০৪:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্যচুক্তি দেশের স্বার্থবিরোধী ছিল: নুরুল হক ফরিদপুরে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার, মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ আফ্রিকার বৃহত্তম জ্বালানি প্রকল্পের কাজ শুরু, নাইজেরিয়ার গ্যাস যাবে আলজেরিয়া হয়ে বিশ্ববাজারে গ্যারি সোবার্স: ইয়র্কশায়ারে তাঁর সঙ্গে খেলেছি, তিনিই ছিলেন সর্বকালের সেরা তাজমহল এককালে মন্দির ছিল বলে আবার দাবি; কী বলছে ইতিহাস? শেখ হাসিনার দেশে ফেরা : ‘ঘোষণা’ কম, ‘জল মাপা’ই বেশি? চীনের পুরুষ অসন্তোষ ও বিবাহ সংকট: অনলাইন ক্ষোভের পেছনে যে বাস্তবতা ভারতে আকাশ থেকে নেমে আসা বিপদ, গাছ থেকে অবকাঠামো ধসে বাড়ছে প্রাণহানি আধুনিক পরিবারের অন্ধকার কাহিনি নিয়ে নতুন নাটক, মঞ্চে গ্রিক ট্র্যাজেডির পুনর্জন্ম উত্তর দিকেও ছড়াচ্ছে দাবানল, শহর ও জনপদে বাড়ছে আগুনের ভয়

নতুন বাজেট : নতুনত্ব তেমন কিছু নেই

২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপিত হয়েছে একটি বিশেষ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে। নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এবং অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদের তত্ত্বাবধানে এই বাজেট প্রণীত হয়েছে। বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় কিছুটা কম। এই বাজেটকে ‘ব্যতিক্রমী’ বলা হলেও, বাস্তবে সাধারণ মানুষের জীবনে এর প্রভাব কতটা ইতিবাচক হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বাজেট উপস্থাপনকালে বলেন, ‘২০১৫ সালের পর থেকে কোনো নতুন বেতন কাঠামো প্রবর্তন করা হয়নি, তাই আমি সরকারি কর্মচারীদের জন্য বিশেষ ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব করছি।‘ তবে এই ভাতা বৃদ্ধির পরিমাণ নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি।
বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৪১ হাজার ২০০ কোটি টাকা, যার মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। এই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য অর্জন নিয়ে সংশয় রয়েছে, কারণ বিগত বছরগুলোতে রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি।
বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। এই ঘাটতি পূরণে ১ লাখ ১৭ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এবং ১ লাখ ৯ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক উৎস থেকে সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।
বাজেটে কিছু ইতিবাচক দিকও রয়েছে, যেমন আয়কর রেহাই সীমা বাড়ানো হয়েছে। ব্যক্তিগত করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৩.৫ লাখ টাকা করা হয়েছে, প্রবীণদের জন্য ৪.৫ লাখ, এবং ৭৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য ৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে মূল্যস্ফীতি ও ব্যয় বৃদ্ধির তুলনায় এই ছাড় কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
বাজেটে কিছু পণ্যের ওপর ভ্যাট ও শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে, যার ফলে সাধারণ ভোক্তাদের ব্যয় বাড়বে। যেমন, প্লাস্টিকের বাসনপত্র, ব্যাটারি চালিত রিকশা, এবং অনলাইন কেনাকাটার ওপর ভ্যাট বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া, ওটিটি (OTT) প্ল্যাটফর্মের ওপর ১০% সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, যা স্ট্রিমিং সেবার খরচ বাড়াবে।
বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে কিছু বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। যেমন, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ১২৫ কোটি টাকা এবং নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ১০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ ফান্ড প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এই বরাদ্দের বাস্তবায়ন ও কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে ৪১,৯০৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে। তবে প্রাথমিক শিক্ষায় বরাদ্দ কমানো হয়েছে, যা ভবিষ্যতে মানবসম্পদ উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বাজেটে নির্বাচন কমিশনের জন্য ২,৯৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। এটি আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
বাজেটে চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের জন্য ১,৩৬২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এটি ওই অঞ্চলের উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে, তবে বাস্তবায়নের কার্যকারিতা গুরুত্বপূর্ণ।
বাজেটে কৃষি খাতে ভর্তুকি কমানো হয়েছে, যা কৃষকদের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে ভর্তুকি কমানো হয়েছে, যা সাধারণ ভোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
