১২:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ, সক্ষমতা আরও জোরালো করল পাকিস্তান সেনাবাহিনী বৃষ্টিতে ডুবল চট্টগ্রাম, বুকসমান পানিতে অচল সড়ক—দুর্ভোগে নগরবাসী যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য ঊর্ধ্বমুখী, ২০২৬ সালে বাড়তে পারে ১৬% চট্টগ্রামে চার সামাজিক সংগঠনের হাতে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার অনুদান, তৃণমূলে উন্নয়নে জোর নেগেরি সেম্বিলানে ক্ষমতার টানাপোড়েন, আনোয়ার জোটে নতুন সংকট ‘দেশে জঙ্গি নেই’—এই বক্তব্য ভুল, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে: তথ্য উপদেষ্টা খালি পেটে ৪ ঘরোয়া পানীয়, ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহজ অভ্যাস স্বামীর ছুরিকাঘাতে সিলেটে গৃহবধূ নিহত, অভিযুক্ত পলাতক ২০২৬ সালের সেরা বইগুলো: ‘কিন’, ‘লন্ডন ফলিং’সহ আরও কিছু আলোচিত বই অ্যানজ্যাক ডেতে একাই হাজির কেট মিডলটন, নজর কাড়ল বিরল রাজকীয় গয়নার গল্প

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২১৬)

অর্থাৎ সমরাশিকে সমরাশি দ্বারা তিনবার গুণ করিলে ঘন পাওয়া যায়। শেষ রাশির ঘন বাহির করিয়া রাখিতে হইবে। তাহার পর, শেষ রাশির বর্গ প্রথম রাশির তিনগুণের দ্বারা গুণ করিতে হইবে। তারপর প্রথম রাশির বর্গ তিন গুণ করিয়া শেষে রাখিতে হইবে এবং শেষে প্রথম রাশির ঘন লইতে হইবে।

এইগুলি সমস্ত যোগ করিতে হইবে; সেই সংখ্যাটিকে দুইটি ভাগ করিয়া একটিকে শেষে রাখিতে হইবে। এইভাবে পুনঃ পুনঃ করিতে হইবে। অথবা এই নিয়ম রাশির প্রথম স্থানটিকে লইতে হইবে ঘন বা বর্গ বাহির করিবার জন্য।

অথবা সেই সংখ্যার তিন গুণকে ইহার দুইটি খণ্ডের দ্বারা গুণ করিতে হইবে। ঐ খণ্ডগুলির ঘন বাহির করিয়া যোগ করিতে হইবে। অথবা নির্দিষ্ট সংখ্যার বর্গমূলকে ঘন করিতে হইবে, পরে উহাই বর্গমূলের ঘনবর্গ হইবে।

এই প্রসঙ্গে দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য সুন্দর উদাহরণ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন:

নবঘনং ত্রিঘনশ্চ ঘনং তথা কথয় পঞ্চ ঘনস্থ্য ঘনঞ্চমে।
ঘনপদঞ্চ ততোহপি ঘনাৎ সখেযথদি ঘনেহস্তি ঘনা ভবতো মতিঃ।

অর্থাৎ হে সথে যদি তোমার ঘন সম্বন্ধে সেরূপ বুদ্ধি থাকে, তাহলে বল ৯ এর ঘন কত? তিনের ঘনের ঘন কত? পাঁচের ঘনের ঘন কত? এবং সেই ঘনগুলির ঘন কত। উল্লেখযোগ্য এই উদাহরণটির মধ্যে সূচক প্রকরণের ইঙ্গিত বহন করছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২১৫)

 

 

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২১৫)

ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ, সক্ষমতা আরও জোরালো করল পাকিস্তান সেনাবাহিনী

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২১৬)

০৩:৩৭:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

অর্থাৎ সমরাশিকে সমরাশি দ্বারা তিনবার গুণ করিলে ঘন পাওয়া যায়। শেষ রাশির ঘন বাহির করিয়া রাখিতে হইবে। তাহার পর, শেষ রাশির বর্গ প্রথম রাশির তিনগুণের দ্বারা গুণ করিতে হইবে। তারপর প্রথম রাশির বর্গ তিন গুণ করিয়া শেষে রাখিতে হইবে এবং শেষে প্রথম রাশির ঘন লইতে হইবে।

এইগুলি সমস্ত যোগ করিতে হইবে; সেই সংখ্যাটিকে দুইটি ভাগ করিয়া একটিকে শেষে রাখিতে হইবে। এইভাবে পুনঃ পুনঃ করিতে হইবে। অথবা এই নিয়ম রাশির প্রথম স্থানটিকে লইতে হইবে ঘন বা বর্গ বাহির করিবার জন্য।

অথবা সেই সংখ্যার তিন গুণকে ইহার দুইটি খণ্ডের দ্বারা গুণ করিতে হইবে। ঐ খণ্ডগুলির ঘন বাহির করিয়া যোগ করিতে হইবে। অথবা নির্দিষ্ট সংখ্যার বর্গমূলকে ঘন করিতে হইবে, পরে উহাই বর্গমূলের ঘনবর্গ হইবে।

এই প্রসঙ্গে দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য সুন্দর উদাহরণ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন:

নবঘনং ত্রিঘনশ্চ ঘনং তথা কথয় পঞ্চ ঘনস্থ্য ঘনঞ্চমে।
ঘনপদঞ্চ ততোহপি ঘনাৎ সখেযথদি ঘনেহস্তি ঘনা ভবতো মতিঃ।

অর্থাৎ হে সথে যদি তোমার ঘন সম্বন্ধে সেরূপ বুদ্ধি থাকে, তাহলে বল ৯ এর ঘন কত? তিনের ঘনের ঘন কত? পাঁচের ঘনের ঘন কত? এবং সেই ঘনগুলির ঘন কত। উল্লেখযোগ্য এই উদাহরণটির মধ্যে সূচক প্রকরণের ইঙ্গিত বহন করছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২১৫)

 

 

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২১৫)