০৮:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
নতুন বাস্তবতা: তেলের যুগ কি চাহিদার সীমায় পৌঁছে গেছে? ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জাবিতে মাদককাণ্ড: দুই ছাত্রীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার, একজনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ চীনের ইভি যুদ্ধে নতুন অস্ত্র: নিজস্ব স্মার্ট-ড্রাইভিং চিপে ঝুঁকছে গাড়ি নির্মাতারা নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৬ মাস পর মুখোমুখি, জি৭ সম্মেলনে পাশাপাশি আসন জি৭ সম্মেলনে রাশিয়ার ওপর আরও চাপের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে নতুন বার্তা উপজেলায় এমপিদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’, প্রতিটি উপজেলায় বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৮৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৪২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
  • 535

প্রদীপ কুমার মজুমদার

গণিতসার সংগ্রহে মহাবীর বলেছেন:

“সদৃশহৃতচ্ছেদহতৌ মিথোংশহারৌ সমচ্ছিদাবংশৌ লুপ্তৈকহয়ৌ যোজ্যৌ ত্যাজ্যৌ বা ভাগজাতি বিধৌ ছেদাপর্বতকানাং লব্ধানাং চাহতৌ নিরূদ্ধ স্যাত,

হরহৃতনিরূদ্ধগুণিতে হারাংশগুণে সমো হার।”

ত্রিশতিকায় শ্রীধরাচার্য বলেছেন:

“ছেদাভ্যমজোন্যং হন্যাচ্ছেদাংশকৌ সমচ্ছিত্যৈ।”

(২) প্রভাগ: বর্তমানে এর-এর ধরণের ভগ্নাংশ দেখতে পাওয়া যায়। ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে অবশ্য এ ধরণের ভগ্নাংশ নিয়ে অনেকেই আলোচনা করেছেন। তবে তাঁরা এধরনের ভগ্নাংশকে প্রভাগ নামে অভিহিত করেছেন। প্রভাগ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য।

তাছাড়াও শ্রীধরাচার্য, মহাবীরাচার্য, দ্বিতীয় আর্যভট প্রভৃতি ভারতীয় গণিতবিদেরা দ্বিতীয় ভাস্করাচার্যের মত না হলেও ব্যাপক আলোচনা করেছেন। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য তাঁর লীলাবতীতে বলেছেন “লবালগ্নাশ্চ হরাহরস্না ভাগপ্রভাগেযু সবর্ণনংজ্ঞাৎ।” অর্থাৎ “লবের সহিত এবং হরের সহিত হরের গুণ করিতে হয় ভগ্নাংশের উপরিভাগে”।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন বাস্তবতা: তেলের যুগ কি চাহিদার সীমায় পৌঁছে গেছে?

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৮৩)

০৩:৪২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

গণিতসার সংগ্রহে মহাবীর বলেছেন:

“সদৃশহৃতচ্ছেদহতৌ মিথোংশহারৌ সমচ্ছিদাবংশৌ লুপ্তৈকহয়ৌ যোজ্যৌ ত্যাজ্যৌ বা ভাগজাতি বিধৌ ছেদাপর্বতকানাং লব্ধানাং চাহতৌ নিরূদ্ধ স্যাত,

হরহৃতনিরূদ্ধগুণিতে হারাংশগুণে সমো হার।”

ত্রিশতিকায় শ্রীধরাচার্য বলেছেন:

“ছেদাভ্যমজোন্যং হন্যাচ্ছেদাংশকৌ সমচ্ছিত্যৈ।”

(২) প্রভাগ: বর্তমানে এর-এর ধরণের ভগ্নাংশ দেখতে পাওয়া যায়। ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে অবশ্য এ ধরণের ভগ্নাংশ নিয়ে অনেকেই আলোচনা করেছেন। তবে তাঁরা এধরনের ভগ্নাংশকে প্রভাগ নামে অভিহিত করেছেন। প্রভাগ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য।

তাছাড়াও শ্রীধরাচার্য, মহাবীরাচার্য, দ্বিতীয় আর্যভট প্রভৃতি ভারতীয় গণিতবিদেরা দ্বিতীয় ভাস্করাচার্যের মত না হলেও ব্যাপক আলোচনা করেছেন। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য তাঁর লীলাবতীতে বলেছেন “লবালগ্নাশ্চ হরাহরস্না ভাগপ্রভাগেযু সবর্ণনংজ্ঞাৎ।” অর্থাৎ “লবের সহিত এবং হরের সহিত হরের গুণ করিতে হয় ভগ্নাংশের উপরিভাগে”।

(চলবে)