বাজেটে কিছু ইতিবাচক উদ্যোগও রয়েছে, যেমন ৪৮ জেলায় তরুণদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ এবং আইটি খাতে দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প। তবে এসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করা জরুরি।
বাজেটে কিছু পণ্যের ওপর কর ছাড় দেওয়া হয়েছে, যেমন কৃষি থেকে আয় ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত রাখা হয়েছে। এটি কৃষকদের জন্য স্বস্তির বার্তা হতে পারে।
বাজেটে কিছু পণ্যের দাম বাড়বে, যেমন প্লাস্টিকের পণ্য, ব্যাটারি চালিত রিকশা, এবং অনলাইন কেনাকাটার খরচ। এছাড়া, ওটিটি সেবার খরচও বাড়বে।
বাজেটে কিছু পণ্যের দাম কমবে, যেমন চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। এটি স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।
বাজেটে কিছু নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেমন ‘জুলাই যোদ্ধা’দের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৫.২৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা হতে পারে।
বাজেটে কিছু খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে, যে বাজেটে কিছু নতুন কর আরোপ করা হয়েছে, যেমন ওটিটি সেবার ওপর ১০% সম্পূরক শুল্ক। এটি সাধারণ ভোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
বাজেটে কিছু কর ছাড় দেওয়া হয়েছে, যেমন কৃষি থেকে আয় ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত রাখা হয়েছে। এটি কৃষকদের জন্য স্বস্তির বার্তা হতে পারে।
বাজেটে কিছু নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেমন ‘জুলাই যোদ্ধা’দের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৫.২৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা হতে পারে।
বাজেটে কিছু খাতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে, যেমন প্রাথমিক শিক্ষায় বরাদ্দ কমানো হয়েছে ৩,৪১৬ কোটি টাকা। এটি ভবিষ্যতে মানবসম্পদ উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বাজেটে কিছু খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে, যেমন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় বরাদ্দ ৪৭,৫৬৩ কোটি টাকা। এটি শিক্ষার মান উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে। তবে সামান্য বরাদ্দ বাড়িয়ে শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে তা কতটুকু দূর করা যাবে, সে প্রশ্ন থাকবেই।
বাজেটে কিছু নতুন কর আরোপ করা হয়েছে, যেমন ওটিটি সেবার ওপর ১০% সম্পূরক শুল্ক। এটি সাধারণ ভোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
বাজেটে কিছু কর ছাড় দেওয়া হয়েছে, যেমন কৃষি থেকে আয় ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত রাখা হয়েছে। এটি কৃষকদের জন্য কিছুটা স্বস্তির কারণ হতে পারে।
জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্যচুক্তি দেশের স্বার্থবিরোধী ছিল: নুরুল হক

নতুন বাজেট : নতুনত্ব তেমন কিছু নেই

০৮:০০:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫
২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপিত হয়েছে একটি বিশেষ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে। নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এবং অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদের তত্ত্বাবধানে এই বাজেট প্রণীত হয়েছে। বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় কিছুটা কম। এই বাজেটকে ‘ব্যতিক্রমী’ বলা হলেও, বাস্তবে সাধারণ মানুষের জীবনে এর প্রভাব কতটা ইতিবাচক হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বাজেট উপস্থাপনকালে বলেন, ‘২০১৫ সালের পর থেকে কোনো নতুন বেতন কাঠামো প্রবর্তন করা হয়নি, তাই আমি সরকারি কর্মচারীদের জন্য বিশেষ ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব করছি।‘ তবে এই ভাতা বৃদ্ধির পরিমাণ নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি।
বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৪১ হাজার ২০০ কোটি টাকা, যার মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। এই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য অর্জন নিয়ে সংশয় রয়েছে, কারণ বিগত বছরগুলোতে রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি।
বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। এই ঘাটতি পূরণে ১ লাখ ১৭ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এবং ১ লাখ ৯ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক উৎস থেকে সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।
বাজেটে কিছু ইতিবাচক দিকও রয়েছে, যেমন আয়কর রেহাই সীমা বাড়ানো হয়েছে। ব্যক্তিগত করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৩.৫ লাখ টাকা করা হয়েছে, প্রবীণদের জন্য ৪.৫ লাখ, এবং ৭৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য ৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে মূল্যস্ফীতি ও ব্যয় বৃদ্ধির তুলনায় এই ছাড় কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
