০৯:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
ভারতীয় রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার ও দূতাবাস বন্ধের দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ মার্কিন-ইরান শান্তি চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা, আবারও বাড়ল তেলের দাম তিন বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে উদ্ধার সিলেটের অপহৃত স্কুলছাত্রী, গ্রেপ্তার গৃহশিক্ষক রেস্তোরাঁ মালিকদের দাবি: একক ভ্যাট, হয়রানিমুক্ত ব্যবসা পরীমণির আর্জেন্টিনা প্রেম: মেসি জার্সিতে তারকাদের সিগনেচার উদযাপন অনুকরণ নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টস কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ, আহত ১৫; নিরাপত্তা ত্রুটির অভিযোগে সড়ক অবরোধ আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি করিম খান ব্রিটিশ বার থেকে সাময়িক বরখাস্ত অস্ট্রেলিয়ার ১৯৬ রানও থামাতে পারল না বাংলাদেশ, সিরিজ জিতে নিল সফরকারীরা একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী আর নেই মোহাম্মদপুরে কুপিয়ে জখম বিএনপি নেতা, রাজনৈতিক বিরোধের ইঙ্গিত

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-২)

অজিত নাথ ভট্টাচার্য

১৯৩০ সালে আইন অমান্য আন্দোলন শুরু হলো। ঢাকায়ও তা ছড়িয়ে পড়ে। সভা সমাবেশ পিকেটিং চলতে থকে। ২১ জুলাই কার্জন হলের সামনে এরকম পিকেটিং চলাকালে ঢাকার পুলিশ কর্তা হাডসনের নেতৃত্বে পুলিশ পিকেটারদের ঘিরে ফেলে। কার্জন হল থেকে বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু তা দেখছিলেন।

একসময় এক সার্জেন্ট এসে তাঁর কাছে ভিসি কোথায় জানতে চায়। বসু জানান তাঁর কার্যালয়ে। ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে চারদিক মুখরিত হয়ে ওঠে। সত্যেন্দ্রনাথ কার্জন হলের ফটক খুলে দিতে বলেন। ফটক খুলে দিলে ছাত্ররা সেখানে প্রবেশকালীন হাডসনের পুলিশ বাহিনী লাঠিচার্জ শুরু করে।

এইদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে এসেছিলেন অজিত নাথ ভট্টাচার্য। পুলিশ তাঁকে বেধড়ক পেটায়। তাঁকে হাসপাতালে নেয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর পোস্টমর্টেম ও দাহের ভার দেওয়া হয়েছিল আরেক ছাত্র বিনয় কৃষ্ণ রায়ের ওপর। এর একমাস পর বিপ্লবী দলের সদস্য বিনয় মিটফোর্ড হাসপাতালে হাডসনকে গুলি করেন, হাডসন বেঁচে যান। অজিত নাথকে বলা যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহীদ।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতীয় রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার ও দূতাবাস বন্ধের দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-২)

০৭:০০:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ জুন ২০২৫

অজিত নাথ ভট্টাচার্য

১৯৩০ সালে আইন অমান্য আন্দোলন শুরু হলো। ঢাকায়ও তা ছড়িয়ে পড়ে। সভা সমাবেশ পিকেটিং চলতে থকে। ২১ জুলাই কার্জন হলের সামনে এরকম পিকেটিং চলাকালে ঢাকার পুলিশ কর্তা হাডসনের নেতৃত্বে পুলিশ পিকেটারদের ঘিরে ফেলে। কার্জন হল থেকে বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু তা দেখছিলেন।

একসময় এক সার্জেন্ট এসে তাঁর কাছে ভিসি কোথায় জানতে চায়। বসু জানান তাঁর কার্যালয়ে। ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে চারদিক মুখরিত হয়ে ওঠে। সত্যেন্দ্রনাথ কার্জন হলের ফটক খুলে দিতে বলেন। ফটক খুলে দিলে ছাত্ররা সেখানে প্রবেশকালীন হাডসনের পুলিশ বাহিনী লাঠিচার্জ শুরু করে।

এইদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে এসেছিলেন অজিত নাথ ভট্টাচার্য। পুলিশ তাঁকে বেধড়ক পেটায়। তাঁকে হাসপাতালে নেয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর পোস্টমর্টেম ও দাহের ভার দেওয়া হয়েছিল আরেক ছাত্র বিনয় কৃষ্ণ রায়ের ওপর। এর একমাস পর বিপ্লবী দলের সদস্য বিনয় মিটফোর্ড হাসপাতালে হাডসনকে গুলি করেন, হাডসন বেঁচে যান। অজিত নাথকে বলা যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহীদ।

(চলবে)