০৬:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অদৃশ্য মূল্য: পূর্ব এশিয়ার মানুষ কি প্রযুক্তি বিপ্লবের স্বাস্থ্যখরচ বহন করছে? নিয়ন্ত্রণের সীমা: ইরান যুদ্ধ কেন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সতর্কবার্তা নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু বিশ্বব্যাংকের প্রকল্পে ‘চাঁদা’ বিতর্ক: মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি, ছুঁইছুঁই সর্বকালের রেকর্ড কুমিল্লায় দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত সুপারভাইজার, চালকরা পালিয়েছেন নন্দিনী হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি, ফলিমারী গ্রামের আতঙ্ক দূরের আহ্বান রাজশাহী মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে চুরির সন্দেহে পিটিয়ে যুবক হত্যা, আটক ৩ হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, দেশে মোট মৃত্যু ৬৭০ ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় জ্বালানি সংকট, পর্যটন মৌসুমে বড় ধাক্কা

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-২)

অজিত নাথ ভট্টাচার্য

১৯৩০ সালে আইন অমান্য আন্দোলন শুরু হলো। ঢাকায়ও তা ছড়িয়ে পড়ে। সভা সমাবেশ পিকেটিং চলতে থকে। ২১ জুলাই কার্জন হলের সামনে এরকম পিকেটিং চলাকালে ঢাকার পুলিশ কর্তা হাডসনের নেতৃত্বে পুলিশ পিকেটারদের ঘিরে ফেলে। কার্জন হল থেকে বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু তা দেখছিলেন।

একসময় এক সার্জেন্ট এসে তাঁর কাছে ভিসি কোথায় জানতে চায়। বসু জানান তাঁর কার্যালয়ে। ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে চারদিক মুখরিত হয়ে ওঠে। সত্যেন্দ্রনাথ কার্জন হলের ফটক খুলে দিতে বলেন। ফটক খুলে দিলে ছাত্ররা সেখানে প্রবেশকালীন হাডসনের পুলিশ বাহিনী লাঠিচার্জ শুরু করে।

এইদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে এসেছিলেন অজিত নাথ ভট্টাচার্য। পুলিশ তাঁকে বেধড়ক পেটায়। তাঁকে হাসপাতালে নেয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর পোস্টমর্টেম ও দাহের ভার দেওয়া হয়েছিল আরেক ছাত্র বিনয় কৃষ্ণ রায়ের ওপর। এর একমাস পর বিপ্লবী দলের সদস্য বিনয় মিটফোর্ড হাসপাতালে হাডসনকে গুলি করেন, হাডসন বেঁচে যান। অজিত নাথকে বলা যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহীদ।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অদৃশ্য মূল্য: পূর্ব এশিয়ার মানুষ কি প্রযুক্তি বিপ্লবের স্বাস্থ্যখরচ বহন করছে?

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-২)

০৭:০০:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ জুন ২০২৫

অজিত নাথ ভট্টাচার্য

১৯৩০ সালে আইন অমান্য আন্দোলন শুরু হলো। ঢাকায়ও তা ছড়িয়ে পড়ে। সভা সমাবেশ পিকেটিং চলতে থকে। ২১ জুলাই কার্জন হলের সামনে এরকম পিকেটিং চলাকালে ঢাকার পুলিশ কর্তা হাডসনের নেতৃত্বে পুলিশ পিকেটারদের ঘিরে ফেলে। কার্জন হল থেকে বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু তা দেখছিলেন।

একসময় এক সার্জেন্ট এসে তাঁর কাছে ভিসি কোথায় জানতে চায়। বসু জানান তাঁর কার্যালয়ে। ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে চারদিক মুখরিত হয়ে ওঠে। সত্যেন্দ্রনাথ কার্জন হলের ফটক খুলে দিতে বলেন। ফটক খুলে দিলে ছাত্ররা সেখানে প্রবেশকালীন হাডসনের পুলিশ বাহিনী লাঠিচার্জ শুরু করে।

এইদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে এসেছিলেন অজিত নাথ ভট্টাচার্য। পুলিশ তাঁকে বেধড়ক পেটায়। তাঁকে হাসপাতালে নেয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর পোস্টমর্টেম ও দাহের ভার দেওয়া হয়েছিল আরেক ছাত্র বিনয় কৃষ্ণ রায়ের ওপর। এর একমাস পর বিপ্লবী দলের সদস্য বিনয় মিটফোর্ড হাসপাতালে হাডসনকে গুলি করেন, হাডসন বেঁচে যান। অজিত নাথকে বলা যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহীদ।

(চলবে)