০৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ: প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ আকর্ষণীয় সুবিধা, আবেদন চলবে ৫ মে পর্যন্ত ঢাকার বাতাসে আবার দূষণের ছোবল, বৃষ্টির স্বস্তি মিলিয়ে গেল দ্রুত নীলফামারীতে শিয়ালের হামলা: মাঠে কাজ করতে গিয়ে বৃদ্ধসহ আহত ৭, আতঙ্কে গ্রামবাসী হাওরে ত্রিমুখী সংকট: পানি, ঝড় আর শ্রমিকের চাপে ধান হারানোর শঙ্কায় কৃষক খালি পেটে ৪ ঘরোয়া পানীয়, ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহজ অভ্যাস বিশ্বকাপের আগে দুঃসংবাদ: অস্ত্রোপচারের টেবিলে মদ্রিচ, অনিশ্চয়তায় ক্রোয়েশিয়ার পরিকল্পনা রূপপুরে ইউরেনিয়াম লোডিং শুরু, পারমাণবিক যুগে বাংলাদেশের বড় পদক্ষেপ গার্হস্থ্য নির্যাতনের শিকারদের আত্মহত্যা বাড়ছে, উদ্বেগে বিশেষজ্ঞরা তনু হত্যা মামলায় নতুন মোড়, দেশত্যাগের গুঞ্জনে যা বললেন ডা. কামদা প্রসাদ ইরানের প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প, শান্তি আলোচনা অনিশ্চয়তায়

হিউএনচাঙ (পর্ব-১০৬)

নালন্দা

আমাদের কিছু সৌভাগ্যবশতঃ চৈনিক পরিব্রাজকরা মুসলমান আক্রমণের প্রায় অব্যবহিত পূর্বে ভারতে এসে ভারতীয় সভ্যতার কিছু কিছু বিবরণ দিয়ে গিয়েছেন। তা না হলে নালন্দার মত একটা আশ্চর্য বিশ্ববিদ্যালয় সম্বন্ধে আমরা বস্তুত কিছুই জানতে পারতাম না।

হিউএনচাঙ এযাত্রা এখানে প্রায় দেড় বছর কাটিয়েছিলেন। তার পর পূর্ব ও দক্ষিণ ভারত ভ্রমণের শেষে আবার আট নয় মাস এখানে ছিলেন। তিনি নালন্দা সম্বন্ধে যা বলেছেন, বৌদ্ধপৌরাণিক কাহিনীগুলি বাদ দিয়ে তার প্রায় সমস্তটাই সংকলন করে দিলাম।

হিউএনচাঙ বলেন, বুদ্ধের পরিনির্বাণের অল্প কিছুদিন পরে শত্রুাদিত্য নামক এক বৌদ্ধ রাজা এখানে প্রথম সঙ্ঘারাম তৈয়ারি করেন। তার পর গুপ্তবংশীয় চারজন সম্রাট-বুদ্ধগুপ্ত, তথাগতগুপ্ত, বালাদিত্য ও বজ্র, আর চারটি সঙ্ঘারাম তৈয়ারী করে দিয়েছেন।

তা ছাড়া মধ্য ভারতের এক রাজাও এখানে এক প্রকাণ্ড সঙ্ঘারাম তৈয়ারী করেছেন। এ ছয়টি সঙ্ঘারামের সমস্ত সৌধগুলি ঘিরে একটা খুব উঁচু ইঁটের প্রাচীর তৈয়ারী হয়েছে। ঢুকবার জন্যে কেবল একটি তোরণ আছে।

এত রাজা এখানে এত সৌধ নির্মাণ করেছেন যে এখন এ জায়গাটা একটা অদ্ভুত দৃশ্য, আর এখানকার ভাস্কর্য সত্যই অপরূপ। এখানে হাজার হাজার ভিক্ষু আছেন। এরা সকলেই অসাধারণ জ্ঞানী আর গুণবান। শত শত পণ্ডিত আছেন যাঁদের যশ বহু দূরদেশ পর্যন্ত ছড়িয়ে গিয়েছে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১০৫)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১০৫)

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ: প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ আকর্ষণীয় সুবিধা, আবেদন চলবে ৫ মে পর্যন্ত

হিউএনচাঙ (পর্ব-১০৬)

০৯:০০:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

নালন্দা

আমাদের কিছু সৌভাগ্যবশতঃ চৈনিক পরিব্রাজকরা মুসলমান আক্রমণের প্রায় অব্যবহিত পূর্বে ভারতে এসে ভারতীয় সভ্যতার কিছু কিছু বিবরণ দিয়ে গিয়েছেন। তা না হলে নালন্দার মত একটা আশ্চর্য বিশ্ববিদ্যালয় সম্বন্ধে আমরা বস্তুত কিছুই জানতে পারতাম না।

হিউএনচাঙ এযাত্রা এখানে প্রায় দেড় বছর কাটিয়েছিলেন। তার পর পূর্ব ও দক্ষিণ ভারত ভ্রমণের শেষে আবার আট নয় মাস এখানে ছিলেন। তিনি নালন্দা সম্বন্ধে যা বলেছেন, বৌদ্ধপৌরাণিক কাহিনীগুলি বাদ দিয়ে তার প্রায় সমস্তটাই সংকলন করে দিলাম।

হিউএনচাঙ বলেন, বুদ্ধের পরিনির্বাণের অল্প কিছুদিন পরে শত্রুাদিত্য নামক এক বৌদ্ধ রাজা এখানে প্রথম সঙ্ঘারাম তৈয়ারি করেন। তার পর গুপ্তবংশীয় চারজন সম্রাট-বুদ্ধগুপ্ত, তথাগতগুপ্ত, বালাদিত্য ও বজ্র, আর চারটি সঙ্ঘারাম তৈয়ারী করে দিয়েছেন।

তা ছাড়া মধ্য ভারতের এক রাজাও এখানে এক প্রকাণ্ড সঙ্ঘারাম তৈয়ারী করেছেন। এ ছয়টি সঙ্ঘারামের সমস্ত সৌধগুলি ঘিরে একটা খুব উঁচু ইঁটের প্রাচীর তৈয়ারী হয়েছে। ঢুকবার জন্যে কেবল একটি তোরণ আছে।

এত রাজা এখানে এত সৌধ নির্মাণ করেছেন যে এখন এ জায়গাটা একটা অদ্ভুত দৃশ্য, আর এখানকার ভাস্কর্য সত্যই অপরূপ। এখানে হাজার হাজার ভিক্ষু আছেন। এরা সকলেই অসাধারণ জ্ঞানী আর গুণবান। শত শত পণ্ডিত আছেন যাঁদের যশ বহু দূরদেশ পর্যন্ত ছড়িয়ে গিয়েছে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১০৫)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১০৫)