০২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
ইরানে হামলা নিয়ে নতুন পরিকল্পনার খবরে চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তেলের দাম যখন অর্থ ফুরিয়ে যায়, ভবিষ্যৎ গড়ে কে? টঙ্গীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ডিবির ওপর হামলা, সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার; আটক ২৮ কুড়িগ্রামে দারিদ্র্য ৭০% ছাড়িয়েছে, নদীভাঙনে বন্দি লাখো মানুষ ইরান অচলাবস্থায় তেলের দামে নতুন রেকর্ড, ব্যারেল ১২৩ ডলার ছুঁলো হরমুজ প্রণালীতে দম্ভের সংঘর্ষ: ভুল হিসাব, দীর্ঘ যুদ্ধ আর বিশ্ব অর্থনীতির ঝুঁকি কোহিনূর ফেরত দিন—রাজাকে সরাসরি বার্তা নিউইয়র্ক মেয়রের গণতন্ত্রের মানচিত্রে নতুন রেখা: আদালত না রাজনীতি? ইরান যুদ্ধের খরচ ২৫ বিলিয়ন ডলার, কংগ্রেসে তীব্র বিতর্কে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মুখোমুখি প্রশ্ন কানাডার স্কুল হামলা ঘিরে এআই বিতর্ক, ওপেনএআই ও স্যাম অল্টম্যানের বিরুদ্ধে মামলায় তোলপাড়

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-২)

অজিত নাথ ভট্টাচার্য

১৯৩০ সালে আইন অমান্য আন্দোলন শুরু হলো। ঢাকায়ও তা ছড়িয়ে পড়ে। সভা সমাবেশ পিকেটিং চলতে থকে। ২১ জুলাই কার্জন হলের সামনে এরকম পিকেটিং চলাকালে ঢাকার পুলিশ কর্তা হাডসনের নেতৃত্বে পুলিশ পিকেটারদের ঘিরে ফেলে। কার্জন হল থেকে বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু তা দেখছিলেন।

একসময় এক সার্জেন্ট এসে তাঁর কাছে ভিসি কোথায় জানতে চায়। বসু জানান তাঁর কার্যালয়ে। ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে চারদিক মুখরিত হয়ে ওঠে। সত্যেন্দ্রনাথ কার্জন হলের ফটক খুলে দিতে বলেন। ফটক খুলে দিলে ছাত্ররা সেখানে প্রবেশকালীন হাডসনের পুলিশ বাহিনী লাঠিচার্জ শুরু করে।

এইদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে এসেছিলেন অজিত নাথ ভট্টাচার্য। পুলিশ তাঁকে বেধড়ক পেটায়। তাঁকে হাসপাতালে নেয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর পোস্টমর্টেম ও দাহের ভার দেওয়া হয়েছিল আরেক ছাত্র বিনয় কৃষ্ণ রায়ের ওপর। এর একমাস পর বিপ্লবী দলের সদস্য বিনয় মিটফোর্ড হাসপাতালে হাডসনকে গুলি করেন, হাডসন বেঁচে যান। অজিত নাথকে বলা যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহীদ।

(চলবে)

ইরানে হামলা নিয়ে নতুন পরিকল্পনার খবরে চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তেলের দাম

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-২)

০৭:০০:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ জুন ২০২৫

অজিত নাথ ভট্টাচার্য

১৯৩০ সালে আইন অমান্য আন্দোলন শুরু হলো। ঢাকায়ও তা ছড়িয়ে পড়ে। সভা সমাবেশ পিকেটিং চলতে থকে। ২১ জুলাই কার্জন হলের সামনে এরকম পিকেটিং চলাকালে ঢাকার পুলিশ কর্তা হাডসনের নেতৃত্বে পুলিশ পিকেটারদের ঘিরে ফেলে। কার্জন হল থেকে বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু তা দেখছিলেন।

একসময় এক সার্জেন্ট এসে তাঁর কাছে ভিসি কোথায় জানতে চায়। বসু জানান তাঁর কার্যালয়ে। ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে চারদিক মুখরিত হয়ে ওঠে। সত্যেন্দ্রনাথ কার্জন হলের ফটক খুলে দিতে বলেন। ফটক খুলে দিলে ছাত্ররা সেখানে প্রবেশকালীন হাডসনের পুলিশ বাহিনী লাঠিচার্জ শুরু করে।

এইদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে এসেছিলেন অজিত নাথ ভট্টাচার্য। পুলিশ তাঁকে বেধড়ক পেটায়। তাঁকে হাসপাতালে নেয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর পোস্টমর্টেম ও দাহের ভার দেওয়া হয়েছিল আরেক ছাত্র বিনয় কৃষ্ণ রায়ের ওপর। এর একমাস পর বিপ্লবী দলের সদস্য বিনয় মিটফোর্ড হাসপাতালে হাডসনকে গুলি করেন, হাডসন বেঁচে যান। অজিত নাথকে বলা যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহীদ।

(চলবে)