০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

কর্মচারীদের প্রতিবাদের মাঝেই ‘সরকারি চাকরির অধ্যাদেশ’ জারি

  • Sarakhon Report
  • ০২:৫৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫
  • 173

সচিবালয়ে কর্মচারীদের আন্দোলনের মধ্যেই ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছে সরকার৷ রোববার সন্ধ্যায় এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়৷

গণপূর্ত উপদেষ্টার দপ্তর ঘেরাওয়ের সময় বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব সচিব মো. নজরুল ইসলাম মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা করছিলেন৷ কর্মচারীরা উপদেষ্টার দপ্তর ঘেরাও করায় তিনি সভাকক্ষে থেকে বেরিয়ে এসে কর্মচারী নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন৷ এসময় কয়েকজনকে নজরুল ইসলামের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়াতে দেখা যায়৷

সমাবেশে সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবীর বলেন, ‘‘আমাদের সঙ্গে আলোচনা না করে নতুন অধ্যাদেশ করা হচ্ছে৷ এধরনেরনিবর্তনমূলক আইন আমরা মানব না৷ উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন হওয়া অধ্যাদেশের খসড়া সম্পূর্ণ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চলবে৷’’

যাবলছেনবিশ্লেষকেরা?

রোববার অনুষ্ঠিত হওয়া কর্মচারীদের প্রতিবাদকে স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন সাবেক সচিব আবু আলম মো. শহীদ খান৷ সাবেক এই আমলা ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘মাথা ব্যথা হলে তো ওষুধ খাবেন, মাথা তো কেটে ফেলবেন না৷’’

শহীদ খান বলেন, সরকারি কর্মচারীরা কীভাবে তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালিত করবেন সে বিষয়ে তো আমাদের অনেক আইন আছে৷ সেসবের আলোকেই তো তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়৷ ১৯৭৯ সালের একটি অধ্যাদেশ রহিত হলেও এখন সেটিকে কার্যকর করা অনুচিত৷ এই সরকারের অঙ্গীকার হলো গণতন্ত্র ও আইনের শাসন ফিরিয়ে আনা৷ যেসব আইনে মানবিক অধিকার লঙ্ঘিত হয় সেগুলো বাতিল করবে৷’’

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব ফিরোজ মিয়া ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আগের অধ্যাদেশ ৪০ বছর চালু ছিল৷ বাস্তবতা হলো নিরীহ কিছু কর্মচারীর চাকরি যাওয়া ছাড়া কোনো দলবাজ নেতা এবং রাজনৈতিক সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট কোনো নেতা বা কর্মচারীরা চাকরি যায়নি৷ এটা নিয়ে সাধারণ ও নিরীহ কর্মচারীদের মধ্যে ভয় এটা তাদের ওপর প্রয়োগ হবে৷ এ জন্য তারা অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে ভীত ও সংক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন৷’’

ডয়চে ভেলে – DW

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

কর্মচারীদের প্রতিবাদের মাঝেই ‘সরকারি চাকরির অধ্যাদেশ’ জারি

০২:৫৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

সচিবালয়ে কর্মচারীদের আন্দোলনের মধ্যেই ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছে সরকার৷ রোববার সন্ধ্যায় এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়৷

গণপূর্ত উপদেষ্টার দপ্তর ঘেরাওয়ের সময় বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব সচিব মো. নজরুল ইসলাম মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা করছিলেন৷ কর্মচারীরা উপদেষ্টার দপ্তর ঘেরাও করায় তিনি সভাকক্ষে থেকে বেরিয়ে এসে কর্মচারী নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন৷ এসময় কয়েকজনকে নজরুল ইসলামের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়াতে দেখা যায়৷

সমাবেশে সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবীর বলেন, ‘‘আমাদের সঙ্গে আলোচনা না করে নতুন অধ্যাদেশ করা হচ্ছে৷ এধরনেরনিবর্তনমূলক আইন আমরা মানব না৷ উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন হওয়া অধ্যাদেশের খসড়া সম্পূর্ণ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চলবে৷’’

যাবলছেনবিশ্লেষকেরা?

রোববার অনুষ্ঠিত হওয়া কর্মচারীদের প্রতিবাদকে স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন সাবেক সচিব আবু আলম মো. শহীদ খান৷ সাবেক এই আমলা ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘মাথা ব্যথা হলে তো ওষুধ খাবেন, মাথা তো কেটে ফেলবেন না৷’’

শহীদ খান বলেন, সরকারি কর্মচারীরা কীভাবে তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালিত করবেন সে বিষয়ে তো আমাদের অনেক আইন আছে৷ সেসবের আলোকেই তো তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়৷ ১৯৭৯ সালের একটি অধ্যাদেশ রহিত হলেও এখন সেটিকে কার্যকর করা অনুচিত৷ এই সরকারের অঙ্গীকার হলো গণতন্ত্র ও আইনের শাসন ফিরিয়ে আনা৷ যেসব আইনে মানবিক অধিকার লঙ্ঘিত হয় সেগুলো বাতিল করবে৷’’

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব ফিরোজ মিয়া ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আগের অধ্যাদেশ ৪০ বছর চালু ছিল৷ বাস্তবতা হলো নিরীহ কিছু কর্মচারীর চাকরি যাওয়া ছাড়া কোনো দলবাজ নেতা এবং রাজনৈতিক সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট কোনো নেতা বা কর্মচারীরা চাকরি যায়নি৷ এটা নিয়ে সাধারণ ও নিরীহ কর্মচারীদের মধ্যে ভয় এটা তাদের ওপর প্রয়োগ হবে৷ এ জন্য তারা অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে ভীত ও সংক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন৷’’

ডয়চে ভেলে – DW