০৬:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অদৃশ্য মূল্য: পূর্ব এশিয়ার মানুষ কি প্রযুক্তি বিপ্লবের স্বাস্থ্যখরচ বহন করছে? নিয়ন্ত্রণের সীমা: ইরান যুদ্ধ কেন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সতর্কবার্তা নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু বিশ্বব্যাংকের প্রকল্পে ‘চাঁদা’ বিতর্ক: মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি, ছুঁইছুঁই সর্বকালের রেকর্ড কুমিল্লায় দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত সুপারভাইজার, চালকরা পালিয়েছেন নন্দিনী হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি, ফলিমারী গ্রামের আতঙ্ক দূরের আহ্বান রাজশাহী মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে চুরির সন্দেহে পিটিয়ে যুবক হত্যা, আটক ৩ হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, দেশে মোট মৃত্যু ৬৭০ ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় জ্বালানি সংকট, পর্যটন মৌসুমে বড় ধাক্কা

হিউএনচাঙ (পর্ব-১১৫)

বুদ্ধভদ্র তাই শুনে উচ্চৈঃস্বরে ক্রন্দন করে উঠলেন। তার পর শান্ত হয়ে বললেন, ‘উপাধ্যায় কুড়ি বছরেরও বেশী শূলবেদনায় কষ্ট পেয়েছিলেন। তিন বছর আগে একবার যন্ত্রণা এরকম অসহ্য হয়েছিল যে, তিনি নিজের মৃত্যু ইচ্ছা করেন।

এই সময়ে, তিনি এক রাত্রে স্বপ্ন দেখেন যেন তিন জন দেবতা তাঁর কাছে আবির্ভূত। তাঁদের শরীর সুদর্শন, মুখ মহিমামণ্ডিত আর পরিধানে সুক্ষ্ম উজ্জ্বল বসন। এই তিনজন ছিলেন মঞ্জুশ্রী, অবলোকিতেশ্বর, আর মৈত্রেয়।

এঁরা আবির্ভূত হয়ে তাঁকে আদেশ দিলেন যে, সূত্র ও শাস্ত্র অধ্যাপনা করবার জন্যে তাঁকে বেঁচে থাকতে হবে। আর চীনদেশের একজন ভিক্ষু তাঁর কাছে অধ্যয়ন করতে চান, তাঁকে অধ্যাপনা করতে হবে। সেই থেকে উপাধ্যায়ের ঐ রোগ আর হয় নি।’

ধর্মগুরু এই কাহিনী শুনে আনন্দ রোধ করতে পারলেন না। তিনি আবার প্রণাম করে বললেন, ‘তাই যদি হয় তা হলে আমার উচিত আমার যতদূর সাধ্য আপনার উপদেশ ও আজ্ঞার অনুবর্তী হয়ে চলা। গুরুদেব করুণা করে আমাকে শিষ্যরূপে গ্রহণ করুন।’

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অদৃশ্য মূল্য: পূর্ব এশিয়ার মানুষ কি প্রযুক্তি বিপ্লবের স্বাস্থ্যখরচ বহন করছে?

হিউএনচাঙ (পর্ব-১১৫)

০৯:০০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫

বুদ্ধভদ্র তাই শুনে উচ্চৈঃস্বরে ক্রন্দন করে উঠলেন। তার পর শান্ত হয়ে বললেন, ‘উপাধ্যায় কুড়ি বছরেরও বেশী শূলবেদনায় কষ্ট পেয়েছিলেন। তিন বছর আগে একবার যন্ত্রণা এরকম অসহ্য হয়েছিল যে, তিনি নিজের মৃত্যু ইচ্ছা করেন।

এই সময়ে, তিনি এক রাত্রে স্বপ্ন দেখেন যেন তিন জন দেবতা তাঁর কাছে আবির্ভূত। তাঁদের শরীর সুদর্শন, মুখ মহিমামণ্ডিত আর পরিধানে সুক্ষ্ম উজ্জ্বল বসন। এই তিনজন ছিলেন মঞ্জুশ্রী, অবলোকিতেশ্বর, আর মৈত্রেয়।

এঁরা আবির্ভূত হয়ে তাঁকে আদেশ দিলেন যে, সূত্র ও শাস্ত্র অধ্যাপনা করবার জন্যে তাঁকে বেঁচে থাকতে হবে। আর চীনদেশের একজন ভিক্ষু তাঁর কাছে অধ্যয়ন করতে চান, তাঁকে অধ্যাপনা করতে হবে। সেই থেকে উপাধ্যায়ের ঐ রোগ আর হয় নি।’

ধর্মগুরু এই কাহিনী শুনে আনন্দ রোধ করতে পারলেন না। তিনি আবার প্রণাম করে বললেন, ‘তাই যদি হয় তা হলে আমার উচিত আমার যতদূর সাধ্য আপনার উপদেশ ও আজ্ঞার অনুবর্তী হয়ে চলা। গুরুদেব করুণা করে আমাকে শিষ্যরূপে গ্রহণ করুন।’

(চলবে)