০৮:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
চীনের দাবি, মেটার বড় এআই অধিগ্রহণ বাতিল করতে হবে আইবিএসের কার্যকর চিকিৎসা: একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের পরামর্শ পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন: শেষ দফাই ফল নির্ধারণে ফয়সালার লড়াই স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধির আড়ালে ভারতের বিশাল অনানুষ্ঠানিক খাতের ধাক্কা, বলছেন অর্থনীতিবিদরা মধ্যপ্রাচ্য সংকটে অ্যালুমিনিয়াম ঘাটতি, চাপ বাড়ছে ভারতের গাড়ি শিল্পে হাওরের বুকজুড়ে ধানের স্বপ্ন ডুবে গেলো, সুনামগঞ্জে ১০ হাজার হেক্টর জমিতে কৃষকের হাহাকার মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় লন্ডন থেকে ঢাকা—সবখানেই বাড়ছে খরচ, বললেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার ওপেক ছাড়ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, জ্বালানি নীতিতে বড় মোড় সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর ৪৬৪ হত্যা, ৬৬৬ ধর্ষণ মামলা—সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তথ্য হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যু, উদ্বেগ বাড়ছে সংক্রমণ নিয়ে

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১)

অগ্রণী স্কুল ও কলেজ

একনিষ্ঠ থাকলে কীভাবে শূন্য থেকে প্রতিষ্ঠান। গড়ে তোলা যায়, তার উদাহরণ ডা. কাজী আনোয়ারা মনসুর ও অগ্রণী স্কুল ও কলেজ। কাজী আনোয়ারা মনসুর, ইউরোপের মার্গারেট ব্রাডলি ও আমেরিকার রানি শর্টার ১৯৫৪ সাল থেকে ঢাকার উইমেন্স ভলানটারি এসোসিয়েশনে কাজ করতেন। তাঁরা ছিলেন বন্ধু।

একেবারে গরিব পরিবারের শিক্ষা দেওয়ার জন্য এক সময়ে দৈনিক আজাদ অফিসের পাশে এক গলিতে ‘স্কুল’ এর কাজ শুরু করেন। গলির নাম নূর ফাতাহ লেন, বাড়ির নাম ‘ফ্রেন্ডস সেন্টার’। ‘স্কুল’ বৃদ্ধি পেলে তৎকালীন গণপূর্তের চিফ ইঞ্জিনিয়ারি এস এ জব্বারের প্রণোদনায় আজিমপুর এস্টেটে লেডিজ পার্কের জমিতে স্থাপন করলেন আজিমপুর কিন্ডারগার্টেন।

অগ্রণী স্কুলের প্রাথমিক অবস্থায় মুষ্টিমেয় শিক্ষিকাদের সাথে মিসেস মনসুর, ১৯৬০

২০ টাকা দিয়ে প্রকৌশলী রফিকুদ্দিন আহমদের কাছ থেকে দু’টি তাঁবু ও পাশে একটি বেড়ার ঘর নিয়ে স্কুলের কাজ শুরু করেন আনোয়ারা মনসুর। শিক্ষিকা কয়েকজন- নইমুন্নেসা চৌধুরী, রাবেয়া খাতুন, জোবেদা খাতুন, আমেনা কাহার ও হোসনে আরা বেগম।

প্রধান শিক্ষিকা আনোয়ারা মনসুর। ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ১৪ জন। ২১ জানুয়ারি ১৯৫৭ সালে স্কুলের যাত্রা শুরু। তারপর এই স্কুল হলো প্রাইমারি, এরপর জুনিয়র স্কুলে। তাবু পরিবর্তিত হলো টিনের ঘরে। পরিণত হলো বালিকা বিদ্যালয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদল হলো স্কুলের কাঠামো। বাংলা ভাষা পাঠদানের মাধ্যম হলো। ১৯৬৬ সালে এর নামকরণ করেন স্কুলের শিক্ষিকা রোকেয়া মান্নান। নতুন নাম আজিমপুর অগ্রণী বালিকা বিদ্যালয়, ১৯৬৮ সালে স্কুলের ছাত্রীরা প্রথম মাধ্যমিক পরীক্ষা দেয়।

(চলবে)

চীনের দাবি, মেটার বড় এআই অধিগ্রহণ বাতিল করতে হবে

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১)

০৭:০০:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫

অগ্রণী স্কুল ও কলেজ

একনিষ্ঠ থাকলে কীভাবে শূন্য থেকে প্রতিষ্ঠান। গড়ে তোলা যায়, তার উদাহরণ ডা. কাজী আনোয়ারা মনসুর ও অগ্রণী স্কুল ও কলেজ। কাজী আনোয়ারা মনসুর, ইউরোপের মার্গারেট ব্রাডলি ও আমেরিকার রানি শর্টার ১৯৫৪ সাল থেকে ঢাকার উইমেন্স ভলানটারি এসোসিয়েশনে কাজ করতেন। তাঁরা ছিলেন বন্ধু।

একেবারে গরিব পরিবারের শিক্ষা দেওয়ার জন্য এক সময়ে দৈনিক আজাদ অফিসের পাশে এক গলিতে ‘স্কুল’ এর কাজ শুরু করেন। গলির নাম নূর ফাতাহ লেন, বাড়ির নাম ‘ফ্রেন্ডস সেন্টার’। ‘স্কুল’ বৃদ্ধি পেলে তৎকালীন গণপূর্তের চিফ ইঞ্জিনিয়ারি এস এ জব্বারের প্রণোদনায় আজিমপুর এস্টেটে লেডিজ পার্কের জমিতে স্থাপন করলেন আজিমপুর কিন্ডারগার্টেন।

অগ্রণী স্কুলের প্রাথমিক অবস্থায় মুষ্টিমেয় শিক্ষিকাদের সাথে মিসেস মনসুর, ১৯৬০

২০ টাকা দিয়ে প্রকৌশলী রফিকুদ্দিন আহমদের কাছ থেকে দু’টি তাঁবু ও পাশে একটি বেড়ার ঘর নিয়ে স্কুলের কাজ শুরু করেন আনোয়ারা মনসুর। শিক্ষিকা কয়েকজন- নইমুন্নেসা চৌধুরী, রাবেয়া খাতুন, জোবেদা খাতুন, আমেনা কাহার ও হোসনে আরা বেগম।

প্রধান শিক্ষিকা আনোয়ারা মনসুর। ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ১৪ জন। ২১ জানুয়ারি ১৯৫৭ সালে স্কুলের যাত্রা শুরু। তারপর এই স্কুল হলো প্রাইমারি, এরপর জুনিয়র স্কুলে। তাবু পরিবর্তিত হলো টিনের ঘরে। পরিণত হলো বালিকা বিদ্যালয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদল হলো স্কুলের কাঠামো। বাংলা ভাষা পাঠদানের মাধ্যম হলো। ১৯৬৬ সালে এর নামকরণ করেন স্কুলের শিক্ষিকা রোকেয়া মান্নান। নতুন নাম আজিমপুর অগ্রণী বালিকা বিদ্যালয়, ১৯৬৮ সালে স্কুলের ছাত্রীরা প্রথম মাধ্যমিক পরীক্ষা দেয়।

(চলবে)