো থাকবে না: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘোষণা মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়েছে, আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গে চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী গুলিতে নিহত

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৯)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
  • 419

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

সহসা তাঁর আনন্দপূর্ণ হৃদয়ে মনে হল যেন তিনি সুমেরু পর্বতের মত উঁচুতে উঠে প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় স্বর্গ পার হয়ে পুণ্যাত্মাদের প্রাসাদে গিয়ে দেখতে পেলেন যে, ভক্তিভাজন মৈত্রেয় অসংখ্য দেবতাদের মধ্যে এক সমুজ্জল সিংহাসনে উপবিষ্ট রয়েছেন।

এ সময়ে, তাঁকে যে বেদীর সামনে বলিদানের জন্যে দস্যরা নিয়ে এসেছে, এ জ্ঞান তাঁর ছিল না; তিনি যেন সশরীরে এক আনন্দসাগরে ভাসছিলেন। এদিকে সঙ্গীরা কান্নাকাটি করছিলেন। এমন সময় হঠাৎ এক ভীষণ ঝড় উঠল আর সেই ঝড়ে গাছপালা ভেঙে পড়তে লাগল, চারিদিকে বালি উড়তে লাগল আর নদীতে খুব ঢেউ হল।

দস্যুরা ভয় পেয়ে হিউএনচাঙের সঙ্গীদের জিজ্ঞাসা করল, ‘এই শ্রমণ কোথা থেকে আছেন? এর নাম কী?’ তাঁরা জবাব দিলেন, ‘ইনি একজন বিখ্যাত সাধু। চীনদেশ থেকে ধর্মের অনুসন্ধানে এসেছেন। একে হত্যা করলে আপনাদের মহাপাপ হবে। এই ঝড় আর ঢেউ দেখে দৈবরোষ বুঝতে পারছেন না? এখনো ক্ষান্ত হোন।’

দস্যরা ভয়ে হিউএনচাঙের পায়ে সমাধিস্থ থাকায় কিছু জানতে পারেন নি। পড়ল। হিউএনচাঙ কিন্তু একজন দস্যু যখন ভক্তিভরে তাঁর পাদস্পর্শ করল, তখন তিনি চোখ মেলে ধীরভাবে জিজ্ঞাসা করলেন যে সময় হয়েছে কি না।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৮)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৮)

 

হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৯)

০৯:০০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

সহসা তাঁর আনন্দপূর্ণ হৃদয়ে মনে হল যেন তিনি সুমেরু পর্বতের মত উঁচুতে উঠে প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় স্বর্গ পার হয়ে পুণ্যাত্মাদের প্রাসাদে গিয়ে দেখতে পেলেন যে, ভক্তিভাজন মৈত্রেয় অসংখ্য দেবতাদের মধ্যে এক সমুজ্জল সিংহাসনে উপবিষ্ট রয়েছেন।

এ সময়ে, তাঁকে যে বেদীর সামনে বলিদানের জন্যে দস্যরা নিয়ে এসেছে, এ জ্ঞান তাঁর ছিল না; তিনি যেন সশরীরে এক আনন্দসাগরে ভাসছিলেন। এদিকে সঙ্গীরা কান্নাকাটি করছিলেন। এমন সময় হঠাৎ এক ভীষণ ঝড় উঠল আর সেই ঝড়ে গাছপালা ভেঙে পড়তে লাগল, চারিদিকে বালি উড়তে লাগল আর নদীতে খুব ঢেউ হল।

দস্যুরা ভয় পেয়ে হিউএনচাঙের সঙ্গীদের জিজ্ঞাসা করল, ‘এই শ্রমণ কোথা থেকে আছেন? এর নাম কী?’ তাঁরা জবাব দিলেন, ‘ইনি একজন বিখ্যাত সাধু। চীনদেশ থেকে ধর্মের অনুসন্ধানে এসেছেন। একে হত্যা করলে আপনাদের মহাপাপ হবে। এই ঝড় আর ঢেউ দেখে দৈবরোষ বুঝতে পারছেন না? এখনো ক্ষান্ত হোন।’

দস্যরা ভয়ে হিউএনচাঙের পায়ে সমাধিস্থ থাকায় কিছু জানতে পারেন নি। পড়ল। হিউএনচাঙ কিন্তু একজন দস্যু যখন ভক্তিভরে তাঁর পাদস্পর্শ করল, তখন তিনি চোখ মেলে ধীরভাবে জিজ্ঞাসা করলেন যে সময় হয়েছে কি না।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৮)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৮)