বাজেটে কিছু পণ্যের ওপর ভ্যাট ও শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে, যার ফলে সাধারণ ভোক্তাদের ব্যয় বাড়বে। যেমন, প্লাস্টিকের বাসনপত্র, ব্যাটারি চালিত রিকশা, এবং অনলাইন কেনাকাটার ওপর ভ্যাট বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া, ওটিটি (OTT) প্ল্যাটফর্মের ওপর ১০% সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, যা স্ট্রিমিং সেবার খরচ বাড়াবে।
বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে কিছু বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। যেমন, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ১২৫ কোটি টাকা এবং নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ১০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ ফান্ড প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এই বরাদ্দের বাস্তবায়ন ও কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে ৪১,৯০৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে। তবে প্রাথমিক শিক্ষায় বরাদ্দ কমানো হয়েছে, যা ভবিষ্যতে মানবসম্পদ উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বাজেটে নির্বাচন কমিশনের জন্য ২,৯৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। এটি আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
বাজেটে চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের জন্য ১,৩৬২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এটি ওই অঞ্চলের উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে, তবে বাস্তবায়নের কার্যকারিতা গুরুত্বপূর্ণ।
বাজেটে কৃষি খাতে ভর্তুকি কমানো হয়েছে, যা কৃষকদের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে ভর্তুকি কমানো হয়েছে, যা সাধারণ ভোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
বাজেটে কিছু ইতিবাচক উদ্যোগও রয়েছে, যেমন ৪৮ জেলায় তরুণদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ এবং আইটি খাতে দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প। তবে এসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করা জরুরি।
বাজেটে কিছু পণ্যের ওপর কর ছাড় দেওয়া হয়েছে, যেমন কৃষি থেকে আয় ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত রাখা হয়েছে। এটি কৃষকদের জন্য স্বস্তির বার্তা হতে পারে।
বাজেটে কিছু পণ্যের দাম বাড়বে, যেমন প্লাস্টিকের পণ্য, ব্যাটারি চালিত রিকশা, এবং অনলাইন কেনাকাটার খরচ। এছাড়া, ওটিটি সেবার খরচও বাড়বে।
বাজেটে কিছু পণ্যের দাম কমবে, যেমন চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। এটি স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।
বাজেটে কিছু নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেমন ‘জুলাই যোদ্ধা’দের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৫.২৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা হতে পারে।
বাজেটে কিছু খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে, যে বাজেটে কিছু নতুন কর আরোপ করা হয়েছে, যেমন ওটিটি সেবার ওপর ১০% সম্পূরক শুল্ক। এটি সাধারণ ভোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
বাজেটে কিছু কর ছাড় দেওয়া হয়েছে, যেমন কৃষি থেকে আয় ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত রাখা হয়েছে। এটি কৃষকদের জন্য স্বস্তির বার্তা হতে পারে।
বাজেটে কিছু নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেমন ‘জুলাই যোদ্ধা’দের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৫.২৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা হতে পারে।
বাজেটে কিছু খাতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে, যেমন প্রাথমিক শিক্ষায় বরাদ্দ কমানো হয়েছে ৩,৪১৬ কোটি টাকা। এটি ভবিষ্যতে মানবসম্পদ উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বাজেটে কিছু খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে, যেমন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় বরাদ্দ ৪৭,৫৬৩ কোটি টাকা। এটি শিক্ষার মান উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে। তবে সামান্য বরাদ্দ বাড়িয়ে শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে তা কতটুকু দূর করা যাবে, সে প্রশ্ন থাকবেই।
বাজেটে কিছু নতুন কর আরোপ করা হয়েছে, যেমন ওটিটি সেবার ওপর ১০% সম্পূরক শুল্ক। এটি সাধারণ ভোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
বাজেটে কিছু কর ছাড় দেওয়া হয়েছে, যেমন কৃষি থেকে আয় ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত রাখা হয়েছে। এটি কৃষকদের জন্য কিছুটা স্বস্তির কারণ হতে পারে।