০৫:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে ঝুঁকছে জেএলআর, চীনের ধীরগতির বাজারে নতুন কৌশল যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বহু হতাহত, জটিল হচ্ছে শান্তি আলোচনা বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা, সড়ক অবরোধ সরাতে সেনা ও বুলডোজার মোতায়েন হরমুজ প্রণালি বন্ধ, সুইজারল্যান্ডে আজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ৩, আহত ২২, যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই বাড়ছে উত্তেজনা মালয়েশিয়ায় পরিবারের জন্য নতুন এমপিভি, স্টারগেজারের দাম শুরু প্রায় ৯৯ হাজার রিঙ্গিত চট্টগ্রামে নিরাপদ খাদ্য আদালতের অভিযান জোরদারের দাবি, ভ্রাম্যমান আদালত বাড়ানোর আহ্বান হাইলাইট: হাকিমপুরে সামান্য বৃষ্টিতেই বেহাল সড়ক, দুই গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ সময়ের দূরত্বে পিতাকে নতুন করে আবিষ্কার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা যথেষ্ট নয়, দরকার পেশাগত ন্যায়বিচারের কাঠামো

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১)

অগ্রণী স্কুল ও কলেজ

একনিষ্ঠ থাকলে কীভাবে শূন্য থেকে প্রতিষ্ঠান। গড়ে তোলা যায়, তার উদাহরণ ডা. কাজী আনোয়ারা মনসুর ও অগ্রণী স্কুল ও কলেজ। কাজী আনোয়ারা মনসুর, ইউরোপের মার্গারেট ব্রাডলি ও আমেরিকার রানি শর্টার ১৯৫৪ সাল থেকে ঢাকার উইমেন্স ভলানটারি এসোসিয়েশনে কাজ করতেন। তাঁরা ছিলেন বন্ধু।

একেবারে গরিব পরিবারের শিক্ষা দেওয়ার জন্য এক সময়ে দৈনিক আজাদ অফিসের পাশে এক গলিতে ‘স্কুল’ এর কাজ শুরু করেন। গলির নাম নূর ফাতাহ লেন, বাড়ির নাম ‘ফ্রেন্ডস সেন্টার’। ‘স্কুল’ বৃদ্ধি পেলে তৎকালীন গণপূর্তের চিফ ইঞ্জিনিয়ারি এস এ জব্বারের প্রণোদনায় আজিমপুর এস্টেটে লেডিজ পার্কের জমিতে স্থাপন করলেন আজিমপুর কিন্ডারগার্টেন।

অগ্রণী স্কুলের প্রাথমিক অবস্থায় মুষ্টিমেয় শিক্ষিকাদের সাথে মিসেস মনসুর, ১৯৬০

২০ টাকা দিয়ে প্রকৌশলী রফিকুদ্দিন আহমদের কাছ থেকে দু’টি তাঁবু ও পাশে একটি বেড়ার ঘর নিয়ে স্কুলের কাজ শুরু করেন আনোয়ারা মনসুর। শিক্ষিকা কয়েকজন- নইমুন্নেসা চৌধুরী, রাবেয়া খাতুন, জোবেদা খাতুন, আমেনা কাহার ও হোসনে আরা বেগম।

প্রধান শিক্ষিকা আনোয়ারা মনসুর। ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ১৪ জন। ২১ জানুয়ারি ১৯৫৭ সালে স্কুলের যাত্রা শুরু। তারপর এই স্কুল হলো প্রাইমারি, এরপর জুনিয়র স্কুলে। তাবু পরিবর্তিত হলো টিনের ঘরে। পরিণত হলো বালিকা বিদ্যালয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদল হলো স্কুলের কাঠামো। বাংলা ভাষা পাঠদানের মাধ্যম হলো। ১৯৬৬ সালে এর নামকরণ করেন স্কুলের শিক্ষিকা রোকেয়া মান্নান। নতুন নাম আজিমপুর অগ্রণী বালিকা বিদ্যালয়, ১৯৬৮ সালে স্কুলের ছাত্রীরা প্রথম মাধ্যমিক পরীক্ষা দেয়।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে ঝুঁকছে জেএলআর, চীনের ধীরগতির বাজারে নতুন কৌশল

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১)

০৭:০০:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫

অগ্রণী স্কুল ও কলেজ

একনিষ্ঠ থাকলে কীভাবে শূন্য থেকে প্রতিষ্ঠান। গড়ে তোলা যায়, তার উদাহরণ ডা. কাজী আনোয়ারা মনসুর ও অগ্রণী স্কুল ও কলেজ। কাজী আনোয়ারা মনসুর, ইউরোপের মার্গারেট ব্রাডলি ও আমেরিকার রানি শর্টার ১৯৫৪ সাল থেকে ঢাকার উইমেন্স ভলানটারি এসোসিয়েশনে কাজ করতেন। তাঁরা ছিলেন বন্ধু।

একেবারে গরিব পরিবারের শিক্ষা দেওয়ার জন্য এক সময়ে দৈনিক আজাদ অফিসের পাশে এক গলিতে ‘স্কুল’ এর কাজ শুরু করেন। গলির নাম নূর ফাতাহ লেন, বাড়ির নাম ‘ফ্রেন্ডস সেন্টার’। ‘স্কুল’ বৃদ্ধি পেলে তৎকালীন গণপূর্তের চিফ ইঞ্জিনিয়ারি এস এ জব্বারের প্রণোদনায় আজিমপুর এস্টেটে লেডিজ পার্কের জমিতে স্থাপন করলেন আজিমপুর কিন্ডারগার্টেন।

অগ্রণী স্কুলের প্রাথমিক অবস্থায় মুষ্টিমেয় শিক্ষিকাদের সাথে মিসেস মনসুর, ১৯৬০

২০ টাকা দিয়ে প্রকৌশলী রফিকুদ্দিন আহমদের কাছ থেকে দু’টি তাঁবু ও পাশে একটি বেড়ার ঘর নিয়ে স্কুলের কাজ শুরু করেন আনোয়ারা মনসুর। শিক্ষিকা কয়েকজন- নইমুন্নেসা চৌধুরী, রাবেয়া খাতুন, জোবেদা খাতুন, আমেনা কাহার ও হোসনে আরা বেগম।

প্রধান শিক্ষিকা আনোয়ারা মনসুর। ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ১৪ জন। ২১ জানুয়ারি ১৯৫৭ সালে স্কুলের যাত্রা শুরু। তারপর এই স্কুল হলো প্রাইমারি, এরপর জুনিয়র স্কুলে। তাবু পরিবর্তিত হলো টিনের ঘরে। পরিণত হলো বালিকা বিদ্যালয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদল হলো স্কুলের কাঠামো। বাংলা ভাষা পাঠদানের মাধ্যম হলো। ১৯৬৬ সালে এর নামকরণ করেন স্কুলের শিক্ষিকা রোকেয়া মান্নান। নতুন নাম আজিমপুর অগ্রণী বালিকা বিদ্যালয়, ১৯৬৮ সালে স্কুলের ছাত্রীরা প্রথম মাধ্যমিক পরীক্ষা দেয়।

(চলবে)