০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
নতুন বাস্তবতা: তেলের যুগ কি চাহিদার সীমায় পৌঁছে গেছে? ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জাবিতে মাদককাণ্ড: দুই ছাত্রীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার, একজনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ চীনের ইভি যুদ্ধে নতুন অস্ত্র: নিজস্ব স্মার্ট-ড্রাইভিং চিপে ঝুঁকছে গাড়ি নির্মাতারা নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৬ মাস পর মুখোমুখি, জি৭ সম্মেলনে পাশাপাশি আসন জি৭ সম্মেলনে রাশিয়ার ওপর আরও চাপের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে নতুন বার্তা উপজেলায় এমপিদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’, প্রতিটি উপজেলায় বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯৬)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫
  • 242

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

মৌদগল্যায়নের যোগবলে পৃথিবী কম্পমান হল, কিন্তু চাদর নড়ল না। তাই দেখে মৌদগল্যায়ন যোগবলে এক নিমেষে বুদ্ধের কাছে ফিরে গিয়ে দেখেন যে, সারিপুত্র আগেই পৌঁছে গিয়ে নির্বিবাদে বসে বসে উপদেশ শুনছেন। তখন মৌদগল্যায়ন বললেন, ‘এখন বুঝলাম যে, ঋদ্ধির (যোগবলের) চেয়ে প্রজ্ঞা বড়।’

সারিপুত্র যেখানে বসে সেলাই করছিলেন সেখানে হিউএনচাঙ একটি স্মারকস্তুপ দেখেছিলেন।

দেবদত্ত বুদ্ধকে হত্যা করবার চেষ্টা করবার জন্যে আর ‘ভিক্ষু কোকালিক’ বুদ্ধের নিন্দা করবার জন্যে আর ব্রাহ্মণ-কন্যা চণ্ডমণা বুদ্ধের নামে বৃথা কলঙ্ক দেবার চেষ্টা করবার জন্যে যেখানে যেখানে সশরীরে রসাতলে গিয়েছিলেন, সেই তিনটা গর্ত হিউএনচাঙ দেখেন।

দস্থ্য অঙ্গুলীমালা যে মানুষ খুন ক’রে তাদের আঙ্গুল দিয়ে মালা গেঁথে পরতো, আর পরে বুদ্ধের উপদেশে ভিক্ষু হয়েছিল, তার কথা আর বুদ্ধের সমসাময়িক আরো অনেক ঘটনাই হিউএনচাঙ এখানে স্মরণ করলেন। প্রত্যেক ঘটনারই স্মারকস্তূপ ছিল।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন বাস্তবতা: তেলের যুগ কি চাহিদার সীমায় পৌঁছে গেছে?

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯৬)

০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

মৌদগল্যায়নের যোগবলে পৃথিবী কম্পমান হল, কিন্তু চাদর নড়ল না। তাই দেখে মৌদগল্যায়ন যোগবলে এক নিমেষে বুদ্ধের কাছে ফিরে গিয়ে দেখেন যে, সারিপুত্র আগেই পৌঁছে গিয়ে নির্বিবাদে বসে বসে উপদেশ শুনছেন। তখন মৌদগল্যায়ন বললেন, ‘এখন বুঝলাম যে, ঋদ্ধির (যোগবলের) চেয়ে প্রজ্ঞা বড়।’

সারিপুত্র যেখানে বসে সেলাই করছিলেন সেখানে হিউএনচাঙ একটি স্মারকস্তুপ দেখেছিলেন।

দেবদত্ত বুদ্ধকে হত্যা করবার চেষ্টা করবার জন্যে আর ‘ভিক্ষু কোকালিক’ বুদ্ধের নিন্দা করবার জন্যে আর ব্রাহ্মণ-কন্যা চণ্ডমণা বুদ্ধের নামে বৃথা কলঙ্ক দেবার চেষ্টা করবার জন্যে যেখানে যেখানে সশরীরে রসাতলে গিয়েছিলেন, সেই তিনটা গর্ত হিউএনচাঙ দেখেন।

দস্থ্য অঙ্গুলীমালা যে মানুষ খুন ক’রে তাদের আঙ্গুল দিয়ে মালা গেঁথে পরতো, আর পরে বুদ্ধের উপদেশে ভিক্ষু হয়েছিল, তার কথা আর বুদ্ধের সমসাময়িক আরো অনেক ঘটনাই হিউএনচাঙ এখানে স্মরণ করলেন। প্রত্যেক ঘটনারই স্মারকস্তূপ ছিল।

(চলবে)