০৩:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে পারমাণবিক ক্ষুদ্র চুল্লি, ব্যয় হবে ২২০ কোটি ডলার ইরানে ডলারের দাম ছাড়াল ২০ লাখ রিয়াল, চরম সংকটে সাধারণ মানুষের জীবন ডলারের স্থিতিশীলতা, জাপানি ইয়েনে বড় পরিবর্তন নেই—জ্যাকসন হোলের দিকে নজর বাজারের কিয়েভে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, শোনা গেল একের পর এক বিস্ফোরণ রাশিয়ার ওপর ‘স্লেজহ্যামার’ নিষেধাজ্ঞা, আগামী মাসে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে পাসের আশা কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির আশায় ছিল গাড়ি নির্মাতারা, হঠাৎ দ্বিগুণ শুল্কের ধাক্কা এনভিডিয়ার আয় ৭০ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিনিয়োগের জোয়ার আরও কয়েক বছর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে কর্মী ছাঁটাইয়ের জাকারবার্গের বড় পরিকল্পনা যেভাবে ভেস্তে গেল ইরানের মুদ্রার ঐতিহাসিক পতন, এক ডলারে ২০ লাখ রিয়াল ছাড়াল চীনের মানবসদৃশ রোবট এখনো মানুষের চাকরি নেওয়ার মতো বুদ্ধিমান হয়নি

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-২)

অজিত নাথ ভট্টাচার্য

১৯৩০ সালে আইন অমান্য আন্দোলন শুরু হলো। ঢাকায়ও তা ছড়িয়ে পড়ে। সভা সমাবেশ পিকেটিং চলতে থকে। ২১ জুলাই কার্জন হলের সামনে এরকম পিকেটিং চলাকালে ঢাকার পুলিশ কর্তা হাডসনের নেতৃত্বে পুলিশ পিকেটারদের ঘিরে ফেলে। কার্জন হল থেকে বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু তা দেখছিলেন।

একসময় এক সার্জেন্ট এসে তাঁর কাছে ভিসি কোথায় জানতে চায়। বসু জানান তাঁর কার্যালয়ে। ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে চারদিক মুখরিত হয়ে ওঠে। সত্যেন্দ্রনাথ কার্জন হলের ফটক খুলে দিতে বলেন। ফটক খুলে দিলে ছাত্ররা সেখানে প্রবেশকালীন হাডসনের পুলিশ বাহিনী লাঠিচার্জ শুরু করে।

এইদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে এসেছিলেন অজিত নাথ ভট্টাচার্য। পুলিশ তাঁকে বেধড়ক পেটায়। তাঁকে হাসপাতালে নেয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর পোস্টমর্টেম ও দাহের ভার দেওয়া হয়েছিল আরেক ছাত্র বিনয় কৃষ্ণ রায়ের ওপর। এর একমাস পর বিপ্লবী দলের সদস্য বিনয় মিটফোর্ড হাসপাতালে হাডসনকে গুলি করেন, হাডসন বেঁচে যান। অজিত নাথকে বলা যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহীদ।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে পারমাণবিক ক্ষুদ্র চুল্লি, ব্যয় হবে ২২০ কোটি ডলার

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-২)

০৭:০০:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ জুন ২০২৫

অজিত নাথ ভট্টাচার্য

১৯৩০ সালে আইন অমান্য আন্দোলন শুরু হলো। ঢাকায়ও তা ছড়িয়ে পড়ে। সভা সমাবেশ পিকেটিং চলতে থকে। ২১ জুলাই কার্জন হলের সামনে এরকম পিকেটিং চলাকালে ঢাকার পুলিশ কর্তা হাডসনের নেতৃত্বে পুলিশ পিকেটারদের ঘিরে ফেলে। কার্জন হল থেকে বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু তা দেখছিলেন।

একসময় এক সার্জেন্ট এসে তাঁর কাছে ভিসি কোথায় জানতে চায়। বসু জানান তাঁর কার্যালয়ে। ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে চারদিক মুখরিত হয়ে ওঠে। সত্যেন্দ্রনাথ কার্জন হলের ফটক খুলে দিতে বলেন। ফটক খুলে দিলে ছাত্ররা সেখানে প্রবেশকালীন হাডসনের পুলিশ বাহিনী লাঠিচার্জ শুরু করে।

এইদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে এসেছিলেন অজিত নাথ ভট্টাচার্য। পুলিশ তাঁকে বেধড়ক পেটায়। তাঁকে হাসপাতালে নেয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর পোস্টমর্টেম ও দাহের ভার দেওয়া হয়েছিল আরেক ছাত্র বিনয় কৃষ্ণ রায়ের ওপর। এর একমাস পর বিপ্লবী দলের সদস্য বিনয় মিটফোর্ড হাসপাতালে হাডসনকে গুলি করেন, হাডসন বেঁচে যান। অজিত নাথকে বলা যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহীদ।

(চলবে)