১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
শহরে ঢুকে পড়ছে ভালুক, বাড়ছে আতঙ্ক: মানুষের ভয় হারাচ্ছে বন্য প্রাণী হরমুজ প্রণালি খুলছে, কিন্তু তেলবাহী জাহাজে এখনো কাটেনি অনিশ্চয়তা মেসির হ্যাটট্রিক, মেসির রেকর্ড, মেসির চোখে জল চীনের যন্ত্রমানব দাপট: কেন এখন রোবট তৈরি করা প্রায় অসম্ভব চীনকে ছাড়া স্পেসএক্সের ২ ট্রিলিয়ন ডলারের উত্থান: মঙ্গল স্বপ্ন থেকে মহাকাশ সাম্রাজ্য ট্রাম্প-নেতানিয়াহু সম্পর্কে টানাপোড়েন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে অস্বস্তিতে ইসরায়েল চীনের চাপেও পিছু হটবে না নেদারল্যান্ডস, ইন্দো-প্যাসিফিকে সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা ডিজিটাল চুক্তির যুগে ট্রাম্প-ইরান সমঝোতা: শান্তির পথে অগ্রগতি নাকি অনিশ্চয়তার নতুন ফাঁদ? জন্মেছেন এমপি সাহেব ১৯৮১ সালে, অথচ পিতা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ! নিরীক্ষার খাঁচায় বিশ্ববিদ্যালয়: উৎকর্ষের নামে বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতার সংকট

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭১)

রক্ত দেওয়ার প্রথা

মায়া, আজতেক এবং ইনকা সভ্যতার একটি সাধারণ মিল দেখা যায় সাধারণত মানুষের দেহ থেকে রক্ত দেওয়ার প্রথার মধ্যে। এই রক্ত দেবার পেছনে যে মানসিকতা কাজ করে তা প্রধানত লোকবিশ্বাস এবং বিশেষ করে জাদুবিদ্যার প্রতি বিশ্বাস থেকে।

এই তিন সভ্যতার মানুষ কোনো ধারাল অস্ত্র দিয়ে নিজেদের বুক, জিভ, কান চিরে তাজা রক্ত বের করে এবং নিজেদের পছন্দ মতো দেবতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করে।

এসব ক্ষেত্রে মূল বিশ্বাস হল এর ফলে সূর্য দেবতা, জলের দেবতা মৃত্যুর দেবতা, রোগভোগের দেবতা, উর্বরতার দেবী, বৃষ্টির দেবী যে উৎসর্গ করে তার উপরে সন্তুষ্ট হয় এবং এর ফলে মানুষের জীবন মঙ্গলময় হয়।

এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার যে ইনকা ও আজতেক সমাজে এই দেবদেবীর নাম ভিন্ন হয়। কিন্তু মূল কথা হল এই উভয় সমাজে প্রকৃতির নানা বিপদ এবং প্রাণীদের নিয়ে ধর্মীয় বিশ্বাস আছে।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

শহরে ঢুকে পড়ছে ভালুক, বাড়ছে আতঙ্ক: মানুষের ভয় হারাচ্ছে বন্য প্রাণী

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭১)

০৭:০০:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

রক্ত দেওয়ার প্রথা

মায়া, আজতেক এবং ইনকা সভ্যতার একটি সাধারণ মিল দেখা যায় সাধারণত মানুষের দেহ থেকে রক্ত দেওয়ার প্রথার মধ্যে। এই রক্ত দেবার পেছনে যে মানসিকতা কাজ করে তা প্রধানত লোকবিশ্বাস এবং বিশেষ করে জাদুবিদ্যার প্রতি বিশ্বাস থেকে।

এই তিন সভ্যতার মানুষ কোনো ধারাল অস্ত্র দিয়ে নিজেদের বুক, জিভ, কান চিরে তাজা রক্ত বের করে এবং নিজেদের পছন্দ মতো দেবতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করে।

এসব ক্ষেত্রে মূল বিশ্বাস হল এর ফলে সূর্য দেবতা, জলের দেবতা মৃত্যুর দেবতা, রোগভোগের দেবতা, উর্বরতার দেবী, বৃষ্টির দেবী যে উৎসর্গ করে তার উপরে সন্তুষ্ট হয় এবং এর ফলে মানুষের জীবন মঙ্গলময় হয়।

এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার যে ইনকা ও আজতেক সমাজে এই দেবদেবীর নাম ভিন্ন হয়। কিন্তু মূল কথা হল এই উভয় সমাজে প্রকৃতির নানা বিপদ এবং প্রাণীদের নিয়ে ধর্মীয় বিশ্বাস আছে।

(চলবে)